Sharing is caring!

দেখতে দেখতে এইচএসসির রেজাল্ট ও হাতে চলে আসলো। অনেকেই হয়তো অপেক্ষার প্রহর গুনছ পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার। আবার হয়তো কারোর পর্যাপ্ত রেজাল্ট না আসায় পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে না বলে মন খারাপ। আবার কেও হয়তো বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেলেও পছন্দেও বিষয় আসবে না বলে মন খারাপ করে, মনের অজান্তেই নষ্ট কওে ফেলছো গুরুত্বপূর্ন কিছুটা সময়। আমি মনে করি, এটা ভাবার মতো কোন বিষয় ই না। এই বিষয় নিয়ে ভেবে সময় নষ্ট করা বোকামির কাজ।  হাজার হাজার প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে যখন মনের মত বিষয় না আসায় মনমরা হয়ে বসে আছো, তখন যার কোথাও চান্স হয়নি, সে হয়তো যে কোন একটা সাবজেক্ট এর আশায় এখনো পাবলিক ভার্সিটিতে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েই যাচ্ছে।

”কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়লে বা কোন সাবজেক্ট এ পড়লে ভবিষ্যত উজ্জ্বল হবে? কোন সাবজেক্ট এর চাহিদা বর্তমানে বেশী? অমুক ভার্সিটির নরমাল সাবজেক্ট পেয়েছি, আমি কি লাইফে কিছু করতে পারবো?”- এ রকম প্রশ্ন প্রায়ই শুনতে হয়।  আসলে, ¯^প্ন পূরনে সাবজেক্ট কোন সাবজেক্ট-ই না। তুমি চাইলে যে কোন সাবজেক্ট থেকেই তোমার স¦প্ন পূরন করতে পারো। বুয়েট থেকে পড়ে কেও প্রশাসন ক্যাডার হচ্ছেন আবার ডাক্তারী পড়েও কেও সাংবাদিক হচ্ছেন, আবার অর্থনীতিতে পড়েও কেও কেও ফটোগ্রাফার হচ্ছেন, তেমনি বাংলায় পড়েও কেও ম্যাজিস্ট্রেট হচ্ছেন। এমন উদাহরণ হাজারটা পাওয়া যাবে। রাষ্টবিজ্ঞান পড়লেই যে সাংবাদিক হতে পারবে না, দর্শন-ইতিহাসের  ডিগ্রী থাকলেই যে মার্কেটিং এ জব করতে পারবে না- তা কিন্ত না। আজকাল বিবিএ না করেই বড় বিজনেসম্যান হচ্ছে, বিজ্ঞানের ছাত্র না হয়েও প্রোগ্রামার হচ্ছে। ভালো ক্যারিয়ার এর জন্য তথাকথিত নামিদামি সবজেক্ট এর চেয়ে নিজের স্কীল ডেভেলপমেন্ট এর দিকেই বেশী গুরুত্ব দিতে হবে।

অনেক চাকুরীতে কোর্স-কারিকুলাম থেকে স্কিল, নলেজ, লিডারশীপ, ব্যাবহারিক-বিদ্যা এবং ব্যাক্তি অর্জনকেই প্রাধান্য দেয়। কোন বিষয়ে পড়ছ তার চেয়ে দরকারি হচ্ছে নিজেকে দক্ষ কওে তোলা। দক্ষতার বলতে সাধারনত- সহোযোগিতা ও দলীয় কাজের দক্ষতা, কর্ম পরিকল্পনা ও সৃজনশীলতা, ক্রিটিকাল থিংকিং ও সমস্যা সমাধানে দক্ষতা ইত্যাদিকেই বুঝায়। অনেকেই নামহীন ভার্সিটির কমদামী সাবজেক্ট এ পড়েও, দ্বিগুন দক্ষতায় অন্যেও চেয়ে তিনগুন ভালো  সুযোগ নিয়ে নেয়।

অনেকেই নিজের পছন্দের বিষয় বা ভার্সিটিতে পড়ার সুযোগ পাবে না। এতে হতাশ হওয়ার তিছু নেই। ভার্সিটির সকল সাবজেক্ট-ই সমান গুরুত্বপূর্ন। কোনটাই খারাপ নই। যে বিষয় বা যে বিশ্ববিদ্যালয় পেয়েছেন, তা নিয়েই পরিকল্পিত অধ্যয়ন চালিয়ে যাও। তোমার ভার্সিটির টপ সাবজেক্ট না পাওয়াতে বেকার থাকবে না, নিজেকে যোগ্য হিসেবে ডেভেলপ করতে না পারলে বেকার থাকবে। বিশ্যবিদ্যালয় শুধু পড়া মুখস্ত করার জায়গা না, ক্যারিয়ার গঠনের জায়গা। তাই সাবজেক্ট ভালো খারাপের হিসাব না কওে যদি মনে করো তুমি যোগ্য, তবে তুমি যেখানেই থাকো না কেন: তুমি ভালো কিছু করবেই-ইনশাআল্লাহ্। সুন্দর আগামীর জন্য শুভকামনা রইলো।

 

মারুফুল ইসলাম (ফারাভী)

রাজনীতিবিজ্ঞান বিভাগ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

Sharing is caring!

https://i0.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2019/07/Maruful-Islam-Faravi.jpg?fit=472%2C591&ssl=1https://i0.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2019/07/Maruful-Islam-Faravi.jpg?resize=150%2C150&ssl=1culiveক্যারিয়ারদেখতে দেখতে এইচএসসির রেজাল্ট ও হাতে চলে আসলো। অনেকেই হয়তো অপেক্ষার প্রহর গুনছ পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার। আবার হয়তো কারোর পর্যাপ্ত রেজাল্ট না আসায় পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে না বলে মন খারাপ। আবার কেও হয়তো বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেলেও পছন্দেও বিষয় আসবে না বলে মন খারাপ করে, মনের অজান্তেই...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University