Sharing is caring!

হাজী সাইফুলকে ক্রসফায়ার পরবর্তী সাংবাদিক ও সাধারণ জনগণের মধ্যে স্বস্থির নিঃশ্বাস কিছুট হলেও ফিরে এসেছে  এমন ধারণা পাওয়া যায়। সোসাল মেডিয়াতে অনেক সাংবাদিক  ও সাধারণ জনগণ ভিন্ন ভিন্ন মতামত দিয়ে কমেন্ট করলেও বেশিরভাগ এই ক্রসফায়ারকে স্বাগত জানিয়েছে।Image result for ইয়াবা ডন হাজী সাইফুল

যমুনা টিভির কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি তার ফেইসবুক ওয়ালে বলেন ” বাংলাদেশ আজ ইয়াবার অভিশাপ থেকে অর্ধেক মুক্ত হলো “

তওফিক লিপু ( ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি)  বলেন “হাজী সাইফুল তো দেশ ধ্বংস করেছে। তাকে অনেক আগে ক্রস দেয়া দরকার ছিল। “.

আরফাতুল মজিদ ( দৈনিকা আজাদী জেলা প্রতিনিধি) বলেন ” খুব ভালো মানুষ ছিল মনে হয়??? অনেক অবদান রেখেছে বাংলাদেশে? সিআইপিও নাকি ওনি আবার? একজন সফল ইয়াবা ব্যবসায়ী। ইতিহাস হয়ে থাকবে ”

 আফসার আহমদ নামে একজন বলেন ” ক্রস ফায়ার সমর্থন করি না। সাইফুলের বিচার দরকার ছিল।
অনেকেই ভিন্ন ভিন্ন পজিটিভ মতামত দিলেও কেও কেও এই হত্যাকান্ডকে ভিন্ন চোখে দেখেছেন  যেমন সায়েদ শহীদ উল্লাহর মতে “ই ব্যাপারটি যদি সঠিক হয়ে থাকে,তাহলে বুঝতে হবে বাপের ও যারা বাপ আছে তাদের রক্ষা করার জন্য এই কাণ্ডটি ঘটানো হয়েছে।”
এভাবে ইয়াবা গড ফাদারদের ক্রসফায়ার দিয়ে মারাটাকে অনেকে নেগেটিভ চোখে দেখলেই বেশিরভাগ মানুষ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। কিন্তু অনেকের আছে আবার ভিন্ন মতামত কেও কেও ইয়াবা কারবারির গড ফাদার হয়েও ক্রসফায়ারের আওতায় না থাকায় সোসাল মেডীয়াতে কিছু মতামত প্রকাশ করেন । তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঃ
হানান ইসলাম বলেন – “সে করে ছিল আত্মসমর্পণ কিন্ত তাকে কাল রাতে ওখান থেকে টেকনাফ নিয়ে আসছে তারপর মার ধর করে আজ রাতে মেরে ফেলছে যারা দালাল ছিলেন তার তারা তো খুশি ইনশাআল্লাহ সেই দালাল গুলো ও একদিন এই ভাবে মরবে , তাদের সন্তানের বুক খালি করে দিছেন আপনাদের ও হবে একি অবস্থা, আল্লাহ তার জন্য আখিরাতে ভালো জিনিস রাখছে নিশ্চয়ই জান্নাত পাবে সে, যত দুষমনি করেন না কেন যত ভুয়া লেখা লেখি করেন না কেন আপনারা জাতির বিবেক কলম সৈনিক আপনাদের ও একি অবস্থা হবে ইনশাআল্লাহ”
আসাস নামে এক ব্যাক্তি বলেন – “এখন বাকি রইল বদি”
মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স সে যতটা আপন হওক তাকে সমাজ থেকে ঘৃণা করতে হবে কেননা তাদের দ্বারাই হাজার হাজার যুব সমাজ আজ ধবংসের পথে।
– সুত্রঃ কক্স নিউজ

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় বৃহস্পতির(৩১ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দেশের শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী হাজী সাইফুল করিম হয়েছে। জানা গেছে, বন্দুকযুদ্ধে নিহত হাজী সাইফুল করিম(৪০) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত দ্বিতীয় শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী। বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা , আগ্নেয়াস্ত্র এবং গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।

২০১৮ সালের ৪ মে মাদক বিরোধী অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে ৩১মে পর্যন্ত র‍্যাব-বিজিবি-পুলিশের সঙ্গে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের ‘বন্দুকযুদ্ধ’ এবং ইয়াবা ব্যবসায়ীদের ‘অন্তর্কোন্দলের’ কারণে কক্সবাজার জেলায় ১শ জনের অধিক নিহত হয়েছে। এর মধ্যে টেকনাফে নিহত হয়েছে ৯০ জন।

