exclusive post for admission seekrr

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান)
বি.এ/বি.এড/বি.এসসি/বি.ফার্ম/বি.এস.এস/এলএল.বি/বি.এসসি. ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স/বিবিএ প্রোগ্রাম
শিক্ষাবর্ষ: ২০১৬-২০১৭

ভর্তি নির্দেশিকা

ইউনিট পরিচিতি

অ ইউনিট-বিজ্ঞান অনুষদ

ই ইউনিট-কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ

ঈ ইউনিট-ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ

উ ইউনিট-সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ

ঊ ইউনিট-আইন অনুষদ

ঋ ইউনিট-জীব বিজ্ঞান অনুষদ

এ ইউনিট-ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ

ঐ ইউনিট- শিক্ষা অনুষদ

ও ইউনিট – ইন্স্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ

ঔ ইউনিট- ইন্স্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রণমেন্টাল সায়েন্সেস

২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ ¯œাতক (সম্মান) বি.এ/বি.এড/বি.এসসি/বি.ফার্ম/ বি.এস.এস/এলএল.বি/ বি.এসসি ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স এবং বিবিএ প্রোগ্রামে ভর্তির নিয়মাবলী:
১. ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ ¯œাতক (সম্মান) বি.এ/বি.এড/বি.এসসি/বি.ফার্ম/বি.এস.এস/এলএল.বি/ বি.এসসি ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স এবং বিবিএ প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদনকারীকে শুধুমাত্র টেলিটক মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। ইউনিট প্রতি আবেদন ফি ৪৭৫/- (চারশত পঁচাত্তর) টাকা মাত্র (সার্ভিস চার্জ প্রযোজ্য)।
২. ভর্তিচ্ছু ছাত্র-ছাত্রীকে ০১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ তারিখের মধ্যে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স আছে এমন একটি টেলিটক মোবাইল নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করতে হবে। এসএমএস প্রাপ্তির পর টেলিটক কর্তৃপক্ষ ভর্তি পরীক্ষার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ আবেদন ফি ও সার্ভিস চার্জ কেটে নিয়ে ফিরতি এসএমএস এর মাধ্যমে আবেদনকারীকে প্রবেশপত্রের জন্য একটি টংবৎ ওউ ও চধংংড়িৎফ জানিয়ে দিবে। একবার এসএমএস করে আবেদন করলে তা প্রত্যাহার করা যাবে না। টংবৎ ওউ ও চধংংড়িৎফ সযতেœ নিজ দায়িত্বে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. আবেদনকারীকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চ.বি. ওয়েবসাইট থেকে তার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে নিতে হবে।
৪. ভর্তি পরীক্ষার সময় ভর্তিচ্ছু প্রার্থীর দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি, উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষার মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড, অ লেভেলের ঝঃধঃবসবহঃ ড়ভ ঊহঃৎু এর মূলকপি এবং ডাউনলোডকৃত দুই কপি প্রবেশপত্র পরীক্ষার হলে অবশ্যই সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে।
৫. এক ঘণ্টা ব্যাপী একশত নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা গঈছ পদ্ধতিতে নেয়া হবে। তবে চারুকলা ইন্স্টিটিউট, নাট্যকলা, সংগীত এবং ফিজিক্যাল এডুকেশন এন্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা গঈছ ও ব্যবহারিক পদ্ধতিতে নেয়া হবে।
৬. ভর্তি পরীক্ষায় মোট প্রাপ্ত নম্বর থেকে প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কর্তন করা হবে। ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ৪০ ও তদুর্ধ নম্বর প্রাপ্তদের এবং কোটার শিক্ষার্থীদের ৩৫ ও তদুর্ধ নম্বর প্রাপ্তদের তালিকা তৈরী করে প্রাপ্ত নম্বরের সাথে মাধ্যমিকের মোট জিপিএ’র ৪০% ও উচ্চ মাধ্যমিকের মোট জিপিএ’র ৬০% যোগ করে সর্বমোট ১২০ নম্বরে ফলাফল চূড়ান্ত করে উত্তীর্ণ তালিকা তৈরী করা হবে। উক্ত তালিকা থেকে ইউনিট ভিত্তিক মোট আসন সংখ্যা অনুযায়ী চূড়ান্ত নির্বাচিত মেধা তালিকা, ১ম অপেক্ষমান তালিকা, ২য় অপেক্ষমান তালিকা, ৩য় অপেক্ষমান তালিকা (প্রয়োজন অনুযায়ী) মেধাক্রমানুসারে প্রস্তুত করে ফলাফল প্রকাশ করতে হবে।
৭. প্রশ্নপত্র (ইংরেজি বিষয় ছাড়া) সাধারণত বাংলায় প্রণীত হবে। তবে কোন ইউনিটে ইংরেজি মিডিয়ামের ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী থাকলে তাদের জন্য সেই ইউনিটে বাংলায় প্রণীত প্রশ্নপত্রের ইংরেজি অনূদিত প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হবে।
৮. ইউনিট সমূহের ভর্তি পরীক্ষা নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে অনুষ্ঠিত হবে।
৯. দেশের বাহিরের কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে (ও/এ লেভেল ছাড়া) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে চাইলে চ.বি. রেজিস্ট্রার দপ্তরের একাডেমিক শাখায় ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ তারিখের মধ্যে যোগাযোগ করে তাদের সার্টিফিকেট সমতা/জিপিএ নির্ধারণ করে নিতে হবে। একাডেমিক শাখা কর্তৃক প্রদত্ত ঊয়ঁরাধষবহঃ ওউ মাধ্যমিক/উচ্চ মাধ্যমিকের রোল নম্বরের স্থানে ব্যবহার করে ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ তারিখের মধ্যে এসএমএস ভিত্তিক আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
জাতীয় শিক্ষা কার্যক্রমের অধীনে যারা ইংরেজি মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছে (ও/এ লেভেল ছাড়া), তাদের মধ্যে যে সকল ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি পরীক্ষা ইংরেজি মিডিয়ামে দিতে আগ্রহী, এসএমএস ভিত্তিক নিয়মানুযায়ী আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর তাদেরকে ০৬ অক্টোবর, ২০১৬ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিট অফিসে স্বশরীরে এসে আবেদন করতে হবে।
ঙ/অ লেভেলের শিক্ষার্থী ও ইংরেজি মিডিয়ামে ভর্তি পরীক্ষা দিতে ইচ্ছুক শিক্ষার্র্থীদেরকে প্রবেশপত্র সংগ্রহপূর্বক প্রবেশপত্রের ফটোকপিসহ ২০ অক্টোবর, ২০১৬ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিট অফিসে যোগাযোগ করে সিট প্ল্যান নিজ দায়িত্বে জেনে নিতে হবে।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ তারিখের মধ্যে এসএমএস ভিত্তিক আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর ঙ/অ লেভেলের শিক্ষার্থীদেরকে চ.বি. রেজিস্ট্রার দপ্তরের একাডেমিক শাখায় ০৬ অক্টোবর, ২০১৬ তারিখের মধ্যে যোগাযোগ করে তাদের সার্টিফিকেট সমতা/জিপিএ নির্ধারণ করে নিতে হবে।
১০. ভর্তিচ্ছু সকল ছাত্র/ছাত্রীকে ভর্তি পরীক্ষা সম্পর্কিত সকল তথ্য নিজ দায়িত্বে সংশ্লিষ্ট ইউনিট অফিস থেকে জেনে নিতে হবে। চিঠির মাধ্যমে কোন প্রার্থীকে কিছু জানানো হবে না।
১১. ভর্তি পরীক্ষার সিট প্ল্যান স্ব স্ব ইউনিট অফিসের নোটিশ বোর্ডে এবং চ.বি. ওয়েবসাইটে প্রচার করা হবে। ছাত্র/ছাত্রীকে নিজ দায়িত্বে নির্ধারিত কক্ষ নম্বর ও আসন সম্পর্কিত তথ্য জেনে নিয়ে নির্দিষ্ট কক্ষ ও আসনে বসে পরীক্ষা দিতে হবে।
১২. ভর্তি পরীক্ষার উত্তরপত্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সরবরাহ করবে। উত্তরপত্রের বৃত্তগুলো শুধুমাত্র কালো কালির বল পেন দিয়ে ভরাট করতে হবে, যাতে বৃত্তের লেখাগুলো দেখা না যায়। অন্য কালি দিয়ে বৃত্ত ভরাট করা যাবে না।
১৩. ভর্তি পরীক্ষার উত্তরপত্র কম্পিউটারের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে। তাই এটি ভাঁজ করা বা স্ট্যাপল করা বা এর সাথে কিছু যুক্ত করা বা এতে কোন অবাঞ্চিত দাগ দেয়া যাবে না।
১৪. প্রক্সির মাধ্যমে কেউ ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিলে তার ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করা হবে এবং তাকে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে সোপর্দ করা হবে।
১৫. প্রত্যেক ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় বাংলা ও ইংরেজি বিষয় আবশ্যিক।
১৬. ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনার ক্ষেত্রে আকস্মিক কোন সমস্যা দেখা দিলে তা নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

১৭. ভর্তির যোগ্যতা ও ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন
১৭. ১ এ ইউনিট – বিজ্ঞান অনুষদ
অ ইউনিটের কবু ড়িৎফ নিম্নরূপ:
অ: পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, গণিত, পরিসংখ্যান, ফলিত ও পরিবেশ রসায়ন বিষয়ে বি.এসসি (অনার্স)

ভর্তির যোগ্যতা
যে সকল ছাত্র/ছাত্রী বাংলাদেশের যে কোন শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০১২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মাধ্যমিক বা দাখিল বা সমমান পরীক্ষা এবং ২০১৫ বা ২০১৬ সালের বিজ্ঞান/কৃষি বিজ্ঞান শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক বা আলিম উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম মোট জিপিএ ৭.০০ পেয়েছে; তবে যাদের উভয় পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ রয়েছে তারা অ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।
অথবা

যে সকল ছাত্র/ছাত্রী ২০১২ সালে বা তৎপরবর্তী সালে জিসিই ‘ও’ লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ২টি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেড ও ৩টি বিষয়ে ‘সি’ গ্রেড পেয়েছে এবং ২০১৫ বা ২০১৬ সালের জিসিই ‘এ’ লেভেল (বিজ্ঞান শাখা) পরীক্ষায় ন্যূনতম ১টি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেড ও ২টি বিষয়ে ‘সি’ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে তারা অ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।

নোট : গণিত বিষয় বা গণিত ও জীববিদ্যা উভয় বিষয় নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীরা অ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।

ভর্তির বিশেষ যোগ্যতা : পদার্থবিদ্যা বিভাগে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পদার্থবিদ্যা ও গণিত উভয় বিষয়ে কমপক্ষে গ্রেড পয়েণ্ট ৩ পেতে হবে। গণিত এবং পরিসংখ্যান বিভাগে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় গণিত বিষয়ে কমপক্ষে গ্রেড পয়েণ্ট ৩ পেতে হবে। রসায়ন এবং ফলিত ও পরিবেশ রসায়ন বিভাগে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় রসায়ন ও গণিত উভয় বিষয়ে কমপক্ষে গ্রেড পয়েণ্ট ৩ পেতে হবে।

