Sharing is caring!

#Subject_Review :: GENETIC ENGINEERING and Biotechnology

ধরো একদিন নৈশভোজ করতে করতে তুমি চিন্তা করলে, একই গাছে যদি বিভিন্ন ধরনের ফুল ফুটতো…
একই গাছের নিচে বসে যদি বিভিন্ন ধরনের ফলের স্বাদ গ্রহন করতে পারতে…
তাহলে তোমার অনুভুতি কেমন হত?
ছোটবেলায় তুমি হয়ত শুনেছ, তুমি তোমার দাদু বা দিদার মত দেখতে। এরকম কেন বলত মানুষ!!!!!
এ রহস্যের পেছনে কারণ কি হতে পারে,
কখনও কি ভেবে দেখেছ???
তাহলে অাজ তোমাকে স্বাগত জানাচ্ছি রহস্যের এই অতল সাগরে, যে পরিবারের নাম Genetic Engineering and Biotechnology.
.
অামরা যে প্রকৃতিতে বাস করি, সে প্রকৃতিকে নিজের অনুকূলে এনে মানব কল্যানে ব্যবহার করার নামই হচ্ছে বায়োটেকনোলজি যার একটি পরিসর হচ্ছে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।

বর্তমানে সারাবিশ্বে যে ক্ষেত্রের সবচেয়ে বেশি উম্মোচন ঘটছে তার নাম জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি

এখন ঘরে বসেই অল্প পরিসরে এবং খুব কম জনবলের থাকা সত্বেও আমরা প্রচুর চারা উৎপাদন করতে পারি। বিশ্বে বিভিন্ন মহামারী চিকিৎসার ক্ষেত্রে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতেছে। এখন প্রতি ঘরে ঘরেই নূন্যতম একদুইজন ডায়াবেটিস রোগী থাকে যারা প্রতিনিয়ত ইনসুলিন ব্যবহার করছে যা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর এক গুরুত্বপূর্ণ অবদান। এখন হাজার হাজার মানুষের কর্মস্থল, চিকিৎসা, বিভিন্ন ক্ষেত্রে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বায়োটেকনোলজি এগিয়ে যাচ্ছে দ্রুত গতিতে।

এখন চাইলে তুমিই পার ছোট্ট কোন জিনের পরিবর্তনের মাধ্যমে( Gene manupulation) বড় কোন বৈপ্লবের সৃষ্টি করতে।।

বর্তমানে বিশিষ্ট বৈজ্ঞানিক জনাব ডক্টর মাকসুদুল আলম পাটের জীবন রহস্য আবিষ্কার করেন। সাম্প্রতিক বাংলাদেশের কিছু জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ার ইলিশের জীবন রহস্য আবিষ্কার করেছেন।
এই সাবজেক্টে চিন্তা করাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ কারণ এখানে এমন কিছু করা সম্ভব যা কেউ ভাবতেও পারে না।

যেমন, একবার আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অব উয়োমিং এর কিছু বিজ্ঞানী ঠিক করলেন ছাগলের দুধের মধ্যে তিনি মাকড়সার জালের সূতা তৈরি করবেন যা হবে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সূতা। তিনি সফল হয়েছিলেন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে এবং সৃষ্টি করেছিলেন বায়োস্টীল!
———————————————————————————–
বায়োস্টীল সম্পর্কে জানতে হলে ভিজিট করতে পারো http://en.wikipedia.org/wiki/Biosteel
———————————————————————————–
সুতরাং, অদ্ভুত চিন্তা করতে জানতে হবে। এত অবিশ্বাস্য জিনিস একদিনে আবিষ্কার হয় না। তাই, তোমাকে হতে হবে কঠোর পরিশ্রমী। ল্যাবে দৈনিক ১৫ ঘন্টাও কাজ করতে হতে পারে!

এ অত্যাধুনিক বিষয়টিতে পড়তে যে যে গুন থাকতে হবে-
– ️ চিন্তাশীল
– সৃজনশীল
– পরিশ্রমী
– পাশাপাশি জীববিজ্ঞান এবং জৈব রসায়নের (Organic Chemistry) দক্ষ হতে হবে।
আমাদের সিইউ জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি ডিপার্টমেন্টের অসংখ্য কৃতিত্ব অর্জনের এক সাফল্য মন্ডিত ইতিহাস রয়েছে।

