পাবলিক স্টেটমেন্ট – সোনিয়া আফরিন ইভা
 নারীদের প্রতারণা
RIFAT AHMED·SATURDAY, APRIL 15, 2017
আমি রিফাত আহমেদ ,গত ২০১৬ সেপ্টেম্বর- আমার স্ত্রী “সোনিয়া আফরিন ইভা” ওরফ “ঈশিতা” এর সাথে আমার পারিবারিক কিছু সমস্যা নিয়ে আপনাদের মধ্যে অনেকেই অনেক কিছু শুনেছেন। আমাকে ফোন এ / ইনবক্স এ অনেকেই জানিয়েছেন – কিন্তু সমাজ / পজিশন ইত্যাদি মাথায় রেখে আমি কিছু বলি নাই, মনে হইছে ১০০ জন জানে, আমি স্ট্যাটাস দিলে ১০০০ জন জানবে, অযথা ইজ্জত নিয়ে টানা-টানি, তাই চুপ থাকি। এর পর নাম না জানা কোন এক পেপার এর স্ক্রিনশট, এর পর একটি রেডিও এর শো, এরপর ২ দিন আগে যমুনা টিভী তে ক্রাইম সিন এ আমার নামে অনেক কিছুই দেখেছেন।
বিভিন্ন গ্রুপে ঔইটা শেয়ার করছে, ভাইরাল করছে। আপনাদের অনেকেই আমার নামে অনেক কিছু শুনেছেন, দেখেছেন। এই ব্যাপারে আমাকে অনেকেই ইনবক্স করেছেন, অনেকেই দেখেও না দেখার মত আছেন, ব্যাপারটা পারিবারিক হলেও, ওপেন সিক্রেট এর মত হয়ে গেসে – তাই আমার মনে হয় এই ব্যাপারে একটি পাবলিক স্টেটমেন্ট না দিলে আর হয় না।
যারা আমার হেটারস তাদের জন্য ব্যাপারটা খুব জমজমাট আলোচনার বিষয়, অনেক গুলো পোস্ট ও দেখলাম, এবং ওরা কিভাবে তাতে আমার  যায় আসে না। কিন্তু যারা আমার স্টুডেন্ট, শুভাকাঙ্ক্ষী, আমার অনেক কাছের বড় ভাইরা, আদর এর ছোটো ভাইরা, আমার পরিবার অনেকেই যারা কষ্ট পেয়েছেন এটা ভেবে “রিফাত এমন” তাদের জন্য আমি এখন একটি বিস্তারিত স্টেটমেন্ট দিচ্ছি –
আপনাদের ভালোবাসা / সম্মান এর মর্যাদা আমি নষ্ট করি নাই, বরং সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি সব ঠিক রাখার। আপনারা যারা জানতে চান সত্যিকার এ কি হয়েছে – সব দিচ্ছি প্রমানাদি সহ – এই পোস্ট টা অনেক বড় হবে, বিরক্তবোধ যেন না হন তাই গল্পের আকারে লিখছি।
অনুরোধ থাকবে একটু সময় নিয়ে পড়ার জন্য। পোস্ট টি অনেক বড়, অনেক সময় নিয়ে লিখেছি, পুড়ো টা পরলে সম্পূর্ণ ব্যাপার টা বুঝতে পারবেন। আমার একান্ত পারিবারিক বিষয়, কিন্তু সবাই যেভাবে আলোচনা করছে, তাই এই পারিবারিক ব্যাপার টা পাবলিকভাবে না দিয়ে পারলাম না।

বিস্তারিত

সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৬

স্বামী-স্ত্রী ঝগড়া / দাম্পত্য কলহ খুব সাধারণ একটা ব্যাপার, প্রত্যেকটি ঘরে ঘরেই হয়, আমার আর ঈশিতা এর মধ্যেও মাস কয় এক আগে ঝগড়া হয় আর এর প্রেক্ষিতে ও বাবার বাড়ি চলে যায়। ও আমার ফোন ধরত না, অনেক বার চেষ্টার পর ফোন ধরে, আর ফোন এ কথা বলার পর আজকে দেখা করবে বলেছে।
বেলা ঠিক ৩ টায় ধানমণ্ডি ৭/এ KFC এর নিচ তালায় দেখা হয়, ৩ মাস এ ওজন কমিয়ে, চুল রিবন্ডিং করে, পার্লার দিয়ে সেজে, রেস্টুরেন্ট এর ভিতরে AC তে সানগ্লাস পরে বসে আছে! অনেক দিন পর ওকে দেখে যেন আত্মায় পানি ফিরে আসে! ৫ মিনিট এই আমাদের সব ঝগড়া মিটে যায়। ওখান থেকে একটু পরে আমরা আবার আবাহনী মাঠ এর উল্টো দিকে গ্লরিয়া জিন্স এ বসি, রাস্তার দিকে গ্লাস এর পাশে কর্নার টেবিল এ। (যদি ওই রেস্টুরেন্ট এর কেও পরেন এই পোস্ট – ওই ডেট এর সিসি টিভি ফুটেজ এ পাবেন – ৩-৪ KFC, ৪-৩০ থেকে ৭-৩০ gloria)
অনেক কথা হয় ওদিন, আমি এক পর্যায় বলি, অনেক ঝগড়া হইছে, বাসায় চলো, ও বলে না বাসায় যাবো না, আমার আম্মু কে বলে আসি নাই, পরে বাসায় বলে আসবো, তুমি এসে নিয়ে যেয়। এর পর আমরা রাত ৯ টা পর্যন্ত রিক্সায় ঘুরি, ওদিন রিক্সায় মনে হয় আমার জীবনে সবচাইতে বেশী চুমু পেয়েছিলাম বউ এর কাছ থেকে!
এক বুক ভালো লাগা নিয়ে বাসায় চলে আসি, এর পর ৭ তারিখ, ৮ তারিখ ফোন এ কথা হয়, একদম স্বাভাবিক, ৮ তারিখ রাতে ওর এক কাজিন আমাকে ফোন দিয়ে ওর বিয়ের দাওয়াত দেয়। সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে আসে, এখন শুধু বউ রাজি বললেই বউ এর বাবা মা কে বলে নিয়ে আসা বাকি।

সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৬

আমি ৬ তলায়  আম্মু, বউ আর ছোটো বোন নিয়ে থাকি, আর উপর তলায় আলাদা আমার বড় ভাই, ভাবি ও তাদের ৫ বছর এর বাচ্চা, এবং আমার ছোট ভাই থাকে। আমাদের পরিবার প্রায় ১ বছর আগে ২ ভাগ হয়ে গেছে আমার বউ এর কারণে। ওরা এখন আলাদা ৭ তলায় থাকে। আম্মু না পারে আমাকে ছেড়ে থাকতে না পারে আমার দুই ভাই ছেড়ে থাকতে, তাই আমরা উপর নীচে ২ টি ফ্লাট নিয়ে থাকতাম।
তো ওই দিন রাত প্রায় ১১ টা তিরিশ, একটু আগে বউ এর সাথে ফোন এ কথা হয়, আমি AC টা ১৮ তে দিয়ে বসে বসে আরাম করে PS4 এ Just Cause 3 খেলতেছি, আর পাশে ল্যাপটপ এ ফেইসবুক ওপেন করা। আমার আম্মু TV দেখতেছে, ছোট বোন পরতেছে ওর কয় দিন পর JSC।
আর আপনারা অনেকই জানেন, আমি বিড়াল পোষি, আমার একটি বিড়াল কয় দিন আগে ৩ টি বাচ্চা দেয়, মা বিড়াল অসুস্থ আর ৩ দিন এর বাচ্চা গুলোর চোখ ফুটে নাই। এই নিয়ে আমাদের সংসার।
উপর তলায় বড় ভাই কাজ করতেছে, ভাবি আমার ভাতিজা কে পরাচ্ছে, আর ছোট ভাই পরতেছে ওর সামনে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এর ২য় বর্ষ ফাইনাল। ওরা আবার ওদের ফ্লাট খুব সুন্দর করে সাজিয়েছে। ছবির মত সাজানো গুছানো একটি পরিবার। ২ টি পরিবারই – একটু পরে তছনছ হয়ে যায়।
রাত ১১ টা ৪৫, হটাত গেইট এ টক টক, পুলিশ।
– আপনি রিফাত আহমেদ?
জি –
পিতা আবুল খায়ের?
জি
আমাদের সাথে যাওয়া লাগবে, আপনার নামে ওয়ারেন্ট আছে।
আমি আকাশ থেকে পড়ি, আমার নামে ওয়ারেন্ট? কি মামলা? কে?
তো উনি বলে – আপনার বউ করেছে, নারী নির্যাতন।
আমি হতবাক হই, আমি তখন ও ২ দিন আগে দেখা করা শার্ট টাই পরে আছি, ওঁটার কলার এ এখনো বউ এর চুমুর লিপস্টিক এর দাগ! একটু পর আরও বেশী অবাক হই যখন দেখি যাদের সাথে শেষ ৬ মাস আমার বউ এর দেখাই হয় নাই, ৪ বছর বিবাহিত জীবনে অনুষ্ঠান ছাড়া দেখা হয় নাই, ওই আমার বড় ভাই আর ছোটো ভাই কেও নিয়ে এসেছে কারণ ওদের নামেও ওয়ারেন্ট! চমক আরও বাকি ছিল – আমার এতো বয়স্ক মা, তার নামেও ওয়ারেন্ট!
আমার আব্বা দেশ এর বাইরে ছিলেন বহুদিন, তাই হয়তো উনার নাম দেয়া যায় নাই, আর আমার বোন ১৬ বছর এর কম তাই মনে হয় দিতে পারে নাই।
আমি সম্পূর্ণ অবিশ্বাস্য এর সাথে আমার বউ কে ফোন দিতে থাকি, সন্ধ্যায় ও কথা হইসে, সব ভালো, এইটা অবশ্যই কোন ভুল কিছু, কিন্তু যতই ফোন দেই, ফোন আর ধরতেছে না।
যাই হোক রাত ১২ টা ৩০ এ আমার ১২ বছর বয়সী বোন, আর ৫ বয়স বয়সী ভাতিজা যখন চোখ না ফুটা ৩ টা বিড়াল, ও এর অসুস্থ মা এর পাশে বসে অমানসিক আতঙ্কে কাপছিল, মনে হচ্ছিলো এটা কোন একটা দুঃস্বপ্ন তখন ওদের ওই ভাবে রেখেই পুলিশ আমাদের হাজারিবাগ থানায় নিয়ে আসে।
দুঃখের বেপার – ঠিক ১ বছর আগে আমরা সব ভাই ভাবি মা – সবাই এক সাথে ধানমণ্ডি ৭/এ তে একটি বিলাসবহুল এপার্টমেন্ট এ থাকতাম, তখন আমি নিজে জোর করে সবাইকে রায়েরবাজার তল্লাবাগ এ আমার শ্বশুর বাড়ির ঠিক পাশের বিল্ডিং এ খুপরি ২ টা এপার্টমেন্ট এ নিয়ে আসি কারণ – শ্বশুর শাশুড়ি একা থাকে তাদের যেন আমরা দেখাশুনা করতে পারি। আমি তাদের কেমন দেখে রেখেছিলাম তা আর নাই বললাম, কিন্তু পুলিশ যখন আমাদের নিয়ে যাচ্ছিলো, ওনারা সবাই ছাদে দারিয়ে আনন্দের সাথে দেখতছিল!
আমরা দারোয়ান কে পরে যখন জিজ্ঞাসা করি,
আমাদের এক বার জানান নাই কেন ইন্টারকম এ ফোন দেন নাই কেন –
উনি বলে আমি ফোন দিতে গেসি, তখন আপনার বউ এসে পুলিশ কে চিল্লায় বলতেছিল
“গুলি করেন ওর পায়ে, গুলি করেন দেখেন উপরে ফোন দিয়ে জানায়” –
তাই আর ভয়ে ফোন দেই নাই।
পুলিশ এর গাড়িতে আম্মু কান্না করতেছে, বড় ভাই চুপ করে বসে আছে, ছোটো ভাই সবার মুখ দেখতেছে আর বুঝার চেষ্টা করতেছে এই বিপদ এর ভয়াবহতা কতটুকু।
কিছু কিছু সময়, বাস্তব মানুষ এর কল্পনা কেও হারায়, ওরকম ই একটি ব্যাপার ছিল তখন, এইটা যে বাস্তব কোন ভাবেই বিশ্বাস হচ্ছিলো না।
বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার করে, সারা রাত ওদের উকিল থানায় দাঁড়িয়ে ছিল যেন থানা থেকে ম্যানেজ করে বেড় হতে না পারি, সকাল বেলা শুক্রবার কোর্ট এ চালান দিয়ে দেয় ।

