CSE

প্রথমেই যারা ২১০০ একরের এই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়েছো তাদেরকে স্বাগতম জানাই ।❤️❤️❤️

একটা ছোট্ট উদাহরণ দিয়ে শুরু করি, একজন বড়ভাইয়ের গল্প। উনি শাবির ৯৭/৯৮ ব্যাচের মনির ভাই। পাগল টাইপের মানুষ। ক্লাশ করতেননা। দিনরাত নতুন নতুন সফটওয়ার বানাতেন। অনেক ড্রপ কোর্স ছিলো। রেজাল্ট ৩ এর নীচে। উনার ব্যাচের ৪/২ পরীক্ষার পরে উনার অনেক কোর্স বাকী ছিলো। সার্টিফিকেট ছাড়াই উনি চাকরী পেয়ে গেলেন মাইক্রোসফট এ। জাফর স্যার উনাকে আমেরিকা থেকে আনিয়ে কোর্সগুলা কমপ্লিট করিয়েছিলেন। কথায় কথায় স্যার একবার মনির ভাইকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে তোমার রেজাল্ট, সার্টিফিকেট নিয়ে এরা কিছু বলেনা? মনির ভাই উত্তর দিলেন, “না। ওরা ভয় পায় আমি যদি তাহলে চাকরী ছেড়ে দেই।”

এখন CSE অনেকটা ট্রেন্ডিং একটা সাব্জেক্ট । সবার মুখে মুখে এর নাম শোনা যায় । এই সাব্জেক্টে পড়তে পারলে একটা ভাব হয় । আমি আশা করবো শুধু এই কারণে তুমি যেন CSE পড়তে না আসো ।

কি ধরনের কোয়ালিটি থাকলে তুমি CSE পড়তে এসে মজা পাবা, CSE তোমার পছন্দের সাব্জেক্ট হতে পারে ।

লেগে থাকার অভ্যাসঃ লেগে থাকার অভ্যাস একটা দক্ষতা । ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস ১২ পর্যন্ত যখন ম্যাথ করতাম তখন কি কখনো ভাবতাম এগুলো কেন করতাম ? যদি কারো নিজে নিজে সেগুলো চেষ্টা করার অভ্যাস থেকে থাকে , একাই একাই ম্যাথ বা অন্য প্রব্লেম সলভ করার অভ্যাস থেকে থাকে , একবার না পারলে সেটা ছেড়ে দেয়ার পরও আবার মাথায় সেই প্রব্লেম ঘুরতে থাকে, সমাধানের হাজারটা উপায় খুঁজতে থাকো, তবে CSE তোমাকে হতাশ করবে না কখনো । চারটি বছর অনেক আনন্দময় হবে ।
বিশ্লেষণ ক্ষমতা (Analytical Skill): আমরা সাধারণত যাদের বিশ্লেষণ ক্ষমতা অনেক ভালো তাদের ক্রিয়েটিভ বলে ফেলি । এই বিশ্লেষণ ক্ষমতা আসলে কি ? এটি হচ্ছে তথ্য সংগ্রহ, সেগুলো বিশ্লেষণের মাধ্যমে কোন সমস্যা সমাধানের একটা দক্ষতা । তোমার কাছে যে তথ্যগুলো থাকবে সেগুলো ব্যবহার করেই একটা ডিসিশন মেকিং, একটা বেস্ট ডিসিশন মেকিং । এখানে বলে রাখি, যাদের HSC তে ম্যাথ আর থিওরিক্যাল বিষয়গুলোতে ইন্টেরেস্ট ছিলো বেশি তারা এই বিষয়টা উপভোগ করবা । তোমাকে হতে হবে একজন প্রব্লেম সলভার, একজন নতুন আইডিয়া জেনারেটর ; প্রবলেম সল্ভিং তোমার জন্য এক খেলার মতো উপভোগ্য একবিষয় ।
আমি মনে হয়, তোমাদের CSE নিয়ে ডিমোটিভেট করে ফেললাম কাউকে কাউকে। কিন্তু তোমাকে যাতে CSE নিয়ে পড়ার সময় হতাশ হতে না হয়, সেজন্য বাকি অংশটুকু পড়ে ফেলো একটু সময় নিয়ে ।

এই সাব্জেক্টের কি কি ল্যাব আছে, সেটা এক ঝলকে দেখে ফেলা যাক ।
Introduction to Computer
Structured Programming Laboratory (C Language)
Computer Aided Design Laboratory
Object Oriented Programming Laboratory
Data Structures and Algorithms
Advanced Programming
Algorithm Analysis and Design Laboratory
Microprocessors and Microcontrollers Laboratory
Numerical Methods Laboratory
Web Programming Laboratory
Database Systems Laboratory
Software Engineering and Information Systems Laboratory
Peripherals and Interfacing Laboratory
System Development Project
Operating Systems Laboratory
Complier Design Laboratory
Mobile Computing Laboratory
Computer Networks Laboratory
Artificial Intelligence Laboratory
Technical Writing and Seminar

