Sharing is caring!

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) প্রায় সব অফিসিয়াল সিদ্ধান্তগুলো জানানো হয় রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত বার্তায়। তবে সেইসব সিদ্ধান্তের অনেকগুলো বিষয়ে তিনি জানেনই না। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি প্রায়সই বলেন আমি এ বিষয়ে কিছু জানিনা অথবা উপরের আদেশ পেয়ে করেছি। যেমনটি ঘটেছে বিশ্ববিদ্যালয় ফিজিক্যাল এডুকেশন স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের সভাপতির অব্যাহতির বেলায়।

বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক বার্তায় জানানো হয় অনিবার্য কারণে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ফিজিক্যাল এডুকেশন স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মু. গোলাম কবিরকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৭আগষ্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার কে এম নূর আহমদ স্বাক্ষরিত এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। তবে কেন অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে তার কারণ জানেননা খোদ রেজিস্ট্রারই।

অব্যাহতি বার্তায় বলা হয়, অত্র দপ্তরের এ -২৫২(৪৪)/৯৭১৮(১৭) তারিখ ০৩-১২-২০১৮ সংখ্যক স্মারকের যোগসূত্রে আদেশক্রমে জানানো যাচ্ছে যে
ফিজিক্যাল এডুকেশন স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের সভাপতির পদ থেকে আপনাকে ২৬-০৮-২০১৯ তারিখ (অপরাহ্ন) হতে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।

এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার কে এম নূর আহমদ বলেন, আমি উপাচার্য থেকে আদেশ পেয়েই এই অব্যাহতি পত্র দিয়েছি। কেন অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন আমি উপর থেকে আদৃষ্ট হয়েই এই চিঠি দিয়েছি। কেন অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে তা আমি জানিনা।

অব্যাহতির বিষয়ে প্রফেসর ড. মু. গোলাম কবির বলেন, আমার মনে হয় উপাচার্য মহাদয় আমার প্রতি বিরাগভাজন হয়ে এই অব্যাহতি আদেশ দিয়েছেন। আমি যেহেতু ইফতেখার স্যারের (সাবেক উপাচার্য) আমলে নিয়োগ পেয়েছিলাম এইজন্য হয়তো তিনি আমার প্রতি বিরাগভাজন হয়েছেন। এছাড়া আমি তো আর কোন কারণ দেখিনা। আমি আজকে দুপুরে চিঠি পেয়েছি, কাল দায়িত্ব গুছিয়ে দেবো।

এই দিকে স্পোর্টস সায়েন্স ডিপার্টমেন্টের নাম প্রকাশে অনিইচ্ছুক শিক্ষার্থী বলেন,এটা মূলত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করে চেয়ারম্যান সরানো।
প্রতিষ্ঠানকালীন ১ম চেয়ারম্যান এইচ এম রাকিবুল মাওলা প্রথম ৩ বছর মেয়াদ শেষে প্রফেসর গোলাম কবির দায়িত্ব পালন শুরু করে। দায়িত্ব নেওয়ার ৬ মাসের মধ্যে গোলম কবিরের বিরুদ্ধে অর্ডিন্যান্স অনুসরণ না করার অভিযোগ উঠে।
তখন গোলাম কবির সাংবাদিক ডেকে তার উপর আনিত অভিযোগ খন্ডান। তখন বিদায়ী চেয়ারম্যান রাকিবুল মাওলা উনাকে অফিশিয়াল জিনিস পত্র বুঝিয়ে দেননি বলে অভিযোগ করেন।যার কারণে এই ভুলটা হয়।

তবে ঐ শিক্ষার্থী মনে করে স্পোর্টস সায়েন্স ডিপার্টমেন্টে চেয়ারম্যান পদ নিয়ে কয়েক ধরণের আন্তঃরাজনৈতিক কূটচাল তৈরি হয়। বিভাগটির প্রথম চেয়ারম্যান রাকিবুল মাওলাও পুনঃরায় চেয়ারম্যান হওয়ার চেষ্টা করছে।তারা চেষ্টাটিকে অপচেষ্টা হিসাবে দেখছে।

এই ঘটনার পর ভিসি ম্যাম( রুটিন দায়িত্ব প্রাপ্ত) ঐ বিভাগে সাময়িক চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আছে। বিভাগটির বেশ কিছু শিক্ষার্থী জানালো তারা নতুন বিতর্কহীন কাউকে চেয়ারম্যান হিসাবে আশা করে।

Sharing is caring!

CU LiveUncategorizedচট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) প্রায় সব অফিসিয়াল সিদ্ধান্তগুলো জানানো হয় রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত বার্তায়। তবে সেইসব সিদ্ধান্তের অনেকগুলো বিষয়ে তিনি জানেনই না। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি প্রায়সই বলেন আমি এ বিষয়ে কিছু জানিনা অথবা উপরের আদেশ পেয়ে করেছি। যেমনটি ঘটেছে বিশ্ববিদ্যালয় ফিজিক্যাল এডুকেশন স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University