সাজিদ আলী স্যার,
সত্যি বলছি আপনার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর পদের দরকার নাই।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আপনাকে এই পদের বসানোর জন্যে একদম অযোগ্য।

জিভাসকিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োলজিক্যাল এন্ড ইনভায়রনমেন্টাল বিভাগের বিবর্তনবাদ শাখায় গবেষক হিসাবে আছেন, সেখানেই থাকুন।

সেখান থেকেই বাংলাদেশের হয়ে সুনাম ছড়াতে পারবেন।
সেখান থেকেই সারা বিশ্বে বাংলাদেশের নাম ছড়িয়ে দিতে পারবেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হয়ে পারবেন না।

মাস্টার্স ডিগ্রী না থাকায় দরকার নাই আপনার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার।

আপনার নামের পাশে অনেক গুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম জড়িয়ে আছে।
মাস্টার্স ডিগ্রী দিয়ে কি করবেন!!!!! যেখানে বিশ্বের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় আপনাকে বিশেষ বিবেচনায় মাস্টার্স ছাড়াই পিএইচডি করতে নিয়ে যায়।

এবং এখন আপনার অধিনেই নামকরা অনেক স্টুডেন্ট মাস্টার্স করে!!!!

দরকার নাই স্যার আপনার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার।

আমি বলি কি স্যার- কোনো এক সময় আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোনো শিক্ষক যারা পিএইচডি করতে বাহিরে যাবে তাদের আপনি পড়াবেন।

আমাদের এখানে তো আপনার মতো মানুষ অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হতে পারে না।

স্বর্ণপদক প্রাপ্ত ছাত্র শিক্ষক হতে পারে না।আমার মতো থার্ডক্লাশ সিজিপিএর কেউ একজন স্বর্ণপদক প্রাপ্ত ক্যান্ডিডেটকে ধরে নিয়ে গিয়ে মারে!!!!!!

না আসাটাই বেটার স্যার!!!

কারণ ভবিষ্যৎ এ পরিস্থিতিক্রমে কোনো একদিন আফসোস করতে হবে।

এতো বড় বিজ্ঞানী ছিল ড. জামাল নজরুল স্যার!!কি পেয়েছে বাংলাদেশ থেকে???

স্যার আমরা এখনো গর্ব করে বলি, বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ব্যাঙ বিজ্ঞানী সাজিদ আলী হাওলাদার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলো।

নবম দশম শ্রেণীর ছাত্ররা তাদের জীব বিজ্ঞান বইয়ে আপনার নাম আর আবিষ্কার পড়ে।

কিন্তু আপনি সেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার অযোগ্য।

কেনো অযোগ্য সেটা আমরা জানি!!!!

কারণ আমাদের বাংলাদেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের কাহিনীটা আমরা জানি।

রাজনৈতিক সুপারিশ আর লবিং। হয়তো আপনি নাম মাত্র আবেদন করেছিলেন,আর কিছুই করেন নাই।

অবাক লাগে- কোনো ভিসি পছন্দের একজন শিক্ষক নিয়োগ এর জন্য পুরা একটা ডিপার্টমেন্ট খুলে ফেলে!!!
কোনো ভিসি একদিনের জন্যে যোগ্যতাই শিথিল করে দেয়।
বহু ধরনের সিস্টেম প্রচলিত আছে আমাদের এখানে।

সাজিদ আলী স্যার,
যখন আপনি বড় বড় কনফারেন্স এ দাঁড়িয়ে বলবেন- আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর ছাত্র ছিলাম।

এটাই আমাদের কাছে গর্বের বিষয় হয়ে দাঁড়াবে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসরের চেয়ে বিশ্বের কাছে আপনার রিসার্চ পেপারের সাথে বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা তুলে ধরবেন, সেটাই বেশি বড়।

আজীবন ভালবাসা স্যার,
বিদেশ ছেড়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতে চাওয়ায়।

দুঃখিত স্যার,
আপনাকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দেখতে না পেয়ে।

Md Mizanur Rahman Noble
University of Chittagong

Mizan Nobleক্যাম্পাস  সাজিদ আলী স্যার, সত্যি বলছি আপনার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর পদের দরকার নাই। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আপনাকে এই পদের বসানোর জন্যে একদম অযোগ্য। জিভাসকিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োলজিক্যাল এন্ড ইনভায়রনমেন্টাল বিভাগের বিবর্তনবাদ শাখায় গবেষক হিসাবে আছেন, সেখানেই থাকুন। সেখান থেকেই বাংলাদেশের হয়ে সুনাম ছড়াতে পারবেন। সেখান থেকেই সারা বিশ্বে বাংলাদেশের নাম ছড়িয়ে দিতে পারবেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University