আরো সত্যের মহা সমুদ্র আপনাদের সম্মুখে পড়ে রয়েছে। যা অনাবিষ্কৃত রয়ে গেল। তার এক পালি আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করছি। “ব্লার” শ্রদ্ধেয় প্রার্থীদের যোগ্যতা বা গ্রহনযোগ্যতার সীমাবদ্ধতা আমি নাদান দেখার চেষ্টা করা বেয়াদবী বা গোস্তাবী মনে করি। বরং সবাই অভিজাত সংগঠক নিশ্চয়! তবে,যার যোগ্যতা গ্রহণযোগ্য এবং অদম্য সাহসিকতা”ব্লা”কে ছাড়িয়ে# বারের# বৃহত্তম পরিধিতে ও সিনিয়র-জুনিয়রদের কাছে সাংগঠনিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে জাত চিনাতে পেরেছে সে একজনই। বার বা ব্লায় অনেকেই ভিন্ন মতাদর্শের হলে ও কোনদিন কোন ব্যাপারে সহযোগিতা চেয়ে বিমুখ হয়নি,সাধ্যমত রেমেডি বা পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন।সিনিয়র-জুনিয়রদের যথাযোগ্য শ্রদ্ধা ভালবাসা স্নেহ আবদ্ধকরণ স্বভাবলব্ধ, ফ্যামিলিগত ধারাবাহিক শিক্ষা মনে হয়েছে।

বিশেষ করে একজন অপরিচিত বিজিসিয়ানকে কিভাবে আপন করে নিতে পারেন স্বয়ং আমি নগন্য সাক্ষী।,এত বেশী বিজিসি পাগলা স্বয়ং বারের লগোচিহ্নকৃত ব্যাচ বুকে না লাগিয়ে বরং বিজিসির লগো ব্যাচ লাগিয়ে মুখ ভর্তি হাসিতে উৎফুল্ল হয়ে পরীর পাহাড়ে আধ্যোপ্রান্ত সায়ের করা অবস্হায় অনেকবার পর্যবেক্ষিত হয়েছি!সেদিন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক অধ্যাপকের তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ে জীবনের স্মতিচারণ করতে গিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়তে দেখছি, সাক্ষাৎকার শুনে নিজের অজান্তে দু’চোখ জলে টইটুম্বর হয়েছিল। এ সব অভিনয় সবাই করতে পারেনা। কতুটুকু ভালবাসলে পাগলামী নিয়ন্ত্রণ করা যায় না! তদুপরি,টিলার উপরে অসহায় বিজিসিয়ানদের ধারে ধারে দ্বীপ জ্বালিয়ে স্বপ্নের সামনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া এক নিভৃতচারিণী। ম্যাক্সিমাম বিজিসির এনরোল্ড ভাইদের বিশেষ করে সাক্ষাৎ ক্যান্ডিডেটদের সিনিয়র ভিত্তিক সমস্যাটির ব্যাপারে বারবার রিকোয়েস্ট করলে ও কৌশলে এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ করছি।
হয়ত সে ক্ষেত্রে অপারগ কিন্তু আন্তরিকতার বিষয়টা উড়িয়ে দেয়া যায়না। বিস্মৃতির বাস স্ট্যান্ড দাড়িয়ে রয়েছে অনেক বিজিসিয়ান,কেউ আসছেনা স্বপ্ন দেখাতে না দিবা স্বপ্নে না আধু ঘুমে কেউ নই, আধারপুরীতে বাস যার কতদূর থেকে আস? কতবার আস তুমি একজন সিনয়রের খোজে! কেন? ভাই! আমি-আপনি,তুমরা-আমরা বিজিসির ডিএনএ বা পতাকাবাহী হয়ত কিছু হরমোনের ব্যাবধদন হতে পারে, তাই অধিকার ছাড়িয়া দিয়া, অধিকার রাখিবার মত বোকামী আর হয় না! এতটুক বিজসির অসহায়দের হেল্প করা যায় না?এ ক্ষেত্রে একটু ব্যাতিক্রম দেখেছি একজনকে স্টেট পরওয়ার্ডভাবে আশ্বস্ত করতে।

কথিত আছে, জুনিয়ার ঠিক করে দেওয়ার ক্ষেত্রে অানঅফিসিয়ালে সেঞ্চুরী ওভারকাম করছে অনেক পূর্বে! এক-দু’বার এনেক্স-২ এর ৩০১৪ নাম্বার আদালত ভিত্তিক মিনি বিজিসি ট্টাস্টে পা পেলার সৌভাগ্য হয়ছে। গিয়ে যা দেখলাম বিজিসির সিনিয়র-জুনিয়রের আড্ডার কারণে যে হারে উৎপাত,উপদ্রব সৃষ্টি হয়েছে প্রথমে আমি বিভ্রত হয়েছিলাম বিদ্যানগরে ঢুকে পড়লাম না তু! পরে ঝোর করে চা খাইয়ে আমাকে সে ধোয়াঁসা থেকে মুক্ত দিয়েছে। মৃধা স্যারের কোর্টে কী ঘঠেছিল? সেদিন কি পরিমাণ বীরাঙ্গনা দেখিয়ে একটু পরেই স্পেশাল কোর্ট বসিয়ে বাধ্য করে জামিন নেওয়া হয়েছিল? নিজেদের সহকর্মীকে বাঁচিয়ে স্বয়ং নিজে মামলার ১নং আসামী হয়ে সনদ হারানোর সংশয়ে পড়ছিল, কারো না জানার বিষয় নই! তাই নিন্দা করতে বাইরের থেকে করা করা যায় ;কিন্তু বিচার করতে গেলে ভিতরে প্রবেশ করতে হয়। এ সব ভূমিকা মিনমিন করলেই তো পারে!
খঁড়া যুক্তি দিয়ে কল্পনার রাজ্যে বসবাসকারী ব্যাক্তিরা ব্লা পিচিয়ে যাওয়া সম্বন্ধীয় কুতথ্য ছড়িয়ে তারা আপনার চিন্তাজগতকে নিয়ন্ত্রিত কররে চাই। অনেক তথ্য আছে লিখতে গেলে মিনি এনসাইক্লোপেডিয়া আকার ধারণ করবে।

http://culive24.com/wp-content/uploads/2018/12/ibrahim.jpghttp://culive24.com/wp-content/uploads/2018/12/ibrahim-150x150.jpgculiveআদার্সতরুণ স্টাইলঅসাধারণ এডভোকেট,জি এস,হোছাইন ইব্রাহিমআরো সত্যের মহা সমুদ্র আপনাদের সম্মুখে পড়ে রয়েছে। যা অনাবিষ্কৃত রয়ে গেল। তার এক পালি আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করছি। 'ব্লার' শ্রদ্ধেয় প্রার্থীদের যোগ্যতা বা গ্রহনযোগ্যতার সীমাবদ্ধতা আমি নাদান দেখার চেষ্টা করা বেয়াদবী বা গোস্তাবী মনে করি। বরং সবাই অভিজাত সংগঠক নিশ্চয়! তবে,যার যোগ্যতা গ্রহণযোগ্য এবং অদম্য সাহসিকতা'ব্লা'কে...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University