exclusive post for admission seekrr

 

Exam and University Admission Info

বিশ্বের একমাত্র শাটলের ১৭৫৩.৮৮ একরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে তোমাদেরকে স্বাগতম। ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয় দেশের অন্যতম সেরা এই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির বেশ কিছু সাফল্য বাংলাদেশ ছাড়িয়ে বর্হিবিশ্বেও ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বখ্যাত বিশ্বতত্ত্ববিদ, গণিতবিদ, পদার্থবিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিদ প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম(J.N. ISLAM) এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষক ছিলেন।

সবচেয়ে কমবয়সী বিজ্ঞানী হিসাবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পেয়েছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সাজিদ আলী হাওলাদার। শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনুছ, একুশে পদক বিজয়ী সাহিত্যিক হুমায়ুন আজাদ, সমাজবিজ্ঞানী, লেখক এবং দার্শনিক অনুপম সেন, শিক্ষাবিদ আনিসুজ্জামান, অধ্যাপক আল আমীন, সাহিত্যিক আবুল ফজল, ঔপন্যাসিক আলাউদ্দিন আল আজাদ, সাহিত্যিক আহমদ শরীফ, চিত্রশিল্পী ঢালী আল মামুন, কবি ময়ুখ চৌধুরী, অপরাজেয় বাংলার স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ, শিক্ষাবিদ মনিরুজ্জামান মিঞা, ইউজিসির বর্তমান চেয়ারম্যান এবং চবির সাবেক উপাচার্য আবদুল মান্নান, বর্তমান সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা, সাহিত্যবিশারদ আবদুল করিম, কলামিষ্ট ও অর্থনীতিবিদ মইনুল ইসলামসহ আরো বেশকিছু শিক্ষক এই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন বা করেছেন। এছাড়া তোমাদের এইচএসসির রয়াসন বইয়ের লেখক সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী, জীববিজ্ঞান বইয়ের লেখক গাজী আসমত, পরিসংখ্যান বইয়ের লেখক মনিন্দ্র কুমার রায়, বাংলা ব্যাকরণের লেখক ড. মাহাবুবুল আলম এই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

অনেক স্বপ্ন এবং আশা নিয়ে এসেছ স্বপ্নের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। বহু কষ্ট এবং সাধনা করে জীবনের এই পর্যন্ত এসে আর মাত্র বাকি একটি ধাপ! তোমাদের সেই ধাপ বা স্বপ্নটি পূরণ হোক, সেটিই প্রত্যাশা করছে “চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদ”।

তোমরা হয়তো ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছো। তাই মোটামুটি কিছুটা অভিজ্ঞ অর্জন করতে পেরেছো। আজ তোমাদেরকে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চবিতে যে বিষয়গুলো ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা যায় সে সর্ম্পকে বিস্তারিত তুলে ধরবো।
প্রথমেই বলে নিচ্ছি পোস্টটি অনেক বড়, তাই একটু সময় করে হলেও পড়ে নিও। প্রতিটি লাইন,প্রতিটি কথা তোমার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ভর্তিচ্ছুদের নিয়ে প্রতিবছরেই রাজনৈতিক দলগুলো নোংরা খেলায় লিপ্ত হতে চেষ্টা করে। তাই প্রথমেই চবির সবগুলো রাজনৈতিক দলের ভয়াল কিছু কলাকৌশল এবং তা থেকে বাঁচার উপায় সম্পর্কে ধারণা দিচ্ছি।

ছাত্রলীগের কলাকৌশল
================
স্বাধীনতা পরবর্তী ছাত্রলীগ এবং বর্তমান ছাত্রলীগের মধ্যে বিশাল পার্থক্য রয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগও তার ব্যতিক্রম নয়। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারি করা অনেকটা তাদের নেশা। চবিতে তাদের রয়েছে বিভিন্ন গ্রুপ, উপগ্রুপ। ভর্তি পরীক্ষার সময় ট্রেনে বা ক্যাম্পাসে তাদের কতিপয় কর্মীর হাতে মোবাইল, টাকা-পয়সা ছিনতাইয়ের কবলে পড়ার বেশকিছু নজির রয়েছে। এছাড়া RAG দেওয়া তাদের স্বভাবেরই একটি অংশ। তবে আশার কথা এবার তারা RAG দিবেনা বলে ঘোষণা দিয়েছে। তবুও RAG দেওয়ার স্বভাব যেহেতু তাদের ছিলো হয়তো কতিপয় কর্মী সে অভ্যাস পরিত্যাগ নাও করতে পারে। নোংরা ছাত্রলীগ ছিনতে তোমার খুব বেশি কষ্ট করতে হবেনা, তাদের চেহারাই তাদের নোংরা পরিচয় বহন করে। তবে বর্তমান সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক অতীতের যেকোন ছাত্রলীগ নেতার চেয়ে অনেক বেশি সাধারণ শিক্ষার্থী প্রিয় বলে ক্যাম্পাসে জনশ্রুতি রয়েছে। বর্তমানে চবির শাহজালাল, শাহ্ আমানত, সোহরাওয়ার্দী, আলাওল এবং স্যার এ.এফ.রহমান হল ছাত্রলীগের দখলে রয়েছে।