অ ইউনিট (বিজ্ঞান অনুষদ) ভর্তি পরীক্ষা
১. বাংলা — ১০ নম্বর
২. ইংরেজী — ১৫ নম্বর
৩. গণিত — ২৫ নম্বর
৪. পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, পরিসংখ্যান — ২৫দ্দ২= ৫০ নম্বর
(যে কোন ০২টি বিষয়ের উত্তর দিতে হবে ) ———————————-
পাস মার্ক = ৪০ মোট = ১০০ নম্বর

নোট :১. ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে বাংলায় ন্যূনতম ৩ নম্বর, ইংরেজীতে ন্যূনতম ৪ নম্বর এবং গণিতে ন্যূনতম ১০ নম্বর পেতে হবে।
২. পদার্থবিদ্যা বিভাগে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে পদার্থবিদ্যা বিষয়ে ন্যূনতম ১০ নম্বর পেতে হবে।
৩. রসায়ন এবং ফলিত ও পরিবেশ রসায়ন বিভাগে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে রসায়ন বিষয়ে ন্যূনতম ১০ নম্বর পেতে হবে।
৪. গণিত ও পরিসংখ্যান বিভাগে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে গণিত বিষয়ে ন্যূনতম ১০ নম্বর পেতে হবে।

১৭.২ বি ইউনিট – কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ
বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, দর্শন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, আরবি, ইসলামিক স্টাডিজ,পালি, নাট্যকলা, সংস্কৃত,
ফারসি ভাষা ও সাহিত্য, সংগীত বিভাগে এবং চারুকলা ইন্স্টিটিউট, আইএমএল, আইইআরটি এ বি.এ/বি.এড অনার্স
ই ইউনিটের কবু ড়িৎফ নিম্নরূপ:
ই১ বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, দর্শন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ এবং আধুনিক ভাষা ইন্স্টিটিউট (আইএমএল) এর অধীনে ই.অ (ঐড়হড়ঁৎং) রহ খধহমঁধমব ্ খরহমঁরংঃরপং.
ই২ আরবি, ইসলামিক স্টাডিজ, ই৩ চারুকলা ইন্স্টিটিউট, ই৪ পালি, ই৫ নাট্যকলা, ই৬ সংস্কৃত
ই৭ ইন্স্টিটিউট অব এডুকেশন, রিচার্স এন্ড ট্রেনিং (আইইআরটি) এর অধীনে ইধপযবষড়ৎ ড়ভ ঊফঁপধঃরড়হ (ঐড়হড়ঁৎং), ই৮ সংগীত।

ভর্তির যোগ্যতা

(ক) যে সকল ছাত্র/ছাত্রী বাংলাদেশের যে কোন শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মাধ্যমিক বা দাখিল বা সমমান পরীক্ষা এবং ২০১৫ বা ২০১৬ সালের যে কোন শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক বা আলিম উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম মোট জিপিএ ৫.৭৫ পেয়েছে এবং যাদের মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৭৫ ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ রয়েছে সে সব ছাত্র/ছাত্রী ই১ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।
অথবা
যে সকল ছাত্র/ছাত্রী ২০১২ সালে বা তৎপরবর্তী সালে জিসিই ‘ও’ লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ২টি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেড এবং ৩টি বিষয়ে ‘সি’ গ্রেড পেয়ে শুধুমাত্র ২০১৫ বা ২০১৬ সালের জিসিই ‘এ’ লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ১টি বিষয়ে ‘বি’গ্রেড ও ২টি বিষয়ে ‘সি’ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে তারা বি ইউনিটসমূহের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।
(খ) যে সকল ছাত্র/ছাত্রী ২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মাধ্যমিক বা দাখিল বা সমমান পরীক্ষায় এবং ২০১৫ বা ২০১৬ সালের ব্যবসা ব্যবস্থাপনা শাখায় বা অর্থনীতি বিষয়সহ গার্হস্থ্য অর্থনীতি শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম মোট জিপিএ ৫.৭৫ পেয়েছে এবং যাদের মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৭৫ ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ রয়েছে সে সব ছাত্র/ছাত্রী ই১ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।
(গ) যে সকল ছাত্র/ছাত্রী মাধ্যমিক বা সমমান ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম মোট জিপিএ ৫.২৫ পেয়েছে এবং যাদের মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.২৫ রয়েছে সে সব ছাত্র/ছাত্রী ই২ আরবি, ইসলামিক স্টাডিজ, ই৩ চারুকলা ইন্স্টিটিউট, ই৪ পালি, ই৫ নাট্যকলা, ই৬ সংস্কৃত, ই৮ সংগীত ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।
(ঘ) আইইআরটি এ বি.এড সম্মান কোর্সে ভর্তির যোগ্যতা : যে সকল ছাত্র/ছাত্রীর বাংলাদেশের যে কোন শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষা এবং ২০১৫ বা ২০১৬ সালের যে কোন শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক বা আলিম উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম নি¤েœাক্ত যোগ্যতা আছে তারা আইইআরটি এ বি.এড (সম্মান) কোর্সে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।
১. উচ্চ মাধ্যমিক মানবিক শাখায় (কবু ডড়ৎফ-ই৭ঐ) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক বা সমমান ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম মোট জিপিএ ৫.৭৫ এবং মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৭৫ ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ থাকতে হবে।
২. উচ্চ মাধ্যমিক ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় (কবু ডড়ৎফ-ই৭ঈ) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক বা সমমান ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম মোট জিপিএ ৬.২৫ এবং মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৭৫ থাকতে হবে।
৩. উচ্চ মাধ্যমিক বিজ্ঞান শাখায় (কবু ডড়ৎফ-ই৭ঝ) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক বা সমমান ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম মোট জিপিএ ৬.২৫ এবং মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৭৫ থাকতে হবে।

ভর্তির বিশেষ যোগ্যতা : পালি/সংস্কৃত বিষয়ে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে পালি/সংস্কৃত বিষয়ে কমপক্ষে গ্রেড পয়েণ্ট ২ পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করতে হবে অথবা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বাংলা বিষয়ে কমপক্ষে গ্রেড পয়েণ্ট ২ পেতে হবে অথবা বাংলাদেশ পালি ও সংস্কৃত শিক্ষাবোর্ড হতে পালি/সংস্কৃত বিষয়ে আদ্য ও মধ্য উভয় পরীক্ষায় পাস করতে হবে। আরবি/ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে ভর্তির জন্য সংশ্লি¬ষ্ট বিষয়ে কমপক্ষে গ্রেড পয়েণ্ট ২ পেতে হবে।

বি ইউনিট (ই১) ভর্তি পরীক্ষা
বাংলা,ইংরেজি, ইতিহাস, দর্শন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে এবং আধুনিক ভাষা ইন্স্টিটিউট (আইএমএল) এর অধীনে ই.অ (ঐড়হড়ঁৎং) রহ খধহমঁধমব ্ খরহমঁরংঃরপং বিষয়ে ভর্তিচ্ছু ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য :
১। বাংলা — ৩৫ নম্বর
২। ইংরেজি — ৩৫ নম্বর
৩। সাধারণ জ্ঞান — ৩০ নম্বর
——————–
পাস মার্ক = ৪০ মোট = ১০০ নম্বর
নোট:
১. বাংলা ও ইংরেজি বিষয় ছাড়া ই১ এর অন্যান্য বিষয়ে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদের বাংলায় ন্যূনতম ১০ নম্বর, ইংরেজিতে ৯ নম্বর এবং সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে ১২ নম্বর পেতে হবে।
২. ইংরেজি বিষয়ে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় অবশ্যই বাংলায় ন্যূনতম ১০ নম্বর, ইংরেজিতে ২০ নম্বর এবং সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে ১২ নম্বর পেতে হবে।
৩. আধুনিক ভাষা ইন্স্টিটিউট (আইএমএল) এর অধীনে ই.অ (ঐড়হড়ঁৎং) রহ খধহমঁধমব ্ খরহমঁরংঃরপং বিষয়ে ভর্তিচ্ছু
প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলায় ন্যূনতম ১০ নম্বর, ইংরেজিতে ১৭ নম্বর এবং সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে ১২ নম্বর পেতে হবে।
৪. বাংলা বিষয়ে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে অবশ্যই ইংরেজিতে ন্যূনতম ৯ নম্বর, বাংলায় ১৮ নম্বর এবং সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে ১২ নম্বর পেতে হবে।
আরবি, ইসলামিক স্টাডিজ (কবু ডড়ৎফ-ই২) ভর্তি পরীক্ষা
১। বাংলা — ৩০ নম্বর
২। ইংরেজি — ৩০ নম্বর
৩। আরবি ২০+ ইসলামী শিক্ষা ২০ — ৪০ নম্বর
—————————
পাস মার্ক = ৩৭ মোট — ১০০ নম্বর
নোট:
(১) আরবি এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজ অনার্স বিষয় দু’টির ভর্তি পরীক্ষা একই দিনে একই প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে নেয়া হবে।
(২) ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় বাংলায় ন্যূনতম ৬ নম্বর,ইংরেজিতে ন্যূনতম ৫ নম্বর এবং আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজ উভয় বিষয়ে ন্যূনতম ১৫ নম্বর পেতে হবে।
(৩) ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলের মেধাক্রমানুসারে আরবি এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদের মেধা তালিকা প্রস্তুত করা হবে।
চারুকলা ইন্স্টিটিউট : (কবু ডড়ৎফ-ই৩) ভর্তি পরীক্ষা
১। বাংলা — ৩০ নম্বর
২। ইংরেজি — ৩০ নম্বর
৩। ব্যবহারিক — ৪০ নম্বর
——————
পাস মার্ক – ৩৭ মোট — ১০০ নম্বর

নোট: (১) সাধারণ ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় ব্যবহারিক ছাড়া ন্যূনতম বাংলা ৬ নম্বর, ইংরেজিতে ৫ নম্বর এবং ব্যবহারিক পরীক্ষায় ২০ নম্বর পেতে হবে। কোটার পরীক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা (গঈছ) ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় ৩৫ নম্বর পেতে হবে।

(২) ভর্তি পরীক্ষার (গঈছ) সময়কাল হবে এক ঘণ্টা এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার সময়কাল হবে এক ঘণ্টা। ভর্তি পরীক্ষা (গঈছ) ও ব্যবহারিক পরীক্ষা চট্টগ্রাম শহরস্থ চারুকলা ইন্স্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হবে।

পালি (কবু ডড়ৎফ-ই৪ ) বিষয়ে ভর্তি পরীক্ষা
১। বাংলা — ৩০ নম্বর
২। ইংরেজি — ৩০ নম্বর
৩। পালি — ৪০ নম্বর
——————
পাস মার্ক = ৩৭ মোট- ১০০ নম্বর

নোট : ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় বাংলায় ন্যূনতম ৬ নম্বর, ইংরেজিতে ন্যূনতম ৫ নম্বর এবং পালি বিষয়ে ন্যূনতম ১৫ নম্বর পেতে হবে।
নাট্যকলা (কবু ডড়ৎফ-ই৫) বিষয়ে ভর্তি পরীক্ষা
১। বাংলা — ৩০ নম্বর
২। ইংরেজি — ৩০ নম্বর
৩। ব্যবহারিক — ৪০ নম্বর
——————
পাস মার্ক = ৩৭ মোট- ১০০ নম্বর

