বাংলাদেশে ছাত্রলীগ দেশের অন্যতম বৃহত্তম ও পবিত্র সংঘঠন যেখানে অন্যায় ও চাঁদাবাজি থেকে শুরু খারাপ কাজ করে পার পাওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু কিছু পেশাগত মাস্তান , ছাত্র নামে কু-ছাত্র , চাদাবাজ এরা প্রতিনিয়ত দেশের আনাচে কানাচে দিনের পর দিন বিভিন্ন ব্যানারে অবৈধ টাকা ইনকাম করে যাচ্ছে।
ঠিক চট্টগ্রামের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্টান সরকারি হাজী মোহাম্মদ মহসিন কলেজের ক্যাম্পাসে দিনদুপরে ও রাত্রে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার আশ্রয়ে মিনহাজ ও জীবনের মতো চাদাবাজরা ছাত্রলীগের পবিত্র ব্যানার ব্যবহার করে আদায় করছে চাঁদা। রেহাই পাচ্ছে না উক্ত কলেজের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীসহ।
প্রশাসন এ বিষয়ে জানলেও তারা কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না । জানি না কিসে তাদের এতো ভয় নাকি ডনদের কারণে তারাও আজ ভুক্তভোগীদের মতো ভয়ে কথা বলতে সাহস পায় না !
এরা কারও না কারোও নির্দেশে এভাবে প্রতিনিয়ত হাতিয়ে নিচ্ছে নিরহ ছাত্র ছাত্রী ও পথচারী থেকে অর্থসহ ও মোবাইল সামগ্রী। ক্যাম্পাসে অনেকের সাথে কথা বলে জানতে পারি এরা দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের ছাত্রলীগের ক্যাডার হিসেবে দাবি করে এবং মহসিন কলেজের গহীন পাহাড়কে ব্যবহার করে বিভিন্ন জায়গা থেকে লোক ধরে নিয়ে মুক্তিপণ আদায় করে।
এছাড়া তারা বিভিন্ন মাদকসহ ইয়াবা ব্যবসার সাথেও জড়িত বলে ক্যাম্পাসের অনেকেই দাবি করে।
এদের অপরাধ কর্মের ব্যাপারে চট্টগ্রাম কলেজ পুলিশপাড়ির ইনচার্জ কামাল এর কাছে সত্যতা জানতে চাইলে ওনিও ওদেরকে চাঁদাবাজ হিসেবে সাব্যস্ত করেন ও এদের বিরুদ্ধে সব ভুক্তভোগীসহ ও সকলকে সজাগ থাকার পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পরামর্শ দেন। এদের বিরুদ্ধে নাকি এরকম আরও শত শত অভিযোগ শুনে আসছে পুলিশ প্রশাসন।

পেশাগতভাবে তারা দীর্ঘদিন ধরে এইভাবে ঘুম, খুনসহ চাঁদাবাজি করলেও কেও এই পর্যন্ত থানায় তেমন জোরালো অভিযোগ দিতে ভয় পায় ভুক্তভোগীরা কেননা এরা নাকি চট্টগ্রাম এর কোন না কোন নেতা ও চক্রের ব্যাকাপে শক্তিশালী 😭

একজন ভুক্তভোগী যিনি সাবেক মহসিন কলেজের শিক্ষার্থীও ছিলো তার থেকে শুনুন।

“মহসিন কলেজের ‘০৬ ব্যচ এর ইফতার পোগ্রাম এবং একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা!!!!মহসিন কলেজের গেট থেকে ছাত্রলীগ নামদারি কয়েক জন কর্মী আমাকে জোর করে নিয়ে গিয়ে আমার মোবাইল এবং ওয়ালেট নিয়ে নে।আমার মোবাইল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঢুকে আমার রাজনৈতিক পরিচয় জানার চেষ্টা করে এবং বলার মত না এমন সব ভাষায় গালাগালি করতে থাকে।এ সব ছাত্রলীগ নামদারি পাতিগুন্ডারা এতটাই বেপরোয়া যে সিনিয়র লিডারদের বিন্দুমাত্র সম্মান করে না তাদের অসম্মান করে কথা বলে আমাকে গালাগালি করার পাশাপাশি আমার ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা বন্ধুদের কথা বললে – Ali Omar,Taj Uddin, দিদারুল আলম শুভ,Md Omar Faruk সহ কাউ কে না চিনার বান করে।আমি অসহায়ের মত এদের বেয়াদবি আর উদ্ধত আচরণ দেখলাম, আমারকে এক প্রকার জোর করে শিবির নেতা বানাতে চায়।আমি বার বার বলার চেষ্টা করছিলাম আমি রাজনীতি করি না। কিন্তুু কার কথা কে শুনে,তাদের মূল তার্গেট টাকা, টাকা দিতেই হবে।আমাকে বুঝানোর চেষ্টা করলো শিবির বলে পুলিশে দিলে টাকা খরচ হবে, টাকাটা আমাদের দেন এবং শেষ পর্যন্ত খুব সামন্য টাকা দিয়ে রক্ষ।।আজকে আমি রক্ষা পেলাম, কালকে আমার আরেক বন্ধু কি রক্ষা পাবে।।।। ”

এদের ব্যাপারে কারও অভিযোগ থাকলে অবশ্যই জানাবেন।
কারা এরা এবং কাদের ইন্ধনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে ছাত্রলীগ পরিচয়ে চাঁদাবাজি করছে?

নোটঃ বিস্তারিত আসছে কয়েকদিনের মধ্যে

http://culive24.com/wp-content/uploads/2018/06/ccc.jpghttp://culive24.com/wp-content/uploads/2018/06/ccc-150x150.jpgculiveক্রাইম এন্ড "ল"পলিটিক্সবেপরোয়া চাঁদাবাজিবাংলাদেশে ছাত্রলীগ দেশের অন্যতম বৃহত্তম ও পবিত্র সংঘঠন যেখানে অন্যায় ও চাঁদাবাজি থেকে শুরু খারাপ কাজ করে পার পাওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু কিছু পেশাগত মাস্তান , ছাত্র নামে কু-ছাত্র , চাদাবাজ এরা প্রতিনিয়ত দেশের আনাচে কানাচে দিনের পর দিন বিভিন্ন ব্যানারে অবৈধ টাকা ইনকাম করে যাচ্ছে। ঠিক চট্টগ্রামের অন্যতম শিক্ষা...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University