#চবি_জেনেটিক_ইঞ্জিনিয়ারিং এর উপর তৈরি করা ডকুমেন্টারির লিংক নিচে দেওয়া হল।

https://m.youtube.com/watch?feature=youtu.be&v=pxEvNB93_7Y

প্রথমবারের মত হওয়া জাতীয় জীবপ্রযুক্তি মেলায় অামাদের অর্জনের খাতাটাই ছিল বেশি।

https://www.facebook.com/332647120084259/posts/2338943542787930/

https://m.banglanews24.com/cat/news/bd/674609.details

https://www.thedailystar.net/…/biotechnology-the-future-163…

https://www.facebook.com/332647120084259/posts/2404264202922530/

http://dainikazadi.net/%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A…/

https://www.facebook.com/332647120084259/posts/2238165006199118/

https://www.facebook.com/332647120084259/posts/1937436736271948/

https://journals.plos.org/plosntds/article…

#জেনেটিক_ইঞ্জিনিয়ারিং_এবং_বায়োটেকনোলজী_কি_এবং_কেন?
জীবদেহের ক্ষুদ্রতম একক কোষ। এই কোষ যদি হয় একধরনের জৈবিক কম্পিঊটার তাহলে DNA হবে তার হার্ডওয়্যার এবং প্রোটিন তার সফটওয়্যার।আর এই DNA ই জীবনের ভাষার সংকেত, জীবের মৌলিক ভৌত ও কার্যিক একক এবং বংশ থেকে বংশান্তরে জীবের বৈশিষ্ট্য বহনকারী বস্তু। DNA তে উল্লেখযোগ্য কোন পরিবর্তন প্রানীদেহে পরিবর্তন নিয়ে আসে, আর পরিবর্তনই আমাদের দেহের বেশিরভাগ রোগবালাই এর অন্যতম মূল কারন। এসকল রোগবালাইয়ের চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত প্রযুক্তির নাম ‘জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বায়োটেকনোলজী’। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে DNA এর কাঙ্ক্ষিত অংশ(জিন) কেটে মানুষ থেকে ব্যাকটেরিয়ায়, উদ্ভিদ থেকে প্রানীতে, প্রাণি থেকে উদ্ভিদে স্থানান্তর করে বিভিন্ন ওষধ, টিকা, প্রয়োজনীয় বায়োক্যামিক্যাল ইত্যাদি তৈরি করা হচ্ছে। যেমনঃ মানুষের শরীরের ইনসুলিন তৈরীর জিন ব্যাকটেরিয়ার (E.coli) শরীরে স্থাপন করে এখন এই সমস্ত ব্যাকটেরিয়া দিয়ে ইনসুলিন তৈরী করা সম্ভব হচ্ছে। আবার মানুষের জিন ভেড়ার শরীরে স্থাপন করার পর দেখা গেছে যে, এদের প্রতি লিটার দুধে ৩৫ গ্রাম Alpha-1-antitripsin নামক প্রোটিন পাওয়া যায়। যা কি না করোনারি থ্রম্বোসিস চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। একই ভাবে জেনেটিক্যালি মডিফাইড খরগোস থেকে interleukin-2 নামক যে প্রোটিন পাওয়া যায় তা কিছু ক্যান্সার চিকিৎসায় প্রয়োগ করা হয়। এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০টি উদ্ভিদে এ পদ্ধতির সফল প্রয়োগ করা হয়েছে, যার ফলে এরা নিজ শরীরে বিভিন্ন প্রোটিন তৈরী করতে পারে, যা দিয়ে তারা বিভিন্ন কীটপতঙ্গ, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক প্রতিরোধে সক্ষম। শুধু তাই নয় বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় পরিবেশ দূষন রোধেও এই প্রযুক্তি সম্ভাবনাময়।

#জেনেটিক_ইঞ্জিনিয়ারিং_এর_ভবিষ্যৎ

সে দিন খুব দূরে নয় যখন ডক্টর ও বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতা নিরাময়ে জেনেটিক্স এর ইনফরমেশনগুলো ব্যবহার করবে। উদাহরনস্বরূপ, একজন মানুষের জিন তার শরীরের প্রোটিন উৎপন্ন হওয়া থেকে শুরু করে প্রোটিনের বৃদ্ধি, টিকে থাকা, ধ্বংস নিয়ন্ত্রন করে। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়াররা সেই জিন এক্সেস করে জিনের Instruction এ পরিবর্তন আনতে পারে ভ্রুন অবস্থাতেই। এভাবে যে প্রোটিন টিউমার, ক্যান্সার সৃষ্টির জন্য দায়ী সে প্রোটিনই তা নিরাময় করবে। এছাড়া ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন এর মাধ্যমে বন্ধ্যাত্ব পরাজিত হয়েছে আরো অনেক আগেই।জিন ড্রাইভ প্রযুক্তি ব্যবহার করে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। শুধুমাত্র রোগ নির্নয় ও নিরাময় নয়, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বায়োটেকনোলজীর জয়যাত্রা অব্যাহত আছে কৃষিশিল্প, বস্র ও চামড়া শিল্প, পরিবেশ বিজ্ঞান ইত্যাদিতে। মোদ্দাকথা বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত এই ধরনীর উল্লেখযোগ্য আশার আলোকবর্তিকা হচ্ছে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজী।

#নামের_শেষে_ইঞ্জিনিয়ারিং_কেন?

