Culive24desk :

ইস্তান্বুলে অবস্থিত শিক্ষকের প্রতিমূর্তি

৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস। বাংলাদেশে কর্মরত প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষকসহ বিশ্বের সকল শিক্ষক সম্প্রদায়কে বিশ্ব শিক্ষক দিবসের শুভেচ্ছা।

শিক্ষা এমন এক অপার শক্তি, যা সংস্কৃতি ও সভ্যতার মূল ভিত্তি। শিক্ষা ব্যক্তির অন্তর্নিহিত সত্তাকে জাগ্রত, বিকশিত ও শাণিত করে ব্যক্তিকে বাস্তববাদী, আত্মপ্রত্যয়ী এবং স্বাবলম্বী করে তোলে। প্রকৃত শিক্ষার লক্ষ্য হচ্ছে মানবিক গুণাবলির উৎকর্ষ সাধন, গণতান্ত্রিক চেতনা ও দেশাত্মবোধসম্পন্ন উন্নত জীবনযাপনোপযোগী সুনাগরিক তৈরি করা। শিক্ষার সঠিক বিস্তার এবং যথার্থ প্রয়োগের মাধ্যমে পৃথিবীর বহু জাতি সমৃদ্ধি ও সুখ্যাত্যির স্বর্ণ শিখরে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। কাজেই একটি উন্নত ও মর্যাদাশীল জাতি গঠনে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। সেজন্যই বলা হয়ে থাকে `Education is the backbone of a nation.’

সুদীর্ঘ কালের ঔপনিবেশিক শাসনামলে শিক্ষার এই মাহাত্ম্যকে কৌশলে পাশ কাটিয়ে শোষক শ্রেণি, কায়েমি স্বার্থে এ দেশে বৈষম্যমূলক শিক্ষাব্যবস্থা চালু করেছিল। যার ফলে স্বাধীন চিন্তা-চেতনা, মেধা-মনন ও বুদ্ধিবৃত্তির বিকাশ শুধু শৃঙ্খলিতই হয়নি, একটি স্বার্থান্বেষী, পদলেহী গোষ্ঠীরও আবির্ভাব ঘটে। পরধন লুণ্ঠন ও শোষণ ক্রিয়ায় পারদর্শী বিজাতীয় শক্তি এ সুবিধাবাদী এবং উচ্ছিষ্ট ভোগী গোষ্ঠীর সাহায্য-সহযোগিতা ও ষড়যন্ত্রে পরাধীনতার পর্বটিকে দীর্ঘায়িত করতে সক্ষম হয়েছিল। অবশেষে ভারত বিভক্তির মাধ্যমে সৃষ্ট তথাকথিত পাকিস্তানের পক্ষাবলম্বন সত্ত্বেও বৃহত্তর জনগোষ্ঠী পূর্ব বাংলার মানুষ তথা বাঙালিরা সমতাভিত্তিক অংশীদারিত্ব, মর্যাদার স্বীকৃতি পায়নি। যে কারণে ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে সৃষ্টির সূচনা থেকেই শোষণের নতুন ক্ষেত্র পাকিস্তানের প্রাচীর ভেঙে বাঙালিদের ইতিহাস-ঐতিহ্যম-িত একটি স্বাধীন দেশ প্রতিষ্ঠায় নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি মনে প্রাণে বিশ্বাস করতেন জাতিকে প্রগতিমুখী ও সমৃদ্ধিশালী করার প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে শিক্ষা। কিন্তু উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত ঔপনিবেশিক শিক্ষাপদ্ধতি বহাল রেখে জাতি গঠন কখনো সম্ভব নয়। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনানুযায়ী তিনি একটি শোষণমুক্ত সমাজ তথা সোনার বাংলা নির্মাণের লক্ষ্যে বাঙালির ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক যুগোপযোগী একটি কল্যাণমুখী শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের কার্যক্রম গ্রহণ করেন, যার সার্থক রূপায়ন প্রখ্যাত ড. কুদরত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন অর্থাৎ শিক্ষা সরকারিকরণ।