শুক্রবার, ১০ সেপ্টেম্বর

শুক্রবার স্পেশাল কোর্ট, তার উপর ঈদ এর বন্ধ শুরু  হয়ে গেছে। আমার খুব কাছের একজন ছিল যাকে আমি বিশ্বাস করতাম, পরে জানি সে ওই পক্ষের লোক, আর সে এমন এক উকিল ঠিক করে যে উকিল আমাদের জামিন এর আবেদন ই করে নাই!
আম্মুর উকিল আলাদা ছিল, আম্মু জামিন পেয়ে গেছে, আর ওরা এখানেও ম্যানেজ করে রেখেছে তাই আমরা জামিন পাই নাই, আসলে জামিন এর আবেদন এ করে নাই!
ওদের কাজ শেষ – এর পর এর বেপার টা আরও ভয়াবহ, এই পুড়ো  ব্যাপারটা দীর্ঘ দিনের প্লান – বৃহস্পতিবার রাতে এরেষ্ট করে, শুক্রবার স্পেশাল কোর্ট এ জামিন হলে আমি প্রধান আসামী আমার হতো না, হয়তো আমার ভাইদের হতো, তাও ওড়া নিজের লোক দিয়ে দেয় নাই, আর এরপর থেকে ঈদ এর ছুটি – দীর্ঘ ৯ দিন এর। কোর্ট  বন্ধ, জামিন নেওয়ার / বের হওয়ার উপায় নাই।

অতঃপর

সচরাচর নারী নির্যাতন মামলার জামিন হাইকোর্ট থেকে নিতে হয়, এর জন্য ১ মাস টাইম লাগে, আর এরেষ্ট করার কয় দিন পর থেকেই হাইকোর্ট এর বাৎসরিক বন্ধ। ওরা অনেক দিন প্লান করে এই সময়টাই বেছে নিছে কারণ ওরা জানে, এতো শক্ত মামলায় এই সময়ে আটকালে আমি ৩/৪ মাস এ বের হতে পারবো না,
এক মাত্র ওদের দাবি আমি যদি মেনে নেই, আর এর পর ওরা যদি মামলা তুলে নেয় তাহলে পারবো। এটা মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলা দিয়ে আমাকে আটকে ফেলার একটি সম্পূর্ণ “ফাঁদ”।
যদি আমার দোষ থাকতো তাহলে আমার নামে মামলা দিলে মানতাম – শাশুড়ি নির্যাতন করলে শাশুড়ির নামে দিলে মানতাম, কিন্তু আমার ২ ভাই যারা আমাদের সাথে থাকে না – তাদের নামে কেন দিবে?
উত্তর একটাই আমরা ভদ্র পরিবার, আর এভাবে সবাইকে আটকালে ওরা যা চাবে তাই দিয়ে দিতে বাধ্য থাকবো আমরা। একটু পর এই বলতেছি, কি চেয়েছিল।
কিসের লোভে পুড়ো একটি পরিবারকে ঈদ এর সময় তছনছ করে দিয়ে ওরা সবাই ঈদ উদযাপন করতে পারছিল।

