train with river

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের অন্যতম মেধাবী
শিক্ষার্থী। কিন্তু বিসিএস এর মত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাদের
সফলতার হার অনেক কম মনে হয়। একটি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থীদের সফলতা নির্দেশ করে সেখান থেকে পাস করার পর
কত বেশি সংখ্যক রাষ্ট্রীয় প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা হতে পারে
তাঁর উপর। কিন্তু এ জায়গায় আশানুরূপ সফলতা আসছে না।

 

যদিও এ
বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা সীমাবদ্ধতা নিয়েই ছাত্র ছাত্রীরা তাদের শিক্ষা
জীবন শেষ করে। তবে সব কিছু ছাপিয়ে আমার কাছে মনে হয়,
সচেতনতার অভাব এ পথে সবচেয়ে বড় বাধা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ
অন্য বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দেখেছি, অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের
প্রথম টার্গেট বিসিএস। এমনও দেখার সুযোগ হয়েছে, খাটের
উপর ঘুমানো বড় ভাইয়ের বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি হয়েছে,
সেই খাটের নিচে ঘুমানো প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীটি মনের
অজান্তে বলে ফেলেছে আমি প্রশাসন ক্যাডারে যাব। আসলে
স্বপ্ন একটি সংক্রমক ধারা। এটি একজন থেকে অন্য জনের মাঝে
প্রবাহিত হয়।
আবার আসি পূর্বের কথায়। চবিতে কেন বিসিএস হার কম? নানান
সীমাবদ্ধতাকে হয়তো অনেকেই দায়ী করবেন। কিন্তু আমার
কাছে মনে হয়, পরাজিতরা সব সময় অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপায়। এ
কথার অর্থ এই নয় যে, সবাই পরাজিত অর্থাৎ কারো বিসিএস হয় না।
অনেকেই এখান থেকে সফলতা লাভ করেছেন। তবে সে হার
যে আশানুরূপ নয় তা আগেই বলেছি। পূর্বের বিসিএস গুলো
পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এতো বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী
নিয়ে চবি যে পজিশনে থাকার কথা সেখানে নেই।


বছর দু এক আগে এখানে ক্যারিয়ার সংক্রান্ত একটি ছোট আয়োজন
হয়েছিল। কয়েকজন বিশেষজ্ঞ তাদের মতামত সেখানে উপস্থাপন
করেছেন। যারা অতিথি হিসেবে এসেছেন তাদের কথা শুনে
শিক্ষার্থীদের ভালো লেগেছে বলে জানতে পারি। কিন্তু যিনি
এর আয়োজক ছিলেন তাঁর কথা শুনে সবাই নাকি হাসাহাসি করেছে। এর
মানে আয়োজক ছিলেন বিসিএস সম্পর্কে অজ্ঞ। আর
শিক্ষার্থীদের বড় অংশই জানে না বিসিএস কি? কিভাবে পরীক্ষায়
অংশগ্রহণ করতে হয়? কোন ধরনের বই পড়তে হবে? ইতাদি
ইত্যাদি।
প্রকৃতপক্ষে আমরা কেউ এর দায় এড়াতে পারি না। আমার মনে হয়
এখন সময় এসেছে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিসিএস সহ অন্যান্য চাকরির
ব্যাপারে সচেতনতা তৈরির পদক্ষেপ গ্রহণের। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির
মত কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আসা শিক্ষার্থীদের মাঝে
একটু সচেতনতা তৈরি করতে পারলে তারা সকল ক্ষেত্রে দেশের
মাথা উচু করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বয়ে আনতে সক্ষম
হবে বলে আশা রাখি। (চলবে)
(মতামত আমার একান্ত নিজস্ব। কেউ অজান্তে কষ্ট পেলে
ক্ষমাপ্রার্থী।)
courtesy- Ahsanul Kabir Palash
Assistant Professor
University of Chittagong

http://culive24.com/wp-content/uploads/2016/10/download.jpghttp://culive24.com/wp-content/uploads/2016/10/download-150x150.jpgculiveBlogএকাডেমিকক্যাম্পাসক্যারিয়ারমতামতমেধাবীচট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের অন্যতম মেধাবী শিক্ষার্থী। কিন্তু বিসিএস এর মত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাদের সফলতার হার অনেক কম মনে হয়। একটি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সফলতা নির্দেশ করে সেখান থেকে পাস করার পর কত বেশি সংখ্যক রাষ্ট্রীয় প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা হতে পারে তাঁর উপর। কিন্তু এ জায়গায় আশানুরূপ সফলতা আসছে না।   যদিও এ বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা সীমাবদ্ধতা...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University