ভার্সিটি লাইফের সেই আতঙ্কময় রাতবাংলাদেশের মিনি ক্যান্টনমেন্ট ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতির হেডকোয়ার্টার হিসেবে সোহরাওয়ার্দী হল বিশেষভাবে পরিচিত।দিনের বেলায়ও কোন বহিরাগত মেহমান এখানে প্রবেশ করতে সাহস পেত না কারণ এ হল সম্পর্কে সবার ভ্রান্ত ধারণা বিদ্যমান ছিল।

৬ টি ব্লক,১টি প্রশাসনিক ভবন,১টি মসজিদ ভবন ও ১টি এক্সটেনশন নিয়েই প্রায় ২.৫০ একর জমির উপর গড়ে উঠেছে সোহরাওয়ার্দী হল।
মূলকথায় আসা যাক…..
সোহরাওয়ার্দী হলের রাত্রিকালীন এক আতঙ্কের নাম ছিল ১টি অশরীরী আত্নার উপদ্রব।ঘুমন্ত ছাত্রদের উপর প্রায় রাতেই এ অশরীরী আত্না ভর করত বলে শুনেছি।এ অশরীরী আত্নার উপদ্রবের কথা বেশকয়েকবার কয়েকটি স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় নিউজ আকারে বের হয়েছিল।
সোহরাওয়ার্দী হলের ৬ষ্ঠ ব্লকে অবস্থিত ১৫৬ নাম্বার রুমটি নিয়ে রহস্যের অন্ত ছিল না!এ রুমের সুনাম ও দুর্নাম ক্যাম্পাসকে ছাড়িয়ে পৌঁছে গিয়েছিল সুদূর ঢাকার রাজনৈতিক হেডকোয়ার্টারে।ছাত্র সংঘর্ষ চলাকালে এ রুম থেকে মুখোশধারী ছাত্র ক্যাডারদের বের হতে দেখা যায় এমন গুজব হারহামেশায় শুনেছি,তবে এগুলো কাল্পনিক গুজব ছাড়া আর কিছুই নয়।২০০৯ সালে ১৫৬ নাম্বার রুমে একি রাতে তিন তিনবার পুলিশি তল্লাসি ও ভাংচুরের ঘটনাও ঘটেছে।কিন্তু দেরিতে হলেও ১৫৬ নাম্বার রুম নিয়ে বিরুপ মন্তব্যকারী ও ভ্রান্ত ধারণায় নিমজ্জিত ছাত্ররা তাদের ভুল বুঝতে সক্ষম হয়।
আমার জানামতে,১৫৬ নাম্বার রুমে কোন ক্যাডার বসবাস করত না,এখানে বসবাস করত BCS কবির ও বাংলার সালাম ভাইয়ের মত ক্যাম্পাস প্রসিদ্ধ ছাত্ররা।
১৫৬ নাম্বার রুমটি ঘেঁষেই ৬ষ্ঠ ব্লকের বাথরুম ও টয়লেট অবস্থিত।এ রুমের উত্তর প্রান্তের পশ্চিমের জানালা ঘেঁষেই রয়েছে খুব ঘন ডাল-পালাযুক্ত অনেক পুরাতন একটা কাঁঠাল গাছ।কাঁটার মত ঘন ডাল-পালার কারণে এ গাছে চড়া খুব কষ্ট সাধ্য ছিল।এ গাছের পাকা কাঁঠাল কেউ খেতে পেরেছে কিনা আমি জানি না।তবে এ গাছের কাঁঠাল সহজেই পাকে না,পাকলেও কোষগুলো খাওয়া যেত না করাণ কোষগুলো ছিল বিচির সাথে পাতলা আবরণে আবৃত।
মাঝমধ্যে এ গাছটিকে সোহরাওয়ার্দী হলের রাত্রিকালীন আতঙ্ক ঐ অশরীরী আত্নার আস্তানা বলেই মনে হত।
এই রুমে পূর্বে কেউ স্থায়ী হতে পারে নি।ভুতের ভয়ে অনেকেই এ রুম থেকে পালিয়েছে বলে শুনেছি।কিন্তু ভুতের সাথে সংগ্রাম করে সর্বশেষ BCS কবির ও বাংলার সালাম ভাই টিকে ছিল দীর্ঘদিন।
প্রায় গভীর রাতেই ঘুমের ঘোরে BCS কবিরের গোঙ্গানি শুনতে পেতাম।গোঙ্গানি শুনে বুঝতে পারতাম ঘুমন্ত BCS কবিরকে ভুতে ধরেছে।গোঙ্গানি শেষে BCS কবির ঘুম থেকে লাফিয়ে উঠে “অ আল্লাহরে অ ফয়েজ ভাই, অ ফয়েজ ভাই” বলে ডেকে উঠত।কিন্তু আমি শুনেও না শুনার ভান করতাম।
হুম এটা ঠিক…..
