Sharing is caring!

ছবিগুলো আজকের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের।

এই গাড়িগুলো থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার মুখেই। প্রথম গাড়িটার ওপর দৃষ্টি নিক্ষেপ না করে কোনভাবেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকা সম্ভব নয়। দেখে মনে হতে বাধ্য যে নিশ্চই এখানে যুদ্ধাবস্থা চলছে।

ছাত্রলীগ হল এই প্রশাসনের অক্সিজেন সরবরাহকারী। গ্রুপিং ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কারণে ছাত্রলীগের কোন কোন অংশের সঙ্গে প্রশাসনের ক্ষণকালীন মান-অভিমান চলতে থাকে। শোনা যাচ্ছে আজ তারা প্রশাসনের কিছু অনিয়মের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছিল আর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের ওপর সশস্ত্র বলপ্রয়োগ করল। আজ যেভাবে রাবার বুলেট, জলকামানের ব্যবহার হল তা লজ্জাজনক। প্রশাসন নিজের চুরি,ডাকাতি,অনিয়ম ঠেকাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এসবের নেতৃত্বে প্রশাসনের কোন সর্বময় কর্তাব্যক্তি/ ব্যক্তিবর্গ রয়েছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কতটা নির্লজ্জ হলে এরকম হামলা সম্ভব! ছাত্রদের গায়ের ওপর পুলিশ উঠিয়ে দেয়া সম্ভব!

ক্যাম্পাসে যে কোন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে মূল বাধার সৃষ্টি করে ছাত্রলীগ নামধারীরা। কয়েকদিন আগেও প্রগতিশীল ছাত্রজোটের মিছিলে হামলা করে বেধড়ক মারধর করে অনেককে গুরুতর আহত করে হাসপাতালে পাঠায় তারা, মাঝ পথে বাস থেকে নামিয়ে মারে শিক্ষার্থীদের। মেয়েদের ওপর আলাদাভাবে হামলা চালায়। হামলার কথা শিকারও করে তারা। এত মারকুটে যে শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ পাঁচ বছরের শিক্ষাজীবনে ৬-৭ বার মারধরের শিকার হয়েছে, কেউ কেউ ক্যাম্পাসে আসতে পারে না এখনও। এর সারকথা হল প্রশাসনের সহযোগিতায় অন্যের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বাধা দিয়ে, গণতান্ত্রিক পরিবেশ হরণ করে শুধু নিজের জন্য আংশিক গণতন্ত্র কার্যকর করা যায় না। আংশিক গণতন্ত্র বলে কিছু নেই। একই কথা জাতীয় রাজনীতির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এটা একটা ম্যানিয়া হয়ে গেছে মামলা, নিপীড়ন করা। হামলা থেকে সাধারণ স্থানীয় লোকও রেহাই পায় নি। প্রশাসনের আজকের এই সশস্ত্র হামলার নিন্দা জানাই।

কপি ঃ মাইদুল ইসলামের ফেইসুবক স্ট্যাটাস থেকে

শিক্ষক, চবি

Sharing is caring!

https://i1.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2019/04/cu-news-clash-maidul-islam1.jpg?fit=509%2C606&ssl=1https://i2.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2019/04/cu-news-clash-maidul-islam1.jpg?resize=150%2C150&ssl=1culiveক্যাম্পাসপলিটিক্সশিক্ষার্থীদের উপর চবিছবিগুলো আজকের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের। এই গাড়িগুলো থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার মুখেই। প্রথম গাড়িটার ওপর দৃষ্টি নিক্ষেপ না করে কোনভাবেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকা সম্ভব নয়। দেখে মনে হতে বাধ্য যে নিশ্চই এখানে যুদ্ধাবস্থা চলছে। ছাত্রলীগ হল এই প্রশাসনের অক্সিজেন সরবরাহকারী। গ্রুপিং ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কারণে ছাত্রলীগের কোন কোন অংশের সঙ্গে প্রশাসনের ক্ষণকালীন মান-অভিমান চলতে...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University