Sharing is caring!


রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তৃপক্ষের অবহেলা, অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও দূর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে চিকিৎসা সেবা ভেঙ্গে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় ওয়ার্ড বয় ও নার্স দ্বারা চলছেন রোগীদের চিকিৎসা সেবা।

রৌমারী উপজেলা হাসপাতালটি প্রায় ৩ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার একমাত্র কেন্দ্রস্থল। অথচ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের একঘেয়ামির কারণে বঞ্চিত হচ্ছে রোগীরা যথাযথ চিকিৎসা সেবা। 

জানা যায়, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ডা. মোমেনুল ইসলাম হাসপাতাল থেকে ১শ গজ দক্ষিণে নিজের রৌমারী ক্লিনিক নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। সে ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ভাবে নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রতি নজর বা সময় বেশি দেন তিনি। এছাড়া জাহিদুল নামে হাসপাতালের বাবুর্চি নেওয়া হয়েছে। সে বিভিন্ন রোগীদের কাঁটা, ছেঁড়া ও সেলাই করেন এমনও অভিযোগ রোগীদের।

 

এদিকে ৫০ লাখ টাকা দামের ৫০ এম এম এক্স-রে মেশিনটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গ্রহনের পর থেকেই ব্যবহার হচ্ছেনা। পুরাতন এ্যাম্বুলেন্সটি মেরামতের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিলেও সংস্কারের কাজ করছে না। ফলে এ্যাম্বলেন্সটি অকেজো হয়ে আছে। 


                         হাসপাতালের পাশে রৌমারী ক্লিনিক

এছাড়া হাসপাতালের রোগীর ওয়ার্ডের বার্থরুম ব্যবহার অনুপোযোগী। এমনকি হাসপাতালে বহিরাগত রোগীদের স্লিপ দেওয়ার দায়িত্বে জনবল না থাকায়, চিকিৎসা নিতে অসা রোগীরা ব্যাপক হয়রানির স্বীকার হতে হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনেচ্ছিুক চিকিৎসা নিতে আসা এক নার‌ী বলেন, সকালে এসেছি এখন দুপুর পেরিয়ে গেছে অথচ এখনো ডাক্তার দেখাতে পারিনি। হাসপাতালের ডাক্তার দেখাতে স্লিপ নিতে বিভিন্ন জনের কছে যেতে হচ্ছে।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এক শিশুর মা বলেন, এখানে শিশুটির চিকিৎসা নিতে এসেছি। অথচ হাসপাতালের যে পরিবেশ, সুস্থ্য মানুষও অসুস্থ হয়ে যাবে। ডাক্তারদের কখনো দেখা যায়না। দিনে দু একবার নার্সরা এসে নিজেদের কক্ষে চলে যায়। 

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, হাসপাতালের কারো কারো রুমে চলে মাদকের আসোর। যার কারণে রাত হলেই রোগী ছাড়া বহিরাগতদের দেখা যায়।

এ ব্যাপারে রৌমারী হাসপাতালের দায়িত্বরত টিএইচও ডা. মোমেনুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। তবে জাহিদুল নামের ব্যক্তিকে অতিরিক্ত মশালচি (বাবুর্চি) হিসেবে নেওয়া হয়েছে । কিন্তু রোগীদের কাঁটা, ছেঁড়া ও সেলাই করেন কি না তা আমার জানা নেই । এ বিষয়ে আমি খোঁজ নিয়ে দেখবো। 

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি এ সম্পর্কে কিছু জানি না। তার পরেও খোঁজখবর নিচ্ছি। সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ব্রেকিংনিউজ/এসপি





সৌজন্যে

Sharing is caring!

https://i0.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2020/02/130983_46546.4.jpg?fit=600%2C350&ssl=1?v=1581594957https://i0.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2020/02/130983_46546.4.jpg?resize=150%2C150&ssl=1?v=1581594957culiveআদার্সকরোনা ভাইরাস,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল,চবি,চীন,পর্নোগ্রাফি,ভাইরাল,ভাইরাস,রোমান্স,শিক্ষার্থীরৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তৃপক্ষের অবহেলা, অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও দূর্বল...#1 News portal of Chittagong University