Sharing is caring!

সকাল কি সন্ধ্যা, দুপুর কি মধ্যরাত, কাকডাকা ভোর বা রাঙা প্রভাত যখনই যেখানে যাচ্ছেন লোকজন পঙ্গপালের মত ছুটছে, তাঁকে দেখতে, শুনতে!
অাবাল বৃদ্ধ বনিতা, শিক্ষিত কিংবা মুর্খ, গবেষক থেকে প্রভাষক, ডাক্তার থেকে প্রফেসর, সাংবাদিক থেকে প্রাবন্ধিক, অাস্তিক অথবা নাস্তিক! সবার মুখেই অালোচনা অথবা সমালোচনা…।

যে যুবকরা রাত ১২ টর পড়ে বা নির্জনে পর্নদেখতো সে এখন তাঁকে শুনছে, মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে..।
তিনটি ভাষায় অনল পারদর্শী, এপ্রোপ্রিয়েট প্রনন্সিয়েশনে বলার ভঙ্গি, রেফারেন্সের সাথে ঘন্টার পর ঘণ্টা শ্রোতা ধরে রাখার ব্যাপক দক্ষতা তাঁকে তাঁর বিরুদ্ধবাদীদেরকেও সমানভাবে টানছে।

গত ৫০ বছরে ওয়াজের ট্রাডিশন ভেঙে মাটির নিচের এবং অাকাশের উপরের ঘটনার থেকেও মাটির উপরের ঘটমান-চলমান বিষয়গুলো প্রাধান্য দিয়ে ওয়াজ করছেন। সামাজিক অনাচার অসঙ্গতি তাঁর অালোচনার মুখ্য বিষয়।
বয়স ৩০ পার হয়নি। কুরঅানিক সাইন্স ইন এমব্রয়লজি (কুরঅানে ভ্রুণ তত্ত্ব) নিয়ে PHD করছেন বিশ্বের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
দেখতে অাকর্ষণীয় ফ্যাশন সচেতন এই মানুষটার রয়েছে সুরেলা কণ্ঠ! কথাবার্তায় বেশ মার্জিত!

ক্ষমতাসীন এমপি মন্ত্রীরা তাঁকে ডাকছেন, ৩/৪শ পুলিশ প্রটোকল দিয়ে তার মাহফিল করছেন।বেশ সতর্কতার সাথে কথা বলছেন

তিনি ওয়াজ করছেন যুবকদের যৌতুকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে, শপত করাচ্ছেন উপস্থিত বাবা মাকেও যৌতুক না দিয়ে বিয়ে করাতে, পারিবারিক অশান্তি রোধে স্বামী স্ত্রী, বউ- শাশুড়ীর সম্পর্কের সৌন্দর্য উপস্থাপন করছেন অসাধারণ ভাবে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যাবহারের বিষয়েও তুলে ধরছেন, নেশার কবল থেকে ইয়াংদের বাঁচাতে সরকার যখন পেরে উঠছেননা তখন যুবকদের অাগ্রহের কেন্দ্রে অবস্থান করা এই মানুষটাকে এম্বাসেডর হিসেবে কাজে লাগানো গেলে মন্দ হতো না।

সব সরকারই বিভিন্ন সময় ধর্মীয় বিজ্ঞজনদের সহায়তা চান, বিষয়ভিত্তিক অালোচনা করতে বলেন। দিকনির্দেশনা দেন।

সে হিসেবে মনে হয় ব্যাপক একটা অবস্থান করে নিয়েছেন অাপামর যুবকদের মধ্যে।
সমসাময়িক এই অালোচনা গুলো দরকার, খুবই ইম্পর্ট্যান্ট।

কপিঃ ফরহাদ চৌঃ এর টাইমলাইন থেকে।

Sharing is caring!

https://i0.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2020/01/azhari-owaz-bokta.jpg?fit=960%2C720&ssl=1?v=1580302738https://i1.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2020/01/azhari-owaz-bokta.jpg?resize=150%2C150&ssl=1?v=1580302738culiveব্যাক্তিত্বমতামতমিজানুর রহমান আযহারীসকাল কি সন্ধ্যা, দুপুর কি মধ্যরাত, কাকডাকা ভোর বা রাঙা প্রভাত যখনই যেখানে যাচ্ছেন লোকজন পঙ্গপালের মত ছুটছে, তাঁকে দেখতে, শুনতে! অাবাল বৃদ্ধ বনিতা, শিক্ষিত কিংবা মুর্খ, গবেষক থেকে প্রভাষক, ডাক্তার থেকে প্রফেসর, সাংবাদিক থেকে প্রাবন্ধিক, অাস্তিক অথবা নাস্তিক! সবার মুখেই অালোচনা অথবা সমালোচনা...। যে যুবকরা রাত ১২ টর পড়ে বা...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University