Sharing is caring!

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ নামক হিংসুক সাম্প্রদায়িকতার বিষ নিয়ে গঠিত ঘৃন্য সংগঠন কি কারনে সুকৌশলে আমাদের বাংলাদেশের মানুষকে আলাদা করছে ?
আদাব দিলে তার উত্তর আদাব পাবেন, মুসলমানদের আলাদা ভাবলে, ঘৃনা করলে,ঘৃনার সংগঠন করা আর একা একা নিজেরা নিজেরা রাজ্য জয় করেছি বলে
ভাবলে ভুল হবে।
আসল ঐক্যে আসুন।
ভুলে গেছেন কেন ?
বাংলার নবাব সিরাজুদৌলা মুসলমান ছিলেন,,
বায়ান্ন’ র- ভাষা আন্দোলনের,রফিক,সালাম,বরকত,জব্বার মুসলমান ছিলেন,,
শহীদ জাতীয় চারনেতা মুসলমান ছিলেন,
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুসলমান ছিলেন,
শেখ পরিবারের সকল শহীদ মুসলমান ছিলেন,
নব্বই’র গণ অভুত্থানে এর শহীদ নুর হোসেন,ডাঃ মিলন মুসলমান ছিলেন,

স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী জননেএী শেখ হাসিনা একজন খাঁটি ও উদার ধর্মপ্রান মুসলমান। তাহলে আপনারা মুসলমানদের বাদ রেখে কিভাবে ভাবলেন এদেশে বিভাজনের সংগঠন চালাচ্ছেন ?
সৃষ্টি ও স্রষ্টার মেলবন্ধনের ভিত্তি হলো প্রেম। সেটা নিয়ে ভাবতে হবে। ঐক্য থেকে মুসলমানদের বাদ রেখে শুধু হিন্দু,বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ করাটা কতটা সুস্থ্ মানসিকতা ?
তাই,বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ এর মতো বিভাজন সৃস্টিকারী ঘৃন্য সংগঠন গুলো নিষিদ্ধ করা উচিৎ। বন্ধ করুন এসব চতুরালি তৎপরতা। আর একটা কথা না বললে নয়, বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধুর প্রানের সংগঠন
আওয়ামী লীগের সরকার। এই সরকার কারো বাপের কেনা দল না।
“আওয়াম ” মানে সবার দল। বাংলাদেশ এর একমাত্র গণতান্ত্রিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকবে আর তাই দু চার জন তাদের পুরনো মুর্খামি করবে আর পুরো জাতি তা দেখে চুপটি মেরে বসে থাকবে আর ফর্মালিটি বজায় রেখে হয় চুপ , না হয় না বুঝে;
আওয়ামীলীগ আর আওয়ামীপন্থীদেরকে রুশ ভারতের দালাল বলবে ; ফলে কি হবে?
বাংলাদেশ এর মুসলমান নামের প্রানি গুলোকে কি আরব বাসি করা হবে ? আর
বাংলাদেশকে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান পরিষদের নেতাদের নামে নামজারি করে দেওয়া হবে ?

ভারতীয় সিনেমা অমর আকবর আন্টনি বা জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক শন্কর এ্হসান লয়-এরা কি ধমীয় ঐক্য কি তার যথেষ্ট উদাহরণ নয় ?

পার্থক্য ও বিভাজন না করে, নিজের লাভের জন্য জেনেবুঝে মুর্খামির অভিনয় না করে, মুসলমান,হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান নির্বিশেষে সকল ধর্মের উর্ধ্বে থেকে মনেপ্রানে, ঐক্যবদ্ধ ভাবে মিলে মিশে থাকার আর কাছে টানার অনুশীলন করতে হবে।

পুনশ্চ ঃ
মুসলমান মরবে অন্য ধর্মের লোকেরা মজা পাবে, অমুসলিম মরবে মুসলমান মজা পাবে।এটা আপনারা চান ? এটাতো মানবতাবাদ হতে পারেনা।
সময় থাকতে এই বিভাজন ভুলে যাওয়া কি উচিৎ নয় ?

