Sharing is caring!

বিসিএস ভাইভা দেবার আগে সবাই সাধারণত আগের বছরে ক্যাডার অথবা ২/১ বার ভাইভা দিয়েছেন এমন আপুদের কাছে থেকে পরামর্শ নিতে যাবেন। আমার মতে হুবহু তাদেরকে নকল করার দরকার নেই। আপনি নিজে যথেষ্ট matured. তাই কী পরবেন বা কী না পরবেন তা আপনার সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত। কেউ শাড়ি পড়ে গেলেই যেমন ভাল ক্যাডার পাবেন না তেমনি শাড়ি না পরে গেলেও যে ভাল ক্যাডার পাবেন তার কোন নিশ্চয়তা নেই।

ভাইভা বোর্ড ভয়ের কোন জায়গা নয়। আপনি যোগ্য বলেই সেখানে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। কেউ দয়া করে দিয়ে যায়নি আপনাকে। আর ক্যাডার হবার ব্যাপারটা আমি বলব অনেকটাই আপনার ভাগ্যের উপর এবং আপনার লিখিত এবং ভাইভা পারফরম্যান্সের এর উপর নির্ভরশীল।

তাই পড়ার পাশাপাশি নিজের কিছু বাড়তি যত্ন নেবার দরকার আছে। কথায় আছে, আগে দর্শনধারী পরে গুনবিচারী। এই দর্শনধারী মানে কিন্তু ঐশ্বরিয়া রাই টাইপ সুন্দরী হতে হবে তা নয়, বরং আপনার পোশাকে, আপনার চালচলনে আপনার রুচি এবং ব্যক্তিত্ব কিভাবে ফুটে উঠেছে এবং কিভাবে একজন বিচারকের সামনে আপনি নিজেকে তুলে ধরছেন সেটা।

এক্ষেত্রে আমার অভিমত হলঃ
১। একজন সরকারি কর্মচারী তার সরকার তথা দেশের প্রতিনিধি। আর শাড়ি হচ্ছে আমাদের দেশের ঐতিহ্য এবং দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সকল মহিলা মন্ত্রি এমনকি বি.পি.এস.সি এর নারী সসস্যরাও শাড়ি পড়েই অফিস করেন। আপনি যেহেতু সেই প্রজাতন্ত্রের নিয়োগ পেতে ভাইভা দিতে যাচ্ছেন তাই ভাইভার দিন পোশাক হিসাবে শাড়ি নির্বাচন করুন। এতে ওই দিন আপনার ভেতর একটা আত্মবিশ্বাস কাজ করবে। এছাড়া অনেক ভাইভা বোর্ড এ কেন শাড়ি পড়েনি এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়।

২। জুতার ক্ষেত্রে লম্বা আপুরা স্লিপার পড়লেও আমার মত তুলনামূলক কম লম্বা আছেন যারা তারা ফ্ল্যাট হিল পরবেন। শাড়ির নিচে হীল দেখা যাবে না ততটা এটা একটা plus point.
৩। হালকা রংয়ের শাড়ি নির্বাচন করুন। দিনের বেলা ভাইভা বিধায় হালকা গোলাপি বা হাল্কা নীল রং বেছে নিতে পারেন। খেয়াল করবেন রঙ নির্বাচন এর উপর আপনার ব্যক্তিত্ব অনেকাংশে নির্ভরশীল।

৪। অবশ্যই হাতঘড়ি পড়ুন। ভাইভার দিন কিন্তু মোবাইল নিতে পারবেন না। আর অন্যদের কাছে সময় জানতে চাওয়াটাও কেমন যেন হয়। ৫। আপনার প্রবেশপত্র, হিজাবসহ বা ছাড়া যেমন ছবি থাকবে তেমন ভাবেই যাবেন। অন্যদের কোন বুদ্ধি না শোনাই ভাল। কারণ আপনার কি values সেটা আপনি ভাল জানেন এবং আপনাকেই ভাইভা বোর্ডের সদস্যদের সন্তুষ্ট করতে হবে আপনার যুক্তি দিয়ে যেটা অন্যদের বেলায় নাও থাকতে পারে।

৬। চুড়ি বা ভারী অলংকার একদম না। ৭। হালকা কানের দুল পড়বেন শাড়ির সাথে ম্যাচ করে। ৮। বারবার শাড়ি ঠিক আছে কিনা এই টেনশন করবেন না। অনেক বেশি করে সেফটিফিন দেবেন যেন পরবর্তী ২ দিনেও শাড়ি displace না হতে পারে। আজকাল পার্লারে খুব সুন্দর শাড়ি পড়ায়। ৯। হালকা লিপস্টিক আর কাজল দেবেন।

১০। নেইলপলিশ আমি ব্যক্তিগরভাবে পছন্দ করি না। তবে skin color চলতে পারে। আর অবশ্যই অত্যাধিক বড় নখ রাখবেন না। ব্যস…Just go for simple yet elegant look

বিঃদ্রঃ এগুলো একান্তই আমার ব্যক্তিগত মতামত। আপনি কিভাবে নিজেকে প্রস্তুত করবেন এটা একান্তই আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। শুভকামনা রইলো…

লেখক : জান্নাত আরা তিথি,
৩৪তম বিসিএস এ এ্যাডমিনে সুপারিশপ্রাপ্ত

https://i2.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2021/04/IMG_20210424_124317.jpg?fit=720%2C463&ssl=1?v=1619246909https://i2.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2021/04/IMG_20210424_124317.jpg?resize=150%2C150&ssl=1?v=1619246909culiveক্যারিয়ারজব প্রিপারেশনমতামতবিসিএস ভাইভায় মেয়েদের পোশাকবিসিএস ভাইভা দেবার আগে সবাই সাধারণত আগের বছরে ক্যাডার অথবা ২/১ বার ভাইভা দিয়েছেন এমন আপুদের কাছে থেকে পরামর্শ নিতে যাবেন। আমার মতে হুবহু তাদেরকে নকল করার দরকার নেই। আপনি নিজে যথেষ্ট matured. তাই কী পরবেন বা কী না পরবেন তা আপনার সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত। কেউ শাড়ি পড়ে গেলেই...#1 News portal of Chittagong University

Sharing is caring!