#গল্পটা যখন সত্য

ক্লাসের সবচেয়ে স্মার্ট গার্লটা হল তাসফিয়া। হবেইতো!! ক্লাস সেভেন থেকে তার স্মার্টফোন আছে।বান্ধুবীরা তাকে নিয়ে খুব বড়াই করে।যেমন সুন্দর তেমন বুদ্ধিমতি।তার উপর স্মার্টফোন ইউজ করে।সময় এভাবে কাটছে তাসফিয়ার।বাবা-মা কোন ডাক দোহাই দেয় না।বরং যা চায় তা এনে দেয়।দেখতে দেখতে তাসফিয়া এখন নাইনে।তার মনে সারাদিন এটাই ঘুরে কিভাবে আরো স্মার্ট হওয়া যায়।আরো আপটেড কিভাবে হবে।কে যেন বলেছিল “যারা প্রেম করে তারা অনেক স্মার্ট। সেটা তাসফিয়ার কোমল মনে দাগ টানে।গার্লফ্রেন্ড বয়ফ্রেন্ড ব্যাপার গুলো সে আগ থেকে বুজতো।প্রেম একটা করা খুব দরকার।

যে ছেলেগুলোকে ভালো লাগতো তার মধ্যে আদনান সবচেয়ে জোস।কারণ,তাসফিয়া আদনানকে চিনে।কথা বলা,মেসেজ,ফোন কল,এভাবে কেমনে কেমনে যেন আদনানের প্রেমে জড়িয়ে পড়ে তাসফিয়া।এক্কেবারে অন্ধ প্রেম।একজন আরেকজনকে ছাড়া বাচবে না।তাসফিয়া বান্ধুবীদের সাথে আদনানের সবকিছু নিয়ে গর্ব করে।বান্ধুবীদের সামনে তাসফিয়া অনেক উচু মাফের সেলিব্রেটি।কারণ, সে প্রেম করে। ওর ভালোবাসাটা কিন্তু নিখুত ছিল।আদনানও ভালোবাসতো তবে মাঝে মাঝে ওর নবযৌবনের হিংস্রত্ব চেপে ধরতো।তাই সে তাসফিয়ার কাছে বাজে আবদার করতো।তাসফিয়া কিছু আবদার পুরণ করতো আর কিছু অতিরিক্ত বাজে হওয়ার দরুন কথা কাটিয়ে দিত।এইতো সেদিন আদনান একটা আবদার করেছিলো কিন্তু তাসফিয়া তা করেনি।তাই মনমালিন্য হয়ে আদনান তাকে বল্ক মেরে দেয়।আদনানের সোজা কথা “তোমার থেকে কোন যদি আবদার পুরণ করতে না পারি”! তবে তুমি কিসের গার্লফ্রেন্ড???

তাসফিয়া এ কয়েকদিন ভাত খায় না। খুব কস্ট তার। সারাদিন লুকিয়ে লুকিয়ে কান্না করে। বাবা-মা কে বুঝতে দেয় না।যেখানে আদনানের সাথে একঘন্টা কথা না বললে তার মন ভরতো না।আজ তিনদিন আদনান কে কল দিতে পারছে না।লুকিয়ে বাবা মার নাম্বার থেকেও দিয়েছে।কিন্তু আদনান বুজ্তে পেরে সেগুলোও বল্ক করে দেয়।

আজ সকালে হঠাৎ আদনানের ফোন।তাসফিয়াতো মহাখুশী।যেন হাতে চাদ পেয়েছে।আদনান জানায় আজ বিকেলে তাসফিয়ার সাথে সে দেখা করবে।তাসফিয়া রাজি হয়ে যায়,এই সুযোগে আদনানকে সরি বলে নিবে।কারণ, সে তাকে খুব ভালোবাসে।অন্যদিকে আদনান অসৎ উদ্দেশ্যর ছক আকে।যথা সময়ে একটা রেস্টুরেন্ট এ দেখা করে দুজনে।তারপর আদনান সি-বিচ যাবে বলে ঠিক করে।তাসফিয়াও বাধা দেয় না।আদনানের বাইক আছে যাবে আসবে তাসফিয়া এ চিন্তা করলো।সি বিচে নেমে কেমন জানি বদলে গেল আদনান।একদম অপরিচিত তার ব্যবহার।হঠাৎ করে নগ্ন আবদার করে বসে,হিংস্র হয়ে উঠেছে সে।।তাসফিয়া পালাতে চায়।কিন্তু পিছন দিক থেকে একটা আঘাত অনুভব করে,আস্তে আস্তে চোখ বন্ধ হয়ে আসছে তাসফিয়ার।

আবেগিয় ভালোবাসার বলি তাসফিয়া।তাসফিয়ার লাশটা উপুড় হয়ে পড়ে আছে পাথরের কোলে।ঠিক যেন কোমল আবেগিয় ভালোবাসা,একটা শক্ত প্রকট হিংস্র মনের উপর শুয়ে আছে…………………………®খানে খানান
চ.বি.

https://i0.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2018/05/তাসফিয়া.jpg?fit=768%2C481https://i0.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2018/05/তাসফিয়া.jpg?resize=150%2C150culiveএক্সক্লুসিভগল্প,তাসফিয়া#গল্পটা যখন সত্য ক্লাসের সবচেয়ে স্মার্ট গার্লটা হল তাসফিয়া। হবেইতো!! ক্লাস সেভেন থেকে তার স্মার্টফোন আছে।বান্ধুবীরা তাকে নিয়ে খুব বড়াই করে।যেমন সুন্দর তেমন বুদ্ধিমতি।তার উপর স্মার্টফোন ইউজ করে।সময় এভাবে কাটছে তাসফিয়ার।বাবা-মা কোন ডাক দোহাই দেয় না।বরং যা চায় তা এনে দেয়।দেখতে দেখতে তাসফিয়া এখন নাইনে।তার মনে সারাদিন এটাই ঘুরে কিভাবে...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University