এখন আসি মামলার ব্যাপারে – কি মামলা ছিল। এর পরে বলবো কেন ছিল, কি উদ্দেশ্যে ছিল।

নারী নির্যাতন শুনলে আমরা ভেবেই নেই আসামী একটা নরপশু, নিকৃষ্ট প্রকৃতির লোক, যাকে এভয়েড করাই শ্রেয়। তো সব জায়গায় নারী নির্যাতন যা বলতেছে এটা আসলে নারী শিশু আইন এর
“যৌতুক মামলা” – ১১/গ-৩০ ধারায় যৌতুক এর জন্য ফিজিক্যাল   ইনসাল্ট এর কেইস।
মামলার বিবরণে লেখা – আমি নাকি বিয়ের পর থেকে ব্যবসা করার জন্য ১৫ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করে আসতেসি, এর ধারাবাহিকতায় আমি বউ কে এক কাপড়ে বের করে দেই, এর পর তার বাবা মা নিরুপায় হয়ে আমাদের ডাকলে আমরা সকাল ৮ টায় যেয়ে দল বল মিলে যেয়ে টাকা দাবি করি, এক পর্যায়ে আমি আমার বউ এর তলপেটে কোঁক করে এক লাথি মারি, এর পর আমার বড় ভাই
“তবে রে” বলে চুল এর মুঠি টেনে ধরে, আর আমার ছোট ভাই আমার বউকে চুল এ ধরে রাখা অবস্থায় কুংফু মেরে নীলা ফুলা করে ফেলে, আর আমার মা যেয়ে মারে, এর পর আমি ওদের ডাইনিং টেবিল থেকে এক পর্যায় “টাকা না দিলে” মেরে ফেলবো বলে চাকু নিয়ে মারি,
এর পরও পরে না চোখের পলক স্টাইল এ দুই হাত গলার সামনে এনে খালি হাত দিয়ে আমার এতো জোরে মারা চাকু আটকে ফেলে, আর এর জন্য ওর হাত এ ২ ইঞ্চি কেটে যায়।
পুরা ব্যাপারটা পাশে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঠাণ্ডা মাথায়, রক্ত শূন্য অবস্থায় কাপুরুষ এর মত দেখছিল তার বাবা, তার মা, তার এক ফরেস্ট অফিসার মামা, ও তার খালা, আর তাদের কাজের বুয়া।
সবাই এতো উপভোগ করতেছিল ব্যাপারটা তাই সবার পুঙ্খানু পুঙ্খ ভাবে মনে আছে, ও ম্যাজিস্ট্রেট এর কাছে লাইন বাই লাইন, ফ্রেম বাই ফ্রেম, জবান বন্দি দিয়েছে কিভাবে তারা দেখেছে আমার বউ এর উপর আমরা সবাই মিলে আক্রমণ করেছি, আর কিভাবে ২ টা পুরুষ (!!) মানুষ ও ৩ টা মহিলা মানুষ না আটকে চুপ করে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখেছে, এমন কি এতো চিল্লা চিল্লি পাশের ফ্লাট এর মানুষ রাও শুনে নাই।
পরে দেখেন মামলার বিবরণ –
এর পর প্রচণ্ড বাজে ভাবে মারার জন্য ৩০৭ তল্লাবাগ, রায়ের বাজার বাসা থেকে রক্ত ঝরতে ঝরতে বাসার নিচের ৩টা ফার্মেসি, পাশেই হোপ ক্লিনিক, ট্যানারি মোর এর শরিফ ক্লিনিক, তার পর জাপান বাংলাদেশ হাসপাতাল, এর পর মেডিনোভা, তারপর পপুলার, তার পর ল্যাব এইড সহ অনেক গুলো হাসপাতাল ফেলে সকাল ১০টায় প্রচণ্ড জ্যাম ঠেলে, প্রায় ১৫ কি মি দুরে রক্ত ঝরাতে ঝরাতে জীবন বাঁচানোর তাগিদে ১০ টাকা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল যেয়ে বহির্বিভাগ এ টিকেট কাটে, আর অনেক সিরিয়াস হওয়ায় সাথে সাথে ওকে কোন রকম ট্রিটমেন্ট না দিয়ে শুধু ওই স্লিপ এ “আঙ্গুল এ ২ ইঞ্চি কাটা, গায়ে স্ক্রেচ, সাইন অফ ফিজিক্যাল অ্যাটাক” লিখে কোন রকম ওষুধ পত্র ব্যবস্থা দিয়ে “পুলিশ কেইস” সিল মেরে দিয়ে ছেড়ে দেয়।
এই সেই একটা ফটোকপি স্লিপ যেটার ক্ষমতায় আমরা ৩ ভাই ঈদ এর সময় দুনিয়ার সবচাইতে শিক্ষণীয় মহাবিদ্যালয় সেন্ট্রাল জেইল এ ১০ দিন ছিলাম। অনেক শিখেছি, সময় করে একদিন ওই অভিজ্ঞতাও লিখবো।
That piece of paper!
এর পর ওরা ঢাকা মেডিকেল থেকে কাছেই কোর্ট রেখে আবার হাজারীবাগ থানায় আসে, মামলা এতোই সিরিয়াস যে থানায় মামলা নেয় নাই, তাই আবার তারা এক দৌড়ে কোর্টে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল এ মামলা করে, এই মামলায় আমাদের তলব করা হয় ও আমাদের বক্তব্য দেওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়, ওরা পর পর ৩ টা সমন জারি টাকা দিয়ে “নাই” করে ফেলে, আমরা জানতে পারি নাই, তাই কোন জবাব দিতে পারি নাই। এর পর ওর বাবা, মা, মামা, খালা মাজিস্ট্রেট এর কাছে পবিত্র কোরআন শরিফ এ হাত রেখে
“যাহা বলিব সত্যও বলিব” বলে মিথ্যা বানওয়াট লিখিত জবানবন্দি দেয়, এবং ওই জবানবন্দি এর জুডিশিয়াল ইঙ্কয়ারি হয়। এর পর আমাদের নামে ওয়ারেন্ট ইস্যু হয় যেটা এক বার থানায় এসে ঘুরে যায়, আমরা বুক ফুলায় ঘুরে বেড়াই কিন্তু এর পর ও আইন এর চোখে হয়ে যাই “পলাতক আসামী”, এবং এরপর এই পলাতক আসামী গ্রেপ্তার করার জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যু হয় ঈদ এর বন্ধের ঠিক আগে, এক্কেবারে প্লান মোতাবেক।
এর পর ঠিক ঈদ এর টানা ৯ দিন ছুটির আগে পলাতক সবগুলো আসামীকে বাসায় পেয়ে যায় ও গ্রেপ্তার করে। দুঃখ হল আমার এতো বয়সী আম্মা, আমাদের জানের টুকরা আম্মা, উনাকে এতো খারাপ দিন দেখতে হইছে একটি লোভী পরিবার এর লোভ এর ফাঁদে পরে। আম্মুর পায়ে বাতের ব্যাথা, অপারেশন এর রোগী, সকালে জামিন না হলে ২ দিন এই মরে যেতো, ওরাও জানে এইটা, আর জেনে শুনেই ওড়া ৪/৫ মাস এর প্লান করে দিছে মেরে ফেলতেই। কি ঠাণ্ডা মাথায়, কায়দা করে খুন এর প্লান!
এইটা কোন বিচার চাওয়ার মামলা না, কোন রিভেঞ্জ প্লান না, এইটা একদম ঠাণ্ডা মাথার ফুল প্ল্যান একটি টিম ওয়ার্ক যার উদ্দেশ্য অনেক কুৎসিত। সম্পূর্ণ টাই বলতেছি। একটু সময় নিয়ে পড়েন।