এগুলো নিয়ে গুগল করো, এসব নিয়ে তোমার ইন্টারেস্ট কাজ করে কি না ? এমন গুগল করে করে শেখার অভ্যাস খুব জরুরি । এই সাব্জেক্ট এ পড়তে হলে অনেক কিছুই তোমার নিজে নিজে শিখে নিতে হবে । সেই মাইন্ডসেট নিয়েই যেন তুমি আসো, খেয়াল রাখবে অবশ্যই ।
আমি ধরে নিচ্ছি , প্রোগ্রামিং, অ্যালগরিদম, ডেটাবেজ, অপারেটিং সিস্টেম সহ রিলেটেড বিষয় গুলো নিয়ে তুমি HSC ICT তে ধারণা অর্জন করে ফেলেছ । আরো একটু ভালো ধারণা অর্জনের জন্য এই লেখাটা পড়তে পারো ।
CSE পড়ে কি করবো ?

এখন আমরা প্রযুক্তির যে পর্যায়ে বসবাস করছি , এখনের Social Problem গুলোর বেস্ট সলুশনগুলো হবে ICT Based সলুশন । সেক্ষেত্রে CSE এর স্টুডেন্টরা এগিয়ে থাকবে ।

বাংলাদেশে যখন টেলিকম কম্পানিগুলো তাদের নেটওয়ার্ক বাড়ানো কাজ করছিল তখন প্রচুর পরিমাণে EEE ইঞ্জিনিয়ার দরকার ছিল । কিন্তু তাদের নেটওয়ার্ক বাড়ানোর কাজ শেষে তারা এখন ভ্যালু সার্ভিসগুলোতে মনোযোগ দিচ্ছে । আর এখনেই CSE এর স্টুডেন্টদের প্রয়োজন ।

বাংলাদেশে CSE পড়ে তোমার ক্যারিয়ার কি হতে পারে। এখানে পড়ে ফেল ঝটপট ।
অ্যান্ড্রয়েড আপ ডেভেলপ করেও তা প্লে স্টোরে রেভিনিউ জেনারেট করতে পারো । কিংবা আইফোনের জন্যও অ্যাপ ডেভেলপ করতে পারো । কোন একটি ভালো অ্যাপের রেভিনিঊ ৬ ডিজিটের সংখ্যা বা তারচেয়ে বেশি হতে পারে । এক্ষেত্রে মানুষের প্রবলেম সলভ করাটাই মেইন কনসার্ন হওয়া উচিত ।তুমি চাইলে নিজেই একটা Start Up দিয়ে ফেলতে পারবে । শুধু কম্পিউটার আর তোমার ব্রেইন দিয়েই তুমি একটা কোম্পানি শুরু করে দিতে পারো । তোমার কোম্পানী তুমিই CEO , কি মজা , তাই না । বাংলাদেশে CSE graduate দের সেলারি সাধারন 40K+ হয়, ৬ মাস চাকরী করার পর 60-70k । আবার এখানে একটা মজার ব্যাপার ঘটতে দেখবে , CSE graduate দের কেউ দেখবে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করার আগেই জবের অফার পাচ্ছে , আবার কেউ জবই পাচ্ছেই না , শেষে 10-20k সেলারির চাকুরি করতে হচ্ছে । আবার কাউকে দেখবে দেশেই 100k+ সেলারি পাচ্ছে । আর দেশের বাইরে যেতে চাইলে সেলারি কয়েক গুণ বেড়ে যাবে । তোমার দক্ষতাই তোমার পরিচায়ক।

আউটসোর্সিং করেও তুমি ভালো ইঙ্কাম করতে পারবে । একেকটা আপ ডেভেলপমেন্টের প্রোজেক্ট ৫০০ ডলার থেকে শুরু করে ১৫০০+ ডলার হতে পারে । আবার গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, ওয়েব ডেভেলমেন্টের অনেক কাজ করেও অনেকে মোটা অংকের প্রফিট জেনারেট করে । তবে ক্যারিয়ার হিসেবে আউটসোর্সিং দীর্ঘমেয়াদি কোন ক্যারিয়ার হতে পারে না বলে অভিজ্ঞরা মতামত দেন । প্রোগ্রামিং এ আনন্দ না পেলে নেটওয়ার্কিং এ ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ আছে তোমার জন্য । তবে প্রোগ্রামিং এ আনন্দ না পেলে গ্রাজুয়েশনের ৪ বছর যে আনন্দদায়ক হবে না তা আশা করি বুঝতেই পারছো এতক্ষণে । নিচের বিষয়গুলো নিয়ে অতি আগ্রহীরা একটু নেটে সার্চ করতে পারো ।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ভবিষ্যতে নতুন মাত্রা যোগ করতে চলেছে । তুমি যে ফেসবুক ব্যবহার করো , কখনো কি ভেবে দেখেছো ফেসবুকে বন্ধুদের সাথে দেয়া তোমার ছবিটাতে নিজে নিজে কি করে চিনে নিচ্ছে । বাংলাদেশে জনসংখ্যা অনেক বেশি, মানে অনেক পরিমাণ ডাটা ( Big Data)। মেশিন লার্নিং অনেক সম্ভাবনাময় একটা ক্ষেত্র হতে চলেছে আগামীতে।ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing) নিয়ে ঘাটতে পারো ।

