Sharing is caring!

চবি এলামনাই এসোসিয়েশন’র পুনর্মিলনীতে সহযোগিতা কামনা করছি : একান্ত সাক্ষাৎকারে মাহবুবুল আলম
চবি এলামনাই এসোসিয়েশন’র পুনর্মিলনীতে সহযোগিতা কামনা করছি : একান্ত সাক্ষাৎকারে মাহবুবুল আলম

 

জনাব মাহবুবুল আলম ১৯৫৮ সালে চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি খ্যাতনামা ব্যবসায়ী মরহুম নুরুল আলমের জ্যেষ্ঠ সন্তান। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন এবং অধ্যয়নকালে চাকসুর সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এম আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম আমদানি-রপ্তানিসহ বহুমুখী ব্যবসায় নিজেকে সম্পৃক্ত করেন।
তিনি সার্ক চেম্বার অব কমার্স এণ্ড ইন্ডাসিট্রর ভাইস চেয়ারম্যান ও বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক। ক্রাউন স্টীল লিমিটেড, এম. আলম গ্যাস স্টেশন লিমিটেড এবং আনোয়ারা আলম ফাউন্ডেশনেরও চেয়ারম্যানও তিনি। এছাড়া তিনি এশিয়া ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর ভাইস চেয়ারম্যান, সার্জিস্কোপ হসপিটাল লিমিটেড এর ম্যানেজিং কমিটির চেয়ারম্যান, ডায়মন্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান, দালাইনগর হাই স্কুল পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান, এনায়েত বাজার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ও গহিরা আলিয়া মাদ্রাসার গভর্ণিং বডির ভাইস চেয়ারম্যানসহ অসংখ্য শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত আছেন।মাহবুবুল আলম দেশের শিল্পপতি-ব্যবসায়ীদের প্রাচীনতম সংগঠন চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি পদে চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়ে রেকর্ড করেছেন ।

বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্বিবিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন’র সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। চবি এলামনাই এসোসিয়েশন গঠন, ২২ নভেম্বর ১ম পুনর্মিলনী উদযাপনসহ আরো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সাক্ষাৎকার নিয়েছেন newsarchivs24.com’ র সম্পাদক ও লেখক মো: দিদারুল আলম।

মো: দিদারুল আলম: আগামী ২২ নভেম্বর চবি এলামনাই এসোসিয়েশন’র ১ম পুনর্মিলনী উদযাপন হতে যাচ্ছে। আপনাদের সার্বিক প্রস্তুতি কেমন?
মাহবুবুল আলম: ১ম পুনর্মিলনী উদযাপন উপলক্ষ্য আমাদের প্রস্তুতি খুবই ভালো। পুনর্মিলনীর সফলতার জন্য বিভিন্ন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সবাই দায়িত্বের সাথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের নব নির্বাচিত কার্যকরি কমিটির পক্ষ থেকে সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে আগামী ২২ নভেম্বর চট্টগ্রামের পাঁচলাইশে অবস্থিত ‘কিং অব চিটাগাং’ – এ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে সংগঠনের ১ম পুর্নমিলনী অনুষ্ঠান উদযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে এবং সর্বসম্মতিক্রমে সংগঠনের সম্মানিত সদস্য প্রাক্তন ছাত্রনেতা জনাব আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিমকে আহবায়ক এবং জনাব গিয়াস উদ্দিনকে সদস্য সচিব করে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট উদযাপন পরিষদ গঠন করা হয়। যারা পুনর্মিলনী সফল করতে দিন – রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। পুনর্মিলনীতে অংশগ্রহণ করতে প্রাক্তন সব শিক্ষার্থীদের আজীবন সদস্যপদ গ্রহণ ও প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের জন্য রেজিসেট্রশন করতে বিনীত অনুরাধ করছি এবং পুনর্মিলনীর সফলতার জন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।

