Sharing is caring!

পুরুষের প্রথম চাহিদাঘটনাচক্রে ঢাবির হলে কয়েকদিন যাবত রাত কাটাচ্ছি!!আমি এসেছি বলে প্রথম দিন থেকেই বাড়ির,হাইস্কুলের,কলেজের এমনকি পাশের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া বন্ধুটিও দেখা করতে চলে এসেছে।যদিও মানুষিক অবস্থা তখন একদম তলানিতে।কারন যাই হওক না কেন সে দিকে না যায়!তারপরেও কয়েকদিন ধরে সবগুলোর সাথেই দিব্যি দেখা সাক্ষাত,আড্ডা,মজা-মাস্তির কমতি হচ্ছেনা!
হটাৎ এক রাতে অনেকটা দুষ্টুমির ছলে মাথাতে অদ্ভূত চিন্তার উদয় ঘটলো!সাথে সাথেই বেরিয়ে পড়লাম আমরা তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন “আইআর” ও একজন ফিলোসোফার সহ মোট চার বন্ধু!!রাত তখন ১২টা!ঢাবির সেন্ট্রাল মসজিদের কিছুটা সামনে আম গাছ থেকে ঢিলিয়ে কতগুলো কাঁচা আম সংগ্রহ করে অনেকটা ফাঁকা রাস্তায় আমরা চার বন্ধু দুষ্টুমি করছি আর হাটছি!!শাহবাগের একটি দোকান থেকে লবণ নিলাম।দোকানদারকেও কয়েকটা আম দিলাম।তিনিতো বেজায় খুশি!!

 

কারন সিজনের প্রথম আম।তখনও বাজারে তেমন একটা উঠতে শুরু করেনি।অনেক্ষন দোকানদারের সাথে আড্ডা দিয়ে রাতটা একটু বাড়িয়ে নিয়ে এবার আসল গন্তব্যে রওনা হলাম!!একটি রাস্তা ধরে সামনে এগিয়ে যেতে থাকলাম এবং আমাদেরকে সে রাস্তায় যেতে দেখে দোকানদারও সম্ভবত মিটমিটিয়ে হেসেছিল!! প্রাইভেসির কারনে সে রোডের নামটা উল্লেখ করলাম না!!দীর্ঘক্ষন হাটার পর আমরা কাক্ষিত রোডে এসে পৌঁছলাম!প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে চারজনই দাড়িয়ে মনের আনন্দে গান গাইতে গাইতে ছোট কাজটি সেরে নিলাম! হালকা রেস্ট নিয়ে, এবার অবজারভেশন করতে থাকলাম রোডটা!রাত তখন ১টা হবে!! আগেই বলে নেই এত কস্ট করে এই রাস্তায় কেন আসা!কারন রাস্তাটার মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে রাতের বেলা এর উভয় পাশের ফুটপাতেই কাপড়ের পর্দা দিয়ে ছোট ছোট তাবু টাইপের ঘর দেখা যায়।যেগুলোতে সর্বোচ্চ ২/৩ জন প্রবেশ করতে পারবে।ভোরের সাথে সাথে তাবুগুলো আবার বিলীন হয়ে যায়!রাস্তার এক-দু কিলোমিটারের মতো জায়গায় প্রায় (৩০/৪০)টি এরকম তাবু চোখে পড়ল!!বোঝার বাকি আছে তাবুগুলো কিসের??খানিক বাদে বাদে কখনও রিক্সা,কখনও ভ্যান,কখনও আবার ছোট ছোট পিক-আপ ভ্যান এসব তাবুর সামনে দাড়াচ্ছে এবং সেসব গাড়ি থেকে কখনও পেসেন্জার আবার কখনও ড্রাইভার এসব তাবুর ভেতর ঢুকে পড়ছে। খানিক বাদেই আবার গাড়ি নিয়ে মনের আনন্দে চলেও যাচ্ছে।তবে ভালো করে যা অবজারভেশন করলাম,এখানে বিভিন্ন গাড়ির ড্রাইভার শ্রেনীর লোকদেরই বেশি আনাগোনা!!তবে রাস্তাটার উভয় প্রবেশ মুখেই কিন্তু আমাদের সম্মানিত পুলিশ রোবটরা নিরাপত্তার দায়িত্বে খুব কষ্ট করে সজাগ রয়েছেন।আসলে তারা যে কাদের নিরাপত্তা দিচ্ছিলো সেটা ভাবনার বিষয়!!….