নোট : ১. সাধারণ ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় ব্যবহারিক ছাড়া ন্যূনতম বাংলায় ৬ নম্বর, ইংরেজিতে ৫ নম্বর এবং ব্যবহারিক পরীক্ষায় ২০ নম্বর পেতে হবে। কোটার পরীক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা (গঈছ) ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় ৩৫ নম্বর পেতে হবে।

২. ভর্তি পরীক্ষার (গঈছ) সময়কাল হবে এক ঘন্টা এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার সময়কাল হবে এক ঘন্টা। ব্যবহারিক পরীক্ষার সময়সূচি পরে জানানো হবে।
সংস্কৃত (কবু ডড়ৎফ-ই৬ ) বিষয়ে ভর্তি পরীক্ষা

১। বাংলা — ৩০ নম্বর
২। ইংরেজি — ৩০ নম্বর
৩। সংস্কৃত — ৪০ নম্বর
——————
পাস মার্ক = ৩৭ মোট- ১০০ নম্বর

নোট : ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় বাংলায় ন্যূনতম ৬ নম্বর, ইংরেজিতে ন্যূনতম ৫ নম্বর এবং সংস্কৃত বিষয়ে ১৫ নম্বর পেতে হবে।
আইইআরটি (ই৭) এর ভর্তি পরীক্ষা
আইইআরটি-এ মানবিক ও সমাজ বিজ্ঞান শাখায় (কবু ডড়ৎফ-ই৭ঐ) ভর্তিচ্ছুদের জন্য

১। বাংলা — ৩০ নম্বর
২। ইংরেজি — ৩০ নম্বর
৩। সাধারণ জ্ঞান — ৪০ নম্বর
—————————
পাস মার্ক = ৪০ মোট — ১০০ নম্বর

নোট : ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় বাংলায় ন্যূনতম ১১ নম্বর, ইংরেজিতে ন্যূনতম ১০ নম্বর এবং সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে ন্যূনতম ১৬ নম্বর
পেতে হবে।
আইইআরটি-এ ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় (কবু ডড়ৎফ-ই৭ঈ) ভর্তিচ্ছুদের জন্য

১। বাংলা — ৩০ নম্বর
২। ইংরেজি — ৩০ নম্বর
৩। সাধারণ জ্ঞান — ৪০ নম্বর
—————————
পাস মার্ক = ৪০ মোট — ১০০ নম্বর

নোট : ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় বাংলায় ন্যূনতম ১১ নম্বর, ইংরেজিতে ন্যূনতম ১০ নম্বর এবং সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে ন্যূনতম ১৬ নম্বর
পেতে হবে।

আইইআরটি-এ বিজ্ঞান শাখায় (কবু ডড়ৎফ-ই৭ঝ) ভর্তিচ্ছুদের জন্য

১। বাংলা — ৩০ নম্বর
২। ইংরেজি — ৩০ নম্বর
৩। সাধারণ জ্ঞান — ৪০ নম্বর
—————————
পাস মার্ক = ৪০ মোট — ১০০ নম্বর

নোট: ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় বাংলায় ন্যূনতম ১১ নম্বর, ইংরেজিতে ন্যূনতম ১০ নম্বর এবং সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে ন্যূনতম ১৬ নম্বর পেতে হবে।

নোট: বিজ্ঞান শাখায় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে অবশ্যই জীব বিজ্ঞান অথবা গণিত পাঠ্য বিষয় হিসেবে থাকতে হবে।

সংগীত (কবু ডড়ৎফ -ই৮) বিষয়ে ভর্তি পরীক্ষা
১। বাংলা — ৩০ নম্বর
২। ইংরেজি — ৩০ নম্বর
৩। ব্যবহারিক — ৪০ নম্বর
———————
পাস মার্ক = ৩৭ মোট — ১০০ নম্বর

নোট: ১. সাধারণ ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় ব্যবহারিক ছাড়া ন্যূনতম বাংলায় ৬ নম্বর, ইংরেজিতে ৫ নম্বর এবং ব্যবহারিক পরীক্ষায় ২০ নম্বর পেতে হবে। কোটার পরীক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা (গঈছ) ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় ৩৫ নম্বর পেতে হবে।

২. ভর্তি পরীক্ষার (গঈছ) সময়কাল হবে এক ঘন্টা এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার সময়কাল হবে এক ঘন্টা। ব্যবহারিক পরীক্ষার সময়সূচি পরে জানানো হবে।

বি: দ্র: ই২ থেকে ই৮ পর্যন্ত ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা একই তারিখ ও সময়ে অনুষ্ঠিত হবে বিধায় একজন শিক্ষার্থীর একাধিক ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ নেই।

১৭.৩ সি ইউনিট-ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ
একাউন্টিং, ম্যানেজমেন্ট, ফাইন্যান্স, মার্কেটিং, হিউম্যান রিসোর্চ ম্যানেজমেন্ট এবং ব্যাংকিং এন্ড ইন্স্যুরেন্স বিষয়ে বিবিএ প্রোগ্রাম
ঈ ইউনিটের কবু ড়িৎফ নিম্নরূপ:
কবু ডড়ৎফ-ঈ১: উচ্চ মাধ্যমিক ব্যবসায় শিক্ষা বা হিসাব বিজ্ঞান বিষয়সহ ডিপ্লোমা ইন কমার্স/ডিপ্লোমা ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট/
ডিপ্লে¬ামা ইন বিজনেস স্টাডিজ
কবু ডড়ৎফ-ঈ২: উচ্চ মাধ্যমিক মানবিক বা হিসাব বিজ্ঞান বিষয় ব্যতীত ডিপ্লোমা ইন কমার্স/ডিপ্লোমা ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট/
ডিপ্লে¬ামা ইন বিজনেস স্টাডিজ
কবু ডড়ৎফ-ঈ৩: উচ্চ মাধ্যমিক বিজ্ঞান গ্র“প
ভর্তির যোগ্যতা
(ক) যে সকল ছাত্র/ছাত্রী বাংলাদেশের যে কোন শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মাধ্যমিক বা দাখিল বা সমমান পরীক্ষা এবং ২০১৫ বা ২০১৬ সালের যে কোন শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক বা আলিম উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম মোট জিপিএ ৭.০০ পেয়েছে; তবে যাদের উভয় পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ রয়েছে তারা সি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।
অথবা
যে সকল ছাত্র/ছাত্রী ২০১২ সালে বা তৎপরবর্তী সালে জিসিই ‘ও’ লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ২টি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেড এবং ৩টি বিষয়ে ‘সি’গ্রেড পেয়ে শুধুমাত্র ২০১৫ বা ২০১৬ সালের জিসিই ‘এ’লেভেল (বিজ্ঞান/বাণিজ্য শাখা) পরীক্ষায় ন্যূনতম ১টি বিষয়ে ‘বি’গ্রেড ও ২টি বিষয়ে ‘সি’ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে তারা সি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।

(খ) যে সকল ছাত্র/ছাত্রী ২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষা এবং ২০১৫ বা ২০১৬ সালের ডিপ্লোমা ইন কমার্স/ ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিজ/ডিপ্লোমা ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম মোট জিপিএ ৭.০০ পেয়েছে ; তবে যাদের উভয় পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ রয়েছে তারা ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।

(গ) যে সকল ছাত্র/ছাত্রী ২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মাধ্যমিক বা দাখিল বা সমমান পরীক্ষায় এবং ২০১৫ বা ২০১৬ সালের ব্যবসায় শিক্ষা/ব্যবসা ব্যবস্থাপনা শাখায় বা অর্থনীতি বিষয়সহ গার্হস্থ্য অর্থনীতি শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম মোট জিপিএ ৭.০০ পেয়েছে ; তবে যাদের উভয় পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ রয়েছে তারা সি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।

বিশেষ যোগ্যতা: একাউন্টিং, ম্যানেজমেন্ট, ফাইন্যান্স, মার্কেটিং, হিউম্যান রির্সোচ ম্যানেজমেন্ট এবং ব্যাংকিং এন্ড ইন্স্যুরেন্স- যে বিষয়ে ভর্তি হতে ইচ্ছুক সে বিষয়ে বা তৎসম্পর্কিত বিষয়ে কমপক্ষে গ্রেড পয়েণ্ট ২ সহ ব্যবসায় শিক্ষা গ্র“প হতে উচ্চ মাধ্যমিক অথবা গণিত বা অর্থনীতি বিষয়সহ বিজ্ঞান /কৃষি বিজ্ঞান বা মানবিক গ্র“প হতে উচ্চ মাধ্যমিক বা আলিম পরীক্ষা পাশ করতে হবে।

সি ইউনিট (ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ) ভর্তি পরীক্ষা
(ব্যবসায় শিক্ষা শাখা-ঈ১)
ব্যবসায় শিক্ষা/ব্যবসা ব্যবস্থাপনা গ্র“প থেকে উচ্চ মাধ্যমিক বা হিসাব বিজ্ঞান বিষয়সহ ডিপ্লে¬ামা ইন কমার্স/ ডিপ্লোমা ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট/ডিপ্লে¬ামা ইন বিজনেস স্টাডিজ বা ‘এ’ লেভেল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদের জন্য :
১। বাংলা — ১০ নম্বর
২। ইংরেজি — ৩০ নম্বর
৩। হিসাব বিজ্ঞান — ৩০ নম্বর
৪। ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ (কারবার সংগঠন — ৩০ নম্বর
ও ব্যবস্থাপনা, ব্যাংকিং ও বীমা) ———————
পাস মার্ক = ৪০ মোট = ১০০ নম্বর
নোট : ১। ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় অবশ্যই বাংলায় ন্যূনতম ৩ নম্বর এবং ইংরেজিতে ন্যূনতম ৮ নম্বর পেতে হবে।
হিসাব বিজ্ঞান ও ব্যবসায় নীতি যে কোন একটিতে ন্যূনতম ১২ ও অন্যটিতে ন্যূনতম ৮ নম্বর পেতে হবে।

(মানবিক শাখা- ঈ২)
মানবিক শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান বা হিসাব বিজ্ঞান বিষয় ব্যতীত ডিপ্লোমা ইন কমার্স/ডিপ্লোমা ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট/
ডিপ্লে¬ামা ইন বিজনেস স্টাডিজ বা ‘এ’ লেভেল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদের জন্য :
১। বাংলা — ১০ নম্বর
২। ইংরেজী — ৩০ নম্বর
৩। অর্থনীতি/পরিসংখ্যান — ৬০ নম্বর
————————————
পাস মার্ক = ৪০ মোট — ১০০ নম্বর
নোট : ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় অবশ্যই বাংলায় ন্যূনতম ৩ নম্বর, ইংরেজীতে ন্যূনতম ৮ নম্বর এবং অর্থনীতি/পরিসংখ্যানে ন্যূনতম ২৪ নম্বর পেতে হবে।
( বিজ্ঞান শাখা-ঈ৩)
বিজ্ঞান শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান/ ‘এ’ লেভেল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদের জন্য :
১। বাংলা — ১০ নম্বর
২। ইংরেজি — ৩০ নম্বর
৩। গণিত (বীজগণিত ও ক্যালকুলাসসহ) — ৬০ নম্বর
——————————
পাস মার্ক = ৪০ মোট — ১০০ নম্বর

নোট: ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় বাংলায় ন্যূনতম ৩ নম্বর, ইংরেজীতে ন্যূনতম ৮ নম্বর এবং গণিতে ন্যূনতম ২৪ নম্বর পেতে
হবে।

