প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে বর্তমানে ৫৫ শতাংশ
নিয়োগ হয় অগ্রাধিকার কোটায়। বাকি ৪৫ শতাংশ নিয়োগ হয় মেধা
কোটায়। বছেরর পর বছর ধরে চলে আসা এই নিয়মের সংস্কার চাওয়া
কী অপরাধ? আমি সেটা মনে করি না। যে কারও যে কোন বিষয়ে
কথা বলার অধিকার নিশ্চয়ই আছে। সেগুলো বিবেচনার কাজ সরকারের।
সবিকছু বিবেচনা করেই নিশ্চয়ই গত ১১ এপ্রিল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা কোটা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন। ২৭ জুন জাতীয়
সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, মন্ত্রিপরিষদ সচিবের
নেতৃত্বে গঠিত কমিটি কোটা বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে।
কথা হলো সরকার যেখানে কোটা সংস্কার নিয়ে কাজ করছে
সেখানে তাহলে সেখানে সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর
হামলা হচ্ছে কেন? প্রথমে ঢাকা বিশ্বিবদ্যালেয় হামলা হলো।
যেভাবে গতকাল হামলার ঘটনা ঘটেছে সেটা জঘণ্য। অামি নিশ্চিত
সাধারণ ‌ছেলেমেয়েরা ক্ষুব্ধ। ওই ঘটনার প্রতিবাদ করায় আজ
রাজশাহী বিশ্বিবদ্যালয়েও হামলা হলো। এরমধেই শুনলাম কোটা
আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেপ্তারও করা হচ্ছে। আমি শুধু একটা
কথাই বুঝি মারধর করে, গ্রেপ্তার করে, ভয় দেখিয়ে অার যাকেই
হোক দেশের তরুণদের স্তব্ধ করা যায় না। কাজেই এই পথে যারা
হাঁটছেন তাদের বলবো, অনেক হয়েছে। থামুন এবার।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করবো আপনি যেখানে
নিজেই সমস্যার সমাধান দিয়েছেন সেখানে নতুন করে আর কাউকে
সমস্যা সৃষ্টি করতে দিয়েন না। অার আমাদের দেশে তরুণদের
মধ্যে নানা হতাশা। একটা চাকুরির জন্য যেভাবে তাদের লড়াই করতে
হয় সেটা তাদের মধ্যে আরও হতাশার জন্ম দেয়। এরমধ্যেই
কোটার কারণে তারা আরও হতাশ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, অন্যদের কথা বাদ দেন সত্যিকারের
ছাত্রলীগের যেসব ছেলেরা গত কয়েক বছরে বিসিএস
দিয়েছে তাদের ডাকুন। তাদের সঙ্গে কথা বলুন। তারা আপনাকে
বলবে কেন কোটা সংস্কার প্রয়োজন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
দেশের লাখ লাখ তরুণের মনের ভাষা পড়ুন। বুঝুন। আগামী
নির্বাচনের আগে আপনাকে যেন তরুণদের থেকে কেউ
বিচ্ছিন্ন করতে না পারে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে আমি যদি দেশের প্রধানমন্ত্রী হতাম তাহলে
কোনভাবেই ৩০ শতাংশের বেশি কোটা রাখতাম না। মেধাকেই
সর্বত্র প্রাধান্য দিতাম। আর আমি সবসময় চাইতাম আমার দেশের
তরুণদের মন জয় করতে। আমি কোনভাবেই চাইতাম না তারা হতাশ
হোক।দেশ ছেড়ে যাক। কারণ এই তরুণরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যত।
ক্ষমতাশালীদের কাছে অনুরোধ, এই দেশের লাখ লাখ তরুণের
মনের কথাগুলো বুঝুন। মনে রাখবেন, সময়ের এক ফোঁড়
অসময়ের দশ ফোঁড়।

https://i1.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2018/07/qoata-in-bangladesh.jpg?fit=600%2C315https://i1.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2018/07/qoata-in-bangladesh.jpg?resize=150%2C150culiveপলিটিক্সঅগ্রাধিকার কোটাপ্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে বর্তমানে ৫৫ শতাংশ নিয়োগ হয় অগ্রাধিকার কোটায়। বাকি ৪৫ শতাংশ নিয়োগ হয় মেধা কোটায়। বছেরর পর বছর ধরে চলে আসা এই নিয়মের সংস্কার চাওয়া কী অপরাধ? আমি সেটা মনে করি না। যে কারও যে কোন বিষয়ে কথা বলার অধিকার নিশ্চয়ই আছে। সেগুলো বিবেচনার কাজ সরকারের। সবিকছু বিবেচনা করেই...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University