বিভিন্ন ধরনের কৌশল ব্যবহার করার মাধ্যমে নানা প্রজাতির জিন এর উদ্ভাবন করা মূল বিষয়বস্তু হওয়ায় নামের শেষে ইঞ্জিনিয়ারিং শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।

#জেনেটিক_ইঞ্জিনিয়ারিং_এন্ড_বায়োটেকনোলজী_এর_পরিধি:

গবেষনাধর্মী এই সাবজেক্ট থেকে বিশ্ব দাপিয়ে বেড়ানোর সুযোগ আছে আন্ডারগ্রাজুয়েট অবস্থা থেকেই বিভিন্ন কনফারেন্স ও ইন্টার্নশিপে অংশগ্রহন করার মাধ্যমে। আর গ্রাজুয়েশন শেষে বিশ্বের নামকরা বিশ্ব বিদ্যালয়ে পোস্ট গ্রাজুয়েশনের সুযোগতো আছেই। এই বিষয়ে পড়ে আমেরিকা, ইউরোপের, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জাপান সহ যেকোন দেশে মাস্টার্স বা Ph.D যা বর্তমানে অন্যান্য সাবজেক্টের তুলনায় সহজ। চাকরী এবং গবেষণা দুটি ক্ষেত্রই উন্মুক্ত। চাকরীর ক্ষেত্র বাংলাদেশে উল্ল্যেখযোগ্য হারে প্রসারিত হচ্ছে, বিদেশেও সুযোগ প্রচুর এবং বেতনটাও বেশ চড়া। তবে বাংলাদেশে ACME, Square, Beximco, Beacon, Global, Eskayef এর মত বড় বড় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানীগুলোতেও রয়েছে ভাল সুযোগ।

#জব_সেক্টরঃ

এই সাবজেক্টটি মূলত গবেষনাধর্মী এবং ব্যবসামূলক সাবজেক্ট। এ সাবজেক্ট এর সেক্টর দেশ ও বিদেশে বিশাল অংশ জুড়ে বিস্তৃত। চাকরী থেকে এখানে গবেষণার ক্ষেত্র অনেক বেশী।

#Research_organization_on_which_we_can_work:
– icddr,b
– Brac
– BIRDEM
– BCSIR
– বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BIRRI)
– Bangladesh Atomic Energy Commission(BAEC)
– DNA Forensic LAB, DMC & DMP
– NIB (National institute of Biotechnology)
– Square
– লাল তীর

#Pharmaceuticals_and_Industry :
– Incepta
– Square
– Globe
– Beacon
– Aristopharma
– Novartis
– Novo Norsdisk
– Beximco
– ACI
– Silva
– Acme
– Pran group

#As_a_lecturer_you_can_join_in_different_Re_known_Universities such as:
– DU
– CU
– JNU
– NSTU
– Jessore
– MaVabi TU
– JU
– RU
– BAU
– Veterinary
– Ku
– SAU
– NSU
– IUB
– East West
– Brac
– UODA
– USTC
– AUW
– BUH

#Hospital_and_Diagnostics_centre :
– Dhaka Shishu Hospital
– Apollo Hospitals
– Square Hospitals
– Lab Aid
– United Hospital
– Cancer Hospital
– Chevron
– Sensiv
– Epic
– CSCR
– Metro
– DNA forensic lab, Dhaka

#বাংলাদেশে যতগুলো সাব্জেক্ট অাছে, তার মধ্য এই সাব্জেক্ট থেকেই সবচেয়ে বেশি Scholarship পেয়ে বাইরে যাওয়া যায়। যেসব দেশে যওয়ার সুযোগ রয়েছে –
– USA
– Canada
– Europe(UK, Germany, Sweden, Norway, Denmark, Ireland, Italy, France)
– Australia
– Japan
– Korea
– Singapore
– Malaysia

▪️ নতুন ফ্যাকাল্টি হিসেবে ভাল রেজাল্ট যারা করবে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার সুযোগ পাবে। রয়েছে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিস্ঠানে সায়েন্টিফিক অফিসার সহ অন্যান্য পদে চাকুরী করার সুযোগ।