মো: দিদারুল আলম: সবার একটা প্রত্যাশা ছিল ক্যাম্পাসে পুনর্মিলনীর আয়োজন করলে ভালো হতো? ‘কিংস অব চিটাগাং’ – এ এত লোকের সংস্থান হবে কি?
মাহবুবুল আলম: ক্যাম্পাসে আয়োজন করতে পারলে ভালো হতো। যাতায়াতের বিষয়টা চিন্তা করে ক্যাম্পাসে প্রোগ্রাম আয়োজন করা হয়নি। তবে পরবর্তীতে এলামনাইর প্রোগ্রাম ক্যাম্পাসে করব ইনশাআল্লাহ। রেজিস্ট্রেশন যদি আমাদের ধারণার চেয়ে বেশি হয় তবে তার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আশা করছি আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু করতে পারব।

মো: দিদারুল আলম: সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনের মধ্য দিয়ে সবার মাঝে একটা বিষয় আলোড়িত হয়েছিল — চবি এলামনাই এসোসিয়েশন গঠন। এ ব্যাপারে যদি কিছু বলেন?
মাহবুবুল আলম: ১৯৬৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্বিবিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠার পর থেকে দীর্ঘ ৫৩ বছরে প্রায় লক্ষাধিকেরও বেশি ছাত্রছাত্রী কৃতিত্বের সাথে পাশ করে দেশে – বিদেশে বিভিন্ন সরকারি – বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। এ বিশ^বিদ্যালয় এরই মধ্যে হাজার হাজার স্বর্ণসন্তানকে তিলে তিলে গড়ে তুলেছে। এই বিদ্যাপীঠ অনেক কালজয়ী গুনীজণ জন্ম দিয়েছেন – যেমন: মন্ত্রী, এমপি, মন্ত্রীপরিষদ সচিব, বিচারপতিসহ আরো অনেক গুণীজনকে – যাঁদের নাম বলে শেষ করা যাবে না। দুঃখজননক হলেও সত্য যে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পাঁচ দশকের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশিত কোনো কেন্দ্রীয় সংগঠন বা এলামনাই এসোসিয়েশন গড়ে উঠেনি। এরই মধ্যে ২০১৬ সালে চবি’র সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষ্যে সবাই কেন্দ্রীয় এলামনাই গঠনের স্বপ্ন দেখেন। সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রচণ্ড সাড়া জাগে এবং বিভিন্ন ব্যাচ/বিভাগভিত্তিক সংগঠিত হয়ে একটি কেন্দ্রীয় এলামনাই এসোসিয়েশন গঠনের স্বপ্ন দেখতে থাকে। উদ্যোক্তারা শুরু থেকেই সচেষ্ট ছিলেন যেন নতুন এ প্ল্যাটফর্ম সার্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা পায়। আর এজন্য তাঁরা ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ফেনী, সিলেটসহ বিভিন্ন অঞ্চলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের গড়ে ওঠা বিভিন্ন ক্লাব বা এসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের কাছে একাধিকবার ছুটে গিয়েছেন, জানার চেষ্টা করেছেন একটি সার্বজনীন সংগঠন গড়ে তোলার উপায়। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আগ্রহ এবং উচ্ছ্বাসে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেদিন প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠান উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেন এবং স্বনামধন্য কিছু প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে সমন্বয়কের দায়িত্ব প্রদান করেন। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সেদিন চট্টগ্রামের জিইসি কনভেনশন সেন্টারে প্রায় ১২০০০ হাজারেরও বেশি প্রাক্তন শিক্ষার্থীর এক বিশাল মিলনমেলার আয়োজন করা হয় যা আমাদের এলামনাই এসোসিয়েশনের স্বপ্নকে আরো বেগবান করে। এরই ধারাবাহিকতায় চবি প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যমী কিছু প্রাক্তন শিক্ষার্থীর প্রাণপণ প্রচেষ্টায় গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সালের মনোরম এক বিকেলে বঙ্গবন্ধু ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার, আগ্রাবাদ, চট্টগ্রামে প্রায় ৫০০ শতাধিক প্রাক্তন শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে দলমত নির্বিশেষে সবার আন্তরিক সমর্থনে “চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন” গঠন করা হয়।

