টপনিউজঃ

এমন একটি পেশায় আঁটকে আছেন যা আপনাকে মানসিক প্রশান্তি দিচ্ছে না? নতুন করে কিছু শুরু করতে চাইছেন ঠিকই, কিন্তু কোন দিকনির্দেশনা পাচ্ছেন না? ইমতিয়াজের মতই পারেন প্রচলিত চিন্তা থেকে বেড়িয়ে নিজের পছন্দ এবং স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে। তার মুখেই শুনি সফলতার আত্মকথাঃ

একটি স্বনামধন্য কোম্পানিতে ভাল চাকরী করছিলাম তবু তখন পার করছিলাম জীবনের কঠিন সময়। কর্মক্ষেত্রে বেশ প্রশংসিত ছিলাম বলা যায়। তবু আত্মার প্রশান্তি বলে নিজের ভেতর তেমন কিছুই ছিলনা। আমি চাকরিটা উপভোগ করিনি কখনোই। কারণ বারবার মনে হত আমি আমার মেধাকে পরিপুর্ন ভাবে কাজে লাগাতে পারছিনা। ভীষণ দিশাহারা হয়ে পরেছিলাম। মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানি গুলোর পরিচিত ট্যাগ লাইন মাথায় গেঁথে ছিল: “পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক মানের, উপস্থাপন দেশীও ভঙ্গিতে”। তাহলে ব্যক্তিগত ভাবে এই সূত্র অনুসরণ করতে বাঁধা কোথায়?

বস্তুত আমার মাঝে এই অনুভূতি কাজ করতে শুরু করে যখন আমি পিএইচডির সিঁড়িতে পা রেখেছি। তবে পিএইচডি শুরু করার আগে আমার পারিপার্শ্বিকতা আমাকে প্রতিনিয়ত প্রভাবিত করছিল এই বলে, আমি হয়তো জীবন থেকে ৪ থেকে ৫ বছর অকারণ নষ্ট করতে যাচ্ছি। সেসময় আমার বন্ধু আমাকে পরামর্শ দিয়ে আমার দ্বিধা দূর করেছিল। সে বলেছিল, নিজের এই সুযোগটি কাজে লাগাও। তার এই সাধারণ কথাটি আমার মানসিকতায় বিপুল পরিবর্তন নিয়ে আসে এবং বর্তমান ‘আমি’ ধীরে ধীরে গড়ে উঠি। আমার পিএইচডি শেষ হবার আগেই আমি যখন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করছি তখন মনে হয় বছর গুলো নষ্ট না বরং জীবনকে আলোকিত করবে প্রতিনিয়ত।

কারো মাঝে যদি এখনো দ্বিধা থাকে পিএইচডি শুরু নিয়ে? আমি ৫টি কারণ উল্লেখ করছি যার উপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় অনুপ্রেরণা আসবেঃ

  1. ১) রিসার্চ যেকোনো বিষয়ে জ্ঞানের অন্তিম সীমা স্পর্শ করতে পারে।
    ২) গবেষণামূলক কাজ, নির্দিষ্ট বিষয়ে সুদক্ষ করে তোলে।
    ৩) শুধু একাডেমিক ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়, কর্মক্ষেত্রের বিশাল জায়গাটি নখদর্পনে চলে আসে।
    ৪) পৃথিবীর অনেক বড় বড় ব্যক্তি যেমন রবার্ট গ্রিনহিল’র মতো বিস্ময়কর ক্যরিয়ারের সুযোগ গড়ে ওঠে এই একটি ডিগ্রীর ক্ষমতায়।
    ৫) সব শেষে বলা যায়, বহু গুণের বিকাশের জন্য একটি ডক্টরেট ডিগ্রী চমৎকার হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। প্রতিকূল পরিবেশে কাজের দক্ষতার পাশাপাশি, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা সম্প্রসারিত করে এই একটি ডিগ্রী। পিএইচডি শেষে একজন ব্যক্তি যে পেশাতেই কাজ করুক সে নিজেকে পরিপুর্ন রুপে উপস্থাপন করতে পারে। কারণ একজন পিএইচডি ডিগ্রী অর্জনকারী জ্ঞানের পরিসর বিস্তৃত করার পাশাপাশি সামাজিকতা, বিনয় এবং বিভিন্ন নীতিগত দিক গুলো ধারণ করতে শুরু করেন।

তাই দ্বিধা নিয়ে বসে না থেকে নিজের স্বপ্ন গুলোর গঠনমূলক বাস্তবায়নের জন্য পিএইচডির প্লাটফর্মে দ্রুত এসে পরতে দেরি করবেন না, নয়ত সফলতার দুর্লভ ট্রেনটি আপনাকে ছেড়ে অনেক দূরে চলে যাবে!

 

লেখক- ইমতিয়াজ মোস্তাফিজ

টেইলর’স ইউনিভার্সিটি, মালয়েশিয়া। 

https://i1.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2017/09/textgram_1504774117.png?fit=1024%2C1024https://i2.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2017/09/textgram_1504774117.png?resize=150%2C150Top Newsউদ্দীপনাএকাডেমিকএক্সক্লুসিভক্যারিয়ারজব প্রিপারেশনপরীক্ষা ও ফলাফলফিচারশিক্ষাস্কলারশিপ  টপনিউজঃ এমন একটি পেশায় আঁটকে আছেন যা আপনাকে মানসিক প্রশান্তি দিচ্ছে না? নতুন করে কিছু শুরু করতে চাইছেন ঠিকই, কিন্তু কোন দিকনির্দেশনা পাচ্ছেন না? ইমতিয়াজের মতই পারেন প্রচলিত চিন্তা থেকে বেড়িয়ে নিজের পছন্দ এবং স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে। তার মুখেই শুনি সফলতার আত্মকথাঃ একটি স্বনামধন্য কোম্পানিতে ভাল চাকরী করছিলাম তবু...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University