▪️ অন্য সব সাবজেক্টের মত বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (BCS) মাধ্যমে সরকারি চাকুরিজীবি হওয়ার সুযোগ তো আছেই। ক্যাডার এবং নন- ক্যাডার উভয় ক্ষেত্রেই আছে ভালো বিদ্যমান। ব্যাংক সহ অন্যান্য প্রাইভেট কোম্পানী তো আছেই। এ ছাড়াও এই সাবজেক্টের চাকরির ক্ষেত্র সময়ের পরিবর্তনের সাথে দিন দিন বেড়েই চলছে । জেনেটিক্স এ পড়ে অনান্য যেকোন সাবজেক্টের তুলনায় আমেরিকা, ইউরোপের, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জাপান সহ যেকোন দেশে MS সহ ভাল চাকরি ও গবেষনা করতে পারবে।
তাছাড়াও তুমি দেশের বাইরে গিয়ে Ph.D করতে পারবে যা বর্তমানে অন্যান্য সাবজেক্টের তুলনায় সহজ হবে।

▪️ যে যে কোর্স পড়ানো হয়ঃ
এ বিভাগের কোর্স প্লান অনুযায়ী এ্যাপ্লায়েড বায়োলজি এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রয়োজনীয় প্রায় সব বিষয়ে পাঠদান করা হয়।
.
▪️ বিশেষ কিছু বিষয় হিসেবে পড়ানো হয়ঃ
১. প্লান্ট বায়োটেকনোলজি,
২. এ্যানিমেল বায়োটেকনোলজি,
৩. মাইক্রোবায়াল বায়োটেকনোলজি,
৪. এনভায়রনমেন্টাল বায়োটেকনোলজি,
৫. ফুড বায়োটেকনোলজি,
৬. এ্যাগ্রিকালচারাল বায়োটেকনোলজি,
৭. ফিশারিজ এ্যান্ড মেরিন বায়োটেকনোলজি,
৮. মেডিক্যাল এ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যালস বায়োটেকনোলজি,
৯. প্লান্ট টিস্যু কালচার,
১০. এ্যানিমেল সেল টেকনোলজি,
১১. বায়োপ্রসেস টোকনোলজি এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।

এ বিভাগটিতে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর সাথে সাথে এ সবগুলো বিষয়ই প্রথম থেকেই পড়ানো হয়। একারণেই একজন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ায় একজন মাইক্রোবায়োলজিস্ট কারণ, নিজের ব্যাকটেরিয়াগুলো তাকে পেটরি ডিসে জন্মাতে হয়; সে একজন বায়োকেমিস্ট কারণ নিজের সৃষ্টি জীব থেকে সংগৃহীত প্রোটিন তাকে বিশ্লেষণ করতে হয়; সে একজন পরিসংখ্যানবিদ কারণ 3.2 বিলিয়ন বেস পেয়ারের মাঝে তাকে ধারণা করে কাজ করতে হয়; সে একজন অর্গানিক কেমিস্ট কারণ নিজের আবিষ্কৃত ওষুধের মলিকিউলার গঠন তাকে বের করতে হয় এবং পরিশেষে একজন কম্পিউটার প্রকৌশলী কারণ বিশাল ডিএনএ এনালাইসিসের জন্য তাকে সফট ওয়ার ডিজাইন করতে হয়।তুমি সত্যিই হয়ে উঠবে “Jack of all traits, master of SOME”.

সুতরাং যদি হতে চাও ব্যতিক্রমি এক ইঞ্জিনিয়ার যার কথায় রোবটের মত কাজ করবে বিভিন্ন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রাণী, যদি নিজের মুখ দেখতে চাও বিখ্যাত Nature ম্যাগাজিনে, যদি হতে চাও The Engineer of Doctors তবে আর দেরী কেন? প্রিপারেশন নাও Genetics Engineering হাত ধরে ভবিষ্যৎ গড়বার। হয়ে উঠো The Master of SOME.

#শুভকামনায়
MD Al-beruni Chowdhury
Dept. Of Genetic Engineering and Biotechnology
Instructor- SILSWA CU
(secondary and Intermediate Level Students Welfare Association)

#Special_thanks_to:
Arpon Das (Jayraz)
Dept. Of Genetic Engineering and biotechnology
&
Anjasu Paul
Dept. Of Genetic Engineering and Biotechnology
&
Our Department.

Sharing is caring!

culiveক্যারিয়ারশিক্ষা#Subject_Review,GENETIC ENGINEERING and Biotechnologyধরো একদিন নৈশভোজ করতে করতে তুমি চিন্তা করলে, একই গাছে যদি বিভিন্ন ধরনের ফুল ফুটতো... একই গাছের নিচে বসে যদি বিভিন্ন ধরনের ফলের স্বাদ গ্রহন করতে পারতে... তাহলে তোমার অনুভুতি কেমন হত? ছোটবেলায় তুমি হয়ত শুনেছ, তুমি তোমার দাদু বা দিদার মত দেখতে। এরকম কেন বলত মানুষ!!!!! এ রহস্যের পেছনে কারণ কি হতে...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University