Science থেকে ৩.৫০ থেকে ৪.৪০ হলে DU D unit ভাল হয় (এতোদিন উদ্ভাস বা রেটিনায় কি করছো ব্যাপার না, ইউসিসি লাইব্রেরী থেকে ইউসিসি শীট নিয়ে International relation বা Law এর মতো ভিআইপি সাবজেক্ট এ লেগে পড়।)
Science থেকে ফলাফল ৪.৪১ থেকে ৫ হলে DU A /D এর জন্য এগিয়ে যাও।
Science থেকে ফলাফল জেনারেল ৫ হলে মেডিকেল বা ঢাবির জন্য আগাও।
এবং Science থেকে ফলাফল গোল্ডেন হলে তুমি যা ভাল করতে পারো কর।
সাল-২০১৪। আমরা মধ্যম পর্যায়ের ফলাফল করলাম কয়েকজন, আমার কিছু বন্ধু গোল্ডেন পেল, কিছু ফেল করল।
সাল-২০১৫। অনেকে ভাল ভাল প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছে; অনেকে কোথাও চান্স পেল না। যারা ফেল করেছিল তাদের অনেকেই পূণরায় পরীক্ষা দিল এবং তাদের বেশীরভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ অধ্যয়ণরত।
ভাইয়া, প্রস্তুতি খুব বেশীদিনের দরকার হয় না। দরকার মনোযোগ , টেকনিক্যাল হওয়া এবং ধৈর্য্য। আমি তৃতীয় শ্রেণীর একজন স্টুডেন্ট! তুমি কি হবা তা অন্য কেউ ঠিক করে দেবে না। বড় বড় স্বপ্ন দেখবা বড় বড় প্রস্তুতিও নিতে হবে।
সাল ২০১৬: এক ছোট আপু ফোন দিল, ভাইয়া, আমি মেডিকেলে ২ মার্কের জন্য চান্স পায়নি। রাবির আইনের জন্য লড়তে চাই।
আমার উওরটা এমন ছিল,”রাবির আইন! সিট যেখানে ১৩০ টার মতো, আমাদের সময় প্রায় ৮০,০০০ পরীক্ষা দিছল, দক্ষিণ এশিয়ায় রাবির আইনকে অনেক ভাল অবস্তানে। রিস্ক হবে।”
রাবির আইন এ সে মেয়েটি ৫৬ তম হয়েছিল। শুধু রাবিতে নয় ঢাবিতে সে বিবিএ পেয়েছিল। মানুষের অদম্য চেষ্টা মানুষকে কোথায় নিয়ে যায়!
আমি ফেল করা বা জিপিএ কম যারা পায় তাদের ভাল বলছিনা আবার যারা জিপিএ ভাল করে তাদেরও ভাল বলছিনা। ভাল তারাই যারা নিজের ফলাফলকে সেরা হিসেবে নিয়ে এগিয়ে যায়।
অন্য একটি গল্প বলি;
ফলাফল দিল; আমার এক বন্ধু জিপিএ ৫ পেল এবং বাকীরা গোল্ডেনধারী ছিল। বাকীরা ফলাফলের সময় এসে বন্ধুটিকে বলল, আমরাতো বুয়েট আর ঢাবিতেই পরীক্ষা দিবো শুধু।
ভর্তি পরীক্ষায় সেই গোল্ডেনধারীরা কিন্তু আজ প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এ পড়ছে। আর সাধারণ জিপিএ ৫ পাওয়া বন্ধুটি বুয়েট ব্যতীত সব কয়েকটি ভাল ভাল বিশ্ববিদ্যালয় এ ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার সোভাগ্য অর্জন করে এবং সব কয়েকটিতেই চান্স পায়।
ভাইয়া প্রথম গল্পের ফেল করা স্টুডেন্টদের বেশীরভাগ মেয়ে ছিল। তুমি ফলাফল করলে বাবা-মা,পাড়া-প্রতিবেশী মেনে নেবে না? কাঁদতে দাও কিছুদিন। তুমি হতাশ হবে না। হঠাৎ চমক দেখাবা।
নরেন্দ্র মোদি চা বিক্রেতা থেকে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। তিনি লেজেন্ড না আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী লেজেন্ড। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান রাখাল বালক ছিল যিনি আজ বাংলাদেশ ব্যাংককে নিজের ছেলের মতো দেখে। তিনি লেজেন্ড হবে নাতো ব্যর্থতা যাকে ছুতে পারেনি তিনি লেজেন্ড হবেন?
