বলা হয়ে থাকে শিক্ষা আর পর্যটনের এক অনন্য সমন্বয়। কিংবা পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজে চলছে সর্বোচ্চ শিক্ষা কার্যক্রম। এখানে সকাল শুরু হয় পাখির কল কাকলিতে। নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক পরিবেশে এরপর পদচারনা ঘটে হাজারো বিদ্যার্থীর।

গ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মূলমন্ত্র নিয়ে অগ্রযাত্রা। ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর থেকে হাঁটিহাঁটি পা পা করে ৫২বছরের এক নৈসর্গিক যৌবনে এসে দাড়িয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)।

নিঝুম দ্বীপখ্যাত এই ক্যাম্পাসের পথচলা শুরু উপাচার্য ড. আজিজুর রহমান মল্লিকের হাত ধরে। বর্তমান উপাচার্য প্রফেসর ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী সহ ১৭ গুণিজন পরিচালনা করে গেছেন দেশের বৃহত্তম এই বিদ্যাপিঠ।

তৎকালীন পাকিস্তান আমলের অনুমোদিত ক্যাম্পাসেও ছিল বীরদের পদচারণা। স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রাণ দিয়েছেন একজন শিক্ষক, ১১জন শিক্ষার্থী সহ চবি’র ১৫জন ব্যক্তিবর্গ। সবুজ অরণ্যে ঘেরা পাহাড়ি ও সমতল ভূমিতে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ২৮ নভেম্বর। ৪টি বিভাগ নিয়ে শুরু করা চবি’তে বর্তমান বিভাগ দাড়িয়েছে ৪৬টিতে। ৮টি অনুষদ আর ৭টি ইনস্টিটিউটে চলছে বর্তমান প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম।

২০১৮ সালে প্রকাশিত বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনলিপি অনুযায়ী বর্তমানে ২৭হাজার ৮৩৯জন শিক্ষার্থী চবি আঙিনা মাড়িয়ে যাচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭টি ডিগ্রী অর্জনে নিয়োজিত এসব বিদ্যার্থীরা।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় নানান প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করে আসছে। কাটিয়ে উঠা চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যত কর্মপন্থা সম্বন্ধে কথা বলেছেন চবি উপাচার্য প্রফেসর ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আজকের অবস্থানে আসতে অনেক বিড়ম্বনা পোহাতে হয়েছে। ক্যাম্পাস ছিল অরক্ষিত আর যত্রতত্র ঘরবাড়িতে ভরপুর। আমরা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ আর পরিকল্পনার মাধ্যমে সে ব্ল্যাকহোল দূর করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন শিক্ষাজট নেই বললেই চলে। এছাড়াও একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আমরা ক্যাম্পাস আঙিনায় হাই-টেক পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। আগামীতে শিক্ষা আর অবকাঠামোতে এটি হবে আরো অনন্য।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম আকর্ষণ ২২কিলোমিটার পথ পাড়ি দেয়া শাটল ট্রেন। শিক্ষার্থীদের আবেগের মিশেলে এটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। ফরেস্ট্রি, চালন্দা গিরিপথ, ঝর্ণাসহ পুরো ক্যাম্পাস পাঠ্যসূচির সহচর বিনোদন কেন্দ্র।

চবি’তে ১২টি হলে রয়েছে শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন ব্যবস্থা। নির্মাণাধীন রয়েছে আরো চারটি হল। ক্যাম্পাসজুড়ে মায়াহরিণ, সাপ, পাখি আর বৈচিত্রপূর্ণ প্রাকৃতিক নৈস্বর্গিক শোভামণ্ডিত এই বিদ্যাপীঠ প্রথম দর্শনে সবার মনকে দোলা দেয়।

-সিভয়েস/এসএ/এমইউ

http://culive24.com/wp-content/uploads/2018/08/Rain-1024x570.jpghttp://culive24.com/wp-content/uploads/2018/08/Rain-150x150.jpgculiveক্যাম্পাস সৌন্দর্যcu,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটলবলা হয়ে থাকে শিক্ষা আর পর্যটনের এক অনন্য সমন্বয়। কিংবা পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজে চলছে সর্বোচ্চ শিক্ষা কার্যক্রম। এখানে সকাল শুরু হয় পাখির কল কাকলিতে। নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক পরিবেশে এরপর পদচারনা ঘটে হাজারো বিদ্যার্থীর। গ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মূলমন্ত্র নিয়ে অগ্রযাত্রা। ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর থেকে হাঁটিহাঁটি পা পা করে ৫২বছরের এক নৈসর্গিক যৌবনে...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University