বি.দ্র. যে সকল ভর্তিচ্ছু প্রার্থী হিসাব রক্ষণনীতি ও পদ্ধতি এবং ব্যাংকিং ও বীমা নিয়ে ব্যবসা ব্যবস্থাপনা শাখা হতে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পাস করেছে এবং হিসাব বিজ্ঞান বিষয় নিয়ে যে কোন শিক্ষা বোর্ড থেকে ডিপ্লে¬ামা ইন কমার্স/ডিপ্লোমা ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট/ডিপ্লে¬ামা ইন বিজনেস স্টাডিজ পরীক্ষায় পাশ করেছে তাদেরকে সি ইউনিটের বাণিজ্য শাখায় এবং অর্থনীতি বিষয় নিয়ে যারা ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা শাখা বা গার্হস্থ্য অর্থনীতি শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পাস করেছে এবং হিসাব বিজ্ঞান বিষয় ব্যতীত যে কোন শিক্ষা বোর্ড অথবা অন্য কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ডিপ্লে¬ামা ইন কমার্স/ডিপ্লোমা ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট/ডিপ্লে¬ামা ইন বিজনেস স্টাডিজ অথবা সমমান পরীক্ষায় পাশ করেছে তাদেরকে সি ইউনিটের মানবিক শাখায় ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।

১৭.৪ ডি ইউনিট- সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ

অর্থনীতি, রাজনীতি বিজ্ঞান, সমাজতত্ত্ব, লোকপ্রশাসন, নৃবিজ্ঞান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ে বি.এস.এস অনার্স।
উ ইউনিটের কবু ড়িৎফ নিম্নরূপ:
কবু ডড়ৎফ -উ১: উচ্চ মাধ্যমিক মানবিক গ্র“প
কবু ডড়ৎফ -উ২: উচ্চ মাধ্যমিক বিজ্ঞান গ্র“প
কবু ডড়ৎফ -উ৩: উচ্চ মাধ্যমিক ব্যবসায় শিক্ষা গ্র“প
ভর্তির যোগ্যতা
(ক) যে সকল ছাত্র/ছাত্রী বাংলাদেশের যে কোন শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মাধ্যমিক বা দাখিল বা সমমান পরীক্ষা এবং ২০১৫ বা ২০১৬ সালের যে কোন শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক বা আলিম উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম মোট জিপিএ ৬.০০ পেয়েছে ; তবে যাদের উভয় পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ ২.৭৫ রয়েছে তারা ডি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।
অথবা
যে সকল ছাত্র/ছাত্রী ২০১২ সালে বা তৎপরবর্তী সালে জিসিই ‘ও’ লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ২টি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেড এবং ৩টি বিষয়ে ‘সি’ গ্রেড পেয়ে শুধুমাত্র ২০১৫ বা ২০১৬ সালের জিসিই ‘এ’ লেভেল (বিজ্ঞান/বাণিজ্য শাখা) পরীক্ষায় ন্যূনতম ১টি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেড ও ২টি বিষয়ে ‘সি’ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে তারা ডি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।
(খ) যে সকল ছাত্র/ছাত্রী ২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মাধ্যমিক বা দাখিল বা সমমান পরীক্ষায় এবং ২০১৫ বা ২০১৬ সালের ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা/ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় বা অর্থনীতি বিষয়সহ গার্হস্থ্য অর্থনীতি শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম মোট জিপিএ. ৬.০০ পেয়েছে; তবে যাদের উভয় পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ ২.৭৫ রয়েছে তারা ডি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।

ভর্তির বিশেষ যোগ্যতা: অর্থনীতি বিভাগে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অর্থনীতি/গণিত বিষয়ে কমপক্ষে গ্রেড পয়েণ্ট ২ পেতে হবে।
ডি ইউনিট (সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ) ভর্তি পরীক্ষা
১। বাংলা — ৩০ নম্বর
২। ইংরেজি — ৩০ নম্বর
৩। সাধারণ জ্ঞান/গণিত — ২০ নম্বর
৪। বিশ্লেষণ দক্ষতা — ২০ নম্বর
——————
পাস মার্ক = ৪০ মোট – ১০০ নম্বর

নোট: (ক) ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় বাংলা ও ইংরেজী প্রতিটি বিষয়ে আলাদাভাবে ন্যূনতম ৮ নম্বর, বিশ্লেষণ দক্ষতায়
ন্যূনতম ৭ নম্বর এবং সাধারণ জ্ঞান/গণিত বিষয়ে ন্যূনতম ৭ নম্বর পেতে হবে।
(খ) অর্থনীতি বিষয়ে ভর্তিচ্ছু বিজ্ঞান গ্র“প থেকে উত্তীর্ণ ছাত্র/ছাত্রীদের উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় গণিত থাকা
আবশ্যক, তবে ভর্তি পরীক্ষায় গণিত বিষয়ে উত্তর প্রদান বাধ্যতামূলক নয়।

১৭.৫ ই ইউনিট-আইন অনুষদ:
আইন বিভাগে এলএল.বি অনার্স (কবু ডড়ৎফ-ঊ)

ভর্তির যোগ্যতা :

(ক) যে সকল ছাত্র/ছাত্রী বাংলাদেশের যে কোন শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মাধ্যমিক বা দাখিল বা সমমান পরীক্ষা এবং ২০১৫ বা ২০১৬ সালের যে কোন শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক বা আলিম উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম মোট জিপিএ ৭.০০ পেয়েছে ; তবে যাদের উভয় পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ রয়েছে তারা
ই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।

অথবা

যে সকল ছাত্র/ছাত্রী ২০১২ সালে বা তৎপরবর্তী সালে জিসিই ‘ও’ লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ২টি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেড এবং ৩টি বিষয়ে ‘সি’ গ্রেড পেয়ে শুধুমাত্র ২০১৫ বা ২০১৬ সালের জিসিই ‘এ’ লেভেল (বিজ্ঞান/বাণিজ্য শাখা) পরীক্ষায় ন্যূনতম ১টি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেড ও ২টি বিষয়ে ‘সি’ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে তারা ই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।

(খ) যে সকল ছাত্র/ছাত্রী ২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মাধ্যমিক বা দাখিল বা সমমান পরীক্ষায় এবং ২০১৫ বা ২০১৬ সালের ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা/ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় বা অর্থনীতি বিষয়সহ গার্হস্থ্য অর্থনীতি শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম মোট জিপিএ ৭.০০ পেয়েছে ; তবে যাদের উভয় পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ রয়েছে তারা ই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।

ই ইউনিট (আইন অনুষদ) ভর্তি পরীক্ষা
১। বাংলা — ৩০ নম্বর
২। ইংরেজি — ৫০ নম্বর
৩। সাধারণ জ্ঞান — ২০ নম্বর
——————
পাস মার্ক = ৪০ মোট – ১০০ নম্বর

নোট: (ক) ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় বাংলা বিষয়ে ন্যূনতম ১১ নম্বর, ইংরেজি বিষয়ে ন্যূনতম ২০ নম্বর এবং সাধারণ জ্ঞান
বিষয়ে ন্যূনতম ৯ নম্বর পেতে হবে।

১৭.৬ এফ ইউনিট-জীব বিজ্ঞান অনুষদ:

প্রাণিবিদ্যা, উদ্ভিদ বিজ্ঞান, ভূগোল ও পরিবেশ বিদ্যা, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান, মাইক্রোবায়োলজি, মৃত্তিকা বিজ্ঞান, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি, মনোবিজ্ঞান এবং ফার্মেসী (বি.ফার্ম) বিষয়ে বি.এসসি অনার্স
ঋ ইউনিটের কবু ড়িৎফ নিম্নরূপ:

কবু ডড়ৎফ-ঋ১: উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বিজ্ঞান/কৃষি বিজ্ঞান শাখা হতে উত্তীর্ণ ছাত্র/ছাত্রীগণ জীব বিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্গত সকল বিভাগে ভর্তির জন্য ঋ১ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করবে।
কবু ডড়ৎফ-ঋ২: উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় “মনোবিজ্ঞান” বিষয় নিয়ে মানবিক শাখা হতে উত্তীর্ণ ছাত্র/ছাত্রীগণ জীব বিজ্ঞান অনুষদের মনোবিজ্ঞান বিষয়ে ভর্তির জন্য ঋ২ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করবে।
কবু ডড়ৎফ-ঋ৩: উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় “ভূগোল” বিষয় নিয়ে মানবিক শাখা হতে উত্তীর্ণ ছাত্র/ছাত্রীগণ জীব বিজ্ঞান অনুষদের ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিষয়ে ভর্তির জন্য ঋ৩ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করবে।
ভর্তির যোগ্যতা
যে সকল ছাত্র/ছাত্রী বাংলাদেশের যে কোন শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মাধ্যমিক বা দাখিল বা সমমান পরীক্ষায় এবং ২০১৫ বা ২০১৬ সালের বিজ্ঞান/কৃষি বিজ্ঞান শাখায় ও মানবিক শাখায় (মনোবিজ্ঞান বা ভূগোল বিষয়সহ) উচ্চ মাধ্যমিক বা আলিম উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম মোট জিপিএ ৭.০০ পেয়েছে; তবে যাদের উভয় পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ রয়েছে তারা এফ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।
অথবা
যে সকল ছাত্র/ছাত্রী ২০১২ সালে বা তৎপরবর্তী সালে জিসিই ‘ও’ লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ২টি বিষয়ে বি গ্রেড এবং ৩টি বিষয়ে সি গ্রেড পেয়ে ২০১৫ বা ২০১৬ সালের জিসিই ‘এ’ লেভেল (বিজ্ঞান শাখা) পরীক্ষায় ন্যূনতম ১টি বিষয়ে বি গ্রেড ও ২টি বিষয়ে সি-গ্রেড পেয়েছে তারা এফ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।

ভর্তির বিশেষ যোগ্যতা :

উদ্ভিদ বিজ্ঞান ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদের উচ্চ মাধ্যমিক জীববিদ্যা বিষয়ে/প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদের উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, গণিত ও জীববিদ্যা বিষয়ে/মৃত্তিকা বিজ্ঞান এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিভাগে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদের উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন ও জীববিদ্যা বিষয়ে/মাইক্রোবায়োলজি বিভাগে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় জীববিদ্যা ও গণিত বিষয়ে ন্যূনতম গ্রেড পয়েন্ট ৩.০০ থাকতে হবে।

ফার্মেসী বিভাগে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদের ভর্তি পরীক্ষায় প্রাণিবিদ্যা, উদ্ভিদ বিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয়ে উত্তর দিতে হবে এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় জীব বিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয়ে ন্যূনতম গ্রেড পয়েণ্ট ৩.০০ থাকতে হবে।

ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা এবং মনোবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদের উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় মানবিক গ্র“পে ভূগোল/ মনোবিজ্ঞান বিষয়ে ন্যূনতম গ্রেড পয়েন্ট ৩.০০ থাকতে হবে।

ঋ১ ইউনিট (জীব বিজ্ঞান অনুষদ) ভর্তি পরীক্ষা
১। বাংলা — ১০ নম্বর
২। ইংরেজি — ১৫ নম্বর
৩। উদ্ভিদ বিজ্ঞান, প্রাণিবিদ্যা, রসায়ন ও গণিত
(যে কোন তিনটি বিষয়ে উত্তর দিতে হবে; প্রতি বিষয়ের মান হবে ২৫ নম্বর) — ২৫৩ = ৭৫ নম্বর
————————–
পাস মার্ক = ৪০ মোট – ১০০ নম্বর