সর্বোচ্চ ব্যর্থ না হলে সর্বোচ্চ সফল হওয়া যায় না, ভাইয়া।
তুমি কি হবা তা অন্য কেউ ঠিক করে দেবে না। আমার এক মামা কোন বিশ্ববিদ্যালয় এ চান্স পায়না। বাসার পাশে ওকরাবারী কলেজ পড়ে তিনি আজ বিসিএস এ প্রথম পরীক্ষায় পাস করেন। প্রধানমন্ত্রীর সাথে তার ওঠাবসা। তিনি একটি মেয়েকে ভালবাসতেন যিনি কখনই মামাকে পাত্তা দেয়নি। আজ বিয়ের পরেও তিনি মামার কাছে আসতে চায়। আসা-যাওয়ার খারাপ-ভালর কথা আমরা বলছিনা বলছি মামার উদ্যমতার গভীরতা।
এক পরিচিত ভাইয়া যিনি ড্রপ দিতেন অনবরত তিনি আজ সবার আগে পিএইচডি নিতে গেছেন। রসায়ন বিভাগে পড়ে ক্লাসে যে ভাইয়াটি আজ যে কোম্পানির কেমিস্ট সেই কোম্পানির ডিরেক্টর সে ভাইয়ার ব্যাচমেট যিনি একজন লাস্ট ব্রেঞ্চার ছিলেন।
তুমি বড় হতে চাও? স্বপ্ন দেখতে থাকো। কালকের ফলাফল যা হয় মেনে নাও। সফলতা তোমাকে আটকাতে পারবে না। হতাশ হলে সায়েম ভাইয়াতো আছে।
ইফফাত কামাল বাপ্পী এর নাম শুনেছো? মেডিকেলে কয়েক বছর আগে প্রথম হয়েছিল। তিনি কিন্তু প্রথমবার কোন প্রতিষ্ঠান এ চান্স পাননি।
আনিকা তাহসিন? নাম শুনেছো? উল্টোদিকে তিনি মেডিকেলে প্রথম হওয়া সত্তেও বুয়েট এ সেরা বিষয়টি পেয়েছিলেন।
ফরমাল কিছু আবারও তুলে ধরলাম যা পূর্বে বলেছি।
ফলাফল নিয়ে হতাশ? স্বপ্ন বুয়েট বা ডিএমসি বা প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা সিলেটের শাবিপ্রবি?
-বোকার মতো কখনই ভাবনা চিন্তা করবা না। ফোর পয়েন্ট পেলেই ঢাবিতে চান্স পাওয়ার সক্ষমতা তৈরি হয়। বুয়েটে পরীক্ষা দিতে নাও পেতে পারো? ভাইয়া, ঢাবির ফার্মাসি বা ইন্জিনিয়ারিং সাবজেক্টগুলোই বা কম কিসের? বুয়েট থেকে যেমন গুগল, মাইক্রোসফট এ জব করে ঠিক তেমনি ঢাবি, সাস্ট বা জাবি থেকেও বেশ পরিমাণে করে।
-ভাইয়া, সাস্ট বরাবরই সাস্ট। ঢাবিতো সবসময়ই বস। স্বপ্ন এমনই তোমার চিনি খাওয়া প্রয়োজন তুমি গুড় দিয়ে তা পূরণ করতে পারবে না। কিন্তু স্বপ্নের থেকেও তুমি বড় কিছু হতে পারবে। নাসার একজন সায়েন্টিস্ট সাস্টের পদার্থবিজ্ঞান অনুষদ থেকে হয়েছিল। সিএসই বা ইন্জিনিয়ারিং অনুষদ নয়। তিনি ডাক্তার নন। কিন্তু নিজের গ্রামে বিশ্বমানের হসপিটাল দিয়েছেন, দেশকে মাথা উঁচু করে দিয়েছেন। সাকিব আল হাসানের প্রিয় খেলা ফুটবল। বার্সেলোনার খেলা রাত জেগে দেখেন। কিন্তু ক্রিকেট বিশ্বে তিনি সেরা অলরাউন্ডার।
