হিন্দু মতে বিবাহ হলো পবিত্র বন্ধন (Sacrament)। হিন্দু বিবাহের পদ্ধতি প্রকরণের মধ্যেই বিবাহের মূল দর্শন নিহিত আছে। সাতপাক, অগ্নি-সাক্ষী ও মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে হিন্দু বিবাহ সম্পন্ন হয়। প্রতিটি প্রকরণের মধ্যেই কিছু তাৎপর্য নিহিত আছে। সমাজকে সাক্ষী রেখে “সাতপাক” এর তাৎপর্য হলো এটা অবিচ্ছেদ্দ বন্ধন। “অগ্নি-সাক্ষী ও মন্ত্র উচ্চারণ” হলো পবিত্র প্রতিজ্ঞা। তাই বিবাহ বিচ্ছেদ প্রতিজ্ঞাভঙ্গের সামিল। সমাজকে সাক্ষী রেখে “সাতপাক” দেওয়া হয়, তাই সমাজও বিচ্ছেদকে স্বীকৃতি দেয় না।

কিন্তু এখন ব্রাহ্মণ নারীও ডিভোর্স নিয়ে ঘটা করে অগ্নি-সাক্ষী করে পুনর্বিবাহ করছে। কিন্তু এগুলো অশুদ্ধ ও অ-শাস্ত্রীয়। দু-বার অগ্নি-সাক্ষী ও প্রতিজ্ঞা পরস্পর বিরোধী হয়ে যাচ্ছে।

হিন্দু সমাজে নারীর ডিভোর্স ও পুনঃবিবাহ হয় না। যুগ যুগ ধরে হিন্দুরা তা অশুদ্ধ মনে করেছে। কারণ হিন্দুদের শুদ্ধাশুদ্ধ বা পবিত্র-অপবিত্র বিচার আছে।

তবে বিধবা নারীকে তার দেওর সঙ্গে বিবাহ দেবার রীতি আছে। রামায়ণে, রাবনকে বধ করে রাম বিভীষণ ও মন্দোদরীর বিবাহ দিয়েছিলেন। ‘দেওর’ হলো “দেবর” বা দ্বিতীয় বর।

https://i1.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2018/05/Jadhon-Philosophy-Photo-1.jpg?fit=1024%2C569&ssl=1https://i0.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2018/05/Jadhon-Philosophy-Photo-1.jpg?resize=150%2C150&ssl=1culiveধর্মহিন্দু মতে বিবাহ হলো পবিত্র বন্ধন (Sacrament)। হিন্দু বিবাহের পদ্ধতি প্রকরণের মধ্যেই বিবাহের মূল দর্শন নিহিত আছে। সাতপাক, অগ্নি-সাক্ষী ও মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে হিন্দু বিবাহ সম্পন্ন হয়। প্রতিটি প্রকরণের মধ্যেই কিছু তাৎপর্য নিহিত আছে। সমাজকে সাক্ষী রেখে 'সাতপাক' এর তাৎপর্য হলো এটা অবিচ্ছেদ্দ বন্ধন। 'অগ্নি-সাক্ষী ও মন্ত্র উচ্চারণ' হলো...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University