অনেক কথা হলো এবার কম্পিটিটিভ প্রোগ্রামিং নিয়ে কিছু বলি, কম্পিটিটিভ প্রোগ্রামিং (Competitive Programming) হচ্ছে অনলাইন ভিত্তিক ( বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ) এক প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা । কিছু সমস্যা দেয়া থাকবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেগুলো সমাধান করতে হবে । কিছু ওয়েবসাইটে এগুলো আয়োজন করে থাকে । সবার র্যাংকিং করে । তুমি সারা বিশ্বের সেরা প্রোগামারদের সাথে প্রতিযোগিতা করার এক অসাধারণ সুযোগ পাবে। আবার কোন কোন কন্টেস্টে বেশি ভালো করলে বড় বড় কোম্পানি গুলো ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকে । কখনো কখনও কন্টেস্টে ভালো করলে প্রাইজ মানি থাকে , কি মজা ! এই কম্পিটিটিভ প্রোগ্রামিং যে কতটা আনন্দময় আর আমেইজিং একটা কিছু হতে পারে , নিজে পারটিসিপেট না করলে বুঝতে পারবে না।

 CSE এর সাবজেক্ট রিভিউর সাথে আমি আমার জীবনের ভর্তি পরীক্ষা পরবর্তী গল্পটা এবং চবির প্রেক্ষাপটে CSE এর অবস্থাও শেয়ার করলাম, পড়ে দেখো–

একটা বিষয় ক্লিয়ার করি চবিতে আমাদের সময় ম্যাথ না দাগালে CSE পাওয়া যেত না কিন্তু এখন ম্যাথ না দাগিয়ে ও র্যাঙ্কে আগে থাকলে তোমরা CSE পেতে পারো।

চবি এ ইউনিটে গতবছর আমার র্যাঙ্ক ছিল ৪৯৪। এটা আমার ভর্তি পরীক্ষার প্রথম সুখবর। কিন্তু এটা আরেকটা টেনশন ও এনে দিল। টেনশন হল CU তে CSE কেমন হবে? অনেক বন্ধুই বলল যে CU তে বায়োলজিক্যাল সাব্জেক্ট গুলা নিয়ে পড়া বেটার। বাট আমার স্বপ্ন CSE । এখন সমস্যা হয়ে গেল ১ম চয়েস কি দিব? অনেক বন্ধুর সুপরামর্শে আর বাবা মার অনুমতি নিয়ে ১ম এ CSE দিয়ে দিলাম। যা হওয়ার হবে। প্রথমে EEE আসলে ও পরের মাইগ্রেশনে CSE চলে আসল। এখন সাবজেক্ট তো নিয়ে ফেললাম। একেক জনে একেক কথা বলতেছে। কিন্তু আমি যেদিন CSE ডিপার্ট্মেন্টে প্রবেশ করলাম সেদিন ই বুঝে গেলাম সাবজেক্ট চয়েস CSE না দিলে জীবনে কত বড় ভুল করতাম? সবচেয়ে অবাক করা বিষয় ছিল ১ম জানুয়ারী ওরিয়েন্টেশন ক্লাসেই আমরা ১ম সেমিস্টার এক্সামের রুটিন পেয়ে গেলাম। ওইদিন ই ক্লাস শুরু। পরের দিনের ক্লাসে ২০ পৃষ্টার একটা এসাইনমেন্ট ও পেয়ে গেলাম। টানা ক্লাস। নো গেপ। অন্যান্য ডিপার্ট্মেন্টে যেখানে ক্লাসে স্যার আসত না সেখানে আমরা নিয়মিত প্রোগ্রামিং কন্টেস্ট, ক্লাস, সিটি , এসাইনমেন্ট , ল্যাব ক্লাস, ল্যাব রিপোর্ট করে যেতে থাকলাম ।

