ধরুন ডা : ক একজন উপজাতি।
যেহেতু তিনি এক জন ডাক্তার
তার টাকাপয়সার অভাব নেই
তার সন্তানদের মানসম্মত শিক্ষা
দিতে। প্রয়োজনে যেকোন
শহরের ভাল ইস্কুল কলেজে।প্রাই
সব ইস্কুল কলেজ ভার্সিটি তে
উপজাতিদের জন্য বিশেষ
কোটার ব্যবস্থা আছে। একটু
খেয়াল করলে দেখবেন এত ভাল
ইস্কুল কলেজ ভার্সিটিতে পড়ার
পরও কি তার সন্তান পিছিয়ে
আছে? এর ছেয়ে দিন মজুর খেটে
খাওয়া উপজাতির সন্তানরাই
পিছিয়ে আছে। তারা
পারছেনা তথাকতিত এলিট
শ্রেণীর উপজাতীয় সন্তানদের
সাথে টেক্কা দিতে, শহরে
ভালভাল ইস্কুল কলেজ ভার্সিটি
তে ভর্তি হতে । তাই নাম দিয়েই
কাউকে পিছিয়ে পরা বলা
যাবে না। এক জন উপজাতি
ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা
সরকারি কর্মকর্তা পিছিয়ে পরা
হতে পারেনা। তাই কোটা
দিতে হলে অবশ্যই এদের বাদ
দিয়ে য়ে যারা কোটা
পাওয়ার যোগ্য তাদের দিতে
হবে তবেই পিছিয়ে পরা
জনগোষ্ঠী এগিয়ে যাবে নইলে
সমাজের বঞ্চিত রা বঞ্চিতই
থেকে যাবে তাদের জীবন মান
উন্নতি হবে না। কোটা দেওয়ার
যে প্রকৃত উদ্দেশ্য তা সফল হবে
না।সমাজের সুসম উন্নয়ন হবে না।
:
ঠিক তেমনি মুক্তি যুদ্ধাদের
সন্তান দের ক্ষেত্রেও প্রযোয্য।
এক জন সচ্চল মুক্তি যোদ্ধার
পরিবারের কোটার দরকার আছে
বলে মনে করি না। আমার
নিজের এলাকায় অনেক মুক্তি
যোদ্ধা কে দেখেছি দিন মজুরি
করে চলতে, তারা টাকার
অভাবে পারেন নি তাদের
সন্তান দের লেখাপড়া করাতে
লেখা পড়া করাতে পারলেই
তো পরে কোটার কথা আসবে।
:
এইসব দিক বিবেচনা করলে দেখা
যায় কোটা ব্যবস্থা অনেকাংশই
তেলো মাথায় তেল দেওয়ার
মত।
:
কিছু সুপারিশ :
১. মুক্তিযুদ্ধার সন্তান দের উচ্চ
শিক্ষা পযন্ত বিনা মূল্যে
শিক্ষার ব্যবস্থা করা। কারণ
মুক্তিযোদ্ধা গণ আমাদের গর্ব।
তারা দেশের জন্য অনেক ত্যাগ
স্বীকার করেছন।
২. পরিবারে বাবা, মা বা
পরিবারে প্রধান কোন সরকারি
চাকরি করলে বা সচ্চল
পরিবারের সন্তান তারা এই
কোটার সুভিধা পাবে না
( মুক্তিযুদ্ধার সন্তান হোক
কিংবা উপজাতি হোক )
তাহলেই মনে করি প্রকৃত
পিছিয়ে পরা জন গোষ্ঠীর
উপকার হবে।
৩. শিক্ষা ব্যবস্থার গুনগত মান
বৃদ্ধি করা। যেমন শিক্ষা
প্রতিষ্টান গুলিতে ভাল শিক্ষক
নিয়োগ দেওয়া। বিশেষ করে
পার্বত্য এলাকাগুলোতে।
উধাহরণ হিসাবে বলতে গেলে
পার্বত্য এলাকা গুলোতে
প্রাইমারী শিক্ষক নিয়োগ একটু
খেয়াল করলে দেখা যাবে
তামশা ছাড়া আর কিছুই নয়।
যেখানে শিক্ষার মূল ভিত্তি
প্রাইমারী শিক্ষা। এতে শুধু
উপজাতি নয় এই সব এলাকায়
বসবাসরত সকল সম্প্রদায় মানসম্মত
শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
৪. সকল কোটা ইস্কুল, কলেজ,
ভার্সিটি পর্যন্ত দেওয়া।
ভার্সিটি পর্যন্ত যদি কেউ
নিজের উন্নতি করতে না পারে
মনে করতে হবে তার দিয়ে আর
সম্ভব না। তাই দেশের বোঝা
বাড়িয়ে লাভ নেই।
:
শিক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী হলে
কোটামোটা আর প্রয়োজন
হবেনা মনে করি।
:
বি:দ্র: এটি আমার একান্তই নিজস্ব
মতামত, এতে আমার জ্ঞানের
সীমাবদ্ধতার ধরুণ কিছু ভূল থাকা
অমূলক নয়।
:
মো: তৈয়ব আলী
ব্যবস্থাপনা বিভাগ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

https://i2.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2018/04/qoata.jpg?fit=310%2C163https://i1.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2018/04/qoata.jpg?resize=150%2C150culiveফিচারধরুন ডা : ক একজন উপজাতি। যেহেতু তিনি এক জন ডাক্তার তার টাকাপয়সার অভাব নেই তার সন্তানদের মানসম্মত শিক্ষা দিতে। প্রয়োজনে যেকোন শহরের ভাল ইস্কুল কলেজে।প্রাই সব ইস্কুল কলেজ ভার্সিটি তে উপজাতিদের জন্য বিশেষ কোটার ব্যবস্থা আছে। একটু খেয়াল করলে দেখবেন এত ভাল ইস্কুল কলেজ ভার্সিটিতে পড়ার পরও কি তার সন্তান পিছিয়ে আছে? এর ছেয়ে দিন মজুর খেটে খাওয়া উপজাতির সন্তানরাই পিছিয়ে আছে।...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University