এখন কথা হচ্ছে কোন পদ্বতিতে এই তাবুগুলো থেকে ইনফরমেশন নেওয়া যায় সেটাই ভাবছি!! তবে এটা মনে করবেন না যে কোন ভদ্রলোকের বেশে গিয়ে তাদের কাছ থেকে বিন্দুমাত্র ইনফরমেশন বের করতে পারবেন!খদ্দের আসবে,যা করার তাই করবে।মাঝে ছোট সময়ের জন্য অর্থের একটা বার্গেনিং হবে।এমনকি তারা খদ্দেরের সাথেও অতিরিক্ত কথা বলতে নারাজ! তাদের কাছ থেকে ইনফরমেশন বের করতে হলে,তাদেরকে তাদের মতো করে জানতে গেলে আপনাকে অবশ্যই টেকনিক্যাল ও উপস্থিত বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগাতেই হবে!কি করা যায়?….

এবার আমাদের চারজন থেকে দু’জন তাদের খদ্দের।আর বাকি দু’জন হলাম সেফটি!!রাত তখন ২টার উপরে।গেলাম প্রথম তাবুতে দু’জন মধ্যবয়সী মহিলা অনেক সেজেগুজে বসে রয়েছেন।অর্থাৎ তাদের নিজেদরও সেফটির জন্য হালকা টেকনিক রয়েছে।কোন একজন যখন খদ্দেরের সঙ্গে তাবুর ভেতরে থাকবে তখন আরেকজন বাইরে থাকবে।যাতে রাস্তায় মাঝেমধ্যে ট্র্যাপে থাকা মানুষগুলো সহজেই বোঝতে পারে যে,এই তাবুতে এখনও খদ্দের জোটেনি!

আমাদের প্লানিংটা ছিল এমন…. দাম নিয়ে এমনভাবে বার্গেনিং করা এবং এমন এমন প্রস্তাব দেওয়া যাতে তারা কোন মতেই রাজি না হয় এবং এর ফলে আমরাও ইনফরমেশন নিয়ে এক তাবু থেকে অন্য তাবুতে সহজেই যেতে পারবো।ঠিক সে ভাবেই আমরা এগুতে থাকি।প্লানিংটাও খুব ভালোভাবেই কাজ করছিল। কিন্তু মধ্যবর্তী একটি তাবুতে গিয়ে আমরা বিশাল রকমের ধাক্কা খেলাম!
বয়স্ক মহিলা,বয়স ৩০/৩৫ এর ঘরে হবে।বাড়ি চট্টগ্রামের একটি জেলায়(নামটা গোপন রেখে দিলাম)!আমরা বার্গেনিং শুরু করলাম। এক পর্যায়ে উনি বিরক্ত হয়ে বললেন,”দেখো তোমাদের দেখে এমন মনে হয়না।বিরক্ত করোনা!ঘরে অসুস্থ ছেলে রেখে এসেছি।আজ একটাও খদ্দের জুটেনি।যদি তোমরা চাও সর্বনিম্ন…….!!

তিন অঙ্কে গঠিত সর্বনিম্ন সংখ্যাই বললেন!!এর চেয়ে কম মূল্য একটি মানুষের দেহ হতে পারেকি?
আমরা অনেকক্ষন বাকরুদ্ধ…. ওনার কথা শোনছি মনোযোগী শ্রোতা হয়ে।অনেক্ষনপর এবার সুযোগে আমরা কতগুলো প্রশ্ন করে নিলাম -এতদুর থেকে ঢাকাতে কিভাবে?কতদিন ধরে?আগে কোথায় ছিলেন?এখন এ অবস্হা কেন?

মহিলা(নারী না বলে মহিলা বলার যৌক্তিক কারন রয়েছে) যা বললেন——-
সেই ছোট থেকেই অভাবের সংসার।কোন রকমে দিন চলতো।এক পর্যায়ে বাবা মারা যায়।কোনরকমে নিজের জেলায় খেয়ে পড়ে সংসার চলতো।সেখানেই বিয়ে হয়।স্বামী ছিলো বাউণ্ডুলে,গাজা-মদে আসক্ত।ফেলে চলে যায়!!অবশেষে জীবকার টানে ঢাকায় আসা।বস্তিতে বসবাস!আর সে সময় অন্ন জোটাতে দালালের প্ররোচনায় পড়ে ঢাকার একটি হোটেলে দেহ ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন তিনি।তখন আমি টগবগে যুবতী!!খদ্দেরেরও কমতি নেই।দু-হাতে টাকা কামাতে থাকেন।টাকার অর্ধেকটা আবার হোটেল মালিকের,কিছুটা দালালের।এভাবেই চলতে থাকে…।আস্তে আস্তে চির যৌবনে ভাটা পড়তে থাকে।খদ্দের আর তার সৌন্দর্য্যে বিমোহিত হয়না!!পড়ে হোটেল মালিক তার হোটেল চালাতে গিয়ে তার জায়গায় অন্যকোন অল্পবয়সীকে ঢুকিয়ে তাকে বের করে দিয়েছে।আর কোন হোটেল মালিকই তাকে নেয়না!তাই পরে ঠাঁই হয়েছে রাতের আধাঁরে রাস্তায়!কিন্তু এখন আর আগের রুপ লাবন্য নেই বলে দামটাও চার অঙ্কের ঘর থেকে তিন অঙ্কের সর্বনিম্ন ঘরে এসে পড়েছে।তারপরেও খদ্দের মিলানো দায়!!গত কয়েক বছর আগে তার একটা সন্তানও হয়েছে! আরও অবাক করা তথ্য হলো–তিনি প্রায় ১৫/১৬ বছর ধরে এ পেশার সাথে জড়িত!!…….এখানে এই মহিলাকে কি বলা যায় আর ভাষা খোঁজে পায়নি!!