ঈদের পর

ঈদ এর পর সেপ্টেম্বার ১৮ তারিখ কোর্ট এর জামিন শুনানি তে এই মামলার ভিত্তি – ফিজিক্যাল অ্যাটাক এর মেডিকেল সার্টিফিকেট এর অরিজিনাল কপি, ও এর সাথে ওষুধ পত্রের কাগজাদি চাওয়াতে  ওরা দিতে পারে নাই, কোন অরিজিনাল কাগজ না দিতে পারাতে আমাদের জামিন হয়ে যায় ৩ ভাই এর। আর অরিজিনাল কাগজ পাওয়ার সুযোগ ও নাই কারণ ১০ টাকা দিয়ে টিকেট কিনে, সেটা স্ক্যান করে, ফটোশপ করে, নীলক্ষেত থেকে ৫০ টাকা দিয়ে পুলিশ কেইস বানিয়ে নিজেরা লিখে বানিয়ে নিছে।
আর যেই উকিল এটা সত্যায়িত করেছে, আর এটার জন্য টাকা নিয়ে তার ছেলে মেয়ে কে খাওয়াইছে, আর মনে মনে ভাবছে, বড় হয়ে আমার ছেলে মেয়ে মানুষ এর মত মানুষ হবে, আল্লাহ তাদের ভালো করুক।
ঈদ এর দিন আমরা নির্দোষ ৩ ভাই জেল এর ভিতর, আর বাইরে বসে আমার মা কান্না করতেছে, আর আমার ৫ বছর এর ভাতিজা আব্বুকে পুলিশ কেন নিয়ে গেলো বলে কান্না করতে করতে শেষ, জেল এর ভিতরে আমি আমার দুই ভাই কে দেখতেছি কষ্ট করতেছে, বাইরে আম্মা, ভাবি, ভাতিজা কষ্ট করতেছে। এইটা দেখার পর ও বের হয়ে মাথা গরম না করে, প্রথম আমি যেই কাজটা করি, ঈশিতার বড় ভাই কে আমাদের পারিবারিক সমস্যা জানিয়ে, একটি সুস্থ মীমাংসা এর কথা বলে ইমেইল করি – ওই ইমেইল পরে মানুষ হলে অবশ্যই উত্তর দিত, কিন্তু আমাকে ভুল প্রমাণ করে উনি ইমেইল এর উত্তর দেন না, আমি ফেইসবুক এ নক করলে ওখান থেকেও আমাকে ব্লক করে দেন।
যাই হোক কেন উত্তর দিচ্ছে না, এর মধ্যে আমরা ওদের দাবি জানতে পারি – ৩৭ লক্ষ টাকা দিতে হবে, আর এ জন্য ওরা আরও একটি মামলা করেছে যেখানে কাবিন, খোর-পোষ, ও যৌতুক এর জন্য আমি যা টাকা নিয়েছি তা ফিরত চেয়ে মোট ৩৭ লক্ষ টাকা দাবি করে! যৌতুক এর লিস্ট এ অনেক কিছুই ছিল আমাকে কি কি দিছে, অবাক হইছি ৩ টা জিনিশ এ – আমি মালেয়শিয়া নিয়ে যেয়ে বউ কে একটি ম্যাকবুক গিফট করি, সেটা দিছে আমি যৌতুকে নিছি,  এরপর আমি ওর জন্য বিয়ের পর পর ৪২ ইঞ্চি একটি সনি টিভি কিনি যেন ও দেখতে পারে, সেটা দিছে ৪৩ ইঞ্চি সনি টিভি দিছে আমাকে, এছাড়া আমাকে নাকি বসার চেয়ার টেবিল দিছে,
ওর পেট কমানোর জন্য আমি “এব কিং” ব্যায়ামের মেশিন কিনে দেই, ওঁটা সহ দিছে “ব্যায়াম এর মেশিন” । সম্পূর্ণ লিস্ট নিচে, পড়েন মজা পাবেন। আমি এতোই ফকির আমি কি না নিছি তাদের কাছ থেকে!
আর এই সেই যৌতুক এর ল্যাপটপ, যেটা আমি মালয়েশিয়া ওকে দ্বিতীয় হানিমুন এ নিয়ে যেয়ে সারপ্রাইজ গিফট করি।

