দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স VS জীবনে সফলতা

দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স VS জীবনে সফলতা
দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স VS জীবনে সফলতা

.
এখন ভর্তিযুদ্ধের মৌসুম চলছে। ধীরে ধীরে পরীক্ষাগুলো শেষ হচ্ছে ও ফলাফল প্রকাশিত হচ্ছে। আর তার সাথে সাথে বাড়ছে শিক্ষার্থীদের হতাশা। আর এ হতাশার পেছনে মূল কারন হচ্ছে নিজের কাংখিত কিংবা দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স না পাওয়া। এই হতাশা কতটুকু যুক্তিযুক্ত সে বিষয়টি নিয়েই আমরা এখন কথা বলবো।
.
সিচুয়েশন-১: নিজের কাংখিত কিংবা দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয় চান্স পেয়েছে।
.
দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করার পরও ৫০% শিক্ষার্থী শুরুতেই জব মার্কেটের প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়ে যায় শুধুমাত্র ভার্সিটি লাইফে কম পড়াশুনা করে খারাপ একাডেমিক রেজাল্টের জন্য। আর বাকি ৫০% শিক্ষারথীরও জব পেতে কিংবা ভালো জব দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করতে জীবনযুদ্ধ করতে হয়। কারন বেশির ভাগ শীক্ষর্থীরই একাডেমিক রেজাল্ট মোটামুটি ভালো থাকলেও তাদের তেমন কোন Practical Knowledge থাকে না। উদাহরণস্বরূপ: একজন শিক্ষার্থী CSE নিয়ে পড়াশুনা করে কিন্তু CSE তে সে তেমন কোনো Practical Knowledge অর্জন করে না। সেক্ষেত্রে দেখা যায়, জব মার্কেটে CSE গ্রেজুয়েটদের অনেক ডিমান্ড থাকা সত্ত্বেও সে চাকরি পায় না। তাহলে দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রই এ জবগুলো পাচ্ছে না। তাহলে এ জবগুলো পাবে কারা? এ প্রশ্নের উত্তর পাবো আমরা দ্বিতীয় সিচুয়েশনে।
.
সিচুয়েশন-২: নিজের কাংখিত কিংবা দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয় চান্স পায়নি।
.
নিজের কাংখিত কিংবা দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স না পেলে সাধারণত সবাই অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে কিংবা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। এদের মধ্যে ৫০% আছে যারা সবসময় হতাশায় ভোগে এই ভেবে যে তাদের দিয়ে জীবনে কিছু হবে না। এই অযাচিত চিন্তা-ভাবনার কারণে আসলেই তারা জীবনে কিছু করতে পারে না। আর অবশিষ্ট ৫০% এর মধ্যে অধিকাংশই একাডেমিক রেজাল্ট ভালো করলেও Practical Knowledge না থাকার কারনে ভালো কোনো জবে ঢুকতে পারে না। আবার, এখানে এমনও অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা ভালোভাবে পড়াশুনার পাশাপাশি Practical Knowledge, Communication Skill Development ও Co-curricular Activities এর মাধ্যমে সফল ক্যারিয়ার গড়তে সক্ষম হয়।
.
উপরের দুটো সিচুয়েশনেই একটা বিষয় পরিষ্কার যে, একজন শিক্ষার্থীর জীবনে সফলতা অর্জন কখনোই শুধুমাত্র দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়ার উপর নির্ভর করেনা। এটা নির্ভর করে ভার্সিটি লাইফে তার কঠোর পরিশ্রম, ভালো পড়াশুনা, Practical Knowledge, Co-curricular Activities ও Communication Skill Development এর উপর। বর্তমানে অসংখ্য ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, প্রোগ্রামার, ওয়েব ডিজাইনার, কোম্পানির মালিক, কোম্পানির ম্যানেজার, সিনিয়র অফিসার এবং উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা আছেন যারা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশুনা করেছেন।

যেখান থেকেই পড়াশুনা করো না কেন, যদি জীবনে সফলতা অর্জন চাও, তাহলে কঠোর পরিশ্রম করো, পড়াশুনায় মনোযোগী হও। একাডেমিক রেজাল্ট এর পাশাপাশি Practical Knowledge বাড়াও, Co-curricular Activities এ অংশগ্রহণ করো এবং Communication Skill বাড়াও। তুমি জীবনে সফল হবেই ইনশা’আল্লহ্।
.
তোমাদের শিক্ষা জীবনের এই নতুন ধাপে সবাইকে স্বাগতম এবং আন্তরিক অভিনন্দন। সবার জন্য রইল শুভ কামনা।

MeHedi HasAnউদ্দীপনাএকাডেমিকএক্সক্লুসিভক্যারিয়ারস্টাডিChance university,University,University of Chittagongদেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স VS জীবনে সফলতা . এখন ভর্তিযুদ্ধের মৌসুম চলছে। ধীরে ধীরে পরীক্ষাগুলো শেষ হচ্ছে ও ফলাফল প্রকাশিত হচ্ছে। আর তার সাথে সাথে বাড়ছে শিক্ষার্থীদের হতাশা। আর এ হতাশার পেছনে মূল কারন হচ্ছে নিজের কাংখিত কিংবা দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স না পাওয়া। এই হতাশা কতটুকু যুক্তিযুক্ত সে বিষয়টি নিয়েই আমরা...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University