এগুতে থাকি অবাক করা তথ্য নিয়ে একটার পর একটা তাবুতে।
কিন্তু এর মাঝে যে ব্যাপারটি লক্ষ্য করলাম তা হলো,সকল তাবুর চায়তে অপজিট পাশের একটা তাবুতে খদ্দেরের আনাগোনা সব চায়তে বেশি!
রাত তখন ৩ টার উর্ধ্বে!!বহু বছরের পুরনো সেই রোড!কিন্তু অভিজ্ঞতায় আমরা সম্পূর্ণ নতুন!হাটছি,মজা করছি,….চলছি।অনেকেরই আড় চোখে তাকানি আনন্দের সাথেই উপভোগ করছি!!….

অবশেষে গেলাম সবচেয়ে বেশি চাহিদা সম্পন্ন সেই তাবুতে।দেখেই বোঝাতে পারলাম,এ তাবুর চাহিদা কেন এত বেশি!মাত্রই এক খদ্দেরকে সন্তুষ্ট করে অর্ধনগ্ন অবস্থায় তাবু থেকে তিনি বের হলেন!সেই পুরনো পদ্ধোতিতে পাটোয়ারী স্টাইলে দামাদামি চলছে!!কিন্তু মেয়েটি আমাদের আগেই খেয়াল করেছিল এবং আমরা যে খদ্দের গোচ্ছের লোক এখনো হতে পারিনি তাও সে বোঝতে পেরেছে।তাই দামাদমি করতে আর আগ্রহ না দেখিয়ে আমাদেরকে চলে যেতে বললেন।তাকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে হোটেল থেকে রাস্তায় নেমে আসার মতো এতটা ভাটা তার এখনও পরেনি।কিন্তু সে কেন রাস্তায়?তার মুখ থেকেই জ কৌশলে জানতে পারলাম।হোটেলে খদ্দের যে টাকা দেয় তার তিন ভাগের এক ভাগ সে পায় এবং সেখানে তার অনিচ্ছা সত্ত্বেও তাকে দেহ বিলিয়ে দিতে হয়।যার কারনে সে রাস্তায় নেমে এসেছে।আর এখানে তার ইচ্ছে হলে রাতে তাবু গেড়ে বসে আর ইচ্ছে না হলে আসেনা।আর এখানে খদ্দেরের সাথে তাদের ডিরেক্ট বার্গেনিং হয়।যার কারনে সে তার কর্মের সঠিক মূল্য পায়।শুধু উভয় পাশে যে সম্মানিত রোবটগুলো পাহারায় আছেন তাদের কিছু দিলেই হয়!!

এভাবেই একেক করে প্রায় সবগুলো তাবু ভিজিট করতে করতে আমরাও খানিকটা হাঁপিয়ে উঠেছি!আরও কিছু সময় থাকতে ইচ্ছে হচ্ছিল।
কিন্তু ঢাবির ডাব গাছের ডাব আমাদেরকে সন্ধ্যা থেকেই আমন্ত্রণ জানাচ্ছিল তার অমৃত রস পান করার জন্য!তাই আর বেশিক্ষন থাকা হলোনা!
তবে সকল উপাত্তের গড় হিসেবে আমরা যা পেয়েছিলাম–
১) এখানের অধিকাংশ যৌনকর্মীর বয়স ৩০ কিংবা এর উর্ধ্বে!
২)অধিকাংশ দারিদ্র্যতা,ধর্ষণের শিকার হয়ে,বয়সের বিভিন্ন স্টেজে মধ্যবিত্ত ও ধনী সম্প্রদায়ের দ্বারা প্রতারনার শিকার হয়ে,হ্যারেজম্যান্টের শিকার হয়ে অনিচ্ছায় প্রথমে রাজধানীর বিভিন্ন বস্তিতে, পরে দালালের চক্রে পড়ে বিভিন্ন হোটেলে এবং সর্শেশেষ রাস্তায় এসে নেমেছে।
৩)এখানে গড় দাম তিন অঙ্কের সর্বনিম্ন সংখ্যা!
৪)অধিকাংশই সমাজের দ্বারা নানাভাবে লাঞ্চিত হয়ে এই পথ বেঁচে নিয়েছে স্বেচ্ছায়।
৫)অধিকাংশ বিভিন্ন প্রতারকদের ট্র্যাপে পড়ে তার সতীত্ব হারিয়েছে।
৬)রাস্তায় থাকা এসব যৌন কর্মীদের কমন খদ্দের হচ্ছে শহরের বিভিন্ন রিক্সা,ভ্যান,ঠেলাগাড়ি, সিনএনজি,ও দূর পাল্লার বিভিন্ন ট্রাকের ড্রাইভাররা!যারা জীবিকার তাগিদে পরিবার ফেলে বস্তিতে থেকে গাড়ি চালায়!
৭)মাঝেমধ্যে দেখা মিলে যৌবনের বেগ সামলাতে না পারা কিছু উঠতি তরুণদের!!….

