Sharing is caring!

নিয়োগ পাওয়ার মাত্র দুই মাসের মাথায় ২০০টি ধর্ষণ মামলার তদন্ত শেষ করেছেন পাকিস্তানের এক নারী পুলিশ। কুলসুম ফাতিমা নামের ওই স্টেশন হাউজ অফিসার (এসএইচও) দেশটির পাঞ্জাব প্রদেশের পাকপাতান জেলার প্রথম এসএইচও।

ফাতিমার এমন সাফল্য চারদিকে আলোচনার ঝড় তুলেছে। বিবিসিসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম তার সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছে।

ফাতিমা বলছেন, নাবালিকাদের প্রতি তার দেশের পুরুষদের যে আচরণ সেটি তিনি কখনোই মানতে পারেননি। ভেতরে ভেতরে বিষয়টি নিয়ে তার একটি ক্ষোভ ছিল। সেই ক্ষোভ উগরে দেন চাকরি পাওয়ার পর।

‘সব সময় ভাবতাম কবে ধর্ষকদের শায়েস্তা করতে পারবো। সাব-ইন্সপেক্টরের পরীক্ষা দেওয়ার পর সেই সুযোগ পেয়ে যাই,’ বলছিলেন ফাতিমা।

তিনি জানান, যা সবসময় করতে চেয়েছেন সেই দায়িত্ব পাওয়ায় তিনি দারুণ খুশি।

এই নারী পুলিশ কর্মকর্তা ইতিমধ্যে সব তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।

ফাতিমাকে নিয়োগ দেন জেলা পুলিশ অফিসার এবাদত নিসার। তিনি আশা করছেন, তার বিভাগে নারীদের অংশগ্রহণ আরও বাড়লে ধর্ষণের মতো অপরাধ দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসবে।

Sharing is caring!

https://i2.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2020/01/দুই-মাসে-২০০-ধর্ষকের-ঘুম-হারাম-করেছেন-এই-নারী-পুলিশ.jpg?fit=750%2C422&ssl=1?v=1578814205https://i1.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2020/01/দুই-মাসে-২০০-ধর্ষকের-ঘুম-হারাম-করেছেন-এই-নারী-পুলিশ.jpg?resize=150%2C150&ssl=1?v=1578814205culiveআন্তর্জাতিকগল্পনারী পুলিশ,ফাতিমানিয়োগ পাওয়ার মাত্র দুই মাসের মাথায় ২০০টি ধর্ষণ মামলার তদন্ত শেষ করেছেন পাকিস্তানের এক নারী পুলিশ। কুলসুম ফাতিমা নামের ওই স্টেশন হাউজ অফিসার (এসএইচও) দেশটির পাঞ্জাব প্রদেশের পাকপাতান জেলার প্রথম এসএইচও। ফাতিমার এমন সাফল্য চারদিকে আলোচনার ঝড় তুলেছে। বিবিসিসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম তার সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছে। ফাতিমা বলছেন, নাবালিকাদের প্রতি...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University