গভীর রাতে ঘুমের ঘোরে ২০০৫ সালের বর্ষা মৌসুমে আমার উপরও একদিন ভর করেছিল প্রেতাত্নাটি।আমার এখনও স্পষ্ট মনে আছে সেদিন গভীর রাতে অদৃশ্য মহিলার কুচকুচে ১টা কাল হাত আমার ঘাড় চেপে ধরেছিল রুমের দেওয়ালের সাথে।সেই অদৃশ্য আত্না থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নেয়ার শেষ উপায় হিসেবে সজোরে লাথি মারতে গিয়ে লাথি দেওয়ালেই মেরেছিলাম।ভাগ্যিস সেদিন পা ভাঙে নি তবে অনেক ব্যাথা পেয়েছিলাম হাঁটুতে।হাঁটুর চামড়াও উঠে গিয়েছিল কিছুটা।

ফখরুদ্দিন সরকারের আমলে বিশেষ কারণবশত খুব কমই বাড়িতে আসা হয়েছে।
২০০৮ সালের রমজানের ঈদ ও কুরবানির ঈদের সময়গুলো এখানেই কাটিয়েছি।
২০০৮ সালের কোরবানির ঈদ পালনে ছাত্ররা অনেক আগেই ক্যাম্পাস ছেড়েছে।বিশেষ কারণবশত ঈদ পালনে বাড়িতে যাওয়া হল না।বুঝতে পারলাম রমজানের ঈদের ন্যায় কোরবানির ঈদের সময়গুলোও এখানে কাটাতে হবে।
ছাত্র-ছাত্রীদের পদচারণার অভাবে প্রাণচঞ্চলা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সহসা পরিণত হল ভুতুড়ে নগরিতে।কয়েকদিন ধরে ক্যাম্পাসের দোকানপাটগুলোও বন্ধ।ছাত্ররা হল ত্যাগ করেছে কয়েকদিন হল,শুধু হলে রয়ে গেলাম আমরা মাত্র ৭/৮ জন দু:খী বান্দা।৬ষ্ঠ ব্লকের একমাত্র বাসিন্দা আমি।
কোরবানির ঈদের ঠিক আগের দিনের ঘটনা…..
সন্ধ্যার পর থেকেই গুড়িগুড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল।সেদিন খুব রাত করেই রুমে ফিরলাম।
মশারি টাঙানোর পর রুমের লাইট অফ করে দিয়ে বিছানায় এসে বসলাম।১ফুট লম্বা,তীক্ষ্ণ ও ধারালো কুরিয়ান ছুরিটা বালিশের ডান পাশে রেখে শুয়ে পড়লাম।
কাঁথা দিয়ে শরীর ঢাকতে যাব অমনিই হলের বারান্দার আধোআলোয় দেখতে পেলাম সুঠামদেহী এক মহিলা আমার খাটের পাশেই দাঁড়িয়ে আছে।বুঝতে আর বাকি রইল না,এ মহিলাটিই সোহরাওয়ার্দী হলে উপদ্রবকারী সেই প্রেতাত্না ছাড়া আর কেউ নয়।তার সাথে আমার ব্যবধান খুব অল্প,বলতে গেলে তার ও অামার মধ্যে ব্যবধান মাত্র এক হাত।
