রোহিঙ্গা কোন গালি নয়,একটি নির্যাতিত ও নিষ্পেষিত জাতিগোষ্ঠীর নাম।
যারা এখন বাংলাদেশ নামক ভূখন্ডে আশ্রিত।যাদের জীবিকার জন্য কোন সুনির্দিষ্ট পথ বা মাধ্যম নেই।তাদের অনেকে বাংলাদেশ সরকার সহ সারাবিশ্বের ত্রাণ সহায়তার উপরে নির্ভরশীল। জীবিকার তাগিদে কেউ বেছে নিয়েছে মাদক ব্যবসা,কেউ আবার দেহব্যবসার মত পেশা ও।আবার অনেকে পাচার হয়ে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশে,বিশেষ করে তরূণীরা।আবার অনেকে বাংলাদেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করে প্রবাসে,এই সংখ্যাটা প্রায় ৩ লাখের কাছাকাছি।কারণ টাকা দিলে বাংলাদেশে অসম্ভব বলতে কিছু নেই।কিন্তু পরের কথাগুলো শুনতে অমানবিক কিংবা হাস্যকর মনে হলেও সত্যি…এই রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ কি???
একটু পেছনে ফিলিস্তিনের দিকে তাকালে আজকের রোহিঙ্গাদের সাথে সেদিনের নির্যাতিত ইয়াহূদিদের সাথে অনেক মিল হয়ত খঁুজে পাওয়া যাবে।তাই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নিয়ে শংকা থেকে যায়। এর প্রধান কারণ বাংলাদেশের চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্র অনেক পুরনো। এর পেছনে আমাদের বন্ধুরাষ্ট্রের ভূমিকাও হয়ত আছে।তিক্ত হলেও সত্যি আন্তর্জাতিক ভাবে আমাদের কোন বন্ধুরাষ্ট্র আছে কিনা সেটা যথেষ্ট সন্দেহের বিষয়।মায়ানমার রোহিঙ্গাদের সাথে যে কাজ করেছে,একই কাজ বাংলাদেশ করলে বিভিন্ন মানবতাবাদীদের ফেরিওয়ালারা এতদিনে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করত।এই রোহিঙ্গাদেরকে দিয়ে যদি জাতিসংঘ রোহিঙ্গা সনদের মত কিছু তৈরী করে বাংলাদেশ থেকে চট্টগ্রামকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য নতুন কোন ফন্দী অদূর ভবিষ্যতে করে অবাক হওয়ার কিছু থাকবেনা।বর্তমানে কক্সবাজার কিংবা টেকনাফে স্থানীয় জনগণ সংখ্যালঘু,কয়েক দশক পর হয়ত রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দাবি করবে,মানবতার দোহাই দিয়ে বিশ্ববাসী তাতে সমর্থনও দিবে।এরই মধ্যে অনেকে হয়ত টাকাকড়ি খরচ করে অনেকে বাংলাদশের নাগরিকত্ব নিয়ে নিবে।আর তা না হলে মানবতাবাদীরা রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা দেশের জন্য দাবি তুলতে পারেন, সেই জায়গা হবে বাংলাদেশের চটগ্রাম।
বর্তমান অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দান বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হতে যাচ্ছে।
আমরা আশা করব এইরকম কিছু যাতে না হয়।

http://culive24.com/wp-content/uploads/2018/05/Rohingya_displaced_Muslims_02.jpghttp://culive24.com/wp-content/uploads/2018/05/Rohingya_displaced_Muslims_02-150x150.jpgculiveআন্তর্জাতিকrohingyaরোহিঙ্গা কোন গালি নয়,একটি নির্যাতিত ও নিষ্পেষিত জাতিগোষ্ঠীর নাম। যারা এখন বাংলাদেশ নামক ভূখন্ডে আশ্রিত।যাদের জীবিকার জন্য কোন সুনির্দিষ্ট পথ বা মাধ্যম নেই।তাদের অনেকে বাংলাদেশ সরকার সহ সারাবিশ্বের ত্রাণ সহায়তার উপরে নির্ভরশীল। জীবিকার তাগিদে কেউ বেছে নিয়েছে মাদক ব্যবসা,কেউ আবার দেহব্যবসার মত পেশা ও।আবার অনেকে পাচার হয়ে যাচ্ছে...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University