আবারো বলছি,বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃস্টান ঐক্য পরিষদ একটি ঘৃনা বা বিভাজনকারী কনসেপ্ট নিয়ে কাজ করা সংগঠন।
বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার এতো ত্যাগ, আওয়ামীলীগ সরকারের অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার উন্নয়নের পথে এ ধরনের উস্কানী মুলক ধর্মীয় ঐক্য মূলত অনৈক্যের অনুশীলন করার মতো জঘন্য সংগঠনকে অসাম্প্রদায়িক চেতনার, আমাদের সবার এই স্বাধীন বাংলাদেশে চলতে দেওয়া যায়না।যেখানে নেত্রী নিজে বলছেন “ধর্ম যার যার উৎসব সবার” এমন উদার মানসিকতায় পরিচয়বাহী জননেত্রীর দেশে এমন বিদঘুটে, একপেশে সংগঠন বিভাজনের বিষ ছড়াতে পারেনা, তাই এটি নিষিদ্ধ করা উচিৎ।
অতীতের একটা সাধারন ব্যাপার বলছি, পুজোতে একসময় শৃঙ্খলা কমিটিতে আমিও ছিলাম,কাজ করেছি। আবার রমজান মাসে তারাবি’র নামাজের জন্য মসজিদের স্হান সংকুলান না হওয়ায় মসজিদের বাইরে প্যান্ডেল তৈরী করাতে দিনরাত ভুলে গিয়ে আমার অনেক উচ্চ বংশের হিন্দু (পুরোহিত) বন্ধু একসাথে কাজ করেছি।
কই ? আমাদের মধ্যে তো তখন এসব বিভাজনের লেশমাত্র ছিলোনা !!!
উল্লেখিত এ সংগঠনের অনেক নেতাকর্মীদের আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি,উনাদের সাথে ভালো সম্পর্ক।
আপনাদেরকে একটা প্রশ্ন করতে চাই, মুসলিম সম্প্রদায়কে বাদ দিয়ে এটা কিসের ঐক্য ?
উত্তর দিতে পারবেন ?
জাতীয় হিন্দু মহাজোট।
হিন্দু ফাউন্ডেশন।
বুড্ডিস্ট ফাউন্ডেশন।
ইসকন।
খৃস্চিয়ান ওয়েলফেয়ার সোসাইটি।
যতদূর জানি,এই সংগঠনগুলো বহু প্রাচিন প্রশংসাযোগ্য ও গ্রহনযোগ্য সংগঠন।
কারন এখানে নিখাদ ধর্ম চর্চা হয়,মানবতাবাদ পাঠ পড়ানো হয়। বিভাজন বিদ্ধেষ সৃস্টির অপপ্রয়াস এখানে নাই।
একটা উত্তর দিন।
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃস্টান ঐক্য পরিষদ এর কার্যালয়ের সামনে যদি কোন অসহায় এতিম মুসলিম অবুঝ শিশু এসে একমুঠো খাবার চায়,পানি চায়,আপনারা কি তাকে আগে জানতে চাইবেন সে কোন ধর্মের ? কোন ঐক্যের ?
তারপর ভিক্ষাদান করবেন ? উল্টোটা যদি আপনাদের ঐক্য থেকে বাদ পড়া কোন মুসলমান করে কোন নিস্পাপ হিন্দু অবুঝ শিশুর সাথে করে তবে কি তা সমর্থন দিবেন ? এসব মনুষত্ব নয় তা আপনারা নিশ্চয় জানেন বলেই এই প্রশ্নের কোন সদুত্তর আপনাদের কাছে নাই।
ভাই, আগে প্রকৃত অর্থে মানুষ হোন, তারপর ধর্মের ঠিকাদারী নিবেন কিনা নিজেই দ্বন্দে পড়বেন।
তবুও মানুষ হিসেবে নিজেকে সংযত রাখতে পারি না বলেই এসব সাংগঠনিক অন্যায় দেখেও চোখ বুজে থাকার কস্টটা অনুভব করি,তাই সাধ্যমত লিখতে চেস্টা করি।
বাংলাদেশকে পরিবর্তনের জন্য ঐক্যবদ্ধ ভাবে সুসংগঠিত একটি জনগোষ্ঠীকে রাষ্ট্রের মুল স্রোতের দিকে ধাবিত হতে সবাই সাধ্যমত সহযোগিতা করতে হবে। যতই মাথা চুলকান সাম্য ভুলে ঐক্য করা অসম্ভব ও অবাস্তব।আপনারা আমার চেয়ে তা বেশী জানেন এবং ভালোই বুঝেন। মহাত্মা গান্ধিজি বলে গেছেন, “অহিংসা পরম ধর্ম”।

হাজী এহসান মাহমুদ আলম
চট্টগ্রাম।

Sharing is caring!

https://i0.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2019/07/67165579_362750601089890_5314446112340312064_n.jpg?fit=552%2C390&ssl=1https://i0.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2019/07/67165579_362750601089890_5314446112340312064_n.jpg?resize=150%2C150&ssl=1culiveমতামতবাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ নামক হিংসুক সাম্প্রদায়িকতার বিষ নিয়ে গঠিত ঘৃন্য সংগঠন কি কারনে সুকৌশলে আমাদের বাংলাদেশের মানুষকে আলাদা করছে ? আদাব দিলে তার উত্তর আদাব পাবেন, মুসলমানদের আলাদা ভাবলে, ঘৃনা করলে,ঘৃনার সংগঠন করা আর একা একা নিজেরা নিজেরা রাজ্য জয় করেছি বলে ভাবলে ভুল হবে। আসল ঐক্যে আসুন। ভুলে গেছেন...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University