ঋ২ ইউনিট মনোবিজ্ঞান বিষয়ে ভর্তিচ্ছু মানবিক শাখা হতে উত্তীর্ণ ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য :

১। বাংলা — ১০ নম্বর
২। ইংরেজি — ১৫ নম্বর
৩। মনোবিজ্ঞান — ৫০ নম্বর
৪। সাধারণ জ্ঞান — ২৫ নম্বর
———————————–
পাস মার্ক = ৪০ মোট = ১০০ নম্বর

ঋ৩ ইউনিট ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিষয়ে ভর্তিচ্ছু মানবিক শাখা হতে উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য :

১। বাংলা — ১০ নম্বর
২। ইংরেজি — ১৫ নম্বর
৩। ভূগোল — ৫০ নম্বর
৩। সাধারণ জ্ঞান — ২৫ নম্বর
—————————-
পাস মার্ক = ৪০ মোট : ১০০ নম্বর

নোট : ১। ভর্তি পরীক্ষায় আবশ্যিক বাংলায় ন্যূনতম ৩ নম্বর এবং আবশ্যিক ইংরেজি বিষয়ে ন্যূনতম ৪ নম্বর পেতে হবে।
২। বাংলা ও ইংরেজি ছাড়া অন্যান্য বিষয়ে ন্যূনতম ১০ নম্বর করে পেতে হবে।
৩। প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিষয়ে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে রসায়ন বিষয়ে ন্যূনতম ১০ নম্বর পেতে হবে।
৪। মাইক্রোবায়োলজি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিষয়ে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে উদ্ভিদ বিজ্ঞান ও প্রাণিবিদ্যা বিষয়ে ন্যূনতম ১০ নম্বর করে পেতে হবে।
৫। মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিষয়ে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে রসায়ন বা উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিষয়ে ১০ নম্বর পেতে হবে।
৬। মনোবিজ্ঞান/ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে মনোবিজ্ঞান/ভূগোল বিষয়ের উত্তর দিতে হবে
এবং ১০ নম্বর পেতে হবে।
৭। ফার্মেসী বিষয়ে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে প্রাণীবিদ্যা, উদ্ভিদ বিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয়ে ১০ নম্বর করে পেতে হবে।

১৭.৭ জি ইউনিট (ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ)
কবু ডড়ৎফ – এ

কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ফলিত পদার্থবিদ্যা, ইলেকট্রনিক্স এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে বি.এসসি ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তির যোগ্যতা

যে সকল ছাত্র/ছাত্রী বাংলাদেশের যে কোন শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০১২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মাধ্যমিক বা দাখিল বা সমমান পরীক্ষা এবং ২০১৫ বা ২০১৬ সালের বিজ্ঞান/কৃষি বিজ্ঞান শাখা উচ্চ মাধ্যমিক বা আলিম উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম মোট জিপিএ ৭.০০পেয়েছে ; তবে যাদের উভয় পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ রয়েছে তারা ‘জি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।

অথবা

যে সকল ছাত্র/ছাত্রী ২০১২ সালে বা তৎপরবর্তী সালে জিসিই ‘ও’ লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ২টি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেড ও ৩টি বিষয়ে ‘সি’ গ্রেড পেয়েছে এবং ২০১৫ বা ২০১৬ সালের জিসিই ‘এ’ লেভেল (বিজ্ঞান শাখা) পরীক্ষায় ন্যূনতম ১টি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেড ও ২টি বিষয়ে ‘সি’ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে তারা ‘জি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।

নোট : গণিত বিষয় বা গণিত ও জীববিদ্যা উভয় বিষয় নিয়ে এইচ.এস.সি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র/ছাত্রীরা জি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে। পদার্থবিদ্যা ও গণিত উভয় বিষয়ে কমপক্ষে গ্রেড পয়েন্ট ৩.০০ পেতে হবে।

এ ইউনিট (ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ) ভর্তি পরীক্ষা
১. বাংলা — ১০ নম্বর
২. ইংরেজি — ২০ নম্বর
৩. গণিত — ২৫ নম্বর
৪. পদার্থবিদ্যা — ২৫ নম্বর
৫. রসায়ন/পরিসংখ্যান — ২০দ্দ১=২০ নম্বর
(যে কোন ০১টি বিষয়ের উত্তর দিতে হবে) ———————————-
পাস মার্ক = ৪০ নম্বর মোট = ১০০ নম্বর

নোট : ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে বাংলায় ন্যূনতম ৩ নম্বর, ইংরেজিতে ন্যূনতম ৬ নম্বর, রসায়ন/পরিসংখ্যান বিষয়ে ন্যূনতম ০৮ নম্বর এবং গণিত ও পদার্থবিদ্যা বিষয়ে ন্যূনতম ১০ নম্বর করে পেতে হবে।

এইচ ইউনিট (শিক্ষা অনুষদ)
কবু ডড়ৎফ – ঐ
ফিজিক্যাল এডুকেশন এন্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিষয়ে অনার্স
ভর্তির যোগ্যতা
(ক) যে সকল ছাত্র/ছাত্রী বাংলাদেশের যে কোন শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মাধ্যমিক বা দাখিল বা সমমান পরীক্ষা এবং ২০১৫ বা ২০১৬ সালের যে কোন শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক বা আলিম বা সমমান উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম মোট জিপিএ ৫.২৫ পেয়েছে এবং যাদের মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ ও উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.২৫ রয়েছে তারা এইচ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।
অথবা

যে সকল ছাত্র/ছাত্রী ২০১২ সালে বা তৎপরবর্তী সালে জিসিই ‘ও’ লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ২টি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেড এবং ৩টি বিষয়ে ‘সি’ গ্রেড পেয়ে শুধুমাত্র ২০১৫ বা ২০১৬ সালের জিসিই ‘এ’ লেভেল (বিজ্ঞান/বাণিজ্য শাখা) পরীক্ষায় ন্যূনতম ১টি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেড ও ২টি বিষয়ে ‘সি’ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে তারা এইচ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।

এইচ ইউনিট (শিক্ষা অনুষদ) ভর্তি পরীক্ষা
গঈছ

১। বাংলা — ১০ নম্বর
২। ইংরেজি — ১০ নম্বর
৩। সাধারণ জ্ঞান — ২০ নম্বর
৪। শারীরিক শিক্ষা ও খেলাধুলা — ৩০ নম্বর
——————
— মোট ৭০ নম্বর
ব্যবহারিক
১। ফিল্ড টেস্ট — ২০ নম্বর
২। খেলাধুলার সনদ — ১০ নম্বর
——————-
— মোট ৩০ নম্বর
সর্বমোট (৭০+৩০)= ১০০ নম্বর ।
পাস মার্ক = ৩৮

নোট: সাধারণ ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় ন্যূনতম বাংলায় ০৩ নম্বর, ইংরেজিতে ০৩ নম্বর, সাধারণ জ্ঞানে ০৬ নম্বর এবং শারীরিক শিক্ষা ও খেলাধুলায় ১২ নম্বর, ফিল্ড টেস্টে ১২ নম্বর এবং সনদে ০২ নম্বর পেতে হবে। কোটায় পরীক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা (গঈছ), ফিল্ড টেস্ট ও সনদের মানসহ মোট ৩৫ নম্বর পেতে হবে। ভর্তি পরীক্ষার (গঈছ) সময়কাল ৪৫ মিনিট। ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে। ব্যবহারিক পরীক্ষার সময়সূচি পরে জানানো হবে।
আই ইউনিট- ইন্স্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ: (কবু ডড়ৎফ -ও)

আই ইউনিটে নি¤œলিখিত ৩টি বিষয়ে বি.এসসি (অনার্স) কোর্সে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হবে :

১। বি.এসসি (অনার্স) ইন মেরিন সায়েন্স
২। বি.এসসি ইন ওশানোগ্রাফী (অনার্স)
৩। বি.এসসি ইন ফিশারিজ (অনার্স)

ভর্তির যোগ্যতা:
যে সকল ছাত্র-ছাত্রী বাংলাদেশের যে কোন শিক্ষাবোর্ড থেকে ২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মাধ্যমিক বা দাখিল বা সমমান পরীক্ষায় এবং ২০১৫ বা ২০১৬ সালের বিজ্ঞান/কৃষিবিজ্ঞান শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক বা আলিম বা সমমান উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম মোট জিপিএ ৭.০০ পেয়েছে ; তবে যাদের উভয় পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ রয়েছে, তারা
আই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।
প্রার্থীকে উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় জীব বিজ্ঞান/কৃষি বিজ্ঞান এবং গণিত/ পরিসংখ্যান বিষয় নিয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে এবং উল্লি¬খিত বিষয়সমূহে আলাদা-আলাদাভাবে কমপক্ষে সি গ্রেড থাকতে হবে।

অথবা
যে সকল ছাত্র-ছাত্রী ২০১২ সালে বা তৎপরবর্তী সালে জিসিই ‘ও’ লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ২টি বিষয়ে বি গ্রেড এবং ৩টি বিষয়ে সি গ্রেড পেয়ে ২০১৫ বা ২০১৬ সালের জিসিই ‘এ’ লেভেল (বিজ্ঞান শাখা) পরীক্ষায় ন্যূনতম ১টি বিষয়ে বি গ্রেড ও ২টি বিষয়ে সি গ্রেড পেয়েছে তারা আই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।

আই-ইউনিট (ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ) ভর্তি পরীক্ষা
১। বাংলা — ১০ নম্বর
২। ইংরেজি — ১৫ নম্বর
৩। প্রাণিবিদ্যা — ১৫ নম্বর
৪। উদ্ভিদ বিজ্ঞান — ১৫ নম্বর
৫। রসায়ন — ১৫ নম্বর
৬। পদার্থবিদ্যা — ১০ নম্বর
৭। গণিত — ১০ নম্বর
৮। সাধারণ জ্ঞান — ১০ নম্বর
———————
পাস মার্ক = ৪০ মোট- ১০০ নম্বর

নোট: (ক) ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় বাংলা, পদার্থবিদ্যা, গণিত ও সাধারণ জ্ঞানের প্রতিটি বিষয়ে ন্যূনতম ৩ নম্বর এবং
ইংরেজি, উদ্ভিদ বিজ্ঞান, প্রাণিবিদ্যা ও রসায়ন প্রতিটি বিষয়ে ন্যূনতম ৪ নম্বর পেতে হবে।

(খ) ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলের মেধাক্রমানুসারে সাক্ষাৎকারের সময় ছাত্র-ছাত্রীদের পছন্দ অনুসারে বিষয় (মেরিন সায়েন্স/
ওশানোগ্রাফী/ফিশারিজ) নির্ধারণ করা হবে। পরবর্তীকালে বিষয় পরিবর্তন করা যাবে না।

জে ইউনিট-ইন্স্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস : (কবু ডড়ৎফ –ঔ)

জে ইউনিটে নি¤œলিখিত ২টি বিষয়ে বি.এসসি (অনার্স) কোর্সে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হবে:

১। বি.এসসি (অনার্স) ইন ফরেস্ট্রি
২। বি.এসসি (অনার্স) ইন এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স