এ উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু শিক্ষার প্রাথমিক স্তর বা ভিত্তি হিসেবে ৩৭ হাজার প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১ লাখ ৬২ হাজার শিক্ষককে সরকারিকরণের ঘোষণা দেন, যা ছিল তৎকালীন প্রেক্ষিতে অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও দুঃসাহসিক। তিনি শিক্ষা ব্যবস্থা সরকারিকরণের লক্ষ্যে বাজেটে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের জন্য অর্থমন্ত্রীকে নির্দেশ দিলে অর্থমন্ত্রী যুদ্ধবিধ্বস্ত সদ্যোজাত বাংলাদেশের অর্থ সংকটের কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু সেদিন বলেছিলেন, ‘আমার সোনার বাংলা গড়তে হলে সোনার মানুষ চাই। শিক্ষকরা হলেন সোনার মানুষ তৈরির কারিগর। শিক্ষকদের পেটে ক্ষুধা রেখে সোনার মানুষ তৈরি করা সম্ভব নয়। যেখান থেকে পারো টাকার ব্যবস্থা কর- শিক্ষা ব্যবস্থার সরকারিকরণ করতে হবে।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শুধু প্রাথমিক শিক্ষাকে সরকারিকরণ করে থামেননি, শিক্ষার বৈষম্য দূরীকরণ এবং ক্রমান্বয়ে একটি সুষম স্তরে উন্নীত করার প্রত্যয়ে তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রেও কার্যক্রম গ্রহণ করেছিলেন। তিনি পর্যায়ক্রমে শিক্ষা ব্যবস্থা সরকারিকরণের চিন্তা করেছিলেন।

উল্লেখ করা প্রয়োজন, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীগণ এক সময় কোনো বেতনই পেতেন না। মূলত শিক্ষাদানকে ব্রত হিসেবে গ্রহণ করে শুধু দেশ সেবার মানসিকতা নিয়েই তখন তাঁরা শিক্ষকতায় আসতেন। ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে গাইবান্ধায় শিক্ষকদের একটি সম্মেলনে শিক্ষকদের দাবির প্রেক্ষিতে অবিভক্ত বাংলার তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য মাসিক ৫ টাকা এবং কর্মচারীদের জন্য ৩ টাকা বেতন চালুর ঘোষণা দেন। স্বাধীন বাংলাদেশে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানই প্রথম বেসরকারি মাধ্যমিক ও স্কুলের শিক্ষকদের মাসিক যথাক্রমে ৭৫ টাকা এবং কলেজ শিক্ষকদের মাসিক ১০০ টাকা বেতনভাতা চালু করেন।
বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় বাংলা, ইংরেজি ও আরবি মাধ্যমে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, কারিগরি ও উচ্চ শিক্ষা ইত্যাদি বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার প্রচলন রয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষা অধিকাংশই সরকারি ব্যবস্থায় পরিচালিত হলেও একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষা বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা ও কিন্ডারগার্টেনের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা পর্যায়ে প্রায় ৯৭ শতাংশ শিক্ষা এখনো বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে। যদিও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান সরকারি এমপিওভুক্ত হওয়ায় এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীদের বৃহদাংশের বেতন ও নির্ধারিত ভাতা সরকার থেকে বহন করা হয়।
বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী (এপ্রিল-২০১৮) বাংলাদেশে বর্তমান ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯০১ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী রয়েছে ১ কোটি ৭২ লাখ ৫১ হাজার ৩৫০ জন, শিক্ষক সংখ্যা ৬ লাখ ২৩ হাজার ৯৬৪ জন। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৯ হাজার ৮৪৮ টি, শিক্ষার্থী ১ কোটি ২ লাখ ৪০ হাজার ৭৩ জন, শিক্ষক ২ লাখ ৪৩ হাজার ৮৮০ জন। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৪ হাজার ৪১৯ টি, শিক্ষাথীর্, ৩৮ লাখ ৭২ হাজার ৯৬০ জন এবং শিক্ষকের সংখ্যা ১ লাখ ২০ হাজার ৯৩৪ জন। আলিয়া মাদরাসা ৯ হাজার ৩০৩ টি, শিক্ষার্থী ২৪ লাখ ৫৩ হাজার ৩০৫ জন, শিক্ষক ১ লাখ ১৩ হাজার ৩৬৮ জন। কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (ভোকেশনাল, বিএম কলেজ, পলিটেকনিক) ৫ হাজার ৮৯৭টি, শিক্ষার্থী ৮ লাখ ৭৫ হাজার ২৭০ জন, শিক্ষক ৩২ হাজার ৩৭৯ জন। বিশ্ববিদ্যালয় (সরকারি, বেসরকারি) ১৩০টি, শিক্ষার্থী ৮ লাখ ২৪ হাজার ৭৬৯ জন, শিক্ষক ২৭ হাজার ৭৯৪ জন। এছাড়া ও বেসরকারি পর্যায়ে পরিচালনাধীন কিন্ডারগার্টেন রয়েছে প্রায় ৫০ হাজার, শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ এবং শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় ৩৫ হাজার। ইসলামী ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় ৭০ হাজার প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ এবং শিক্ষকের সংখ্যা ৭০ হাজার। স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা রয়েছে প্রায় ৪ হাজার, শিক্ষার্থী প্রায় ৪ লাখ শিক্ষক প্রায় ১৬ হাজার। বেসরকারি পর্যায়ে কওমি মাদরাসা রয়েছে ১৩ হাজার ৯০২টি, শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ এবং শিক্ষক রয়েছেন ৭৩ হাজার ৭৩১ জন। এছাড়াও বেসরকারি পর্যায়ে এনজিও পরিচালনাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কয়েক লাখ শিক্ষার্থী ও কয়েক হাজার শিক্ষক রয়েছেন।