ছাত্র শিবিরের কলাকৌশল
================
চবিতে ভর্তি পরীক্ষার্থীদের নিজ দলে জোর করে ভিড়াতে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ পাওয়া যায় শিবিরের বিরুদ্ধেই। নিজ দলে কিভাবে তারা ভর্তি পরীক্ষার্থীদের ভিড়ায় সেই তথ্যও চমকপ্রদ। ভর্তি পরীক্ষার সময় তাদের কয়েকশ কর্মী বাহিনি প্রস্তুত করা হয়। তারা তোমাদের সাথে খুব ভালভাবে কথা বলবে তোমাকে নিজ ভাইয়ের চেয়েও বেশী স্নেহ করবে তোমাকে চা, নাস্তা থেকে শুরু করে তোমার জন্য সবকিছু উজাড় করে দিবে। এদের মূল হাতিয়ার ব্রেনওয়াশ । তোমাকে এমনভাবে বুঝাবে যেন মনে হবে তার চেয়ে পৃথিবীতে আর একটা ভাল মানুষও নেই। যদি একবার তাদের ব্রেনওয়াশে ধরা পড় তাহলে তারা জয়ী আর তুমি পরাজিত। কেননা তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তারা পরবর্তীতে তোমাকে দিয়ে এমন কোন সন্ত্রাসী কাজ নেই যা করাবেনা । গতবছর ১০ই সেপ্টেম্বর তারা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি শিক্ষক বাসে বোমা হামলা চালিয়ে ১১জন শিক্ষককে গুরুতর আহত এবং চবির ছাত্রছাত্রীর প্রধান বাহন শাটল ট্রেনে বোমা হামলা চালিয়ে কয়েকশ শিক্ষার্থীকে আহত করে। শিবিরের নিয়ন্ত্রিত হল এবং কটেজগুলোতে তল্লাশি চালিয়ে ৪৩টি বোমা, রগকাটার ১৭৯ টি যন্ত্রপাতি, ৮৬ টি চাইনিজ কুড়াল এবং বেশকিছু জিহাদি বই উদ্ধার করে। জানা যায় শিবির যদি একবার কোনমতে তোমাকে তাদের দলে নিতে পারে তাহলে আর জীবনেও তুমি তাদের থেকে বের হয়ে আসতে পারবেনা। বের হতে গেলেই তোমার জীবন নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিবে। কিভাবে তুমি শিবিরকে চিনবে? তোমার সাথে যদি কেউ খুব বেশি মেশার চেষ্টা করে, তোমার খুব বেশি খোঁজখবর নেয়, তোমাকে আপ্যায়িত করার চেষ্টা করে, তোমাকে হলে বা কটেজে (মেসে) উঠার লোভ দেখায় তবে বুঝে নিবে এরা শিবির (এই পোস্টের পরে হয়তোবা তারা নতুন সিষ্টেমও প্রয়োগ করতে পারে)

ছাত্রদল এবং বামসংঘটন গুলোর কৌশল
==================
চবিতে ছাত্রদলের তেমন কোন প্রভাব নেই। তারা অনেকটাই অস্তিত্বহীন ।আর বাম সংঘঠনগুলো বেতনবৃদ্ধি বা ছাত্রছাত্রীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে কিছুটা এগিয়ে আসলেও তারাও নিজেদের স্বার্থ রক্ষার্থে তোমাকে ব্যবহার করবে। তাদের বিরুদ্ধেও রয়েছে বেশ কিছু অভিযোগ
সব রাজনৈতিক দলেই যদি খারাপ হয় তাহলে তুমি তোমার পরিচিত কেউ না থাকলে কোথায় থেকে ভর্তি পরীক্ষা দিবে তা নিয়ে টেনশনে আছ? টেনশন কিছুটা থাকার কথাই, তবে খুশির খবর চবিতে প্রায় প্রতিটি জেলার বা থানার স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন রয়েছে। তোমরা তোমাদের নিজ নিজ জেলার বা থানার অ্যাসোসিয়েশনের বড় ভাইদের সাথেও যোগাযোগ করতে পার।তারাও তোমাদের সাহায্য করবে।(তবে পরিচিত ছাড়া কারো কাছে না যাওয়াই উত্তম)। এছাড়া তোমার একান্ত পরিচিত কেউ থাকলে তার কাছে তুমি থাকতে পার।
তোমাদের যেকোন প্রকার অসুবিধা হলে আমাদেরকে শুধুমাত্র পেজের ইনবক্সে সমস্যা লিখে জানাও, আমরা চেষ্টা করব তোমাদের সবগুলো সমস্যা সমাধান করার।