আতঙ্কের সাথে লক্ষ্য করলাম যে,সে সরাসরি আমার দিকেই তাকিয়ে আছে।হৃদপিন্ড লাফিয়ে উঠল,কিন্তু আমি যে প্রচন্ড ভয় পাচ্ছি তা তাকে তা বুঝতে দিলাম না।আমিও তাকিয়ে রইলাম সরাসরি তার মুখের দিকে কিন্তু হৃদপিন্ডের স্পন্দন দ্রুততর থেকে আরও দ্রুততর হচ্ছিল।কিছু বুঝে উঠার আগেই সে তার বিশাল তীক্ষ্ণ নখযুক্ত ডানহাত দিয়ে মশারিসহ চেপে ধরল আমার বুক।সে এমন জোরে চেপে ধরল যে নড়াচড়া করার শক্তিও পেলাম না।ডান পাশে রাখা ছুরিটা নাগাল পাওয়ার চেষ্টা করলাম কিন্তু কিছুতেই নাগাল পাচ্ছিলাম না।তার চোখে-মুখে নিষ্ঠুরতার চাপ দেখতে পেলাম।হয়ত সে অনেকদিন আগে থেকেই এমন একটা সময়ের অপেক্ষা করছিল।আজ ৬ষ্ঠ ব্লক একেবারেই জনশুণ্য,আজ কেউ আমার সাহায্যে এগিয়ে আসবে না।আজ সে সুযোগ পেয়েছে আমার ক্ষতি করার।
সে আমার বুকের উপর ঘনঘন চাপ দিয়ে যাচ্ছিল আর কুকুর দাঁত গুলো বের করে নিষ্ঠুর হাসি হাসছিল।
একসময় অশরীরী আত্নাটির চাপ সহ্যের বাইরে চলে গেল।অসহ্য যন্ত্রণার মাঝেও ছুরিটা নাগাল পাওয়ার শেষ চেষ্টা করলাম।আল্লাহর অশেষ রহমতে ছুরিটা একসময় আমার হাতের মুঠোয় চলে এল।দেরি করলাম না,ক্ষিপ্রগতিতে অশরীরী আত্নার তলপেট বরাবর সজোরে ছুরি চালালাম।কিন্তু টাল সামলাতে পারলাম না,সশব্দে মশারির স্ট্যান ভেঙ্গে মশারিসহ ধুমড়ে মুচড়ে পড়ে গেলাম ফ্লোরে,ফ্লোরে পড়ার আগেই মশারি ভেদ করে ছুরিটা ফসকে গেল হাত থেকে।হাতের কনুই ও হাঁটুতে প্রচন্ড ব্যাথা পেলাম।ফ্লোরে পড়ে থাকা অবস্থায় আতঙ্কের সাথে লক্ষ্য করলাম যে,যে হাত থেকে ধারালো ছুরিটা ফসকে গিয়েছে সেই হাতটিই এখন ঠিক আমার বুকের নিচে।ভয়ে শরীর কেঁপে উঠল।ভাগ্যিস ছুরিটা যদি হাত থেকে ফসকে না যেত তবে নির্ঘাত সেদিন নিজ ছুরির আঘাতে প্রাণ যেত,আপন ছুরির আঘাতে প্রাণ গেলে ঈদের পর ক্যাম্পাস খুললে হয়ত শুরু হয়ে যেত লাশ নিয়ে রাজনীতি।
যাই হউক…..