ভর্তির যোগ্যতা

যে সকল ছাত্র-ছাত্রী বাংলাদেশের যে কোন শিক্ষাবোর্ড থেকে ২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মাধ্যমিক বা দাখিল বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ২০১৫ বা ২০১৬ সালের বিজ্ঞান/কৃষি বিজ্ঞান শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক বা আলিম বা তিন বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা-ইন-ফরেস্ট্রি বা সমমান উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম মোট জিপিএ ৭.০০ পেয়েছে; তবে যাদের উভয় পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ রয়েছে তারা জে ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে। এই ইউনিটে ভর্তিচ্ছুদের উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, গণিত ও জীববিদ্যা বিষয় নিয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে এবং চতুর্থ বিষয় হিসেবে গণিত বা জীববিদ্যা বিষয়ে ন্যূনতম বি-গ্রেড পেতে হবে।

অথবা

যে সকল ছাত্র-ছাত্রী ২০১২ সালে বা তৎপরবর্তী সালে জিসিই ‘ও’ লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ২টি বিষয়ে বি গ্রেড এবং ৩টি বিষয়ে সি গ্রেড পেয়ে ২০১৫ বা ২০১৬ সালের জিসিই ‘এ’ লেভেল (বিজ্ঞান শাখা) পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণ হয়েছে এবং গণিত ও জীববিদ্যা বিষয়ে ন্যূনতম বি গ্রেড পেয়েছে, তারা জে ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।

নোট: (ক) লিখিত ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদেরকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল বোর্ড কর্তৃক শারীরিক ফিটনেস
পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে নতুবা চূড়ান্ত ভর্তির জন্য বিবেচিত হবে না।
(খ) ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলের মেধাক্রমানুসারে সাক্ষাৎকারের সময় ছাত্র-ছাত্রীদের পছন্দ অনুসারে বিষয়
(ফরেস্ট্রি/এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স) নির্ধারণ করা হবে।

জে ইউনিট (ইন্স্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস) ভর্তি পরীক্ষা
১। বাংলা — ১০ নম্বর
২। ইংরেজী — ১৫ নম্বর
৩। পদার্থবিদ্যা — ১০ নম্বর
৪। রসায়ন — ১০ নম্বর
৫। উদ্ভিদ বিজ্ঞান — ১৫ নম্বর
৬। প্রাণিবিদ্যা — ১৫ নম্বর
৭। গণিত — ১৫ নম্বর
৮। সাধারণ জ্ঞান — ১০ নম্বর
———————
পাস মার্ক = ৪০ মোট- ১০০ নম্বর

নোট: ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় বাংলা, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও সাধারণ জ্ঞানের প্রতিটি বিষয়ে অবশ্যই ন্যূনতম ৩ নম্বর এবং
ইংরেজী, উদ্ভিদ বিজ্ঞান, প্রাণিবিদ্যা ও গণিত প্রতিটি বিষয়ে ন্যূনতম ৪ নম্বর পেতে হবে।

১৮. কোটায় ভর্তির নিয়মাবলী
এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম বর্ষ সম্মান কোর্সে সাধারণ আসন ছাড়াও নি¤েœাক্ত পর্যায়ের কোটায় ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি করা হবে। সাধারণ আসনে ছাত্র/ছাত্রী ভর্তির যে যোগ্যতা নির্ধারণ আছে, কোটায় ভর্তিচ্ছু ছাত্র/ছাত্রীদের একই যোগ্যতা থাকতে হবে। এ ছাড়াও নি¤েœ যে কোটার জন্য যে শর্ত আরোপ করা হয়েছে, তাদের তাও অবশ্যই পূরণ করতে হবে।
শারীরিক প্রতিবন্ধী কোটা ছাড়া অন্যান্য সকল কোটার ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্যে যারা ভর্তি পরীক্ষায় ন্যূনতম ৩৫ নম্বর পাবে তাদেরকে উত্তীর্ণ হিসেবে গন্য করা হবে। এক্ষেত্রে বিষয় ভিত্তিক পাশের বাধ্যবাধকতা থাকবে না। উত্তীর্ণদের প্রাপ্ত নম্বরের সাথে মাধ্যমিকের মোট জিপিএ’র ৪০% ও উচ্চ মাধ্যমিকের মোট জিপিএ’র ৬০% যোগ করে সর্বমোট ১২০ নম্বরে ফলাফল চূড়ান্ত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মেধাক্রমানুসারে ভর্তি করা হবে।
ভর্তি নির্দেশিকায় উল্লিখিত যোগ্যতাসম্পন্ন ছাত্র/ছাত্রীরা সকল অনুষদের অন্তর্গত বিভাগ/ইন্স্টিটিউটে মুক্তিযোদ্ধা, উপজাতি, অ-উপজাতি, ওয়ার্ড এবং বিকেএসপি কোটায় ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। তবে কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ,সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ ও জীব বিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্গত বিভাগ এবং ইন্স্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস এন্ড ফিশারিজ এ ভর্তির জন্য অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি কোটায় এবং বিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্গত গণিত/পরিসংখ্যান বিভাগে, কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ ও আইন অনুষদের অন্তর্গত বিভাগে শারীরিক প্রতিবন্ধী কোটায় এবং শিক্ষা অনুষদের অন্তর্গত ফিজিক্যাল এডুকেশন এন্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগে পেশাদার খেলোয়াড় কোটায় ভর্তির জন্য আবেদন করা যাবে।
(ক) মুক্তিযোদ্ধা সন্তান-সন্ততি কোটা (কবু ডড়ৎফ-ঋঋছ১/ঋঋছ২):
এ কোটায় ভর্তির বেলায় মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র/কন্যা এবং পুত্র/কন্যা পাওয়া না গেলে পুত্র-কন্যার পুত্র/কন্যাদের ভর্তি করা হবে। মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র/কন্যা ঋঋছ১ এবং মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যার পুত্র/কন্যা (নাতি/নাতনী) ঋঋছ২ হিসাবে গণ্য হবে। এ কোটায় উত্তীর্ণদের সাক্ষাৎকার গ্রহণের সময় মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পুত্র/কন্যা এবং পুত্র/কন্যার পুত্র/কন্যাদের (নাতি/নাতনি) আলাদাভাবে মেধা তালিকা তৈরী করতে হবে। আসন খালি থাকা সাপেক্ষে মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি/নাতনীকে মেধাক্রমানুসারে ভর্তি করা হবে।

এ কোটায় ভর্তিচ্ছু ছাত্র/ছাত্রীদেরকে তাদের পিতা-মাতা/দাদা-দাদী/নানা-নানী মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রমাণ হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ও মাননীয় মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী স্বাক্ষরিত মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত সনদপত্র অথবা ১৯৯৭ সন থেকে ২০০১ সন পর্যন্ত বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের অধীনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী স্বাক্ষরিত সনদপত্রের মূলকপি ও সত্যায়িত ফটোকপি এবং যথাযথ ওয়ারিশ সনদ সাক্ষাৎকারের সময় জমা দিতে হবে। যাদের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সনদ নেই কিন্তু সনদের জন্য আবেদন করেছে তাদের ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে। তবে ভর্তির সময় অবশ্যই সনদের মূলকপি দেওয়ার অঙ্গীকারপত্র জমা দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মূল সনদপত্র জমা দিতে ব্যর্থ হলে ভর্তি সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে।
মুক্তিযোদ্ধা সন্তান-সন্ততি কোটায় ভর্তিকৃত ছাত্র/ছাত্রীদের সনদপত্র মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে যাচাই করা হবে।
(খ) ওয়ার্ড কোটা (কবু ডড়ৎফ-ডছ):
এ বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরীরত এবং যেকোন প্রকার ছুটিতে থাকা (পিআরএলসহ) শিক্ষক/অফিসার/কর্মচারীদের সন্তান
(পোষ্য ছাড়া) এবং স্বামী/স্ত্রীকে ওয়ার্ড হিসেবে গন্য করা হবে। চাকুরীরত অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী শিক্ষক/অফিসার/ কর্মচারীদের সন্তান বা স্বামী/স্ত্রীকে উক্ত মৃত্যুবরণকারীর চাকুরীর বয়সসীমা পর্যন্ত ওয়ার্ড হিসেবে গন্য করা হবে।
এ কোটায় প্রতি বিভাগ/ইন্স্টিটিউটে একটি আসন চ.বি.শিক্ষকদের ওয়ার্ডের জন্য এবং প্রতি অনুষদ/ইউনিটে একটি আসন চ.বি. কর্মকর্তাদের ওয়ার্ডের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
এ পর্যায়ের ছাত্র/ছাত্রীদের তাদের পিতা/মাতা/স্বামী/স্ত্রী যে বিভাগ/অফিস/ইন্স্টিটিউটে কর্মরত আছেন সে বিভাগীয় সভাপতি/
অফিস প্রধান/ইন্স্টিটিউটের পরিচালকের নিকট হতে সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে সাক্ষাৎকারের দিন জমা দিতে হবে।
(গ) উপজাতি কোটা (কবু ডড়ৎফ-ঞছ):
এ কোটায় ভর্তিচ্ছু ছাত্র/ছাত্রীকে কোন্ সম্প্রদায়ের উপজাতি তা তাদের স্ব স্ব সার্কেল চীফের/জেলা প্রশাসক এর নিকট থেকে সনদপত্র সংগ্রহ করে সাক্ষাৎকারের সময় জমা দিতে হবে।
এ কোটায় অনুষদের মোট আসন সংখ্যার অর্ধেক আসন চাকমাদের জন্য এবং বাকী অর্ধেক আসন অন্য উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। তবে মোট আসন সংখ্যা বিজোড় হলে সর্বশেষ একটি আসনে অন্য উপজাতিদের প্রাধান্য দেয়া হবে।

(ঘ) অ-উপজাতি কোটা (কবু ডড়ৎফ-ঘঞছ):
পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বাঙালী এ কোটায় অন্তর্ভূক্ত হবে। এ কোটায় ভর্তিচ্ছু ছাত্র/ছাত্রীদের পাবর্ত্য জেলায় অবস্থিত সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মাধ্যমিক বা সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে এবং তাদের স্ব স্ব জেলা প্রশাসকের নিকট থেকে পার্বত্য জেলায় স্থায়ীভাবে বসবাসের সনদপত্র গ্রহণ করে এর সত্যায়িত ফটোকপি অবশ্যই সাক্ষাৎকারের দিন জমা দিতে হবে।
বি. দ্র. অ-উপজাতি কোটায় ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের প্রদত্ত অ-উপজাতি সনদ স্ব স্ব জেলা প্রশাসকের অফিস থেকে যাচাইয়ের নিমিত্তে
অ-উপজাতি সনদের কপি সংশ্লিষ্ট ইউনিট অফিস একাডেমিক শাখায় প্রেরণ করবেন।
(ঙ) বিকেএসপি কোটা (কবু ডড়ৎফ-ইকঝচছ) :
এ কোটায় শুধুমাত্র বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র/ছাত্রীরা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) কর্তৃক সনদপত্র প্রাপ্ত হতে হবে।
(চ) অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি কোটা (কবু ডড়ৎফ-ঝঊএছ):
চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, রাখাইন জাতিগোষ্ঠি ব্যতিরেকে অনগ্রসর ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠি যারা বাঙালী নয় তারা এ কোটায় অন্তর্ভূক্ত হবে। এ কোটায় ভর্তিচ্ছু ছাত্র/ছাত্রীদেরকে তারা কোন সম্প্রদায়ের অধিবাসী তা তাদের স্ব স্ব সার্কেল চীফের/জেলা প্রশাসক এর নিকট থেকে সনদপত্র সংগ্রহ করে সাক্ষাৎকারের দিন জমা দিতে হবে।
ইন্স্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ এবং কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ ও জীব বিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্গত বিভাগে ভর্তির জন্য এ কোটায় আবেদন করা যাবে।
বি.দ্র. এ কোটায় ভর্তিকৃত ছাত্র/ছাত্রীদের প্রদত্ত সনদ স্ব স্ব জেলা প্রশাসকের অফিস থেকে যাচাইয়ের নিমিত্তে সনদের কপি সংশ্লিষ্ট ইউনিট অফিস একাডেমিক শাখায় প্রেরণ করবেন।
(ছ) শারীরিক প্রতিবন্ধী কোটা (কবু ডড়ৎফ-চউছ) (শারীরিক প্রতিবন্ধী বলতে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী/দু’হাতে লিখার অনুপযুক্ত বুঝাবে):

