লেখা:কামাল রুহানি
#অভিনব
#প্রতারণা

এই লোকটি ঘাসফুল এনজিওর কথা বলে আমার গ্রামের সহজ সরল মানুষদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ১,০০,০০০টাকা লোন দেওয়ার কথা বলে ২০,০০০টাকা করে অগ্রীম টাকা লোকজন থেকে হাতিয়ে নিছে। আমার বাবার মৃত্যু উপলক্ষ্যে আমি এলাকায় আসতেই এলাকার মানুষ বিশেষ করে স্থানীয় মেম্বার জনাব Md Abul Kasam, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি বড় ভাই নুরুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক বেলাল উদ্দিন সালমান ও তার বড় ভাই এনাম সহ সর্বস্থরের মানুষ এ বিষয়ে আমার কাছে জানতে চায়। আমি ঘাসফুলের হেড় অফিসে এডমিনে দায়িত্বরত জনাব Syed Mamunur Rashid সাহেবের সাথে কথা বললাম। হেড় অফিস থেকে জানানো হয়েছে মহেশখালীতে ঘাসফুলের কোন শাখা নেই এবং এ বিষয়ে প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নিবে।

ঘাসফুলের সিইও জনাব Aftabur Rahman Jafree সাহেবের মতামত দেখুন(Thank you Kamal Rouhani for informing us about the incident. Updated through your information we have already informed the matter to Divisional Commisioner Chittagong, Deputy Commisioner Cox’s Bazar, Superendent of Police Cox’s Bazar, and Upazilla Nirbahi Officer Moheshkhali. Thanks again for your cooperation.)

এ বিষয়ে মহেশখালী উপজিলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব Abul Kalam স্যারকে ও জানিয়েছি এবং ঘাসফুলের পক্ষ থেকেও ইউএনও মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, ঘাসফুল এনজিও সংস্থার প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৭২ সাল।

সংস্থা গঠনের প্রেক্ষাপট: স্বাধীনতাযুদ্ধে বিধ্বস্থ বাংলাদেশ। মিসেস শামসুন্নাহার রহমান পরান দেশের জন্য, দেশের অসহায় মানুষের জন্য কিছু করার উদ্দেশ্যে পারিবারিক সদস্য ও নিকটাত্মীয়দের নিয়ে গঠন করেন ঘাসফুল।

সংস্থার নামকরণের প্রেক্ষাপট: প্রয়াত শামসুন্নাহার রহমান পরাণ দলিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রতিক হিসেবে সংগঠনটির নাম দিলেন, “ঘাসফুল”। প্রকৃতিতে ঘাসফুল যেমন ফুল হয়ে ফুটলেও ফুলের মার্যাদা পায় না, নির্বিচারে কিংবা অকারণে পদদলিত হয় তেমনি সমাজের সুবিধাবঞ্চিত তৃণমুল মানুষগুলো মানুষ হয়ে জন্মগ্রহণ করেও মানুষের মার্যাদা পায় না।

সংস্থার প্রথম কার্যক্রম: রিলিফ ওয়ার্ক। রিলিফওয়ার্ক শেষে দরিদ্র মানুষের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সুখী পরিবার/ছোট পরিবার গঠনে পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে কাজ শুরু করে।

চট্টগ্রামে প্রথম রেজিষ্টার্ড এনজিও হিসেবে নিবন্ধিত হয়: ঘাসফুল চট্টগ্রামের প্রথম রেজিষ্টার্ড এনজিও হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ১৯৭৮ সাল ( জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম)।

ঘাসফুল চট্টগ্রাম শহরে সর্বপ্রথম নগরীর পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের উন্নয়নে কাজ শুরু করেন: প্রয়াত শামসুন্নাহার রহমান পরাণ ১৯৯৩ সালে সর্বপ্রথম পূর্ব মাদারবাড়িস্থ সেবক কলোনীতে (সুইপার কলোনী নামে পরিচিত) পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের উন্নয়নে কাজ শুরু করেন। তিনি সেবক কলোনীতে একটি স্কুল স্থাপন করেন, যা বর্তমানে ঘাসফুল শিশু বিকাশ কেন্দ্র নামে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সন্তানদের বিকাশে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের উন্নয়নে তখনও কেউ কাজ শুরু করেননি। ঘাসফুল তাদের স্বাস্থ্য, ছেলে-মেয়েদের শিক্ষা ও আর্থিক উন্নয়নে কাজ শুরু করার পর ওই এলাকায় একটি সরকারী স্কুল স্থাপিত হয়।