২ মামলায় ২ বিবরণ

যৌতুক মামলায় দিছে – আমরা ৪ জন মিলে মারছি, আর যৌতুক ফেরত চেয়ে ওই মামলায় দিছে আমি একাই সব করছি! যৌতুক মামলায় দিছে – আমি বেবসার জন্য ১৫ লক্ষ টাকা চাই, আমরা অভাবী টাকা লোভী পরিবার, টাকার অভাবে যৌতুক চাই। আর যৌতুক ফেরত চেয়ে আর এক মামলায় লিখছে আমি অনেক সচ্ছল, বড় কোম্পানিতে চাকরি করি, ব্যবসা বাণিজ্য স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির মালিক আমার যথেষ্ট টাকা আছে ওদের ৩৭ লক্ষ টাকা দিতে আমি চাইলেই দিতে পারবো। এক মামলায় লিখছে সকাল ৮ টার ঘটনা, আর এক মামলায় লিখছে সকাল ৯ টার ঘটনা।
এরা এতো পরিমাণ টাকা লোভী, টাকার নেশায় ওরা আমার স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি “ক্রোক” কার আবেদন করছে, আর যেই মামলা দিয়ে আমাকে বাঁশ দেয়া হচ্ছে সেই মামলার খরচ ও আমাকে বহন করার জন্য কোর্ট এ আবেদন করছে! নিচের ছবির চ ও ছ অনুচ্ছেদ পরেন। লালসা একটা মানুষ কে কেমন নীচ করতে পারে, ধারনা নেন।
She is like “give em all, else I’ll take all”