– আমার রুমমেট এইচ এস সিতে ৪.২৫ পেয়েছিল। তার সার্কেল এর ১৬ জন বন্ধুই এপ্লাস পেয়েছিল। সে কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাল সাবজেক্ট পেয়েছিল এবং সাস্টের বসসারির কিছু ইন্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট পেয়েছে। এখন সে ডিপার্টমেন্ট এর টপার। জার্মানি কিংবা অস্ট্রেলিয়ার স্কলারশিপ সবার আগে কিন্তু সেই পাবে। সে কিন্তু তোমাদের মতো ফলাফল নিয়ে থাকেনি। তার ১৬ জন বন্ধুর একজন কোনরকমে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এ পড়ছে। বন্ধু একজন মেয়েকে ভালবাসতো যে ক্যান্সারে না ফেরার দেশে চলে যায়। ভালবাসার মানুষটিকে ভালবাসার কথা বলা হয়নি তার। সে হতাশা কিন্তু তাকে গ্রাস করেনি।
-আমার এইচ এস সি ফলাফল শোনার পর পাশের রুম থেকে মামা এসে বলেছিল, “তুমি কি কলেজে প্রেম করছোই শুধু” দোকানে চুল কাটাতে যাবো। পাশের বাসার আংকেল বলছেন, “ছেলেটা বাহিরে গিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। ” উদ্ভাসে যখন যেতাম মামা বলতো, “শরম করে না ইন্জিনিয়ারিং কোচিং করতে এসে ফলাফল খারাপ করছো?” নাহ, ভাইয়া আমি নিজের ওপর কনফিডেন্ড ছিলাম আমি পারবোই এবং পেরেছি। আমার রুমে দুইজন থাকতো। দুইজনই জিপিএ ফাইভ পেয়েছিল। আজ একজন বাসার পাশের একটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এ অন্যজন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এ অধ্যয়ন করেছে। অথচ তারা কিন্তু দেশের পঁচিশটির ওপর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এ পরীক্ষা দিয়েছিল। এক হাতে মোবাইল অন্য হাতে বই নিলে যা হয়।
হেরে যাবে বলে স্বপ্ন দেখোনি। স্বপ্ন দেখতে শিখেছো পূরণ করে ঘরে ফিরবা ইনশাআল্লাহ। সততার সাথে মাঠে নেমে পড়। পারতে তোমাকে হবেই। ফলাফল তোমার জীবনের সফলতাকে থেমে রাখতে পারবে না।
-চাঁদকে লক্ষ্য করে তীর ছুড়ে দাও। কোন না কোন তারাকেতো লাগবে গতি ঠিক থাকলে। সফলতাকে রেলগাড়ির ইন্জিনের সাথে তুলনা করলে রেলগাড়ির জালানি হবে তোমার আত্মবিশ্বাস। আত্মবিশ্বাস ছাড়া তুমি এগিয়ে যেতে পারবে না।
আত্মবিশ্বাস কীভাবে আসবে? তোমার স্মরণ শক্তি খুব দূর্বল? কোচিং এ কম মার্কস পাচ্ছ?
