রাষ্ট্রের পক্ষে, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানানোর সবচে কার্যকর পথ হলো সর্বক্ষেত্রে, সব রকম বৈষম্যের অবসান ঘটাতে কাজ করা। কাউকে সম্মান জানাতে যদি সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয় তাহলে তা সম্মান নয়, করুণায় পর্যবসিত হয়। আমার বিশ্বাস, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা সম্মান চান, সুযোগ-সুবিধা নয়। কিন্তু বিভেদ-বৈষম্যই যেহেতু এখনও এ দেশের রাজনীতির চালিকাশক্তি সুতরাং মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান-মর্যাদা নয় বরং বিভেদ আর বৈষম্য টিকিয়ে রাখাকেই রাষ্ট্রের আদর্শ হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে।

এ এক আজব রাষ্ট্র! ঢাকা-চট্টগ্রাম শহরের গরীব মানুষদের জায়গা-জমি সরকার ঘোষণা দিয়ে দখল করে, নানান সুযোগ-সুবিধা যোগ করে প্লট আকারে তুলে দিয়েছে নানান কোটাধারী, সমাজের অগ্রসর অংশ, অপেক্ষাকৃত স্বচ্ছল/ধনীদের। কেউ এর প্রতিবাদ করেনি, করছে না। এমন কি সাহিত্যিক-সাংবাদিক-শিক্ষকদেরও দেখেছি গাপুশ করে সরকারের দেওয়া এই ‘দান’ গিলে খেয়েছেন! আগামী দিনের সম্ভাব্য নির্লজ্জ বেহায়ারাও আজও নিশ্চয়ই সরকারি প্লট-ফ্ল্যাট-সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তির অপেক্ষায় আছে। অথচ, এই রাষ্ট্রের জন্মই হয়েছিল, সকল ক্ষেত্রে প্রতিটা মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার নিয়ে।

হিসাব খুব সোজা, রাষ্ট্র যদি আইন করে একজনকেও এক রত্তি বেশি সুযোগ-সুবিধা দেয়, তাহলে রাষ্ট্র বাকি সকলের বঞ্চনাকেই নিশ্চিত করে। এমন রাষ্ট্র দেশের সংখ্যা গরীষ্ঠ মানুষের কাম্য হতে পারে না বলেই আমার অনুমান।

এআর রাজি
শিক্ষক, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, চবি।

https://i0.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2018/03/injustice.jpg?fit=1000%2C984https://i2.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2018/03/injustice.jpg?resize=150%2C150culiveইন্টারভিউন্যাশনালপলিটিক্সরাষ্ট্রের পক্ষে, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানানোর সবচে কার্যকর পথ হলো সর্বক্ষেত্রে, সব রকম বৈষম্যের অবসান ঘটাতে কাজ করা। কাউকে সম্মান জানাতে যদি সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয় তাহলে তা সম্মান নয়, করুণায় পর্যবসিত হয়। আমার বিশ্বাস, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা সম্মান চান, সুযোগ-সুবিধা নয়। কিন্তু বিভেদ-বৈষম্যই যেহেতু এখনও এ দেশের রাজনীতির চালিকাশক্তি সুতরাং মুক্তিযোদ্ধাদের...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University