ঘাসফুল সর্বপ্রথম নগরীর গার্মেন্টসকর্মীদের নিয়ে কাজ শুরু করেন ১৯৯৯ সালে। প্রয়াত শামসুন্নাহার রহমান পরাণ গার্মেন্টসকর্মীদের জন্যও চট্টগ্রামে সর্বপ্রথম সেলাই শিক্ষার উপরে বই লেখেন এবং তাদের প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে কাজ শুরু করেন।
প্রয়াত শামসুন্নাহার রহমান পরাণ দরিদ্র ও স্বল্পআয়ের পরিবারে স্বচ্ছলতা আনতে নারীদের কর্মমুখী করার লক্ষ্যে তিনি বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। প্রশিক্ষণ শেষে ব্যবসায়িক উপকরণের ব্যবস্থাও তিনি করতেন।
স্বল্পআয়ের পরিবারের নারীদের সচেতনতা ও সংঘবদ্ধ করতে তিনি ১৯৮৬ সালে ‘মাদারস ক্লাব’ গঠন করেছিলেন। যেখানে তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ যাবতীয় বিষয়ে সচেতনতামুলক কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। এখানে ছেলে-মেয়েদের শিক্ষা ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়েও সচেতন করা হতো। তিনি তৃণমুলের এসকল নারীদের উদ্যোক্তা তৈরীর কাজ করতেন।

প্রয়াত শামসুন্নাহার রহমান পরাণ ১৯৮২ সালে কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণপাড়ে মৎস্যজীবিদের উন্নয়নে “বে-অব-বেঙ্গল” প্রজেক্টের মাধ্যমে সাগরপাড়ের স্থানীয় জেলেদের প্রশিক্ষণ, সাগরে মৎস্য আহরণের উপকরণ বিতরণসহ নানাবিধ কাজ করেন।

প্রয়াত শামসুন্নাহার রহমান পরাণ ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতীতা গৃহবধু কুমিল্লার আফিয়া খাতুন খঞ্জনীকে খুঁজে বের করেন এবং উদ্ধার করে তাকে প্রথমে সামাজিকভাবে সম্মানিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে সরকারী-বেসরকারী পর্যায়ে তার স্বীকৃতি ও সহায়তার জন্য নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেন। দুর্ভাগ্যবশত: পরাণ রহমান বীরাঙ্গনা খঞ্জনীর নারী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি লাভের সকল আয়োজন সম্পন্ন করে গেলেও সরকারী গেজেট দেখে যেতে পারেননি। পরাণ রহমানের মৃত্যুর পর বীরাঙ্গনা আফিয়া খাতুন খঞ্জনী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় থেকে নারী মুক্তিযুদ্ধা হিসেবে ম্বীকৃতি লাভ করেন।

প্রয়াত শামসুন্নাহার রহমান পরাণ ঘামফুলের মাধ্যমে দেশীয় শষ্যবীজ সংরক্ষণে ব্যাপক কাজ করে গেছেন।
পরিবেশ রক্ষায় সামাজিক বনায়ন সৃষ্টি ও এলাকায় বহু গাছের চারা বিতরণ করেছেন চট্টগ্রামের হাটহাজারী ও পটিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। সেই সময়ে বিতরণকৃত গাছের চারা এখন ওইসব এলাকায় বৃক্ষরাজি।

তথ্যপ্রযুক্তি শুধু শহরের জন্য নয়। তথ্যপ্রযুক্তি সেবা গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনগ্রসর মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে ২০০৭ সাল থেকে ঘাসফুল চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে “পল্লী তথ্য কেন্দ্র” নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে।

ঘাসফুল দরিদ্র মানুষের অর্থনৈতিক জীবন-মান উন্নয়ণে ১৯৯৭ সালে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম শুরু করে। ক্ষুদ্রঋন কার্যক্রমের পাশাপাশি তৃণমুল মানুষের প্রয়োজনে আরো বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সমন্বিত উন্নয়নমুলক কার্যক্রম পরিচালনা করা।

https://i2.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2017/08/FB_IMG_1503127611083.jpg?fit=540%2C960https://i2.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2017/08/FB_IMG_1503127611083.jpg?resize=150%2C150CoxsBazar Techইন্টারভিউক্রাইম এন্ড "ল"পলিটিক্সকামাল হোছাইন,ঘাসফুল,প্রতারণালেখা:কামাল রুহানি #অভিনব #প্রতারণা এই লোকটি ঘাসফুল এনজিওর কথা বলে আমার গ্রামের সহজ সরল মানুষদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ১,০০,০০০টাকা লোন দেওয়ার কথা বলে ২০,০০০টাকা করে অগ্রীম টাকা লোকজন থেকে হাতিয়ে নিছে। আমার বাবার মৃত্যু উপলক্ষ্যে আমি এলাকায় আসতেই এলাকার মানুষ বিশেষ করে স্থানীয় মেম্বার জনাব Md Abul Kasam,...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University