মো: দিদারুল আলম: চবি এলামনাই এসোসিয়েশন গঠনে যাদের কমিটিতে স্থান হয়নি। তাঁরাও বিভিন্নভাবে এলামনাই বা ছাত্রছাত্রী পরিষদ গঠন করছে বা চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বিষয়টি কিভাবে দেখছেন?
মাহবুবুল আলম: একথা বলাই বাহুল্য যে, নেতৃত্ব নয় ফেলোশিপ আমাদের মূল শ্লোগান। তাইতো সবাইকে কমিটিতে স্থান দেওয়া সম্ভব হয়নি এবং সম্ভবও না। অনেক যাছাই – বাছাই করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে এ কমিটি তো সারাজীবন থাকবে না। কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যোগ্য যে কারোই কমিটিতে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। একটা বিষয় যে, বর্তমানে আমরা সবকিছু দ্রুত পেতে চাওয়ার মানসিকতার সামাজিক-সাংস্কৃতিক কাঠামোর মধ্যে থেকে সবাইকে সন্তুুষ্ট করে পথচলা নিশ্চয়ই অনেক দুরুহ ও কঠিন। এ প্রেক্ষাপটে বলা যায় যতই চেষ্টা থাকুক না কেন, এলামনাই এসোসিয়েশনের এ নবযাত্রা হয়তো কাউকে কাউকে সন্তুষ্ঠ নাও করতে পারে। তারপরও যাত্রার এ পথে সবাইকে নিয়েই আমরা কাজ করে যেতে চাই। ইর্ষা-সংকীর্ণতা-পরশ্রীকাতরতা ইত্যাদি নানাবিধ নেতিবাচক মানবিক উপসর্গ কল্যাণকর সংগঠনের বিকাশে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে আমরা কাজের মধ্যে দিয়ে এবং সকলের সহযোগিতায় সংকীর্ণতাকে জয় করতে পারব বলে বিশ^াস করি এবং সবাইকে আহবান করর আমাদের সাথে থেকে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য।

মো: দিদারুল আলম: চবিতে অধ্যয়নরত ও সদ্য পাশকৃতদের প্রত্যাশা চবি এলামনাই এসোসিয়েশন তাদের জন্য ক্যারিয়ার বিষয়ক কিছু করবে — যাতে চাকরি প্রবেশ করতে সহায়ক হয়।
মাহবুবুল আলম: অবশ্যই ছাত্রছাত্রীদের উপকৃত করাই আমাদের ভাবনার মূল উদ্দেশ্য। ক্যারিয়ার শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের সাথে সম্পর্কিত বিষয়। যেখানে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কিংবা প্রশিক্ষণ নেই, ক্যারিয়ার সেখানে অনুপস্থিত। এ কারণে অশিক্ষিত একজন কৃষক এবং শিক্ষিত একজন কৃষিবিদ যখন কৃষিকে জীবিকা অর্জনের ক্ষেত্র হিসেবে অবলম্বন করেন, তখন কৃষকের জন্য কৃষি পেশা হলেও কৃষিবিদের জন্য তা ক্যারিয়ার। তাছাড়া, ক্যারিয়ার অর্থ শুধু পেশা নয়, পেশার অতিরিক্ত ব্যক্তির সহজাত গুণাবলী, জীবনের লক্ষ্য, উচ্চাকাঙ্খা, লালিত বিশ্বাস ও আদর্শ, সন্তুষ্টি, মানবিক দায়িত্ব, অর্থপ্রাপ্তি ইত্যাদি বিষয়গুলো ক্যারিয়ারে ওতপ্রোতভাবে অন্তর্ভূক্ত।বর্তমানে পেশাদারিত্বের (Professionalism) সাথে বৈশ্বিক চেতনা (Globalization) সংযুক্ত হওয়ায় Career ভাবনায় আসছে নানামাত্রিক পরিবর্তন। আমরা বর্তমান যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে মত ছাত্রছাত্রীদের জন্য ক্যারিয়ার সহায়ক বিভিন্ন সেমিনারের আয়োজন করব যাতে তারা উপকৃত হয়। আমি তাদের বলব তোমরা পড়ালেখা শেষ করে চাকরির পেছনে ছুটে সময় নষ্ট না করে আত্মনির্ভরশীল ও স্বাবলম্বী হও। এটা অনেক সম্মানের। নিজের চেষ্টায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিনিয়োগ করে উদ্যোক্তা হওয়া হচ্ছে গৌরবের। এভাবে একদিন বড় বিনিয়োগকারী হওয়া যায়। এতে নিজেকে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি শিক্ষিত অনেক বেকারের কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি হয়। ভূমিকা রাখা যায় দেশের অর্থনীতিতে। এ ব্যাপারে এলামনাই সবসময় তাদের পাশে থাকবে।