ফ্লোর থেকে উঠে দ্রুত লাইট অন করে দিলাম।দেখলাম হাতের কনুই ও হাঁটুর চামড়ার কিছু অংশ ছিড়ে অল্প অল্প রক্তক্ষরণ হচ্ছে,চামড়া উঠে যাওয়া অংশে জ্বালা-যন্ত্রণাও কম হচ্ছিল না।
অশরীরী প্রেতাত্নাটা যখন আমার বুক চেপে ধরেছিল তখন মনে হয়েছিল তার ধারালো নখের আঁচড় আমার বুকে লেগেছে কিন্তু গেঞ্জি খুলে দেখলাম বুকে কোন ধরনের আঁচড় লাগেনি।ভীষণ জ্বালা-পুড়ার পাশাপাশি শরীরটাও থেমে থেমে কাঁপছিল।
মোবাইল অন করে দেখলাম রাত প্রায় ৩টা।হাত থেকে ফসকে যাওয়া ছুরিটা সালাম ভাইয়ের চৌকির নিচ থেকে বের করে আনলাম।

কক্সবাজার শহরের পুরাতন লাশকাটা ঘরের মাত্র ৩০গজ দক্ষিণেই আমার বাড়ি।শৈশব থেকেই লাশকাটা দেখতে দেখতে আর পঁচা লাশের দুর্গন্ধ শুঁকতে শুঁকতেই বড় হয়েছি।পূর্বে কোনদিন কোন প্রেতাত্নার সম্মুখীন হইনি কিন্তু আজই প্রথম কোন প্রেতাত্নার সম্মুখীন হয়েছি,তাও আবার একটা মহিলা প্রেতাত্নার।
এই মুহুর্তে ভয় পেলে চলবেনা,প্রস্তুত হলাম চুড়ান্ত যুদ্ধের।প্রয়োজনে ক্যাম্পাসের নির্জনতা ভাঙতেও প্রস্তুত।বাম হাতের মুঠোয় বাগিয়ে নিলাম কুরিয়ান ছুরিটা।৬ষ্ঠ ব্লকের বারান্দায় কয়েকবার পায়চারি করে সাহস সঞ্চয় করলাম।
রুমে ফিরেই সেই পুরাতন কাঁঠাল গাছের পার্শ্ববর্তী জানালায় এসে অকথ্য ভাষায় প্রেতাত্নার উদ্দেশ্যে গালি ও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলাম।
রুমের বাতি নিভিয়ে চলে এলাম বাংলার সালাম ভাইয়ের চৌকির উপরে।কাঁঠাল গাছের পার্শ্ববর্তী জানালার দিকে মুখ করেই দেওয়ালে হেলান দিয়ে প্রেতাত্নার প্রতীক্ষায় প্রহর গুনতে লাগলাম।
আমি পুরোপুরি প্রস্তুত।টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে সময় ধীরে প্রবাহিত হতে লাগল,সময়গুলো আজ খুব দীর্ঘ বলে মনে হল।কিছু সময় অতিবাহিত হওয়ার পর মনে হল চতুর্দিক থেকে প্রেতাত্নার দল আমার দিকেই এগিয়ে আসছে।আধোআলোয় একাকি এভাবে বসে থাকা মানেই জেনেশুনে নিজের স্নায়ুর উপর চাপ সৃষ্টি করা।চৌকি থেকে নেমে রুমের বাতিগুলো জ্বালিয়ে দিলাম।রুমের খুলা জানালাগুলো বন্ধ করে পুনরায় সালাম ভাইয়ের চৌকিতে এসে শুয়ে পড়লাম।কিন্তু কিছুতেই ঘুম আসছিল না।সময় ধীরে ধীরে গড়িয়ে একসময় প্রকৃতির নির্জনতা ভেঙে মুয়াজ্জিনের আযানের শব্দ ভেসে এল।আযান শেষ হওয়ার পর কখন যে ঘুমিয়ে পড়লাম বুঝতেই পারলাম না।
এ ঘটনার পর টানা আরও অনেকদিন এ রুমে থেকেছি কিন্তু এই অশরীরী প্রেতাত্নার দেখা আর পাইনি।
কিন্তু অহরহ শুনতে পেতাম….
অমুক রুমে গত রাতে একজনকে ভুতে ধরেছে।

সোহরাওয়ার্দী হলে ছিলেন এমন কোন ছাত্র যদি ঘুমন্ত কিংবা জাগ্রত অবস্থায় এই প্রেতাত্নার উপ্রদবের সম্মুখীন হন তবে আমার সাথে মিলিয়ে নিতে পারেন…..
