Sharing is caring!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিজ্ঞপ্তিতে বানান ভুলের ছড়াছড়ি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের এক বিজ্ঞপ্তিতে একাধিক বানান ভুল পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে বাক্যে সাধু-চলিত মিশ্রণজনিত গুরুচণ্ডালীসহ ১৭টি ভুলের কারণে এনিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। এমনকি প্রাধ্যক্ষের বানানও ভুল দেয়া হয়েছে। এর আগেও ওই হলের এক বিজ্ঞপ্তিতে বঙ্গবন্ধুর নামের বানান ভুল নিয়েও ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে বানান ভুলের কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। তারা এটিকে একদিকে চরম উদাসীনতা, অন্যদিকে অদক্ষতা বলে উল্লেখ করছেন।

উল্লেখ্য, গত ২৯ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের প্রাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. নিজামুল হক ভূইয়া স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। আসন্ন ডাকসু নির্বাচন উপলক্ষে দেওয়া ওই বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্রদের পরিচয়পত্র নবায়ন করার নির্দেশনাসহ হলে অবস্থানরত বহিরাগতদের সতর্ক করা হয়। কিন্তু ১৩ লাইনের বিজ্ঞপ্তিতে বানান ভুলসহ সাধু-চলিত ভাষার মিশ্রণও দেখা গেছে। বেশ কয়েকটি জায়গায় সমাসবদ্ধ শব্দ আলাদা করে লেখা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তির ভুলগুলো হলো—প্রথম লাইনে ‘এতদ্বারা’ লিখতে গিয়ে ‘এতদ্ধারা’ লেখা হয়েছে। তৃতীয় লাইনে শুদ্ধবানান ‘লক্ষ্যে’ না ‍লিখে ‘লক্ষে’ লেখা হয়েছে। পঞ্চম লাইনে ‘গ্রহণ’ লেখার পরিবর্তে ‘গ্রহন’ লেখা হয়েছে। ১২তম লাইনে ‘অমান্যকারীদের’ একসঙ্গে না লিখে পৃথকভাবে লেখা হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে এই শব্দটি একসঙ্গে লিখতে হয়।

বিজ্ঞপ্তির ১৩তম লাইনে ‘কেহ’ লেখা হয়েছে। পুরো বিজ্ঞপ্তিটি চলিত ভাষায় লেখার কারণে সাধু ভাষার ‘কেহ’ লেখার কারণে সাধু-চলিত মিশ্রণ দোষ তথা গুরুচণ্ডালী দোষ হয়েছে। শব্দটির চলিত শুদ্ধরূপ হলো ‘কেউ’। আর সর্বশেষ প্রাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. নিজামুল হক ভূইয়ার নামের নিচে ‘প্রাধ্যক্ষ’ বানান ভুল করে ‘প্রাধক্ষ’ লেখা হয়েছে। অন্য ভুলগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে’, যেখানে দ্বিরুক্তি হয়েছে। শুদ্ধ হবে, ‘জানানো যাচ্ছে যে’। এছাড়া লেখা হয়েছে ‘হল সমূহের’, যার শুদ্ধরূপ ‘হলগুলোর’। আরও ভুলের মধ্যে রয়েছে, ‘অত্র’, যা হবে ‘এখানে’; ‘দেয়া’ যা হবে ‘দেওয়া’, ‘কোন’ না হয়ে হবে ‘কোনও/কোনো’। পাশাপাশি বাক্যগঠনের ক্ষেত্রেও ভুল রয়েছে। যেমন ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নয় এমন অছাত্র হলে’ লেখা হয়েছে।

উল্লেখ্য. এর আগে, গত বছরের মার্চ মাসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্মদিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বঙ্গবন্ধুর নামের বানান ভুল লেখা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বঙ্গবন্ধুর নামের বানান ‘শেখ মুজিবুর রহমান’ না লিখে লেখা হয় ‘শেখ মজিবুর রহমান’।

ঢাকা, ০২ ফেব্রুয়ারি (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//সিএস

Sharing is caring!

https://i2.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2019/02/ঢাকা-বিশ্ববিদ্যালয়ের-এক-বিজ্ঞপ্তিতে-এতো-ভুল.jpg?fit=700%2C410&ssl=1https://i1.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2019/02/ঢাকা-বিশ্ববিদ্যালয়ের-এক-বিজ্ঞপ্তিতে-এতো-ভুল.jpg?resize=150%2C150&ssl=1culiveবিনোদনবিজ্ঞপ্তিঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিজ্ঞপ্তিতে বানান ভুলের ছড়াছড়ি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের এক বিজ্ঞপ্তিতে একাধিক বানান ভুল পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে বাক্যে সাধু-চলিত মিশ্রণজনিত গুরুচণ্ডালীসহ ১৭টি ভুলের কারণে এনিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। এমনকি প্রাধ্যক্ষের বানানও ভুল দেয়া হয়েছে। এর আগেও ওই হলের এক বিজ্ঞপ্তিতে বঙ্গবন্ধুর...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University