– তুমি বারবার একটি পড়া দেখো। আমি এমন দেখেছি দুই বছর পড়াশুনা করে কোথাও চান্স পায়নি। আবার সাতদিন পড়াশুনা করে বগুড়া মেডিকেলে পড়ছে। তুমি আজকে যা পড়লা কাল তা আবার দেখে (শুধু কি-ওয়ার্ড, সূএ, মূল বিষয়বস্তু) নতুন পড়া শুরু কর; বেশী বেশী লেখো; সুপার স্পিড নাও; ইচ্ছা করলে প্রিপারেশন কিন্তু বিশদিনে শেষ করা যায়। তুমি যদি একটা ম্যাথ এক ঘন্টা ধরে কর তাহলেতো হবে না। পড়াশুনায় চিরুনী অভিযান দিতে হবে তবে তা সমান গতিতে।
এবার একটু টেকনিক্যাল এবং কনসেপ্ট বিষয়টি এখন ক্লিয়ার করি আলাদাভাবে।
পদার্থঃ স্বল্প পরিশ্রম করে ভাল করা যায়। তবে পরিশ্রম যেমনই হোক চিন্তার পরিসর গভীর হতে হবে। পদার্থ বোর্ড বই একবার পড়া মানে আপনি আপনার সিলেবাস দেখেছেন। প্রথমেই সূত্রনোট তৈরি করে ফেলুন বিভিন্ন গাইড বই এবং মূল বই দেখে। যা জানেন যা জানেন না, সহজ হোক বা কঠিন হোক সবই তুলুন। প্রতিদিন সকালে উঠে আশা করি সূত্রনোট একবার করে হলেও দেখবেন। আপনি ফরমূলা ব্যাংক হয়ে উঠতে বেশী সময় লাগবে না। মনে করুন, আপনি প্রাসের টপিক নিয়ে পড়ছেন। প্রাসের তিন ধরণে চিত্র সঠিকভাবে বুঝতে পারা, সত্রগুলো কীভাবে আসছে, কোন সূত্রের ব্যবহার কোথায় সবকিছু বুঝুন এবং ভাবুন। মনে করুন, আপনি তপন থেকে ম্যাথ করছেন। আপনাকে যদি গিয়াস উদ্দীনের বই থেকে যে কোন ম্যাথ দেয়া হয় যদি আপনি পারেন তাহলে বুঝবেন You are perfect. তবে যে বই করেন উদাহরণ+অনুশীলনীর প্রতিটি ম্যাথই করতে হবে। আমি বোর্ড অনুমোদিত ছয়টি বই করেছিলাম। পদার্থ আমার খুবই পছন্দের সাবজেক্ট। প্রায় ৭৩/৭৫ সঠিক করেছিলাম এইচ এস সি পরীক্ষায়। সিলেটে পদার্থ নিয়ে যে জুনিয়রদেরই সময় দেই আশা করি তারা সেরাটাই পায় আমার কাছে । যাই হোক, আমি ছয়টা বই করেছি তার মানে এই নয় আপনাকেও করতে হবে।
বোর্ড বইঃ ইসহাক/ শাহজাহান তপন।
এডমিশন সহায়ক বইঃ ফিজিক্স বুলেট অনুশীলনের জন্য সর্বোচ্চ পরিমাণ ম্যাথ আছে।
রিভিশন দিন কমপক্ষে দুইবার।
রসায়ণঃ এখানেও কম পরিশ্রমে ভাল কিছু করতে পারবেন, পারবেন বলে কখনই অবহেলা করা যাবে না। গুহর বইটা নিয়ে নিন। যে হাজারী বা নাগ পড়বে সে বেশ কিছু মিস করবেন। ম্যাথ গুহ থেকে সব করতে হবে না,প্রতিটি টপিক এর কমপক্ষে অর্ধেক করুন। ম্যাথ এর জন্য হাজারী/কবির পাশাপাশি ফলো করলে ভাল। কোন টপিক, কনভার্ট, একক বাদ দেয়া যাবে না সবসময় রিভিশনের মধ্যে রাখতে হবে। সূত্রনোটে যুক্ত করতে পারেন এসব।
এডমিশন সহায়ক বইঃ অবশ্যই ক্যামিস্ট্রি প্লাস। পাশাপাশি এসপিরিন নিতে পারেন। ক্যামিস্ট্র প্লাস তিনবার রিভিশন যথেষ্ট।
ম্যাথঃ যার জন্য হাজারো স্টুডেন্ট এডমিশনে কান্না করে। কেতাব উদ্দীনের বইটি নিয়ে নিন। উদাহরণ+তথ্য বইয়ে যা দেয়া আছে অনুশীলনী করার আগে করুন। শুধুমাএ কেতাব সারের বইয়ের তও্ব করে এডমিশন ফেস করা সম্ভব। আপনার বেশ কষ্টই হবে শেষ করতে। তবে করার সময় প্রতিটা ম্যাথই করবেন। আপনি যে লেভেলের স্টুডেন্ট হোক না কেন আপনি ম্যাথে বস হবেনই। সূত্রনোট ম্যাথ এর ক্ষেএে খুবই জরুরী। বিশেষ করে বৃও, উপবৃও, সরলরেখা এর সূত্র সকালের নাস্তার মতো ব্যবহার করেন।
