Sharing is caring!

ফেন্সী আপাচট্টটগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর ১৫তম ব্যাচ/১৯৮৩ ব্যাচ (১৯৭৯-৮০), পলিটিক্যাল সাইন্স বিভাগ এর ছাএী শাহীন সুলতানা ফেন্সী আপা গত সোমবার (৪ জুন) দিবাগত রাতে চাঁদপুরস্থ শহরের ষোলঘর পাকা মসজিদ সংলগ্ন শেখ বাড়ী রোডে নিজ বাসায় তিনি খুন হন। নিজস্ব বাস ভবনে দুর্বৃওরা তাকে নৃশংভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাহি রাজিউন। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন ও শরীরের ভিবিন্ন স্থানে রক্তমাখা ছিলো। তবে কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে তা এখনো নিশ্চিতি হওয়া যায়নি।

নিহত শাহীন সুলততানা ফেন্সী আপার বাবার বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলার ৬নং মৈশাদী ইউনিয়নের মৈশাদী গ্রামে। তিন তিনটা রত্ন মেয়ের জন্মদাত্রী, সমাজে প্রতিষ্ঠিত এবং মেধা, বুদ্ধি এবং প্রচেষ্টা দিয়ে নিজেকে একটা সন্মানের আসনে বসিয়েছিল।

আপার ভাইয়েরা এ খুনের জন্য তার স্বামী এ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলামকে দায়ী করছে। কারন তিনি ফেন্সি আপার অনুমতি ছাড়া প্রায় পাঁচ বছর আগে জুলেখা নামে এক মহিলাকে বিয়ে করেছে। এই বিয়েকে কেন্দ্র করে ফেন্সি আপা এবং জহিরুল ইসলামের মধ্যে দাম্পত্য কলহ লেগেই ছিল।পুলিশ তার স্বামীকে আটক করেছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।

আপার স্বামী এ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম বর্তমানে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি তিনবার জেলা আইনজীবি সমিতির সাবেক সভাপতি ছিলেন এবং একসময় তিনি এপিপি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। আপার ভাইয়েরা জানায় যে, এ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম এসব কারনে প্রভাবশালী হওয়ায় ইতপূর্বে তার দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়ে তারা কোন প্রতিবাদ করতে পারেনি।সুতরাং এই নৃশংস হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচারের বিষয়েও আপার বাবার পরিবার এবং তার সন্তানরা এখন সন্দিহান।

উল্লেখ্য ফরিদগঞ্জের গল্লাক আদর্শ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহিন সুলতানা ফেন্সী বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ চাঁদপুর জেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়িকা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ১৯৯২-১৯৯৮ খ্রিঃ পর্যন্ত। তিনি জাতীয় মহিলা সংস্থা চাঁদপুর-এর চেয়ারম্যান হিসেবে ১৯৯৬-২০০১ খ্রিঃ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ইতিপূর্বে বেগম আইভী রহমান ও অধ্যাপিকা খালেদা খানম-এর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যা ছিলেন তিনি।

তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ চাঁদপুর জেলা শাখার মহিলা সম্পাদিকা ছিলেন। এছাড়া তিনি চাঁদপুর জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থা, জেলা মহিলা সমিতি ও চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের প্রাক্তন ছাত্রী সমিতির আহ্বায়িকা এবং মহিলা কলেজ পুনর্মিলনী কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্রজীবনে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদালয় ও চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

আমাদের ৩৮ ব্যাচের চবিয়ান ভাই ও বোন বিশেষ করে যারা চাঁদপুরে অবস্থান করছেন তাদের সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান করছি যার যার নিজ আবস্থান থেকে। এ ছাড়াও চাঁদপুর ও এর পাশ্ববর্তি জেলাসমুহে যে সকল চবিয়ান ভাই ও বোন বসবাস করছেন তাদের সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান করছি যাতে খুনিদের উপযুক্ত শাস্তি হয়। এছাড়াও যার যা ক্ষমতা আছে (আইনগত/প্রশাসনিক) সেখান থেকে চেষ্টা করবেন যাতে এ মামলাটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়। শুধু ফেসবুকে প্রতিবাদ করলে হবে না, প্রয়োজনে প্রতক্ষ্যভাবে প্রতিবাদ করতে হবে, বিচার চাইতে হবে। আমরা জানি সরকারের বিভিন্ন উচ্চ জায়গায় গুরুত্বপূর্ণ পদে আমাদের সিইউ সতীর্থরা অনেকেই আসীন আছেন। তাদের প্রতি দাবী নিয়ে বলতে চাই, ফেন্সির খুনের সুষ্ঠু বিচারকে ত্বরান্বিত করুন।

(সকলকে পোষ্টটি নিজ নিজ ফেসবুক ওয়ালে কপি করে পেষ্ট করা জন্য অনুরোধ করা হল যেন সকল অপরাধীরা দ্রুত ধরা পড়ে এবং দ্রুত উপযুক্ত শাস্তি পায় এবং ভবিষ্যতে আমাদের আর কোন চবিয়ান বোনকে যেন এভাবে মৃত্যু বরণ করতে না হয়।)

Sharing is caring!

https://i1.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2019/07/ফেন্সী-আপা-১৫তম-ব্যাচ-হত্যা-ও-চবিয়ানদের-দায়.jpg?fit=885%2C512&ssl=1https://i1.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2019/07/ফেন্সী-আপা-১৫তম-ব্যাচ-হত্যা-ও-চবিয়ানদের-দায়.jpg?resize=150%2C150&ssl=1culiveক্যাম্পাসক্রাইম এন্ড "ল"ফেন্সী আপাচট্টটগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর ১৫তম ব্যাচ/১৯৮৩ ব্যাচ (১৯৭৯-৮০), পলিটিক্যাল সাইন্স বিভাগ এর ছাএী শাহীন সুলতানা ফেন্সী আপা গত সোমবার (৪ জুন) দিবাগত রাতে চাঁদপুরস্থ শহরের ষোলঘর পাকা মসজিদ সংলগ্ন শেখ বাড়ী রোডে নিজ বাসায় তিনি খুন হন। নিজস্ব বাস ভবনে দুর্বৃওরা তাকে নৃশংভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাহি রাজিউন। তার...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University