.
নিশ্চয় জানেন যে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিশ্ববিদ্যালয় এটি। প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর,নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের পাশাপাশি আছে মানসম্মত পড়ালেখাও। যাত্রা শুরু করে মূলত ১৯৬৬ তে, শহর থেকে দূরে। এর দুই বছর পরেই যাত্রা শুরু করে একাউন্টিং ডিপার্টমেন্ট। আর বাংলাদেশে প্রথমবারের মত বিবিএ চালু করে কিন্তু এ ডিপার্টমেন্টটি,১৯৮৯ সালে । শুরুতে ডিপার্টমেন্ট এর নাম একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন থাকলেও তা পরিবর্তিত হয়ে এখন শুধুই Department of Accounting নামেই পরিচিত।
.
# পড়ালেখা – শুরুতে এটিতে ৩ বছরের গ্রাজুয়েশন কোর্স থাকলেও বিবিএ চালুর পর তা হয়ে যায় ৪ বছরের। বাংলাদেশে প্রথম বিবিএ চালু করা ডিপার্টমেন্টটির পড়ালেখার মান নিয়ে সন্দেহের কোনো প্রশ্নই আসে না। এখানে পাবেন বিশ্বমানের পড়ালেখা,হয়ে উঠবেন সবদিক থেকে পারদর্শী। একাউন্টিং এ ভর্তি হচ্ছেন মানে কিন্তু শুধু একাউন্টিং রিলেটেড পড়ালেখাই শিখবেন না। পড়বেন ট্যাক্স,ইকোনমিক্স,ফিন্যান্স, ম্যানেজমেন্ট, মার্কেটিং সহ সবমিলিয়ে ৪০ টি কোর্স। ব্যাপারটা দাড়াচ্ছে যে,আপনি পারদর্শী হবেন সবদিক দিয়ে। এখানের শিক্ষকরাও আন্তরিক অনেক। পড়ানোর ধরন ভাল অনেক। সিনিয়র জুনিয়রদের মধ্যে সুসম্পর্ক বিদ্যমান।
.
# রেজাল্ট – রেগুলার পড়ালেখা করা ছাত্রছাত্রীদেরকে কেউ দমিয়ে রাখতে পারে না,তারা বিকশিত হবেই হবে। রেগুলার হাল্কা পড়ালেখা করেও এখানে জিপিএ ৩.৫ তোলা সম্ভব। আর আরেকটু ভাল করে পড়লে ত ৩.৮/৩.৮/৩.৯ ব্যাপারই না। তবে ৪ আউট অব ৪ এ বিট টাফ ইনডীড।
আপনাকে ভাল রেজাল্টের জন্য কিন্তু অনেক মেধাবী হতে হবে না,জাস্ট একটু পরিশ্রমী হলেই হবে।
.
# সেশনজট – একটা কথা প্রচলিত ছিল। সেশনজট মানে একাউন্টিং আর ইংলিশ ডিপার্টমেন্ট। ইংলিশ ডিপার্টমেন্ট তাদের সেশনজট কমিয়ে এনেছে। আর একাউন্টিং?? একসময় সবচেয়ে তীব্র সেশনজটে জর্জরিত ডিপার্টমেন্টটা এখন বিবিএ ফ্যাকাল্টিতে সবচেয়ে এগিয়ে,সবচেয়ে ফাস্ট। আর এর পুরো কৃতিত্ব দিতে হয় ডিপার্টমেন্ট এর শ্বদ্ধেয় চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান স্যারকে। তাঁর একান্ত প্রচেষ্টা আর অন্যান্য শিক্ষকদের সহায়তায় জট অনেকাংশে কমে এসেছে। ২০১৫-১৬ সেশন থেকে ত জট একদমই নেই। ২০১৪-১৫ আর এর উপরের দিকে আছে হাল্কা।
.
# ক্যারিয়ার- বিবিএ মানে অনেকে মনে করে ব্যাংকিং সেক্টর। কিন্তু আপনার সামনে শুধু ব্যাংকিং সেক্টর অপেক্ষা করছে না। এগুলার পাশে আছে দেশীয়,বিদেশী আর বহুজাতিক নামিদামী প্রতিষ্ঠানে ভাল পোস্টের চাকরী। অনেকের চোখে কাঙ্ক্ষিত বিসিএস ত আছেই। আছে বিভিন্ন প্রফেশনাল সেক্টরে নিজেকে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ,লাইক CA ,CMA, ACCA.
CA করে খুলে ফেলতে পারো নিজস্ব ফার্ম,করতে পারো অডিটিং। CMA করে হয়ে যেতে পারো মাল্টিন্যাশনাল কোনো প্রতিষ্ঠানের CEO,CFO,MD।
তো আর দেরী কেনো,লক্ষ্য ঠিক করো,নিশানা ঠিক করে লেগে যাও কাজে,চোখ বন্ধ করে ভর্তি হয়ে যেতে পারো ভালবাসার এ ডিপার্টমেন্টটাতে। নির্ঘাৎ একসময় নিজেকেই নিজে ধন্যবাদ দিবে এ পথ বেছে নেয়ার জন্য।
.
লিখেছেন :
মোঃ শাফায়াত ইসলাম চৌধুরী
ডিপার্টমেন্ট অব একাউন্টিং, চবি।
সেশন – ২০১৪-২০১৫।

culiveএকাডেমিকপরীক্ষা ও ফলাফলস্টাডি. নিশ্চয় জানেন যে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিশ্ববিদ্যালয় এটি। প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর,নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের পাশাপাশি আছে মানসম্মত পড়ালেখাও। যাত্রা শুরু করে মূলত ১৯৬৬ তে, শহর থেকে দূরে। এর দুই বছর পরেই যাত্রা শুরু করে একাউন্টিং ডিপার্টমেন্ট। আর বাংলাদেশে প্রথমবারের মত বিবিএ চালু করে কিন্তু এ ডিপার্টমেন্টটি,১৯৮৯ সালে । শুরুতে ডিপার্টমেন্ট এর...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University