এডমিশন সহায়ক বইঃ ম্যাথ বিচিত্রা + ম্যাথ সামেশন+অক্ষরপত্র নিতে পারো।
পদার্থ , রসায়ন এবং ম্যাথ এভাবে করতে পারলে বুয়েট, জাবি, সাস্ট কিংবা ঢাবি এর যুদ্ধে সেরা হওয়াটা সময়ের ব্যাপার।
জীববিজ্ঞানঃ প্রথম পত্র আবুল হাসান, দ্বিতীয় পত্র গাজী আজমল। লাইন বা লাইন পড়েন আর লাল, নীল কলম দিয়ে মার্ক করুন কী-ওয়ার্ড। মনে করুন আপনি প্রথম চ্যাপ্টার আজ পড়ছেন দ্বিতীয় দিন দ্বিতীয় চ্যাপ্টার পড়ার আগে প্রথম চ্যাপ্টার এর কী-ওয়ার্ড পড়েন। অনেক রাইটার এর বই মেডিকেলের জন্য লাগে না। বায়োলজিতে কখনই গাইড বই নির্ভর হবেন না। সহায়ক বই জীবকোষ নিতে পারো।
জিকেঃ এমপি থ্রিই + জিকে ইউসিসি/ফোকাস শীট+ কারেন্ট এফেয়ারস/ওয়াল্ড+ জোবায়েরস জিকে।আপনার যা ইচ্ছা।
বাংলাঃ নবম দশম শ্রেণীর মূল বোর্ড বই + সরোবর+পারাবার নিতে পারেন + কোচিং এর শীট + আপনার যা ইচ্ছা।
ইংলিশঃ এপেক্স / কম্পিটিটিভ + সাইফুরস এর ছোট ভেকবুলারি + সিনেনোইম বই + কোচিং এর শীট + আপনার যা ইচ্ছা।
যা বলেছি আশা করি, বুয়েট কিংবা ঢাবির জন্য যথেষ্ট হবে। মনে রাখবা, হেরে যাওয়ার জন্য মাঠে নামোনি। আবারও বলি শোককে শক্তিতে পরিণত কর।
রামানুজানের নাম শুনেছো? শুধু গণিতে পাশ করতেন পূর্ণ মার্কসহ! বাকী সব সাবজেক্ট এ ফেইল করতেন। তিনি ভারতের বিখ্যাত গণিতবীদ। তার রাফকরা খাতা নিয়ে নতুন সূত্র আবিষ্কার হয়েছে। রামানুজানকে দিয়ে হয়তো জোড় করে তার বাবা-মা ইন্টার পাশ করিয়ে পিওনি চাকরী করাতে পারতো। কিন্তু আজকের গনিত পাওয়া যেতো না!
ভাইয়া, প্রত্যেকের মাঝে ভাল কিছু আছে, বিধাতা কম বেশী করে তৈরি করেননি! নিজে কি হবে তা অন্য কেউ ঠিক করে দেবে না! যে ছেলেটিকে ক্লাসে সবসময় ফেল করতো, সে সবার আগে পিএইচডি নিতে গিয়েছি। ব্যাকবেন্চার ছেলেটি কোম্পানির মালিক, আর ফাস্ট বয় কর্মচারী এমন উদাহরণ বেশীই হচ্ছে।
যাই কর জীবনে ভাল কিছু কর। প্রাইভেট এ পড় বা ন্যাশনাল এ সেখানে ভাল কিছু কর। আমার পরিচিত এক আপু বাংলাদেশ মেডিকেল থেকে প্রথম হয়ে ডিএমসি এর ডক্টর পরবর্তীতে হয়েছিল। এশিয়া প্যাসিফিক বা ডেফোডিল থেকে গুগল এ জব পায় এ উদাহরণ কম নয়। তুমি এগিয়ে যাও।
#khairul_pathan
bsmrstu

culiveইন্টারভিউউদ্দীপনাক্রাইম এন্ড "ল"রিসার্সশক্তি,শোকScience থেকে ৩.৫০ থেকে ৪.৪০ হলে DU D unit ভাল হয় (এতোদিন উদ্ভাস বা রেটিনায় কি করছো ব্যাপার না, ইউসিসি লাইব্রেরী থেকে ইউসিসি শীট নিয়ে International relation বা Law এর মতো ভিআইপি সাবজেক্ট এ লেগে পড়।) Science থেকে ফলাফল ৪.৪১ থেকে ৫ হলে DU A /D এর জন্য এগিয়ে যাও। Science...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University