suicide
যারা কোনো কিছুর সমাধানের পথ হিসাবে আত্মহত্যার পথকে বেছে নিচ্ছঃ
জীবনের প্রতি কি এতটাই বিস্বাদতা চলে এসেছে? বুঝলাম, কাঙ্ক্ষিত ফলাফল হয়ত এই বিশ্বসংসার দেয় নি। তাতে কি হয়েছে?
সিলিং ওই দড়ি টি বা মুখে বিষ ঢালার আগে একবার অন্তত চিন্তা কর যে তুমি মারা যাবার পর কি হবে?
যেই অসুস্থ বাবা তোমাকে এত্ত ভালবেসে ছোট থেকে বড় করেছে, নিজের ছেড়া-প্যান্ট, শার্ট না বদলিয়ে তোমার স্কুল,কলেজ ফি, নতুন পোশাক সবকিছু কিনে দিত কেন? কারণ তোমাকে ভালবাসত, তুমি ছিলে নয়নের মণি। যেই মানুষ তোমাকে দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ করেছেন, নিজে না খেয়ে তোমার মুখে খাবার তুলে দিয়েছেন কেন?
শুধু কি এইসব করেছেন তোমার ভাল ফলাফলের জন্য? না, কারণ তুমি তাদের একমাত্র সন্তান। লিখে দিতে পারব তোমার এই ফলাফলে তোমার থেকে শতগুণ কষ্ট তোমার বাবা-মা পেয়েছেন।
হয়তোবা বলছ ভাইয়া এইসব বড় বড় কথা সবাই বলতে পারে? না,ভাইয়া নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি। যখন এই সমাজের কথিত গোল্ডেন এ+ পেলাম না তখন আর বাবা-মার সামনে, বন্ধু মহল, আত্মীয়-স্বজন কারও সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছিলাম না। বাসা থেকে বাবা-মার প্রেসারও বেড়ে গিয়েছিল। মনে হচ্ছিল জীবনটা বীষের মত। আড়ালে লুকিয়ে দেখি রাতে বাবা-মার ও ঘুম নেই।হুহু করে কান্নার আওয়াজ, কারণ স্বপ্নটাকে ছুঁতে পারলাম না।
একবার এই কথাগুলো ভাবোতো তুমি মারা গেলে তোমার মা-বাবার কষ্টগুলো বাড়লো না কমলো? নিজের পিতা-মাতার মৃত্যুর কষ্টের থেকে বড় কষ্ট কিন্তু আর পৃথিবীতে নাই। সেই শোকও কিন্তু মানুষ একসময় ভুলে যায় ।
অবশ্যই বাড়লো। তারা কিন্তু তোমার সাফল্য বিফলতার থেকে তোমাকে অধিক ভালবাসে।
আর বাংলাদেশের এটা রীতিই কেউ ভাল কিছু করলে কিছু বলুক আর না বলুক খারাপ কিছু করলেই কটু কথার অভাব। যে যা বলছে শুনতে থাকে আর কথা গুলোকে জিদে পরিণত করে।
বলা হয়ে থাকে একটা রাস্তা বন্ধ হলে দশটি রাস্তা খুলে যায়।
তাই এগিয়ে যাও সামনের দিকে। নিজের বাবা-মার কথা চিন্তা কর। তাদের সম্মান কিন্তু তোমার হাতে। যদি এখনই বিফলতায় মরে যেতে চাও তাহলে জীবন তো এখনও পুরোটা পরে রয়েছে। চাকরীতে, ব্যবসা বাণিজ্য তো তাহলে কি করবে?
সমাধান যদি সুইসাইড হত তাহলে মহানবী(সঃ) সফলকাম হতেন না, ওনার জীবনী তো সবাই পড়েছ । বিলগেটস, স্টিভ জবস এরা তাহলে কেউই জীবীত থাকতো না।
তাই বলছি মনকে শান্ত কর। এই সময়টাতে সামনে ভর্তি পরীক্ষার দিনগুলোতে মরে যেতে মনে চাইবে, তখনই মা-বাবার মুখের দিকে তাকাও দেখবে সব ভুলে যাবে। পৃথিবীকে দেখিয়ে দাও যে তোমার ভিতর ও কিছু আছে।
সবশেষে শুভ কামনা রইল।
“জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার,
মাথা নোয়াবার নয়।”

Md. Sazzadul Islam,
CE-’15, CUET.

culiveক্যারিয়ারক্রাইম এন্ড "ল"যারা কোনো কিছুর সমাধানের পথ হিসাবে আত্মহত্যার পথকে বেছে নিচ্ছঃ জীবনের প্রতি কি এতটাই বিস্বাদতা চলে এসেছে? বুঝলাম, কাঙ্ক্ষিত ফলাফল হয়ত এই বিশ্বসংসার দেয় নি। তাতে কি হয়েছে? সিলিং ওই দড়ি টি বা মুখে বিষ ঢালার আগে একবার অন্তত চিন্তা কর যে তুমি মারা যাবার পর কি হবে? যেই অসুস্থ বাবা তোমাকে...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University