এদিকে কক্সবাজারের ইয়াবা ডন সিআইপি সাইফুল করিমের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে ইয়াবা কারবারে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া প্রভাবশালীরা বিপাকে পড়েছেন। সাইফুল করিম দেশে ফিরে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে অনেকের নামই ফাঁস করে দিয়েছেন।

তার মাথায় ছায়া হয়ে থাকা এসব ব্যক্তির মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অসাধু কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাও রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাইফুল করিম ইয়াঙ্গুন থেকে দেশে ফেরার পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পুলিশ সদর দপ্তরের একটি বিশেষ দল কক্সবাজার যায়। জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল দিয়েছেন চাঞ্চল্যকর ইয়াবা কানেকশনের তথ্য।

এমন প্রেক্ষাপটে প্রভাবশালীদের একটি সিন্ডিকেট সাইফুল করিমের মুখ বন্ধে সম্ভাব্য প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছেন। এ নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে এসব রাঘববোয়ালদের বাঁচানোর চেষ্টা করে সিন্ডিকেটটি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, টেকনাফে প্রথম দফায় ১০২ জন ইয়াবাকারবারি আত্মসমর্পণ করার পর থেকে সাইফুল করিম আত্মসমর্পণের জন্য যোগাযোগ করেন। দ্বিতীয় দফায় আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে সাইফুল করিমেরও নাম ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবারের বন্দুক যুদ্ধে সাইফুলের মৃত্যূ সে সুযোগ আর রইলনা। আর এর মাধ্যমে দেশের এক ইয়াবা সম্রাটেরও পতন হলো।

জানা যায়,গত শনিবার ইয়াঙ্গুন থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন সাইফুল। পরে একটি গাড়িতে করে বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।

পরে কঠোর গোপনীয়তায় তাকে বৃহস্পতিবার সড়কপথে কক্সবাজার নিয়ে যাওয়া হয়। এর পর তার পরিবার আত্মসমর্পণের জন্য কক্সবাজার পুলিশের হাতে তুলে দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাইফুল করিমের ইয়াবা ব্যবসার বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ছড়ানো ছিল টেকনাফ থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত।

ঘাটে ঘাটে মোটা অঙ্কের অর্থ দিতেন। বিনিময়ে তার সেইফ গার্ড হিসেবে কাজ করতেন ওইসব সুবিধাভোগী প্রভাবশালী। তবে কৌশলগত কারণে এ নিয়ে কথা বলতে চাইছেন না পুলিশ কর্মকর্তারা।

এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘সাইফুল করিম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনগত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারলে ইয়াবা পরিস্থিতির সত্যিকারের উন্নতি হবে।’ সাইফুল করিমের এক ভাগ্নে আমাদের সময়কে বলেন, ‘তার সঙ্গে (সাইফুল করিম) আমাদের দেখা হয়েছে।

তিনি ইয়াবা ব্যবসা করে ঘৃণ্য অপরাধ করেছেন। আইন অনুযায়ী তার বিচার ও কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত। তবে প্রভাবশালীদের বাঁচাতে ভিন্ন কিছু ঘটানো হলে সেটি ঠিক হবে না।’

কক্সবাজারের ইয়াবা ডন হিসেবে পরিচিত সাইফুল করিম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন তালিকায় এক-দুই নম্বরে থাকা শীর্ষ ইয়াবাকারবারি সাইফুল করিম টাকার বিনিময়ে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির (সিআইপি) তকমাও বাগিয়ে নেন।

মালিক বনে গেছেন শত শত কোটি টাকার। বলা হয়ে থাকে, সাইফুলের হাত ধরে বাংলাদেশে ইয়াবার প্রবেশ ঘটে। সাইফুল করিমের গ্রামের বাড়ি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শিলবনিয়াপাড়ায়। ২০০৮ সাল থেকে তিনি ইয়াবা ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন।

প্রসঙ্গত গত বছর ১৬ মে দেশব্যাপী মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরুর পর গা-ঢাকা দেন তিনি। আত্মগোপনের প্রায় ৯ মাস পর দেশে ফিরলেন সাইফুল করিম।