বর্তমান সরকার শিক্ষার উন্নয়নে উল্লেখ্যযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। শিক্ষানীতি প্রণয়ন, ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণ, ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা প্রদান, জাতীয় বেতন স্কেলে বেসরকারি শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি, ডিজিটাল ক্লাস রুম, প্রায় ১৬ হাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষকের আলাদা বেতন স্কেল প্রদান, বিনামূল্যে বই প্রদান, ৭ হাজার বিদ্যালয়ে সহকারী লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ, বেসরকারি শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ১০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা বৃদ্ধি, মেডিকেল ভাতা ৩০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা উন্নীত, ১৭ বছরেরর পূরনো পাঠ্যপুস্তক যুগোপযোগী, ৭৮ লাখ প্রাথমিক এবং ৪০ লাখ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি প্রদান, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির আওতাভুক্ত করা, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ এবং অবসর ভাতার জন্য ১৬০৭ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ, শিক্ষা ক্ষেত্রে আধুনিকায়ন এবং প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল ল্যাব, অবকাঠামো ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন এবং অতি সম্প্রতি আলিয়া মাদরাসার ভৌত অবকাঠামোর নির্মাণের জন্য ৬ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ একনেকে অনুমোদন বিশেষভাবে উল্লেখ্যযোগ্য।
সরকারের পক্ষ থেকে এসব উল্লেখ্যযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহন করার সত্বেও এখনো শিক্ষা ক্ষেত্রে আরো অনেক সমস্যা বিরাজমান। এখনো বিভিন্ন স্তরের ৯৪৪৮টি হাজার ননএমপিও প্রতিষ্ঠানে প্রায় লক্ষাধিক শিক্ষক মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এসব শিক্ষক যুগ যুগ বিনা বেতনে শিক্ষকতা করছেন। শিক্ষার অগ্রগতির ক্ষেত্রে এটা একটা বড় বাধা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটি অযাচিত হস্তক্ষেপ করে শিক্ষার উন্নয়নে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, কমিটির অযাচিত হস্তক্ষেপে শিক্ষকদের চাকরি পর্যন্ত হারাতে হয়। এ অবস্থায় শিক্ষকদের স্বাধীনভাবে কাজ করা সম্ভব হয় না।
মানসম্পন্ন শিক্ষার জন্য প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষক। মানসম্মত শিক্ষক পেতে হলে শিক্ষকদের আর্থিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, চাকরির নিশ্চয়তা, অবকাঠামো উন্নয়ন, ব্যবস্থাপনা কমিটির অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধ করা জরুরি। বর্তমানে বাংলাদেশ অর্থনীতিতে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। সরকার অনেক বেসরকারি স্কুল-কলেজকে সরকারিকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ফলে সারাদেশে ৩৯২ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ২৮২ টি কলেজ সরকারিকরণ করা হয়েছে।
তবে সরকার শর্তসাপেক্ষে হলেও পুরো শিক্ষা ব্যবস্থা সরকারিকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে। প্রয়োজনে শিক্ষার একটি মান নির্ধারণ করা যেতে পারে। সরকারিকরণের ফলে ব্যবস্থাপনা কমিটির অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধ হবে এবং এতে করে তাদের চাকরির নিশ্চয়তা নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধি পাওয়ায় শিক্ষকরাও কোচিংসহ বাড়তি আয়ের জন্য অন্যত্র সময় ব্যয় না করে পঠনপাঠনে অধিক মনোযোগী হতে পারবেন। এতে করে শিক্ষক ও শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাবে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষকদের শিক্ষকতা পেশাকে শুধু চাকরি মনে না করে দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ হয়ে শিক্ষকতার মহান পেশার মর্যাদাকে সর্বাগ্রে স্থান দিতে হবে।