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

এর পর ২৬ তারিখ ঈশিতা এর মামা, ওর বাবা কিছু লোক নিয়ে আমাদের বাসার সামনে আটকে আমাদের দুই ভাই কে হুমকি দেয়, দ্রুত যেন টাকা দিয়ে এখান থেকে চলে যাই। নাহলে আরও মামলায় ফাঁসাবে আর জীবন বরবাদ করে দিবে। তখন আমরা আমাদের উকিল এর পরামর্শে নিরাপত্তা হীনতায় ভুগায় পরদিন যেয়ে হাজারীবাগ থানায় জিডী করি যার নামবার – ১২৩১, ২৭/৯/২০১৬
এখানেই ক্ষান্ত হয় নাই, জিডি করার ২ দিন পর রায়ের বাজার টালি অফিস এ ওর বাবা, ও মামা শিকদার এপার্টমেন্ট এর পাশে আমার ভাইয়া ও ভাবি কে রিকশায় দেখে গাড়ি দিয়ে ধাক্কা মারে, রিকসা উল্টে পরে আমার ভাবি অনেক ব্যাথা পায়, ভাইয়ার ডান পা তে ফ্রেকচার হয়, আর পাশে দিয়ে যাওয়ার সময় জোড়ে জোড়ে বলে যায় – “টাকা দিয়ে এলাকা থেকে ভাগ”।
পরে ওরা দ্রুত জাপান বাংলাদেশ হাসপাতাল থেকে ব্যান্ডেজ করে সরাসরি থানায় যেয়ে বলে, তদন্তকারি অফিসার স্পট এ এসে এলাকার যারা যারা দেখছে দোকানদার, দারোয়ান ইত্যাদি কিছু লোক দের থেকে থেকে সাক্ষী নিয়ে, পূর্বের জিডী প্রসিকিউসন করে মামলা দায়ের করে। ওই দিন আল্লাহ বাচাইসে, বাজে ভাবে ধাক্কা দিসে গাড়ি দিয়ে, পায়ে ব্যাথা না পেয়ে পাথরে মাথা লেগে মরেও তো যেতে পারতো।
এর কিছু দিন পর অক্টোবর এর ১৩ তারিখ এ আমাকে ঈশিতা ফেসবুক এ ম্যাসেজ করে বলে ৩৫ লক্ষ টাকা দও, ঝমেলা থাকবে না, আমি অস্ট্রেলিয়া চলে যাবো, নাহলে আরও বিপদ হবে। ফেইসবুক এ আমি উত্তর দেয়া বন্ধ করে দিলে এরপর আমার ইমেইল এ হুমকি আসে, টাকা না দিলে ক্ষতি হবে। কয়দিন আগে বড় ভাই যার জন্য আমি একটি হ্যালো সিটি এপ এর মাধ্যমে সাইবার ক্রাইম এ রিপোর্ট করি, আর থানায় জিডি ও করি।
ব্লাকমেইল করতেছে টাকার জন্য, বুঝতে পেরে আমি টাকা দিতে অস্বীকার করি, আর বলি যেহুতু মামলা হয়েছে আইনত যা হবে তাই মেনে নিবো। আমি শিওর ছিলাম আজকে ৩৭ লাখ দিলে, কালকে ৭৬ লাখ চাইবে।
এর মধ্যে আবার জানতে পারি আমি ওর ফেইসবুক ও ইমেইল হেক করেছি ও এর মাধ্যমে আমি ওর নেকেড ছবি ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিছি এই টা বলে ৫৭ ধারায় অভিযোগ করার চেষ্টা করে।
এছাড়া আমার জামিন বাতিল করার জন্য সে আবার জিডি করে মামলা করার চেষ্টা করে – আমি নাকি তাকে এসিড মারার চেষ্টা করেছি, সে ম্যাট্রিক্স মুভি এর মত সরে যাওয়াতে লাগে নাই! শুধু তাই না এখানেও আমাদের ৪ জনকে আসামী করেছে, ব্যাপারটা এমন যে আম্মু এসিড এর বোতল কিনে দিছে, বড় ভাই ঢাকনা খুলে দিছে, ছোটো ভাই একটা মর্দানা চিল্লানো দিছে ঐ যে যায় মারও মারও, আর আমি এইম করে এসিড মারছি। আর ওর কপাল ভালো তাই ওর গায়ে লাগে নাই!
এগুলা দেখে হাসি আসলেও, ওড়া কোল্ড ব্লাডেড ক্রিমিনাল এইটা অস্বীকার করার উপায় নাই, কারণ আগের মামলা থেকে জামিন পেয়ে গেছি, আর ৫৭ ধারা ও এসিড এর ধারা এই দুইটা অনেক শক্ত ধারা, যে কোন একটায় আটকাতে পারলে অন্তত ৩ মাস আটকে যাবো, তখন ওদের কথা মত “৩৭ লক্ষ টাকা” না দিলে বের হতে পারবো না। ইমেইল ও ফেইসবুক এ করা ২ লাখ টাকার ডিস্কাউন্ট অফার এর ৩৫ লাখ আর ছিল না। এখন পুরা ৩৭, কারণ আমি তো পুরা পরিবার নিয়ে দৌড় এর উপড়ে। টাকা না দিলে তো শান্তি আসবে না। কিন্তু বিধি বাম, আমি আগেই মিথ্যা মামলা করার হুমকি দিছে দেখে জিডি করে রাখি তাই এসিড এর মামলা করে সুবিধা করতে পারে নাই, আর ইমেইল এ হুমকি দিছে, ফেইসবুক এ হুমকি দিছে এইটার হ্যালো সিটি এপ এর মাধ্যমে অভিযোগ করি ও এক ছোটভাই এর মাধ্যমে সাইবার ইউনিট এ আগেই কথা বলি, তাই উনারা এই ব্যাপারটা বুঝতে পেরে এটা স্টপ করে দেয়। ব্যাপারটা কমন একটা বাটপারি – অনেকেই পাওনাদার কে চেক দেয়, এর পর জিডি করে চেক চুরি গেছে, এর পর পাওনাদার টাকা চাইতে আসলে উল্টা দৌড় এর উপড়ে। সেম কাজ টা চেষ্টা করছে কিন্তু ভাগ্য সহায় ছিল, আগেই আমরা জিডি করে রাখাতে। নাইলে নারী নির্যাতন এর পর ৫৭ অথবা এসিড এর ধারায় আবার ওদের “ফাঁদ” এ পড়ার সুযোগ ছিল।
এছাড়া ও সবসময় আমার কাছ থেকে ক্যাশ টাকা নিতো, কোন দিন কার্ড ব্যাবহার করতে চাইতো না, কার্ড দিলেও টাকা তুলে ক্যাশ দিয়ে গয়না কিনতো, সব মেমো ওর নামে, সব গয়না নিয়ে যেয়ে ওগুলার মেমও দেখায় আবার পুলিশ কে আর একটা কমপ্লেইন করছে
“ওর গয়না আমরা রেখে  ওকে বের করে দিছি” বাসায় পুলিশ আসছে সার্চ ওয়ারেন্ট নিয়ে ওর গয়না উদ্ধার করতে! হয়রানি এর রকমফের! কি আর বলবো!
আসামী বাইরে থাকলে ওদের জানের রিস্ক, এসিড মেরে মেয়ের জীবন নষ্ট করে দিবে, নেট এ নেকেড় ছবি ছড়ায় দিবে এই সব দিয়ে ওরা বার বার জামিন বাতিল এর জন্য পিটিশন দিছে, আর এদিকে বার বার আমাদের বিভিন্নভাবে খবর দিসে
টাকা দাও, শান্তি পাও। বেশী না মাত্র ৩৭ লক্ষ।