তার মাথায় ছায়া হয়ে থাকা এসব ব্যক্তির মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অসাধু কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাও রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাইফুল করিম ইয়াঙ্গুন থেকে দেশে ফেরার পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পুলিশ সদর দপ্তরের একটি বিশেষ দল কক্সবাজার যায়। জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল দিয়েছেন চাঞ্চল্যকর ইয়াবা কানেকশনের তথ্য।

এমন প্রেক্ষাপটে প্রভাবশালীদের একটি সিন্ডিকেট সাইফুল করিমের মুখ বন্ধে সম্ভাব্য প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছেন। এ নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে এসব রাঘববোয়ালদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে সিন্ডিকেটটি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, টেকনাফে প্রথম দফায় ১০২ জন ইয়াবাকারবারি আত্মসমর্পণ করার পর থেকে সাইফুল করিম আত্মসমর্পণের জন্য যোগাযোগ করেন।

দ্বিতীয় দফায় আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে সাইফুল করিমেরও নাম ছিল।

জানা যায়,গত শনিবার ইয়াঙ্গুন থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন সাইফুল। পরে একটি গাড়িতে করে বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।

পরে কঠোর গোপনীয়তায় তাকে বৃহস্পতিবার সড়কপথে কক্সবাজার নিয়ে যাওয়া হয়। এর পর তার পরিবার আত্মসমর্পণের জন্য কক্সবাজার পুলিশের হাতে তুলে দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাইফুল করিমের ইয়াবা ব্যবসার বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ছড়ানো ছিল টেকনাফ থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত।

ঘাটে ঘাটে মোটা অঙ্কের অর্থ দিতেন। বিনিময়ে তার সেইফ গার্ড হিসেবে কাজ করতেন ওইসব সুবিধাভোগী প্রভাবশালী। তবে কৌশলগত কারণে এ নিয়ে কথা বলতে চাইছেন না পুলিশ কর্মকর্তারা।

এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘সাইফুল করিম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনগত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারলে ইয়াবা পরিস্থিতির সত্যিকারের উন্নতি হবে।’ সাইফুল করিমের এক ভাগ্নে বলেন, ‘তার সঙ্গে (সাইফুল করিম) আমাদের দেখা হয়েছে।

তিনি ইয়াবা ব্যবসা করে ঘৃণ্য অপরাধ করেছেন। আইন অনুযায়ী তার বিচার ও কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত। তবে প্রভাবশালীদের বাঁচাতে ভিন্ন কিছু ঘটানো হলে সেটি ঠিক হবে না।’

কক্সবাজারের ইয়াবা ডন হিসেবে পরিচিত সাইফুল করিম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন তালিকায় এক-দুই নম্বরে থাকা শীর্ষ ইয়াবাকারবারি সাইফুল করিম টাকার বিনিময়ে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির (সিআইপি) তকমাও বাগিয়ে নেন।

মালিক বনে গেছেন শত শত কোটি টাকার। বলা হয়ে থাকে, সাইফুলের হাত ধরে বাংলাদেশে ইয়াবার প্রবেশ ঘটে। সাইফুল করিমের গ্রামের বাড়ি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শিলবনিয়াপাড়ায়। ২০০৮ সাল থেকে তিনি ইয়াবা ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন।

প্রসঙ্গত গত বছর ১৬ মে দেশব্যাপী মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরুর পর গা-ঢাকা দেন তিনি। আত্মগোপনের প্রায় ৯ মাস পর দেশে ফিরেন সাইফুল করিম।তবে শেষ রক্ষা হল না !

Sharing is caring!

https://i1.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2019/05/vএকজন-সফল-ইয়াবা-ব্যবসায়ী.jpg?fit=800%2C450&ssl=1https://i2.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2019/05/vএকজন-সফল-ইয়াবা-ব্যবসায়ী.jpg?resize=150%2C150&ssl=1culiveক্রাইম এন্ড "ল"পলিটিক্সইয়াবা ডন,হাজী সাইফুলহাজী সাইফুলকে ক্রসফায়ার পরবর্তী সাংবাদিক ও সাধারণ জনগণের মধ্যে স্বস্থির নিঃশ্বাস কিছুট হলেও ফিরে এসেছে  এমন ধারণা পাওয়া যায়। সোসাল মেডিয়াতে অনেক সাংবাদিক  ও সাধারণ জনগণ ভিন্ন ভিন্ন মতামত দিয়ে কমেন্ট করলেও বেশিরভাগ এই ক্রসফায়ারকে স্বাগত জানিয়েছে। যমুনা টিভির কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি তার ফেইসবুক ওয়ালে বলেন ' বাংলাদেশ আজ ইয়াবার...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University