# ৩নং রাইডার (যাত্রী হয়রানির পথিকৃৎ) গুলো ডিরেক্ট “মার্কেট থেকে ফতেয়াবাদ “যাওয়ার কথা থাকলেও তারা মিনিমাম এই রুট টাতে “মার্কেট -মুরাদপুর”, আবার “মুরাদপুর -অক্সিজেন ” এবং পুনরায় “অক্সিজেন-ফতেফাবাদ” এ যাচ্ছে,

#অনুরুপভাবে আপনি ফতেয়াবাদ হতে নিউ মার্কেট যেতে চাইলেও আপনাকে ৩বার যাত্রা বিরতি দিতে হবে!!
তাহলে লক্ষ করুন একজন প্যাসেঞ্জার যদি মার্কেটে যেতে চায় তবে তাকে একই গাড়িতে একই রুটে ৩বার ভিন্ন ভিন্ন ভাড়া দিয়ে,ডাবল খরচে, ডাবল পেরেশানি, সময় ঘাটতি করে গন্তব্যে পৌঁছাতে হবে/হচ্ছে।
আর তাদের এই সিন্ডিকেট চলে সকাল ৭টা হতে রাত ১০/১১টা পর্যন্ত, স্পেশালি অফিস,স্কুল,বা অন্যান্ন কাজের স্ট্যারটিং মোমেন্টে, যাতেকরে সবাই
গন্তব্যে পৌছানো নিয়ে মানসিক ভাবে ব্যাস্ত থাকে,তাদের কে নিয়ে না ভাবে,ভাবলেও কিছু করতে না পারে………………………।।

[ নিত্য দিনের স্বিকার,সময় সুযোগ হলেই প্রতিবাদের চেষ্টা করি,কিন্তু আজ প্রকাশে বাধ্য হলাম,এটা শুধু আমার সাথে ঘটে যাওয়া কোন ঘটনা নয় বরং এটা হাজারো মানুসের প্রতিচ্ছায়া ]

#আমরা যারা পড়ালেখার সুবাধে বা অন্য কোন কাজের জন্য চট্রগ্রামের বাইরে থেকে এসে এখানে অবস্থান করছি বা করেছি তারা এখান কার রাস্তাঘাট সম্পর্কে সবাই অবহিত আছি।স্পেশালি চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা অধ্যয়ন করেছি /করছি তাদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয় ৩নং বাস যা তরি নামে পরিচিত যেটার রুট———-
নিউমার্কেট-আলমাস-ওয়াসা-জিইসি-২নং-মুরাদপুর -অক্সিজেন-ফতেয়াবাদ-বিশ্ববিদ্যালয় ১নং গেট।
এই রুটের বাসের ড্রাইভারদের দিনের বেলার চরিত্র ভালই থাকে, অর্থাৎ তারা বিশ্ববিদ্যালয় ১নং গেট হতে নিউমার্কেট সরাসরি যাত্রী বহন করে। মাঝে মধ্যে কিছু বাড়তি লাভের আসায় মুরাদপুরে যাত্রী নামিয়ে, পরক্ষনে রাস্তা পার হয়ে নিউমার্কেট যাত্রি বহন করে,তাতে এক জন যাত্রীর গাড়ি বদল করতে হচ্ছে ২বার এবং টাকাও যাচ্ছে বেশি সাথে বাড়তি সময়!!
এখন প্রশ্ন হলো গাড়ি যদি মার্কেট না যায় তবে, রাস্তা পার হয়েই মার্কেট যায় কেন??? উত্তর হলো তাদের কারসাজি কারন ডাইরেক্ট গেলে সে পেত ১৮ বা ২০ টাকা এখন সে পাবে (১৪+৭)=২৩ টাকা এই জন প্রতি ৩/৫ টাকা বেশি পাওয়ার জন্যই যাত্রী হয়রানি।
আবার রাত ৮/৯টা পার হলেই তারা হয়ে যায় সুপার হিনো লাক্সারি, কোন লোকাল নাই সব ডাইরেক্ট!! উঠলেই ৩০টাকা তা আপনি ১/২ কিলো যান, আর ১ কিলো!
উপায় নাই মফিজ,যাইতেই হবে কারন আমরা তো জিম্মি। খেটে খাওয়া সাধারন মানুষ,টিউশনি করে জীবন কাটানো শিক্ষার্থিগন যারা ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থাকে লোকালি উঠার জন্য আর্থিক খরচ কমানোর জন্য কিন্তু সে আসার গুড়ে বালি!!

