মুকুটহীন সম্রাট
তুষার,অনিক,রাব্বি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যোলয়ের ছাত্র। তুষার নামের ছেলেটির সাথে অমায়িক শব্দটা নিজের দিক থেকে জড়িয়ে যায়।তুষারের সাথে অনিকের সম্পর্কটা ভিন্ন মাত্রার।অনিক ছেলেটা বিভাগে স্মার্ট বয় নামে পরিচিত ,প্রেম করে পরী নামের এক হরিণ চোখিনীর সাথে।২য় বর্ষের মাঝামাঝি সময়ের দিকে কোন একদিন তুষারের সাথে অনিকের কথা হয়।তুষার থেকে অনিক প্রায়ই টিওশনি চাইত।ওইদিন তুষার অনিককে বলেছিল,চট্টগ্রামের ছেলে হয়ে কি কর?রাব্বি পর্যন্ত 2টা টিওশন করায়।

উল্লেখ্য রাব্বির বাড়ি দিনাজপুরের স্বপ্নপুরীর নিকটে।খুব সম্ভবত স্বপ্নপুরীর পাশেই বলেই তাকে দেখলে পরীর মত মনে হয় আর প্রেম করে পরী নামের চট্টগ্রামের এক মেয়ের সাথে।অনিক পরক্ষণই জিজ্ঞাস করল,কেমনে পাইছে?তুষার উত্তর দিল,পরী দুইটা টিওশন ধরায় দিছে?তারপর অনিক বলল,পরী টিওশন দিছে?অনিক এইটা বলার পর,তুষার বলেছিল,আস্তে বল, রাব্বি শুনবে।অনিকের মুখের পরী শব্দটা পরীর বয়ফ্রেন্ড শুনে ফেলছিল।মূলত এইদিন থেকে রাব্বির ক্ষণগনা শুরু,এইদিন থেকে সে অনিককে বন্ধু ভাবত না সে তাকে ভাবত তার গার্ল ফ্রেন্ড চোর।

তার প্রমাণ হল,দুই তিন দিন পর ’ সোমাইয়া শিমু ’নামের আইডি থেকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট উল্লেখ্য যে পরী নামটা আসল নাম নয়, আসল নাম হল সোমাইয়া শিমু।সেইদিনের এই কথাটি অনিক বিভাগের বন্ধুদের কাউকে বলেনাই।অনিক সেইদিন থেকে বুঝেছিল,বিশ্ববিদ্যালয় যুগ ‍যুগ ধরে কিছু শকুন লালন করে ।রাব্বি অনিককে তার র্গালফ্রেন্ড এর নামে ফেইক আইডি খু্লে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠায় ট্রাই করছিল কিন্তু সে জানত না যে অনিক যে সময় প্রেম করা শুরু করে সে প্রেম কি তাও জানত না।মাঝখানের এই সব বিচিত্র প্রপঞ্চর কথা অনিক কোনদিন তুষারকে জানাই নাই।যেই ছেলের প্রেমের বয়স পাঁচ বছর সে হয়ত ভাল করে জানে যে বন্ধুর প্রেমিকের দিকে নজর দেওয়াটা কতটা জঘন্য হতে পারে।

অনিক আবার পরক্ষণেই ভাবে’’ ওর স্থানে আমি হলে আমারও ভয় লাগত এই জন্য যে,কেউ আমার gf এর নাম নিলে মন হত হে আমার গার্লফ্রেন্ডকে চিনিয়ে নিচ্ছে তারও ঠিক ওই রকম মনে হয়েছিল।একদিন ঘঠনা ভিন্ন দিকে মোড় নেয়,ওই আইডিটা কিছুদিন হল নাম পরির্বতন করে ”’শিমু সোমাইয়া”’ দিছে।তারপর একদিন মধ্যান্হভোজের পর অনিক ফেইসবুকিং করছিল,হঠাৎ চোখ গেল ”শিমু সোমাইয়া”’ আইডিটার দিকে ।তারপর দিল, hi এরপরে মজার সুরের কিছু কথা হয়,কোন প্রেম নিবেদন নয়।প্রতি মেসেজ আপনি কইরা জবাব দিছে অনিক এবং শেষ মেসেজটা ছিল “bhujci vaya”এই কথাটা দিয়ে বিচার করা যায় অনিক আসলে বুঝতে পারছিল ওইটা শিমু ছিলনা রাব্বিই তার সাথে রিপ্লে দিছিল।

তারপর মেসেন্জারের চ্যাট থেকে রূপ নিল ফেইসবুকের স্ক্রিন শর্ট।দুই তিনটা মেসেজের চ্যাটলিস্ট সে স্ক্রিনশর্ট দিয়ে ফেইসবুকে ভাইরাল করে দেয়।রাব্বি যে পরীকে খুব ভালবাসত সেটা ওর মনোভাব দেখে বুঝা যাচ্ছে ।প্রতিটা মানুষের মানসপটে প্রেমাস্পদ হারানোর ভয়টা থাকে।জগতের সব ভয়কে ছাড়িয়ে এগিয়ে থাকে প্রেমিকা হারানোর ভয়।রাব্বি বুঝেনাই প্রেমিকা হারিয়ে যায় কিন্তু বন্ধুত্ব রয়ে যায় চিরদিন।তুষার,অনিক,রাব্বি সবাই একই বিভাগে পড়াশোনা করে ।আর রাব্বি আর পরীর সম্পর্ক শুরু হয়েছিল ভার্সিটিতে পর্দাপনের প্রথম প্রভাতে।রাব্বির মনোভাব একটা সময় গিয়ে অসুরের মনোভাবে রুপ নেয়।বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন অনেক ঘঠনা প্রতিনিয়ত ঘটে যাচ্ছে হয়ত সবাই নিরবে সয়ে যাচ্ছে।
সত্য ঘঠনা গল্পের চলে বর্ণনা করা হল।

MuhammadHamedur Rahman(মুকুটহীন সম্রাট)
university of chittagong

https://i1.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2017/10/মুকুটহীন.jpg?fit=600%2C400https://i0.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2017/10/মুকুটহীন.jpg?resize=150%2C150culiveএক্সক্লুসিভফিচারব্লগসাহিত্যমুকুটহীনমুকুটহীন সম্রাট তুষার,অনিক,রাব্বি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যোলয়ের ছাত্র। তুষার নামের ছেলেটির সাথে অমায়িক শব্দটা নিজের দিক থেকে জড়িয়ে যায়।তুষারের সাথে অনিকের সম্পর্কটা ভিন্ন মাত্রার।অনিক ছেলেটা বিভাগে স্মার্ট বয় নামে পরিচিত ,প্রেম করে পরী নামের এক হরিণ চোখিনীর সাথে।২য় বর্ষের মাঝামাঝি সময়ের দিকে কোন একদিন তুষারের সাথে অনিকের কথা হয়।তুষার থেকে অনিক প্রায়ই...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University