প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের অপরূপ লীলাভুমি ও পাহাড়ে ঘেরা আমাদের এই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।প্রাকৃতিক অভয়ারণ্য হিসেবেও পরিচিত আমাদের এই প্রাণের ক্যাম্পাস।বিভিন্ন ধরণের প্রাণীর দেখা মিলে এই ক্যাম্পাসে।পৃথিবীতে বর্তমানে একটা বিশ্ববিদ্যালয় আছে যেখানে ছাত্রছাত্রীদের পরিবহনের জন্য শাটল ট্রেন আছে।তবে এই শাটল নিয়ে কিন্তু বিতর্কের শেষ নেই! প্রায় পঁচিশ হাজার শিক্ষার্থী পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হয় দুইটি শাটল ও একটি ডেমু ট্রেন।তবে দুঃখের বিষয় শাটলের বগি খুবই সীমিত আর ডেমু বর্তমানে বন্ধ আছে।কবে আবার চালু হবে তা সবার কাছেই অজানা।ডেমু না থাকার কারণে শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।বেশীর ভাগ শিক্ষার্থী শহর থেকে এসে ক্লাস করে।শাটলে বগি সংখ্যা কম হওয়ার কারণে বিশেষ করে দেড়টা ও আড়াইটার ট্রেনে বগির ভিতরে জায়গা না পেয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শাটলের ছাঁদে উঠতে অনেকাংশে বাধ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীরা।অথচ তাদের তো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শাটলের ছাঁদে উঠার কথা ছিল না।তখন শাটলের চিত্র দেখলে মনে হবে ঈদে ঘরমুখী মানুষের বাড়ী ফিরার জন্য উপছে পড়া ভীড়ের মতো অবস্থা।বেশীর ভাগ সময়ে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে বগি বৃদ্ধি করে থাকে।তবে তাও শিক্ষার্থীদের চাহিদা পূরণে অনেকাংশে ব্যর্থ এবং কয়েক মাস পর বগির সংখ্যা ঐ আগের অবস্থাতেই চলে আসে।আর ক্যাম্পাস থেকে বটতলী পর্যন্ত রেললাইনে নাজেহাল অবস্থা।যার কারণে অত্যন্ত ধীর গতিতে
চলে শাটল।রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ রেললাইন সংস্কার করতে হবে তা দেখেও যেন না দেখার ভান করছেন।ওনার ভাব দেখে মনে হয় আমাদেরকে করুণা করে দুইটা শাটল দিয়ে রেখেছে! তারপর শাটল ভালো মতো চলছে কিনা তা যেন তাদের দেখভার করার বাহিরে আর শাটল চলে অনেকটা মেয়াদ উত্তীর্ণ ও পুরাতন লক্কর ঝক্কর মার্কা বগি দিয়ে।মাঝে মাঝে শাটলে ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাও ঘটে থাকে বিশেষ করে সকাল ও রাতের ট্রেনে।আর সাড়েঁ পাঁচটা ও রাত সাড়েঁ আটটার ট্রেনকে লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়ে মারা এবং চৌধুঁরীহাট স্টেশনের পুকুর থেকে পানি মারার ঘটনা ঘটে থাকে শাটলকে লক্ষ্য করে।আমি ব্যক্তিগতভাবে একদিন পাথর ও দুইদিন পানির মুখোমুখি হয়েছি।এই ঘটনার মুখোমুখি হয়তো অনেকেই হয়েছেন।গত বছরের দূর্গাপূজার বন্ধে অনেক বিভাগের ক্লাস চলছিল।বন্ধ ঘোষণা করার পরের দিন বগি সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছিল চারে! তখন প্রক্টর স্যার এই অবস্থা দেখে স্টেশন মাষ্টারকে ফোন দেওয়াতে পরের দিন বগি সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছিল।তবে তাও ছিল অনেকটা সীমিত।
এখন তো পুরো ক্লাস চলতেছে তারপরও বগি সংখ্যা কমে গেছে তা কী প্রশাসন দেখতে পাচ্ছেন না? নাকি দেখেও না দেখার ভান করছেন?? রাত সাড়েঁ আটটার ট্রেনে স্থানীয়দের উপস্থিতি লক্ষ্যণীয়।তারা যেন শাটলকে পাবলিক ট্রেনে পরিণত করেছেন! এ ব্যপারে অনেকে হয়তো বলবেন বিশ্ববিদ্যলয়ের ছাত্রছাত্রীরা তো নাজিরহাঁটের ট্রেন ব্যবহার করে থাকে তাহলে ওনারা কেন শাটল ব্যবহার করতে পারবেন না?? তাদেরকে বলছি নাজিরহাঁটের ট্রেন হলো পাবলিক ট্রেন যার ইচ্ছা সেই ব্যবহার করতে পারবে।কিন্তু শাটল হচ্ছে আমাদের সম্পদ যা ইচ্ছা করলে যে কেউ ব্যবহার করতে পারবে না।বছর শেষে কিন্তু আমাদের কাছ থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরিবহন ভাড়া নিয়ে থাকেন।তা কারো অজানা থাকার কথা নয়? অথচ দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা সিট না পেয়ে দাঁড়িয়ে আছে আর স্থানীয়রা সিট দখল করে পায়ের উপর পা তুলে বসে আছে।স্থানীয়দের নিয়ে অনেক লেখালেখি হলেও এই নিয়ে চবি প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নি।অনেক শিক্ষার্থী আছেন যারা শাটলে একাধিক সিট ধরে সেই ভাব নিয়ে বসে থাকেন! চবি প্রশাসনকে এ ব্যপারেও কঠোর হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।একাধিক সিট ধরে বসে থাকা যাবে না।যে আগে আসবে সেই সিটে বসবে! কারণ সবাই আমরা চবির ছাত্রছাত্রী!
HM MaSum.
University Of Chittagong.

https://i1.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2018/03/চবিয়ান.jpg?fit=300%2C168https://i2.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2018/03/চবিয়ান.jpg?resize=150%2C150culiveUncategorizedচট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল,পাহাড়ে ঘেরা,প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের অপরূপ লীলাভুমিপ্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের অপরূপ লীলাভুমি ও পাহাড়ে ঘেরা আমাদের এই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।প্রাকৃতিক অভয়ারণ্য হিসেবেও পরিচিত আমাদের এই প্রাণের ক্যাম্পাস।বিভিন্ন ধরণের প্রাণীর দেখা মিলে এই ক্যাম্পাসে।পৃথিবীতে বর্তমানে একটা বিশ্ববিদ্যালয় আছে যেখানে ছাত্রছাত্রীদের পরিবহনের জন্য শাটল ট্রেন আছে।তবে এই শাটল নিয়ে কিন্তু বিতর্কের শেষ নেই! প্রায় পঁচিশ হাজার শিক্ষার্থী পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University