এখন অনেকে মনে করতে পারো আমি ভয় দেখাচ্ছি। না আমি ভয় দেখাচ্ছি না। এক সময় ইতিহাস ছিল যে CSE থেকে বের হতে ৪ বছরের কোর্সে ৬,৭ এমনকি ৮ বছর ও লেগে যেত। কিন্তু এখন আমাদের ডিপার্ট্মেন্টে নো সেশন জট। আমি আবারো বলছি নো সেশন জট। আমরা ১ লা জানুয়ারী , ২০১৮ তে ক্লাস শুরু করি। আর ৩ মাস ২০ দিনে অর্থ্যাৎ এপ্রিলের ২০ তারিখের মধ্যে ফার্স্ট সেমিস্টার এক্সাম শেষ। এখন আগামী ৫ তারিখ থেকে আমাদের ২য় সেমিস্টারের এক্সাম। ৬ই ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। বরাবর ৪ বছরেই সব ব্যাচ এখন বেরিয়ে যাচ্ছে। সেশন জট নেই এটা ক্লিয়ার আশা করি।

এখন তোমাদের অনেকে বলবে কোথাই বুয়েট, চুয়েট আর কোথায় চবি । আমি ইঞ্জিনিয়ারিং ভার্সিটি গুলোকে আগে প্রেফার করি। কিন্তু এটা হলফ করে বলতে পারি যে আমাদের চবির CSE ডিপার্ট্মেন্ট ওদের চেয়ে কম কিছু না। তোমরা জানলে অবাক হবে যে চুয়েট ফেস্ট ২০১৮ এ আমাদের বড় ভাই ও আপুরা চুয়েট কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে এসেছে। আমাদের ডিপার্ট্মেন্টে এমন কিছু বস প্রোগ্রামার আছে যারা এখন ইন্টারন্যাশনাল লেভেলে প্রোগ্রামিং করছে। আগে ডিপার্ট্মেন্টে আসো। সবার সাথে পরিচয় হবে। আমাদের ডিপার্ট্মেন্ট থেকে অনেকে বাইরের দেশে অনেক বড় বড় কোম্পানিতে আছেন।

এখন অনেকের প্রশ্ন হল চবির CSE থেকে বের হলে কি নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার লাগানো যাবে? যেটা আমারো প্রশ্ন ছিল ঐ সময়ে। আগেই বলে রাখি অনেকের ধারনা চবির CSE অনার্স কোর্সের। এটা সম্পূর্ণ ভূল ধারনা। আমাদের কোর্সটি হল বি.এস.সি. ইঞ্জিনিয়েরিং এর কোর্স। আর ইঞ্জিনিয়ারিং লাগানো যাবে কিনা বেপার টা হল চবি এখনো IEB ভুক্ত হয় নি। তাই এখান থেকে বি.এস.সি কোর্স শেষ করে বের হয়ে IEB তে একটা এক্সাম দিতে হয়। ওইটার পরেই নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার লাগানো যায়। যদিও তোমাদের @আজিজ পৃথিবী ভাই ডিপার্ট্মেন্টে যাওয়ার আগেই ফেইসবুকে নামের আগে ইঞ্জিনিয়ারিং লাগিয়ে দিয়েছিল। 😂😂😂(তার এই আইডি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে অফ থাকে। তার ফেইক আইডি Issack Norton)

ডিপার্ট্মেন্টের স্যার, বড় ভাই ও অফিসের আংকেল রা খুব আন্তরিক। যেকোন সমস্যায় তোমাকে হেল্প করবে তারা। আর আমরা তো আছি।

আমাদের ডিপার্ট্মেন্টের সম্পর্কে আরো কিছু জানতে চাইলে নিচের লিঙ্ক এ যাও।
http://cu.ac.bd/ctguni/index.php…

আশা করি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিবে। তোমাদের অপেক্ষায় আছি। 💓

সহযোগীতায়ঃ
Md. Arifuzzaman
Department of Public Administration
Faculty of Social Science
University of Chittagong.
Head of SILSAW CU

শুভকামনায়
রকি দাশ
Sayem Aziz Chowdhury
Dept. of CSE.
University of Chittagong.

https://i2.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2019/01/cse-cu.jpg?fit=960%2C719&ssl=1https://i1.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2019/01/cse-cu.jpg?resize=150%2C150&ssl=1culiveক্যারিয়ারশিক্ষাCSE,cu,Review,subjectপ্রথমেই যারা ২১০০ একরের এই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়েছো তাদেরকে স্বাগতম জানাই ।❤️❤️❤️ একটা ছোট্ট উদাহরণ দিয়ে শুরু করি, একজন বড়ভাইয়ের গল্প। উনি শাবির ৯৭/৯৮ ব্যাচের মনির ভাই। পাগল টাইপের মানুষ। ক্লাশ করতেননা। দিনরাত নতুন নতুন সফটওয়ার বানাতেন। অনেক ড্রপ কোর্স ছিলো। রেজাল্ট ৩ এর নীচে। উনার ব্যাচের ৪/২...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University