এ কোটায় ভর্তিচ্ছু ছাত্র/ছাত্রীদের লিখিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে না। যাদের মাধ্যমিক বা সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ মোট জিপিএ ৫.২৫ আছে তাদেরকে মেধাক্রমানুসারে সরাসরি ভর্তির জন্য নির্বাচন করা হবে। তবে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীর সংখ্যা নির্ধারিত আসন সংখ্যার চেয়ে বেশি হলে মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রমানুসারে ছাত্র/ছাত্রী নির্বাচন করা হবে।
কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ, বিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্গত গণিত/পরিসংখ্যান বিভাগ, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ ও আইন অনুষদের অন্তর্গত বিভাগে ভর্তির জন্য এ কোটায় আবেদন করা যাবে।
(জ) পেশাদার খেলোয়াড় কোটা (কবু ডড়ৎফ-চচছ) এ কোটায় ভর্তিচ্ছু ছাত্র/ছাত্রীদের জাতীয় দল/ঢাকা কেন্দ্রীক শীর্ষস্থানীয় লীগের (যেমন: প্রিমিয়ার ডিভিশন লীগ, বি লীগ, প্রফেশনাল লীগ) খেলোয়াড় হতে হবে।
এ কোটায় ভর্তিচ্ছু ছাত্র/ছাত্রীদের নিম্নেবর্ণিত প্রত্যয়নপত্র থাকতে হবে:
১. সংশ্লিষ্ট খেলার জাতীয় ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক খেলায় অংশগ্রহণ সংক্রান্ত প্রত্যয়ন পত্র।
২. সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়ের ফেডারেশন প্রদত্ত খেলোয়াড় রেজিষ্ট্রেশন কার্ড/পরিচয় পত্র।
৩. সংশ্লিষ্ট ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক উক্ত ক্লাবের খেলোয়াড় সংক্রান্ত প্রত্যয়ন পত্র।
এ কোটায় শুধুমাত্র শিক্ষা অনুষদভুক্ত ফিজিক্যাল এডুকেশন এন্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগে ভর্তির জন্য ছাত্র/ছাত্রীরা আবেদন করতে পারবে। সংশ্লিষ্ট ছাত্র/ছাত্রীকে ব্যবহারিক পরীক্ষার পূর্বে উল্লিখিত প্রত্যয়নপত্রসমূহ যাচাই করার জন্য ডিন অফিসে জমা দিতে হবে।
এ কোটায় ভর্তিকৃত ছাত্র/ছাত্রীদের প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্রের কপি যাচাইয়ের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট ডিন অফিস একাডেমিক শাখায় প্রেরণ করবেন।

বি. দ্র. সাধারণ আসনের ন্যায় কোটায় ভতিচ্ছু প্রার্থীদের নির্বাচনের দায়িত্বও স্ব স্ব ইউনিট ভর্তি কমিটির উপর অর্পন করা হলো। সাধারণ আসনে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর কোটায় ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে এবং প্রত্যেক ইউনিট, অন্যান্য ইউনিটের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে ভিন্ন ভিন্ন তারিখে কোটায় ভর্তির নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করবে এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে (অনধিক দশ দিন) ভর্তি ও বিষয় পরিবর্তনের কাজ সম্পন্ন করতে হবে।
১৯. ভর্তির অন্যান্য বিশেষ নিয়মাবলী :
১৯.১ ভর্তির ব্যাপারে অনার্স বিষয় নির্বাচনের জন্য সাক্ষাৎকারের সময় ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর ও প্রাপ্ত নম্বরের সাথে মাধ্যমিকের মোট জিপিএ’র ৪০% ও উচ্চ মাধ্যমিকের মোট জিপিএ’র ৬০% যোগ করে সর্বমোট ১২০ নম্বরে প্রাপ্ত নম্বরে মেধাক্রমানুসারে অনার্স বিষয় বরাদ্দ করা হবে এবং ভর্তি পরীক্ষায় একই নম্বর প্রাপ্ত একাধিক পরীক্ষার্থীদের মেধাক্রম নির্ধারণ করতে ইউনিট ভিত্তিক নিম্নোক্ত নিয়ম অনুসরণ করতে হবে:
অ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ভর্তিচ্ছু প্রার্থিত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম প্রস্তুত করা হবে। তাতেও সমাধান না হলে গণিত বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম প্রস্তুত করা হবে। তাতেও সমাধান না হলে ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম করা হবে।
ই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম করা হবে। তাতেও সমাধান না হলে বাংলা বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম প্রস্তুত করা হবে।
ঈ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম করা হবে।
উ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ‘বিশ্লেষণ দক্ষতা’ বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম প্রস্তুত করা হবে। তাতেও সমাধান না হলে ইংরেজী বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম প্রস্তুত করা হবে।
ঊ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম করা হবে।
ঋ ইউনিটের জন্য ইংরেজি, রসায়ন, প্রাণিবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যা, গণিত, পদার্থবিদ্যা, সাধারণ জ্ঞান ও বাংলায় ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর পর্যায়ক্রমে বিবেচনায় এনে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।
এ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় গণিত ও পদার্থবিদ্যা বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম করা হবে।
ঐ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় শারীরিক শিক্ষা ও খেলাধুলা বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম করা হবে।
ও ও ঔ ইউনিটের অন্তর্গত ইন্স্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ ও ইন্স্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রণমেন্টাল সায়েন্সেস-এ ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজিতে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। তবে ইন্স্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রণমেন্টাল সায়েন্সেস এর জন্য ইংরেজি ছাড়াও পর্যায়ক্রমে পদার্থ, রসায়ন, জীব বিজ্ঞানে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।

১৯.২ ভর্তির জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদেরকে নি¤েœবর্ণিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে:
(ক) ইউনিট ভর্তি কমিটির সভাপতি কর্তৃক নির্ধারিত তারিখের মধ্যে নির্বাচিত প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট বিভাগ/ইন্স্টিটিউট অফিস হতে ভর্তির মূল ফরম সংগ্রহ করতে হবে।
(খ) এই মূল ভর্তি ফরমটি যথাযথভাবে পূরণ করে সংশ্লিষ্ট বিভাগ/ইন্স্টিটিউট অফিসে জমা দিতে হবে।
(গ) সংশ্লিষ্ট ইউনিট সভাপতি কর্তৃক নির্ধারিত তারিখের মধ্যে ভর্তি ফিস অগ্রণী ব্যাংক, চ.বি. শাখায় জমা দিতে হবে।
(ঘ) সর্বশেষ ব্যাংকে ফিস জমা দেয়ার প্রমাণস্বরূপ ব্যাংক রসিদের একটি ফটোকপি/অনুলিপি সংশ্লিষ্ট বিভাগ/ইন্স্টিটিউট অফিসে জমা দিয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
বি.দ্র. (১) কোন ছাত্র/ছাত্রী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত তারিখের মধ্যে ব্যাংকে ভর্তি ফিস জমা না দিলে; (যে কোন কারণেই হোক না কেন) পরবর্তীতে তার ভর্তির বিষয়টি আর বিবেচনা করা হবে না।
(২) ভর্তি ফিস ব্যাংকে জমা দেয়ার পর ব্যাংক স্লিপের একটি ফটোকপি সংশ্লিষ্ট বিভাগ/ইন্স্টিটিউট অফিসে জমা দিলেই সংশ্লিষ্ট ছাত্র/ছাত্রীর ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ হবে। ভর্তি ফিস ব্যাংকে জমা দেয়ার পরদিন বিভাগ/ইন্স্টিটিউট অফিসে ব্যাংক স্লিপের ফটোকপি জমা না দিলে তার ভর্তি বাতিল বলে গণ্য হবে।
(৩) কোন ফিস জমা দেওয়ার নির্ধারিত শেষ তারিখের দিন কোন কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস বা অগ্রণী ব্যাংক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বন্ধ থাকলে অথবা অফিস বা ব্যাংকে কাজ না চললে সেক্ষেত্রে অব্যবহিত পরবর্তী কর্মদিবসই সংশ্লিষ্ট ফিস জমা দেয়ার শেষ সময় হিসেবে গণ্য হবে।
১৯.৩ মেধা তালিকার ছাত্র/ছাত্রীদের ভর্র্তির নির্ধারিত সময় শেষে যদি কোন বিভাগে ভর্তির আসন খালি থাকে সে ক্ষেত্রে অপেক্ষমান তালিকার ছাত্র-ছাত্রীদেরকে মেধাক্রমানুসারে সাক্ষাৎকারে ডাকা হবে এবং তাদেরকেও উপরোক্ত ১৯.২ নং নিয়মে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
১৯.৪ ইউনিট অফিস ভর্তির জন্য ছাত্র/ছাত্রী নির্বাচন করে নির্বাচিত তালিকা ও নির্বাচিত ছাত্র/ছাত্রীদের ছবিসহ প্রবেশপত্রের কপি সংশ্লিষ্ট বিভাগ/ইন্স্টিটিউট অফিসে প্রেরণ করবেন। ছাত্র/ছাত্রীরা ভর্তি ফরম পূরণ করে সংশ্লিষ্ট বিভাগ/ইন্স্টিটিউট অফিসে জমা দেয়ার পর ভর্তি ফরমের সঙ্গে প্রদত্ত ছবির সঙ্গে প্রবেশপত্রের সাথে ইউনিট অফিস থেকে প্রেরিত ছবি মিলিয়ে নিয়ে সঠিক বলে নিশ্চিত হওয়ার পর বিভাগীয় সভাপতি/ইন্স্টিটিউটের পরিচালক ভর্তি ফিস জমা দেয়ার ব্যাংক স্লিপে স্বাক্ষর করবেন।
১৯.৫ ভর্তির সময় প্রত্যেক ছাত্র/ছাত্রীকে $ ২০০০/- টাকা হারে “শিক্ষা সহায়ক” ফিস এবং ৫০০/- টাকা হারে “ইউনিট উন্নয়ন” ফিস হিসাবে অনুষদ/বিভাগ/ইন্স্টিটিউটের ব্যাংক হিসাবে নগদ জমা দিতে হবে এবং উক্ত টাকা জমাদানের ব্যাংক রসিদ প্রদানের পর অনুষদ/বিভাগ/ইন্স্টিটিউট অফিস ১ম বর্ষ অনার্স কোর্সে ভর্তির মূল ফরম ছাত্র/ছাত্রীদের প্রদান করবেন।