জানি সেই রোডটির পাশে এভাবেই চলছে এবং চলবে শত অভাগিনীর দুঃখের মিলন মেলা!!যেন কেউ নেই দেখার!কোথায় কে??কারন এ সমাজের বুলি হয়ে দাড়িয়ে- ভোগেই প্রকৃত সুখ,দায়িত্বেই ঝামেলা!!!বরং এ সমাজের খদ্দেররা আশায় থাকে কখন সমাজে ধর্ষিতা হয়ে,অভাবে পড়ে কোন এক নতুন কিশোরীর,এক নতুন যুবতীর আগমান ঘটবে হোটেলে।আর রাস্তার খদ্দেররা আশায় থাকে কখন হোটেল থেকে নিক্ষেপ করা যৌনকর্মীর উদয় হবে রাস্তায়,পতিতালয়ে!!

হোটেলে,পতিতালয়ে,তাবুতে থাকা যৌনকর্মীগুলো আপনার চোখে এবং সমাজের চোখে খারাপ ও বেশ্যা ।সমাজ কোনদিনই চায়না তাদের সাথে কোন ধরনের সম্পর্ক রাখতে ও তৈরী করতে। সমাজ তাদের শরীরে বেশ্যার তকমা লেপে দেয় আবার নিজে ভোগ করতেও পিছুপা হয়না!!তাদের এই পথে আসার পিছনে কি সমাজ দায়ি নয়?সমাজ কি এই দায় এড়াতে পারবে? ধর্ষিতা কেন তার বিচার পেলোনা?ধর্ষিতাকে কেন সমাজ ঠাই দিলোনা?সব দোষ কি আজ ধর্ষিতার?যে সমাজের দ্বারা,ধর্ষকের দ্বারা ধর্ষিত হয়ে অবশেষে এই পথের আশ্রয় নিয়েছে, যেখানে রাষ্ট্র তাকে আশ্রয় দেয়নি।তাহলে আজ সেতো সমাজকে ধর্ষন করবেই।এটাই স্বাভাবিক নয় কি?ধর্ষকের কি কোন বিচার হয়েছিল? এসব পতিতাকে অবহেলা,ঘৃনা না করে বরং তারা যেসব কারনে এই জঘন্য পথগুলো বেঁচে নিচ্ছে সেই কারনগুলোর উপযুক্ত সমাধান করুন। যাতে করে কোন মা বোনকে সমাজের কারনে এই জঘন্য পথগুলো বেঁচে নিতে না হয়!!

(ধন্যবাদ)……
লেখাঃ কাউছার মোল্লা
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ।
(চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়)।
সাথে তিন বন্ধু-
(ঢাবি+জাবি+ঢাবি)।

Sharing is caring!

https://i2.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2019/02/পতিতা.jpg?fit=1024%2C576&ssl=1https://i2.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2019/02/পতিতা.jpg?resize=150%2C150&ssl=1culiveUncategorizedএক্সক্লুসিভক্রাইম এন্ড "ল"পতিতা,যৌনকর্মীঘটনাচক্রে ঢাবির হলে কয়েকদিন যাবত রাত কাটাচ্ছি!!আমি এসেছি বলে প্রথম দিন থেকেই বাড়ির,হাইস্কুলের,কলেজের এমনকি পাশের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া বন্ধুটিও দেখা করতে চলে এসেছে।যদিও মানুষিক অবস্থা তখন একদম তলানিতে।কারন যাই হওক না কেন সে দিকে না যায়!তারপরেও কয়েকদিন ধরে সবগুলোর সাথেই দিব্যি দেখা সাক্ষাত,আড্ডা,মজা-মাস্তির কমতি হচ্ছেনা! হটাৎ এক রাতে অনেকটা দুষ্টুমির ছলে...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University