এভাবেই চলছে প্রতিনিয়ত হয়রানি, প্রতারনা ,যাত্রী দূর্ভোগ……………..

#এবার_আসুন যাত্রী দূর্ভোগের, হয়রানির চরম ক্ষেত্র
নিউমার্কেট টু ফতেহাবাদের ৩নং রুট সম্পর্কে জানি…

#ঘটনা_১
গতকাল আমি কিছু অফিসিয়াল কাজে নিউমার্কেট যাওয়ার জন্য অক্সিজেন হতে ৩নং (রাইডার চট্রমেট্রো -১১০৯৭৯ছোট)এ উঠলাম, উঠার সময় জিজ্ঞাসা করিলাম মামা কই যাবো?
উত্তরে মুরাদপুর, ওকে।
আমি খুব ভালভাবে জানতে চাইলাম গাড়ি মুরাদপুরে যাত্রী নামিয়ে, ওপার থেকে আমার মার্কেট যাবে না ত??
হেলপার উত্তর দিলো না,ভেরি গুড!
যথারিতি মুরাদপুরে সবাইকে নামাই দিলো, কিন্তু আমি বসেই রইলাম, কারন আমি সিউর ছিলাম সে মার্কেট যাবেই যাবে। যা হোক হেলপার বলে মামা নামেন,আমি -গাড়ি কই যাইবো??? তখন ড্রাইভার এক নাটকীয় মুডে হেলপার কে বলে ওডো মার্কেট যাইবি না?

সাথে সাথেই আমি খুব শান্ত ভাবে বললাম তোমার গাড়ির চাক্কা যদি মার্কেটের দিকে যায় তবে গাড়ি যাবে কোর্টে……! কারন তুমি মার্কেট যাইবা না বলেই যাত্রি উঠাইছো তবে এখন কেন যাবে? তারা ত রিতিমত টাসকি খাইয়া গেলো ….আমার প্রতিবাদ জোরালো হতে লাগলো, নিজেকে যেভাবে প্রেজেন্ট করা যায় করলাম,গাড়ির কাগজ পত্র দেখতে চাইলাম তারা আরো ভয় পেয়ে গেল! তারা বলে তাদের কাছে “এস আই নজরুলের ছবি আছে ”
মেজাজ আরো বিগড়ে গেল, আরো বেশি কঠোর ভাষা প্রয়োগ করলাম…..শেষ মেষ গাড়ির চাক্কা আর মার্কেট এর দিকে ঘুরলো না,আবার তাকে অক্সিজেন এ পাঠালাম…..বুঝলেন ত কেরামতি কার?
তারা কেন এমন করে…….. কারন আপনি যদি অক্সিজেন থেকে সরাসরি মার্কেট যান খরচ হবে ১০ টাকা। আর ওরা মুরাদপুরে আপনাকে নামিয়ে নিচ্ছে ৭টাকা, আবার রাস্তা পার হয়ে যখন আপনি আবার সেই ৩নংই মার্কেট যচ্ছেন তখন আবার নিচ্ছে ৭টাকা।
তাহলে আপনার বাড়তি যাচ্ছে ৪টাকা আর ওরা জন প্রতি পাচ্ছে ৪টাকা বেশি!
কিন্তু কথাটা ৪টাকাতে নাা, তারা আপনার আমার সময়,শ্রম, ব্যাস্ততা নিয়ে খেলছে।ডাবল রাইডিং এর জন্যে কখনো বা অফিস লেট হচ্ছে কেও বা হুড়োহুড়ি করে গাড়িতে উঠতে যেয়ে দূর্ঘটনারর স্বিকার হচ্ছেন……………..