এবার জেনে নাও আরো বেশ কয়েকটি অভিনব কায়দা
==========================
গত কয়েকবছর ধরে শিবির “বিশেষ পরীক্ষা”র নামে এক প্রকার পরীক্ষার আয়োজন করছে। তারা প্রতি ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার আগের রাত এই পরীক্ষা নিচ্ছে এবং বলছে এখান থেকে ভর্তি পরীক্ষায় অনেক প্রশ্ন কমন পড়বে। কিন্তু গত কয়েকবছর বেশ কয়েকজন পরীক্ষার্থী আমাদের পেজে ম্যাসেজ করে জানিয়েছে তাদের একটি প্রশ্নও কমন পড়েনি। আমাদের পেজ তাদের একটি প্রশ্ন কালেক্ট করে দেখতে পায় সেখানে একজন পরীক্ষার্থী নাম,ঠিকানা,মোবাইল নাম্বার থেকে শুরু করে যাবতীয় সব ধরনের তথ্য চাওয়া হচ্ছে। শিবিরের দায়িত্বশীল একাধিক নেতার সাথে কথা বলে জানা গেছে পরবর্তীতে তোমাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্যই এই ফোন নাম্বার রাখা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে চবির ৩য় বর্ষের এক শিক্ষার্থী জানান, সে যখন পরীক্ষা দিতে এসেছিল তখনও সে শিবিরের বিশেষ পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে বিপদে পড়তে হয়েছিল। একের পর এক শিবির তাকে দলে ভিড়ানোর জন্য ফোন করে বিরক্ত করে তোলে। ছাত্রলীগের বিরুদ্ধেও রয়েছে অভিযোগ, তারা তোমাকে চান্স পাইয়ে দিবে অথবা প্রশ্নপত্র দিবে এই অজুহাত দিয়ে তোমার কাছ থেকে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিবে। তুমি তাদের ফাঁদে পা দিলে প্রথমেই তারা তোমার এস.এস.সি এবং এইচ.এস.সির মূল সার্টিফিকেট নিয়ে নিবে। বলবে আমাদের দেওয়া প্রশ্ন কমন পড়লে বা চান্স পাইলে আমাদের সাথে কন্টাক্টকৃত টাকা দিয়ে তোমার সার্টিফিকেট নিয়ে নিও। যদি একবার এই লোভে পা দাও, জীবনটা তোমার সেখানেই শেষ হয়ে যাবে। কারণ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এ পর্যন্ত কোন প্রশ্ন ফাঁস হয়নি। বলা হয়ে থাকে বাংলাদেশের সবচেয়ে স্বচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা হয়ে থাকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাহলে দেখা যাচ্ছে তুমি তো চান্স পেলেই না বরং তোমার সেই মূল সার্টিফিকেট তাদের কাছ থেকে নিতে হলে এবার তোমাকে গুণতে হবে মোটা অংকের টাকা। তোমাকে ব্লাকমেইল করে তাদের দাবিকৃত মোটা অংকের টাকা না দিলে আর সার্টিফিকেট পাবেনা। সুতরাং এবার কি করবে নিজেই বুঝে নাও।

culiveBlogআদার্সইন্টারভিউইভেন্টএকাডেমিকএক্সক্লুসিভক্যাম্পাসট্যুরadmission,admission in cu,all info for cu admission seeker,ক্যাম্পাস সৌন্দর্য বিশ্ববিদ্যালয়  Exam and University Admission Info বিশ্বের একমাত্র শাটলের ১৭৫৩.৮৮ একরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে তোমাদেরকে স্বাগতম। ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয় দেশের অন্যতম সেরা এই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির বেশ কিছু সাফল্য বাংলাদেশ ছাড়িয়ে বর্হিবিশ্বেও ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বখ্যাত বিশ্বতত্ত্ববিদ, গণিতবিদ, পদার্থবিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিদ প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম(J.N. ISLAM)...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University