২০. বিষয় পরিবর্তন, ভর্তি বাতিল এবং দ্বৈত ভর্তি সম্পর্কিত নিয়ম :
২০.১ বিষয় পরিবর্তনের নিয়ম:
(ক) মেধা তালিকায় নির্বাচিত ছাত্র/ছাত্রীদের ভর্তির নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর একই ইউনিটের অধীনে বিভাগসমূহে ভর্তির আসন খালি থাকলে সে আসন পূরণের নিমিত্তে ইউনিট ভর্তি কমিটির সভাপতি ভর্তিকৃত ও অনার্স বিষয় পরিবর্তনে ইচ্ছুক ছাত্র/ছাত্রীদের নিকট থেকে দরখাস্ত আহ্বান করে সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে যোগ্যতাসম্পন্ন ছাত্র/ছাত্রীদেরকে অনার্স বিষয় পরিবর্তনের অনুমতি দিতে পারবেন এবং অনুমতিপ্রাপ্ত ছাত্র/ছাত্রীরা ইউনিট ভর্তি কমিটির সভাপতি কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিষয় পরিবর্তনের ফিস রেজিস্ট্রার, চ.বি.এর অনুকূলে অগ্রণী ব্যাংক, চ.বি. শাখা থেকে সংগৃহীত অফেরতযোগ্য ৫০০/- টাকার পে-অর্ডারসহ দরখাস্তটি ইউনিট অফিসে জমা দিয়ে অনার্স বিষয় পরিবর্তন করতে পারবে।
(খ) কোন ছাত্র/ছাত্রী এক ইউনিটের অধীনে কোন বিভাগ/ইন্স্টিটিউটে ভর্তি হওয়ার পর অন্য ইউনিটের অধীন কোন বিভাগ/ইন্স্টিটিউটে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হলে এবং সে ঐ বিভাগ/ইন্স্টিটিউটে পড়তে আগ্রহী হলে তাকে অনার্স বিষয় পরিবর্তনের নির্ধারিত ফরম পূরণ করে তাতে ভর্তিকৃত বিভাগীয় সভাপতি/ ইন্স্টিটিউটের পরিচালক ও ইউনিট ভর্তি কমিটির সভাপতির সুপারিশ এবং পরবর্তী সময়ে ভর্তির জন্য নির্বাচিত বিভাগীয় সভাপতি/ ইন্স্টিটিউটের পরিচালকের ও ইউনিট ভর্তি কমিটির সভাপতির অনুমতি নিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইউনিট পরিবর্তন ফিস রেজিস্ট্রার, চ.বি. এর অনুকূলে অগ্রণী ব্যাংক, চ.বি.শাখা থেকে সংগৃহীত অফেরতযোগ্য ১২০০/-টাকার পে-অর্ডারসহ পরবর্তী সময়ে ভর্তিকৃত বিভাগ/ ইন্স্টিটিউট সংশ্লিষ্ট ইউনিট ভর্তি কমিটির সভাপতির অফিসে জমা দিয়ে অনার্স বিষয় পরিবর্তন করতে হবে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য : বিষয় পরিবর্তন করার আবেদন করে অনুমতিপ্রাপ্ত হয়ে নির্ধারিত সময়ে বিষয় পরিবর্তন ফিস/ ইউনিট পরিবর্তন ফিস ব্যাংকে জমা না দিলে তার অনার্স বিষয়/ইউনিট পরিবর্তনের অনুমতি এবং পূর্বে ভর্তিকৃত অনার্স বিষয়ের ভর্তি উভয়ই বাতিল করা হবে।
২০. ২ ভর্তি প্রত্যাহারের নিয়ম :
(ক) কোন ছাত্র/ছাত্রী চলতি শিক্ষাবর্ষে কোন ¯œাতক (সম্মান) কোর্সে ভর্তি হয়ে যে কোন কারণে স্ব স্ব ইউনিটের ভর্তির সর্বশেষ তারিখের মধ্যে স্বেচ্ছায় ভর্তি বাতিল করতে চাইলে তাকে ডেপুটি রেজিস্ট্রার (একাডেমিক)-কে সম্বোধন করে সাদা কাগজে দরখাস্ত লিখে তাতে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় সভাপতি/ইন্স্টিটিউটের পরিচালকের সুপারিশ ও ইউনিট ভর্তি কমিটির সভাপতির অনুমতি নিয়ে ভর্তি বাতিল ফিস রেজিস্ট্রার, চ.বি. এর অনুকূলে অগ্রণী ব্যাংক, চ.বি. শাখা থেকে সংগৃহীত অফেরতযোগ্য
$ ৫০০/- টাকার পে-অর্ডারসহ দরখাস্তটির ফটোকপি করে মূল কপি ইউনিট ভর্তি কমিটির সভাপতির অফিসে এবং ফটোকপিটি রেজিস্ট্রার দপ্তরের একাডেমিক শাখায় জমা দিয়ে ভর্তি বাতিল করতে হবে।
(খ) কোন ছাত্র/ছাত্রী কোন ¯œাতক সম্মান কোর্সে ভর্তি হওয়ার পর চলতি শিক্ষাবর্ষে স্ব স্ব ইউনিটের ভর্তির সর্বশেষ সময় শেষ হওয়ার পর বা পরবর্তীকালে যে কোন সময় যে কোন কারণে স্বেচ্ছায় ভর্তি বাতিল করতে চাইলে তাকে উপরোক্ত নিয়মে আবেদন করে ভর্তি বাতিল ফিস রেজিস্ট্রার, চ.বি.এর অনুকূলে অগ্রণী ব্যাংক,চ.বি. শাখা থেকে সংগৃহীত অফেরতযোগ্য ১৫০০/- টাকার পে-অর্ডারসহ দরখাস্তটি রেজিস্ট্রার দপ্তরের একাডেমিক শাখায় জমা দিয়ে ভর্তি বাতিল করতে হবে।

২০.৩ দ্বৈত ভর্তি সম্পর্কিত নিয়ম
(ক) বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী একাধিক অনার্স বিষয় বা একাধিক কোর্সে ভর্তি হওয়া শাস্তিমূলক অপরাধ।
(খ) কোন ছাত্র/ছাত্রী অন্য কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোন কোর্সে ভর্তি হওয়ার পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলে তাকে পূর্বে ভর্তিকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভর্তি প্রত্যাহার করে ভর্তি প্রত্যাহারের চিঠি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় ভর্তি ফরমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভাগ/ইন্স্টিটিউটে জমা দিতে হবে। সময় স্বল্পতার কারণে বা যে কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে কোন ছাত্র/ছাত্রী ভর্তির সময় ভর্তি প্রত্যাহারের চিঠি জমা দিতে অপারগ হলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ফিস জমা দেয়ার তারিখ হতে তিন মাসের মধ্যে পূর্ববর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভর্তি প্রত্যাহার করে ভর্তি প্রত্যাহারের চিঠি বিভাগীয় সভাপতি/ইন্স্টিটিউটের পরিচালকের মাধ্যমে রেজিস্ট্রার দপ্তরের একাডেমিক শাখায় অবশ্যই জমা দিতে হবে। উক্ত তিন মাস সময়ের পর কোন ছাত্র/ছাত্রীর বিরুদ্ধে দ্বৈত ভর্তির কোন অভিযোগ পাওয়া গেলে তখন তার কোন প্রকার ওজর আপত্তি গ্রহণযোগ্য হবে না এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুসারে তার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বাতিল করা হবে।

২১. ভর্তি সম্পর্কিত বিশেষ নিয়মাবলী
(ক) ভর্তি ফিস জমা দেয়ার সমস্ত নিয়ম কানুন সম্পন্নকারী ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদেরকে “ আগে আসলে আগে ভর্তি করা হবে” ভিত্তিতে ভর্তির জন্য নির্ধারিত আসনে ও সময়সীমার মধ্যে ভর্তি করা হবে।
(খ) কোন ছাত্র/ছাত্রী মূল ভর্তি ফরমে কোন তথ্য গোপন করে বা মিথ্যা তথ্য বা ভূয়া তথ্য প্রদান করে বা জাল একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের মাধ্যমে ভর্তি হলে সেই ছাত্র/ছাত্রীর ভর্তি বাতিলসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুসারে অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।
(গ) কোন ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট বা পরীক্ষা পাশের সার্টিফিকেটে কোন কাটাকাটি থাকলে বা ওভার রাইটিং করলে বা যে কোন প্রকারে জিপি/জিপিএ বা পরীক্ষা পাশের বছর বা শিক্ষার্থীর নাম বা বিবরণ বা তথ্য বসিয়েছে মনে হলে বা একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট বা সার্টিফিকেট দেখে সন্দেহ হলে সেই একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট বা সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে কোন ছাত্র/ছাত্রীকে ভর্তি করা হবে না।
২২. ছাত্র/ছাত্রীদের ভর্তি ফিস জমা দেয়ার জন্য পে-স্লিপ ইস্যু করার সময় এবং ভর্তি প্রক্রিয়া চলাকালীন সময়ে এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি পরীক্ষা বা সমমান পরীক্ষা দু’টির মূল একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ফেরত দেয়া যাবে না। কোন ছাত্র/ছাত্রী উক্ত সময় শেষ হওয়ার পূর্বে একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ফেরত নিতে চাইলে তাকে আগে ভর্তি বাতিল করতে হবে। এরপর সে তার একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ফেরত নিতে পারবে। তবে ভর্তির সর্বশেষ তারিখের ৩০ দিন পর উক্ত একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ফেরত দেয়া যাবে।

===========()===========
/ছদর/

culiveRules and Supportপরীক্ষা ও ফলাফলProspectus,অ ইউনিট-বিজ্ঞান অনুষদ,ই ইউনিট-কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ,ঈ ইউনিট-ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ,উ ইউনিট-সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ,ঊ ইউনিট-আইন অনুষদ,ঋ ইউনিট-জীব বিজ্ঞান অনুষদ,এ ইউনিট-ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ,ঐ ইউনিট- শিক্ষা অনুষদ,ও ইউনিট - ইন্স্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ,ঔ ইউনিট- ইন্স্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রণমেন্টাল সায়েন্সেস,ভর্তি নির্দেশিকা,শিক্ষাবর্ষ: ২০১৬-২০১৭চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) বি.এ/বি.এড/বি.এসসি/বি.ফার্ম/বি.এস.এস/এলএল.বি/বি.এসসি. ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স/বিবিএ প্রোগ্রাম শিক্ষাবর্ষ: ২০১৬-২০১৭ ভর্তি নির্দেশিকা ইউনিট পরিচিতি অ ইউনিট-বিজ্ঞান অনুষদ ই ইউনিট-কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ ঈ ইউনিট-ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ উ ইউনিট-সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ ঊ ইউনিট-আইন অনুষদ ঋ ইউনিট-জীব বিজ্ঞান অনুষদ এ ইউনিট-ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ ঐ ইউনিট- শিক্ষা অনুষদ ও ইউনিট - ইন্স্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ ঔ ইউনিট- ইন্স্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রণমেন্টাল সায়েন্সেস ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষে...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University