Sharing is caring!

 কাউছার মোল্লা:
এই ধর্ষণ কত প্রকার বা কত ধরনের ধর্ষণের শিকার হতে পারে মানুষ??
আমরা শুধু ফিজিক্যাল দিকটাই বড় করে দেখি কিন্তু অন্য দিকগুলো নিয়ে কখনো ভাবিনা!!ধর্ষণ মাত্রই ফিজিক্যাল অথবা সেক্সুয়াল হেরেজম্যান্ট নয়।এমন আরও অনেক লোকায়িত ধর্ষণ রয়েছে যার ফলে দেহটা অক্ষত থাকে ঠিকই কিন্তু সে দেহের কোন প্রান থাকেনা।থাকেনা কোন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার পরিস্থিতি!!মেন্
টাললি জীবনের প্রতি চলে আসে তিক্ততা, ঘৃণা,অপজিট জেন্ডারের প্রতি তৈরী হয় তীব্র ক্ষোভ।আর এই চলমান অবস্থাটি যারা ওভারকাম করতে পারেনা,তাদের অনেকেই বেছে নেই মৃত্যুর বিভিন্ন রকম পন্থা!!
তাদের এই বিমর্ষ অবস্থা অথবা মৃত্যুর জন্য যতটা না সমাজ ব্যবস্হা দায়ী,তার চেয়ে বেশি দায়ী করা যেত তার পাশের আপনজন মনে করা মানুষগুলোকে।কিন্তু তা কেউ করেনা! আন্তর্জাতিক সম্পর্কে “World and Earth” ২টি শব্দ বহুল প্রচলিত এবং বেশ আলাদা বৈশিষ্ট্য মন্ডিত।
“Earth” এর মধ্যে কোন পার্থক্য নেই।এখানে সবাই সমান।কারন “Earth” সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত।পার্থক্য বিদ্যমান “World” এ।বিভিন্ন ক্লাস তৈরী করে এখানে মানুষে-মানুষে,দেশে-দেশে,জাতিতে-জাতিতে পার্থক্য করে রাখা হয়ছে।মানে “World” জিনিসটা অনেকটা অঘোষিতভাবে মানুষের দ্বারা তৈরী।তাই স্বভাবতই “Earth Politics” এই শব্দটি ব্যবহার না করে “World Politics” শব্দটা ব্যবহার করা হয়ে থাকে।কথা হচ্ছে এই পার্থক্যগুলো তৈরী করেছে কে??
নারীরা সম অধিকারের কথা বলে।নারী পুরুষের বৈষম্য দূরীকরণে আন্দোলন করে যাচ্ছে।কিন্তু কথা হচ্ছে এই বৈষম্য তৈরী করে কে?
ছেলের খাবারের প্লেটে মাছের বড় মাথাটা তুলে দিল কে??
যাই হওক এসব আমার বিষয় না,বিষয়টা ছিল ব্যতিক্রমধর্মী ধর্ষণ!!
ফিজিক্যাল্লি হেরেজম্যান্টের বাইরেও আরো কতগুলো ধর্ষণ থেকে যায়,যা ব্যক্তির ভেতরের প্রকৃত আমিকে বিকলাঙ্গ করে দেয়।
এর মধ্যে অন্যতম হলো.. অন্যপক্ষ দ্বারা ” Emotional Rape or abuse”বা আবেগের মাধ্যমে ধর্ষিত হওয়া”।
এই আবেগের স্হায়িত্ব খুবই কম।যার ফলে এটি আপনার জীবনটাকে খুব বাজেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে তুলতে পারে।
আন্তজার্তিক সম্পর্কের পেক্ষপটে একটি আইন রয়েছে যে,অযোক্তিক ভাবে চুক্তি ভঙ্গের ফলে কোন পক্ষ যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে তাকে অবশ্যই ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।কিন্তু এই ” আবেগ দ্বারা ধর্ষণের” ক্ষেত্রে কি করবেন?কোন ক্ষতিপূরনে কি এই ক্ষতি পুষিয়ে তোলা সম্ভব?আর যার সাথে আবেগ জড়িত ছিল তার সাথে কি ধর্ষণের পূর্বে চুক্তি করা সম্ভব?
বর্তমান জেনারেশনটা অনেক সাইন্টিফিক ,অনেক লজিক্যাল হওয়া সত্বেও তাদের ভুলের মাত্রা পূর্বসূরীদের চায়তে অনেক বেশি।আর তার প্রধান কারন তাদের আবেগ ও স্বল্প ধৈর্য ক্ষমতা!
সমাজে আরও অনেক ধর্ষণ রয়েছে। যেমন…
*মিথ্যা প্রশংসার মাধ্যমে ধর্ষণ করা!যা রাজনৈতিক প্রাঙ্গণে একটি কমন মেটার!
*মানুষিকভাবে ধর্ষণ করা!
*সম্পর্কের ট্যাগের মাধ্যমে ধর্ষণ করা!
বাহ্যিকভাবে এই ধর্ষণগুলো আমাদের সামনে প্রকাশিত না হলেও,সমাজে যত বিশৃঙ্খলা,শত্রুতা, সম্পর্কের টানাপোড়ন, সবকিছুর মূল হচ্ছে এই ইমপ্লাইড ধর্ষণগুলো।আপনার সরলতা,দুর্বলতা,
ভাললাগা, সত্য বলা ও বিশ্বাস এই জিনিসগুলো হয়ে উঠতে পারে এই ইমপ্লাইড ধর্ষনগুলোর প্রধান ইলিমেন্ট।আপনার এই গুনাবলীগুলো নিয়ে হয়েছেন কোনদিন এরকম ইমপ্লাইড ধর্ষণের শিকার?
নিজের স্বার্থের জন্য আমরা যেকোন ধরনের ধর্ষণকে না বলি! সৌহার্দ্যপূর্ণ অবস্হা বজায় রেখে নিজেদের মধ্যে মন,তথ্য,অধিকার,
ভালবাসা আদান প্রদান করি।তাহলেই এই ইমপ্লাইড ধর্ষণগুলো আর কাউকে মানষিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা মৃত্যুর পথে ঠেলে দেওয়ার কারন হয়ে দাড়াবেনা।

(আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ)
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

Sharing is caring!

https://i0.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2019/06/rap.jpg?fit=660%2C400&ssl=1https://i0.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2019/06/rap.jpg?resize=150%2C150&ssl=1culiveমতামতধর্ষণ কাউছার মোল্লা: এই ধর্ষণ কত প্রকার বা কত ধরনের ধর্ষণের শিকার হতে পারে মানুষ?? আমরা শুধু ফিজিক্যাল দিকটাই বড় করে দেখি কিন্তু অন্য দিকগুলো নিয়ে কখনো ভাবিনা!!ধর্ষণ মাত্রই ফিজিক্যাল অথবা সেক্সুয়াল হেরেজম্যান্ট নয়।এমন আরও অনেক লোকায়িত ধর্ষণ রয়েছে যার ফলে দেহটা অক্ষত থাকে ঠিকই কিন্তু সে দেহের কোন প্রান থাকেনা।থাকেনা কোন...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University