আমি যখন চার পাঁচ বছর পর সন্দ্বীপ যেতাম সবাই অদ্ভুতভাবে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকতো,
.
শত শত চোখ আমার দিকে তাকিয়ে আছে, তাকিয়ে থাকে কিংবা থাকবে
.
ওদের পচন্ড জানার ইচ্ছে! ছেলেটা কে? কোন বাড়িতে আসছে?
.
আমার মতো পিচ্ছি একটা ছেলের সাথে গল্প করতে ইয়া বুড়ো বুড়ো দাদা নানারা এগিয়ে আসে!!!
.
সবার চোখে মুখে অদ্ভুত সরলতা
.
খোঁজ দি সার্চ ‘মাটির গন্ধ’
.
ভারতের জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর স্লোগান ছিলো, ‘ব্যাক টু ভিলেজ’ চলো গ্রামে ফিরে যাই!
.
প্রবাদ আছে, ‘গ্রাম শিক্ষক হিসেবে শিশুর শিক্ষার দায়িত্ব নিজ কাধে নিয়ে তাকে নির্মল পরিবেশ এবং সংস্কৃতির মধ্য দিয়ে লালন পালন করে’
.
জুলিয়াস সিজার বলেছিলেন, ‘আমার কাছে রোমের আগে গ্রামের গুরুত্ব বেশী’
.
নরেন্দ্র মোদী কিছুদিন আগে বলেছিলেন, ‘গ্রামে পাঁচটি গাছ লাগানো মধ্য দিয়ে আপনার সন্তানের জন্মদিন পালন করুন!’
.
আমরা গ্রামে ফিরে কেনো যায় সেটি বলার আগে ২০১৭ সালে মুক্তি পাওয়া নাইজেরিয়ান(নলিউড) মুভি, ‘ব্যাক টু দি ভিলেজ টু ফাইন্ড এ গুড ওয়াইফ’ দেখার অনুরোধ করছি
.
১৯৬৭ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত নেপালের অন্যতম জাতীয় ক্যাম্পেইন ছিলো ‘চলো গ্রামে ফিরে যাই’
.
ইংলিশ ব্যান্ড ‘আইরন মেইডেনে’র অন্যতম জনপ্রিয় গান ‘ব্যাক টু দি ভিলেজ’ স্বয়ং পাশ্চাত্যে সাড়া ফেলে দিয়েছিলো,
.
কিন্তু,
.
কিছু কিছু মানুষ গ্রামে ফিরে গেলে গ্রাম দূষিত হয়!
.
শহরে ধূলা বালি ময়লা আবর্জনার সাথে উপর্যুপরি কার্বন ডাই অক্সাইড গিলতে থাকা লোকটি যখন গ্রাম গিয়ে এমন ভাব ধরে সে শহুরে স্বর্গ থেকে এইমাত্র মর্তে নেমে এসেছে সেই লোকটির গ্রামে যাওয়ার অধিকার নেই,
.
সেই সব মেয়েগুলো যারা গ্রামে গেলে মনে হয় কোন পশ্চিমা বীচে এইমাত্র গোসল করতে নেমে যাবে এমন বেশভূষা তাদের গ্রামে যাওয়ার অভিকার নেই!
.
মাসের শুরুতে যে তেল দিয়ে সিঙ্গারা ভাঁজা হয়েছে শেষ দিনও সেই পোড়া তেলের সিঙ্গারা খাওয়া যেসব পাবলিক গ্রামে গিয়ে ফ্রেশ খাওয়ারগুলো দেখে ভাব দেখায় তারা খাঁটি গরুর দুধ আর আমাজান বনের কলা খেয়ে বেঁচে থাকে তাদেরও গ্রামে না ফিরে যাওয়া মঙ্গল
.
ইটের দেয়ালের বন্দীশালার মানুষগুলো যখন মাটির দেয়ালকে ক্ষেত ভাবে তাদেরও শহরে যাবত জীবন কারাদন্ড হোক,
.
আমি গ্রামে গেলে ফুসফুস ভরে নির্মল বাতাস নিয়ে আসি! শহরের দূষিত বাতাসে আমরা বিশুদ্ধ বাতাস মিশিয়ে দিই বলে কেউ কেউ বলে উঠে, আজকের বাতাসটা একটু অন্যরকম!
.
রবী ঠাকুর বলেছিলেন, ‘দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর, লও যত লৌহ লোষ্ট্র কাষ্ঠ ও প্রস্তর হে নবসভ্যতা! হে নিষ্ঠুর সর্বগ্রাসী, দাও সেই তপোবন পুণ্যচ্ছায়ারাশি, গ্লানিহীন দিনগুলি, সেই সন্ধ্যাস্নান, সেই গোচারণ!’
.
আমি বলি, ‘লও এই ঠেলাঠেলি আসো খেলা খেলি’
.
লিখেছেন, Abdur Rob Sharif

https://i0.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2018/04/লও-এই-ঠেলাঠেলি-আসো-খেলা-খেলি.jpg?fit=731%2C624&ssl=1https://i2.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2018/04/লও-এই-ঠেলাঠেলি-আসো-খেলা-খেলি.jpg?resize=150%2C150&ssl=1culiveইন্টারভিউইভেন্টআমি যখন চার পাঁচ বছর পর সন্দ্বীপ যেতাম সবাই অদ্ভুতভাবে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকতো, . শত শত চোখ আমার দিকে তাকিয়ে আছে, তাকিয়ে থাকে কিংবা থাকবে . ওদের পচন্ড জানার ইচ্ছে! ছেলেটা কে? কোন বাড়িতে আসছে? . আমার মতো পিচ্ছি একটা ছেলের সাথে গল্প করতে ইয়া বুড়ো বুড়ো দাদা নানারা এগিয়ে আসে!!! . সবার চোখে মুখে অদ্ভুত...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University