#ঘটনা২
রাতে ফেরার পথে একই ঘটনা নিউ মার্কেট থকে ছেড়ে আসা ৩নং রাইডার(চট্রমেট্রো জ-১১১০৮৮)এ উঠার সময় জানতে চাইলাম কই যাবো? উত্তর : মুরাদ পুর……..
অক্সিজেন যাবে না ত ভাই? না যাবে না…. আবার মার্কেট আসবে, উত্তর জি!
কিন্তু আমি কনফর্ম ছিলাম,মুরাদপুরে যাত্রি নামিয়ে রাস্তা ঘুরে এ পাশে এসেই অক্সিজেন আসবে।

যা হোক মুরাদ পুরে সবাই নেমে গেলো, আমি ভাড়ার টাকাও দিলাম না, নামতেছিও না! ভাই নামেন,আমি: গাড়ি আবার মার্কেট যাইবো বলছো না? উত্তর হ্যঁা…… তাইলে ঘুরাও আমি আবার মার্কেট যামু!!
তারা বুঝতে পারছে সামথিং রং…….

রাস্তা ঘুরাতেই অক্সিজেনের দিকে টার্ন নিবে….একেবারেই কড়া প্রতিবাদ, তুমি চিনো আমারে?
গাড়ি অক্সিজেন যাবে ত ঘটনা খারাপ হবে…… অক্সিজেন আসলো না গাড়ি পুরা টার্ন করে আবার বেলাল মসজিদের পাশে আসলো কিন্তু যাত্রি নাই…. গাড়ি আরো ৩টা লাইনে…..ড্রাইভার আবার টার্ন নিলো অক্সিজেন আসবে, আমি নিরব যেই অক্সিজেনের দিকে
ইন করবে তখন আমি আমার আইডি সো করলাম……
বললাম আমাকে মার্কেট নামাই দিয়ে আসতে হবে,বলে
স্যার আপনাকে অন্য গাড়িতে উঠাই দিই…..হলো না
গাড়ি আবার ঘুরে বেলাল মসজিদ তথা মার্কেটের স্টপেচ এর দিকে ঘুরলো, কিন্তু অক্সিজেনের দিকে গেল না……হেল্পার বলে ওস্তাদ (তার ড্রাইভার কে) গাড়ি ত শুধু প্লেনের মত ঘুরে!!
আমি : যতক্ষন মার্কেটের যাত্রি না উঠাইবা ততক্ষন এভাবেই ঘুরতে থাকবে……… শেষ মেষ তারা পারলো না,আবার মার্কেটের দিকে ঘুরালো যখন ২একজন মার্কেটের যাত্রি উঠলে তখন আমি হেল্পারকে মার্কেটের ডাবল ভাড়া দিয়ে, কিছু আবেদন জানিয়ে, তাকে বিনয়ের সাথে বোঝালাম…… এভাবে যাত্রীদের ভোগান্তিতে না ফেলার আহব্বান জানিয়ে নেমে গেলাম!!
তবে ছোট্ট করে উওভয় কেই বলেছিলাম গাড়ির নাম্বার গুলো এন্ট্রি হয়ে গেছে, এখন থেকে নজরদারিতে থাকবে!!