“প্রেতাত্নাটি ছিল একটা সুঠামদেহী মহিলার,সে লম্বায় ছিল প্রায় একতলা ছাদের সমান।গায়ের রং ছিল একদম কুচকুচে কাল।হাত গুলো ছিল মোটাসোটা আর খুব শক্তিশালী।হাতের আঙ্গুলের নখগুলো ছিল খুব লম্বা ও তীক্ষ্ণ।তার কুকুর দাঁতগুলোও খুব লম্বা-মোটা ও তীক্ষ্ণ ছিল আর চোখগুলো ছিল এক একটা টেনিস বলের সমান।ধবধবে সাদা চোখের তারা ছিল কাল।সে যখন আমাকে চেপে ধরেছিল তখন তার চোখগুলো অগ্নি স্ফুলিঙ্গের মত জ্বলে উঠেছিল।তার পরনে ছিল সবুজ ও লাল রঙের লম্বা দাগ টানা একটা আলখেল্লা যা দেখতে জংলীদের পোষাকের মতই।চুলগুলো ছিল খুব ঘনকাল ও হাঁটুর নিচ পর্যন্ত ছড়ানো।গলায় ৩/৪টি বাহারি মালার সাথে মানুষের মাথার খুলি দিয়ে নির্মিত একটি মালাও দেখেছি।আর হাতে পরনে ছিল বিভিন্ন ডিজাইনের চুড়ির সমাহার।তবে তার কপালের ঠিক মাঝখানে অদ্ভুত গোলাকার একটা চিহ্ন দেখেছিলাম।”

নির্জন গভীর রাতে অনেকবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝর্ণার পানিতে পা ভিজিয়েছি,বহুবার নিচ্ছিদ্র অন্ধকার পাহাড়ী-জঙ্গলে রজনী যাপন করেছি,বজ্রপাতে পাশের গাছ ভেঙ্গে পড়তে দেখেছি,অনেক দুর্যোগ মুহুর্তের মুখোমুখি হয়েছি তবুও ভীত হয়নি।কিন্তু সেদিন রাতে যে ভয়টা পেয়েছিলাম তা ছিল কল্পনাতীত।সম্ভবত এটাই আমার জীবনে ঘটে যাওয়া সর্বাপেক্ষা আতঙ্কময় রাত ও মুহুর্ত।
ঘুমন্ত অবস্থায় ভুতে ধরলে তাকে বলা হয় ‘বোবা’য় ধরা।
কিন্তু সেদিন আমাকে বোবায় ধরেনি,ধরেছিল ভয়ঙ্কর এক পেত্নী তাও একদম সরাসরি।প্রেতাত্নাটির চেহারা এখনও মনের পর্দায় ভেসে উঠে প্রতিদিন,কম করে হলেও কয়েকশবার।হাতেগুণা কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছাড়া এ ঘটনার কথা আর কাউকে বলিনি।ঘটনাটি শুনার পর কয়েকজন বন্ধু এমনও বলেছে…
“সেদিন তুই যদি মশারি না টাঙাতি তবে প্রেতাত্নাটি হয়ত তুকে মেরে ফেলত নয়ত শারীরিকভাবে তুকে মারাত্নক জখম করত।মশারি ছিল বলেই সে যাত্রায় বেঁচে গেলি।”
জানি না তাদের এ মন্তব্য কতটুকু সত্য!!

অনেকবার লিখব লিখব ভেবেছিলাম কিন্তু বিশেষ কারণবশত এই আতঙ্কময় রাতের কথা এতদিন লেখা হয়নি।
গতরাতেই প্রেতাত্নাটির কথা খুব মনে পড়েছে বিধায় না লিখে পারলাম না।
“””””””””””””””””
ফয়েজ উল্লাহ ফয়েজ
সাবেক উপদেষ্টা,
(২০০৪-২০১০)
কক্সবাজার জেলা ছাত্র ফোরাম,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

CoxsBazar Techক্যাম্পাসক্যাম্পাস সৌন্দর্যগল্পcu story,faez ullah faez,varsity,ভার্সিটি লাইফ,সেই আতঙ্কময় রাতবাংলাদেশের মিনি ক্যান্টনমেন্ট ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতির হেডকোয়ার্টার হিসেবে সোহরাওয়ার্দী হল বিশেষভাবে পরিচিত।দিনের বেলায়ও কোন বহিরাগত মেহমান এখানে প্রবেশ করতে সাহস পেত না কারণ এ হল সম্পর্কে সবার ভ্রান্ত ধারণা বিদ্যমান ছিল। ৬ টি ব্লক,১টি প্রশাসনিক ভবন,১টি মসজিদ ভবন ও ১টি এক্সটেনশন নিয়েই প্রায় ২.৫০ একর জমির উপর গড়ে উঠেছে...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University