মো: দিদারুল আলম: চবি’র শিক্ষা, শিল্প সাহিত্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে এলামনাই’র ভূমিকা কী হবে, তা নিয়ে যদি কিছু বলেন ?
মাহবুবুল আলম: চট্টগ্রাম বিশ্বিবিদ্যালয়ের বিদায়ী মাননীয় উপাচার্য ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীর আন্তরিকতায় বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বর্তমানে চারুকলা ইনস্টিটিউটের বিশ্বিবিদ্যালয় শহর ক্লাবে একটি কার্যালয় বরাদ্দ দিয়েছন, যেখান থেকে এসোসিয়েশনের সকল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এই এলামনাই এসোসিয়েশন একটি মহান লক্ষ্য ও আদর্শ নিয়ে গঠিত হয়েছে। আপনারা জানেন বিশ্বের নামকরা বিশ্বিবদ্যালয়গুলোতে মিলনমেলা উদযাপনের পাশাপাশি এলামনাইরা শিক্ষা, গবেষণা ও মৌলিক কাজগুলোর উন্নয়নে কাজ করেন। চবি এলামনাইরা বিশ্বিবদ্যালয়ের শিক্ষার মান, পরিবেশ, গবেষণা, অবকাঠামোর উন্নয়ন, শিল্প, সাহিত্য, ক্রীড়া, সংস্কৃতি সর্বোপরি বিশ^বিদ্যালয়ের সামগ্রিক উন্নয়ন ও কল্যাণে যেভাবে ভূমিকা রাখে তেমনি এই নবগঠিত এলামনাই এসোসিয়েশনও অনুরূপ ভূমিকা ও অবদান রাখতে বদ্ধ পরিকর। ইতিমধ্যে এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম নগরীতে একটি “এলামনাই সেন্টার” প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কর্ম-পরিকল্পনা নিচ্ছে যেখানে এলামনাইদের জন্য বহুমুখী কার্যক্রমের ব্যবস্থা থাকবে।

মো: দিদারুল আলম: সময় দেয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
মাহবুবুল আলম: আপনাকেও ধন্যবাদ।

Sharing is caring!

https://i1.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2019/11/মাহবুবুল-আলম.jpg?fit=1024%2C533&ssl=1?v=1573458166https://i0.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2019/11/মাহবুবুল-আলম.jpg?resize=150%2C150&ssl=1?v=1573458166Arfan Hossainইভেন্টক্যাম্পাসএলামনাই,এসোসিয়েশন,চবি,মাহবুবুল আলম  জনাব মাহবুবুল আলম ১৯৫৮ সালে চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি খ্যাতনামা ব্যবসায়ী মরহুম নুরুল আলমের জ্যেষ্ঠ সন্তান। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন এবং অধ্যয়নকালে চাকসুর সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এম আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম আমদানি-রপ্তানিসহ বহুমুখী ব্যবসায় নিজেকে...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University