ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে ১২টি হাইটেক পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এগুলো বাস্তবায়ন হলে শুধু প্রযুক্তি খাতে ২০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগণের জীবনমানে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।

গতকাল বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘সিলেট হাইটেক পার্কে বিনিয়োগে উদ্যোক্তাদের উদ্বুদ্ধকরণ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, সিলেট হবে বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল নগরী। ভারতের বেঙ্গালুরুর আদলে সিলেটও হয়ে উঠবে ডিজিটাল শহরের উদাহরণ।

তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী আরো বলেন, সিলেটের নৈসর্গিক সৌন্দর্য ঠিক রেখে প্রাকৃতিক পরিবেশে স্থাপন করা হচ্ছে সিলেট হাইটেক পার্ক। এটি হবে বাংলাদেশের সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন হাইটেক পার্ক। সিলেটের এ হাইটেক পার্ক ঘিরে যে বিশাল কর্মযজ্ঞ, তা এখন আর পরিকল্পনায় সীমাবদ্ধ নেই। এটি এখন অনেকটাই বাস্তব। এর অবকাঠামো এখন অনেকটাই দৃশ্যমান।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, সিলেটের বিনিয়োগকারীরা এগিয়ে এলে এ হাইটেক পার্ক থেকে আমাদের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার শিল্প আরো অনেক বেশি সমৃদ্ধ হবে। ২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের যে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছেন, এটা এখন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। এখান থেকে আমাদের ডিজিটাল রূপান্তরের পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। সিলেটকে স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

মন্ত্রী স্থানীয় উদ্যোক্তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, হাইটেক পার্কে বিনিয়োগে সব ধরনের সহায়তা করতে সরকার প্রস্তুত। এ খাতে বিনিয়োগ করে কাউকে ভুগতে হবে না। তিনি বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থে ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন সরকারকে আবারো নির্বাচিত করার আহ্বান জানান।

সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি ইমরান আহমদের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, মহাপরিচালক-১ মো. সালাহ উদ্দিন, সিলেট সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, বাংলাদেশ হাইটেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম, সিলেট হাইটেক পার্কের পরামর্শক প্রকৌশলী ইকবাল হাবিব, প্রকল্প পরিচালক ব্যারিস্টার গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া, সিলেটের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার মৃণাল কান্তি দে, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি কামরুল আহসান প্রমুখ।

সেমিনারে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি শিপার আহমদ। তিনি বলেন, সিলেটের এ হাইটেক পার্ক নিঃসন্দেহে সিলেটের উদ্যোক্তাদের আকৃষ্ট করবে। ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগে আশ্বস্ত করতে সিলেট চেম্বারের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি হেলপ ডেস্ক চালুর দাবি জানান তিনি।

সংসদ সদস্য ইমরান আহমেদ বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশ ফিরিয়ে এনেছে। ২০০১-০৮ পর্যন্ত বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে বিদেশীরা এবং বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীরা ভয় পেতেন। কিন্তু বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে সে অবস্থা কেটে গেছে। এখন বিদেশী বিনিয়োগের পাশাপাশি প্রবাসীরাও আকৃষ্ট হচ্ছেন। সিলেট যেহেতু প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা, তাই এখানে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আমরা তাদেরকেই অগ্রাধিকার দেব।

culive 24পরীক্ষা ও ফলাফলডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে ১২টি হাইটেক পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এগুলো বাস্তবায়ন হলে শুধু প্রযুক্তি খাতে ২০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগণের জীবনমানে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। গতকাল বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University