#বি:দ্র এই ৩নং রাইডার গুলো ডিরেক্ট “মার্কেট থেকে ফতেয়াবাদ “যাওয়ার কথা থাকলেও তারা মিনিমাম এই রুট টাতে “মার্কেট -মুরাদপুর”, আবার “মুরাদপুর -অক্সিজেন ” এবং পুনরায় “অক্সিজেন-ফতেফাবাদ” এ যাচ্ছে, লক্ষ করুন একন প্যাসেঞ্জার যদি মার্কেট যেতে চায় তবে তাকে একই গাড়িতে একই রুটে ৩বার ভিন্ন ভিন্ন ভাড়া দিয়ে,ডাবল খরচে, ডাবল পেরেশানি, সময় ঘাটতি করে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে।
আর তাদের এই সিন্ডিকেট চলে সকাল ৭টা হতে রাত ১০/১১টা পর্যন্ত, স্পেশালি অফিস,স্কুল,বা অন্যান্ন কাজের স্ট্যারটিং মোমেন্টে, যাতেকরে সবাই
গন্তব্যে পৌছানো নিয়ে মানসিক ভাবে ব্যাস্ত থাকে,তাদের কে নিয়ে না ভাবে,ভাবলেও কিছু করতে না পারে………………………।।

অন্যান্ন রুটেও এ ঘটনা স্বাভাবিক নয়………
অন্যান্ন রুটেও এ ঘটনা স্বাভাবিক নয়………

#যেমন সন্ধার পর পরই ১০ নং গাড়ি রাস্তার মাথা,কালুর ঘাট এই রুটে যাত্রী উঠায় না বলে বদ্দারহাট লাষ্ট, কিন্তু ময়দানের চিত্র ভিন্ন বদ্দারহাট যাত্রী নামিয়েই আবার রাস্তার মাথা ডাক শুরু করে…..তাও বলে উঠা নামা ১০টাকা,উঠা নামা ১০টাকা। আমরা জিম্মি হয়ে যায়।

#মুরাদপুর হতে যে টেম্পুগুলো কোতওয়ালি যাওয়ার কথা তারাও ২ধাপে যায়, ১মে কোতওয়ালি যাবে না বলে চকবাজার নামাইয়া দেয়,ঠিক মিনিটের ব্যাবধানে সেটা আবার কোতওয়ালির যাত্রী উঠায়…..তাহলে আমারা কি এভাবেই প্রতিনিয়ত জিম্মি থাকবো? এগুলো একদিনের চেহারা নয়, নিত্যদিনের ঘটনা, আর এগুলো অফিস পিরিয়ডে, এ্যন্ড এনডিং মোমেন্টেই বেশি ঘটে।

#এ_অবস্থার আসু প্রতিকার চাই, এটি যদি কোন প্রশাসনের ভাইয়ের /রাষ্ট্র যন্ত্রের চোখে পড়ে তবে আশা রাখি ব্যাবস্থা নিবেন,যাত্রী সেবা নিশ্চিত করবেন।

আসুন আমরা সংঘবদ্ধভাবে এদের কে প্রতিহত করি,……পিছনের কালো হাত গুলোকে টেনে ধরি, আমাদের মুল্যবান সময়/অর্থ/কাজ গুলোকে যথা সময়ে নিশ্চিত করি।

https://i1.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2018/05/local-bus-at-ctg.jpg?fit=960%2C720https://i0.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2018/05/local-bus-at-ctg.jpg?resize=150%2C150culiveক্রাইম এন্ড "ল"চট্রগ্রাম,বাসের সিন্ডিকেট,যাত্রি হয়রানি# ৩নং রাইডার (যাত্রী হয়রানির পথিকৃৎ) গুলো ডিরেক্ট 'মার্কেট থেকে ফতেয়াবাদ 'যাওয়ার কথা থাকলেও তারা মিনিমাম এই রুট টাতে 'মার্কেট -মুরাদপুর', আবার 'মুরাদপুর -অক্সিজেন ' এবং পুনরায় 'অক্সিজেন-ফতেফাবাদ' এ যাচ্ছে, #অনুরুপভাবে আপনি ফতেয়াবাদ হতে নিউ মার্কেট যেতে চাইলেও আপনাকে ৩বার যাত্রা বিরতি দিতে হবে!! তাহলে লক্ষ করুন একজন প্যাসেঞ্জার যদি মার্কেটে...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University