শিক্ষার মান রাতারাতি উন্নয়ন করা সম্ভব নয়, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। বর্তমান সরকারের শাসনামলে শিক্ষা ক্ষেত্রে আগের তুলনায় অনেক অগ্রগতি হয়েছে। তবে চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জন তথা শিক্ষাকে বিশ্বমানে পৌঁছানোর জন্য আরো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ প্রয়োজন। শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, অবিলম্বে শিক্ষা আইন বাস্তবায়ন, শিক্ষকদের আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধি, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ আরও বৃদ্ধি, শিক্ষাঙ্গনের অবকাঠামোর আরো উন্নয়ন এবং শিক্ষা উপকরণের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, শিক্ষা প্রশাসন, বিভিন্ন অধিদপ্তর, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে সৎ, যোগ্য এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কর্মকর্তাদের পদায়ন, প্রশ্নপত্র ফাঁস, কোচিং বাণিজ্য, প্রশ্নবাণিজ্য, বইবাণিজ্য এবং নৈতিকতা বিরোধী কর্মকা-ের সাথে সংশিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে বাণিজ্যকরণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, মাদ্রাসা শিক্ষাকে আরও আধুনিকীকরণ এবং যুগোপযোগী করার পাশাপাশি আরবি শিক্ষাকে আরও জোর দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক যে বিশাল কর্মবাজার রয়েছে, তা করায়ত্ত করার সুযোগ গ্রহণ করতে হবে।

লেখক: সেক্রেটারী ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অব টিচার্স ইউনিয়ন (WFTI)| । সাধারণ সম্পাদক, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ ও সদস্য সচিব, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট, শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

https://i2.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2018/10/240px-Ataturkstatue.jpg?fit=240%2C189https://i0.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2018/10/240px-Ataturkstatue.jpg?resize=150%2C150michilমতামতশিক্ষাসাহিত্য৫ অক্টোবর২০১৮,cu news,cu... culive24.com,চবি,বিশ্বশিক্ষক দিবসCulive24desk : ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস। বাংলাদেশে কর্মরত প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষকসহ বিশ্বের সকল শিক্ষক সম্প্রদায়কে বিশ্ব শিক্ষক দিবসের শুভেচ্ছা। শিক্ষা এমন এক অপার শক্তি, যা সংস্কৃতি ও সভ্যতার মূল ভিত্তি। শিক্ষা ব্যক্তির অন্তর্নিহিত সত্তাকে জাগ্রত, বিকশিত ও শাণিত করে ব্যক্তিকে বাস্তববাদী, আত্মপ্রত্যয়ী এবং স্বাবলম্বী করে তোলে। প্রকৃত শিক্ষার লক্ষ্য...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University