#বিশ্বশান্তি
ধ্বংসের পক্ষে কেউ নেই।সবাই শান্তির পক্ষে। কিন্তু অন্যকে সমীহ করার পক্ষে ক’জন? হাতে গোনা বললেও একটু বেশিই হয়ে যাবে। ক্ষমতা,সক্ষমতার দিক থেকে যে শক্তিশালী থাকবে তাকে সমীহ না করে উপায় কই? তাহলে সমীকরণ কি দাঁড়ায়!যার যত ক্ষমতা থাকবে তাকে তার অপেক্ষাকৃত কম ক্ষমতাসম্পন্ন কেউ ভয় পেতে যৌক্তিকভাবে বাধ্য।

সামন্তযুগ ও এর পূর্বাপর সময়ে শাসকরা পার্শ্ববর্তী শাসককে নিজের ভবিষ্যত ভীতির কারণ হিসেবে আবিষ্কার করতে পারলে তাকে গলার কাঁটা বিবেচনা করতেন।যত তাড়াতাড়ি ফেলে দেয়া যায় ততই মঙ্গল।

সেই ধারণার প্রবাহ আজো রয়ে গেছে।তবে একটু ভিন্ন আঙ্গিকে।কাঁটা এখনো বিবেচনা করা হয়,উপড়ে এখনো ফেলতে চায়।কিন্তু পৃথিবী আজ সভ্যতার কথিত চাদরে আবৃত। তাই নাঙ্গা তরবারি বা খোলা মাঠে ট্যাংক না থাকলেও তার চেয়ে বেশি মারাত্মক অস্ত্র মজুদ চলছে। যার শক্তি সম্পর্কে পৃথিবী প্রথমবার জানতে পেরেছিল হিরোশিমা ও নাগাসাকি বিপর্যয়ে।

আজ এই ব্যাপারটা ওপেন সিক্রেট ম্যাটার।পৃথিবী শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে কার কাছে এর অভাব রয়েছে?সবারই আছে।নাহলে আধিপত্য কি দিয়ে হবে। আবার সবার কাছেই যদি থাকে তবে আধিপত্যের মাত্রাও কমে যাবে।তাই “পারমানবিক অস্ত্র নিষিদ্ধ,এটা কেউ তৈরীও করবে না ব্যবহারও করবে না”। মধ্যম আয় বা নিম্ন আয়ের দেশগুলো ভাবছে, এটা বানাতে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন।আর যেহেতু এটা নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং বিলোপসাধন এর প্রচেষ্টা চলছে,তো এটা না বানানোই বুদ্ধিমানের কাজ।
হ্যাঁ,এটাই বুদ্ধিমানের কাজ।তবে আপাতদৃষ্টি তে।কারণ,তাদের পারমানবিক অস্ত্র আছে এবং থাকবে। যে গোল্ডলিফ এ মজা পেয়েছে সে নিশ্চয়ই আকিজ বিড়ির চিন্তায় আসবে না।খোলামেলা খাক আর লুকিয়ে খাক,গোল্ডলিফ ই খাবে।সুতরাং পারমানবিক অস্ত্রের বিষয়টা থেকেও তারা মুক্ত হবেনা।
তৃতীয়বিশ্ব কে এটা ধোঁকা মাত্র।

বিভিন্নদেশ গোপনে তাদের নিজস্ব পরিসরে পারমানবিক গবেষনা এবং অস্ত্র তৈরীর প্রচেষ্টা করেই যাচ্ছে।এ উদ্দেশ্যে হয়ত বেছে নিয়েছে কোন পার্বত্য,মরু অথবা অনেক কম উন্নত গ্রাম এলাকা। যেখানে যথেষ্ট গোপনীয়তার সাথে চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে এইসব কাজ। একটা পারমাণবিক গবেষণাগার এবং অস্ত্রাগার তৈরীতে যতটুকু জায়গার প্রয়োজন, তার দ্বিগুণ নিলেই চলবে। অন্য কোন শিল্প কারখানার আদলে তৈরী হবে এই স্থাপনা। কিছু বছর শিল্পকারখানা চলিয়ে লোকসান দেখানোই যথেষ্ট। শিল্প বন্ধ করে দিলেই হল। গোপনে এবার আসল কাজ চালাও।
এমন জায়গা না পাওয়া গেলে,সাম্প্রতিক বিশ্বের হালচাল অনুযায়ী নির্জন এলাকায় বসবাসরত কোন জনগোষ্ঠীকে গণহত্যা,নির্যাতন এসবের মাধ্যমে উচ্ছেদ করা যায়।
অবশ্য এসব না করেও এমন জায়গা ম্যানেজ করা অনেক দেশেই সম্ভব।

তবে,তৃতীয় বিশ্বকে তৃতীয় বিশ্ব হিসেবেই রাখার প্রয়াস চলছে।আবার আদিম হিংস্রতাকে নতুন আঙ্গিকে দেখার অপেক্ষায় থাকতে হবে।
যদি ঢাল না থাকে,তবে তরবারি শিরশ্ছেদ করে দিয়ে চলে যাবে।এটাই স্বাভাবিক।

(রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে ব্যক্তিগত অভিমত।)

#আমিরুল ইসলাম মুন্না
আইন বিভাগ,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

https://i2.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2018/03/বিশ্বশান্তি.jpeg?fit=480%2C480https://i0.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2018/03/বিশ্বশান্তি.jpeg?resize=150%2C150culiveআদার্সমিডিয়াশান্তির পক্ষে।#বিশ্বশান্তি ধ্বংসের পক্ষে কেউ নেই।সবাই শান্তির পক্ষে। কিন্তু অন্যকে সমীহ করার পক্ষে ক'জন? হাতে গোনা বললেও একটু বেশিই হয়ে যাবে। ক্ষমতা,সক্ষমতার দিক থেকে যে শক্তিশালী থাকবে তাকে সমীহ না করে উপায় কই? তাহলে সমীকরণ কি দাঁড়ায়!যার যত ক্ষমতা থাকবে তাকে তার অপেক্ষাকৃত কম ক্ষমতাসম্পন্ন কেউ ভয় পেতে যৌক্তিকভাবে বাধ্য। সামন্তযুগ...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University