এর পর আমরা ১০৭ ধারায় মামলা করি – এটা হচ্ছে কেও যদি আপনাকে শত্রুতার বসে একটার পর একটা মামলা করতে থাকে, হেরেজমেন্ট করার জন্য, এটা আটকনোর জন্য একটি মামলা, রানিং মামলা গুলো শেষ হওয়ার আগে এই বাদী আপনাকে আর মামলা দিতে পারবে না। আর এদিকে আমরা আমাদের উপর করা যৌতুক মামলাটি স্টে করে ফেলি হাঁই কোর্ট দিয়ে। লিগালি আটকানোর আর উপায় থাকে না ওদের আমাকে।
কিন্তু ওরা নাছোড় বান্দা, টাকা নিবেই। লিগালি পেরে না উঠায় এর পর শুরু হল আমার মান সম্মান নিয়ে টানা টানি! আর শুরু হল আমার উপর সাইবার আক্রমণ!
বিভিন্ন ফেইক আইডি দিয়ে আমার সব পাবলিক পোস্ট এ যেয়ে  আজে বাজে কমেন্ট করা শুরু হল, আমি পাবলিক পোস্ট দেয়া অফ করে দিলাম, অগণিত ফেইক আইডি রিপোর্ট করেছি।
ব্যাপারটা এর পর আসলে ইগো ইস্যু হয়ে যায়, মনে হয় ওরা ওদের জীবনে অনেক মানুষ এর কাছ থেকে সফল ভাবে টাকা চিপরে নিসে, আমি কোন ছেরা, আমার কাছ থেকে কেন নিতে পারতেসে না, ওদের ইগো হার্ট হয়ে যায়। ওরা আরও বেপরওয়া হয়ে লাগে আমার পিছে।
অবশ্যই আমার মান সম্মান এর দাম ৩৭ লাখ টাকা এর বেশী, এই মান সম্মান নিলাম এ তুলে টাকা নিয়েই ছাড়বে, হয় আমি সম্মান হারাবো, নাহলে আমি টাকা দিবো।
আমি মনস্থির করি, যত কিছুই হোক – ব্লাকমেইল এর স্বীকার হয়ে আজকে ৩৭ দিলে কালকে ৭৬ চাবে, এইটা কোন ভাবেই করা যাবে না। আর যা হয় হোক, আমি যেহুতু এখানে সঠিক, আমি কেন হার মানবো।
এর পর শুরু করে অন্য রকম হয়রানি – আমার প্রফেশনাল লাইফ এ। আমি যেখানে জব করি সেখানে ওড়া ইমেইল পাঠানো শুরু করে, ওদের পেইজ এ যেয়ে আমার ছবি এর নিচে উল্টা পাল্টা কমেন্ট করা শুরু করে, চাকরি খেয়ে ফেলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে, কিন্তু আপসোস এর ব্যপার – আমাকে কেও মুখ দেখে চাকরি দেয় নাই, আমি পুরা কোম্পানি এর ওয়ার্ল্ডওয়াইড টিম এর বেস্ট পারফর্মিং এক জন, আর এগুলা ঝামেলা হওয়া মাত্র আমি কোন সাত পাঁচ চিন্তা না করেই সম্পূর্ণ ঘটনা জানাই আমার সিনিয়রদের – আমার সততার জন্য আমাই পুরা টিম থেকে সাপোর্ট পাই। আর যেই সময় চাকরি খাইতে  ওরা ওদের বেস্ট করে, ঠিক তখন আমার প্রমোশন হয়। অবশ্যই ওদের খারাপ লেগেছিল অনেক, মনে হয় সইতে পারে নাই, এখন তো আরও টাকা আসবে, ওগুলাও কেমনে নিবো!
ওই দিকে না পেরে এর পর শুরু হয় মিডিয়া স্টান্ট – টাকা না নিয়ে ছাড়বেই না। আমার দেশ এ যে সুনাম আছে সেটার দাম তো অন্তত দিবো? বেশী তো না, মাত্র ৩৭ লক্ষ টাকা।
ওরা এর পর কোন এক নাম না জানা দৈনিক এ আমার নামে একটি নিউজ করে, কোন পত্রিকা, কোন ডেট কোথাও দেয় না, কারণ ওরা অনেক ধূর্ত, যানে দৈনিক কদু পেপার এর নাম জানলে ভালো ইমপ্যাক্ট পাওয়া নাও যাইতে পারে। সম্পাদক / ডেট কিছুই নাই যেন আমি ধরতে না পারি। এছাড়া পত্রিকার ভাষা গালা গালি ছাড়া কিছু নাই, শুক্রকিট, নরপশু ইত্যাদি ব্যাক্তিগত আক্রমণ করে লিখে রাখছে,
এছাড়া আমাকে লিখছে সফটওয়ার বিজ্ঞানী! আমি কমার্স এর ছাত্র, করি মার্কেটিং এ কাজ, আর আমি বিজ্ঞানী, তাও আবার সফটওয়ার এর! হাসি ও লাগে, দুঃখও লাগে। নিচে পেপার এর ছবি টি দিচ্ছি – পরে দেখেন, DSU গ্রুপ এও পাওয়া যায় নাই এমন নতুন কিছু গালি পাবেন, বিনোদন পাবেন। আর ছবিটাও কেমনে জানি দিসে, নিজেকে দেখে, নিজের ই ভয় লাগে!
আর কি এর পর শুরু হয় এই ছবি সব জায়গায় কমেন্ট এ পোস্ট করা! ফেইক আইডি, পেপার এর নাম ধাম নাই, ধরার উপায় নাই কিন্তু বুঝার বাকি নাই কে।
এই গালি মার্কা দৈনিক কদু এর নিউজ এর ছবি, আমি যেখানে চাকরি করি ওখানে পেইজ এ যেয়ে যেয়ে কমেন্ট এ, আমি কোন পোস্ট করলে সেই কমেন্ট এ, ফেইসবুক পেইজ এ ম্যাসেজ এ অনেক দিয়েছে। শুধু মাত্র হেরেজ করা ছাড়া এগুলো করে কিন্তু তাদের কোন লাভ ছিল না, একটাই উদ্দেশ্য ছিল সামাজিক ভাবে হেয় করার, যেন আমি মান সম্মান এর ভয়ে টাকা দিয়ে দেই। এছাড়া আর কি উদ্দেশ্য হতে পারে এগুলা তে নিউজ করার আর সেই নিউজ জায়গায় জায়গায় ফেইক আইডি দিয়ে কমেন্ট করার?
এখানেই শেষ না, এর পর আমার বউ ঈশিতা, রেডিও প্রোগ্রাম “ভালোবাসার বাংলাদেশ” এ যায়, ২ ঘণ্টা ব্যাপী কান্না কাটি করে আমার নামে যা ইচ্ছা তাই বলে, সেই পোস্ট এ আবার এযাবৎ কালের সবচাইতে বেশী লাইক শেয়ার কমেন্ট। একটু ঘেটে পেলাম কিছু ফেইক আইডি থেকে সমানে শেয়ার চলতেসে, কিছু কমন কমেন্ট বিভিন্ন আইডি দিয়ে দিচ্ছে, আর একটিভ লাইকারাও তো আছেই। এখানেও একি প্রশ্ন – আমাকে সামাজিক ভাবে অপদস্ত করা ছাড়া এখানে আর কি পেয়েছে? একটা কথা খুব ভাইরাল হয়েছে – তার পছন্দের মানুষ টি নরম বালিশ ছাড়া শুতে পারতো না, তাই সে আমাকে টাকা জমিয়ে নরম বালিশ কিনে দেয়। ব্যাপার টা এমন যে আমরা কাম্রাঙ্গির চড় অথবা ঝাউ চড় এ চকি তে শুয়ে থাকি ইটা দিয়ে। আসলে বাস্তব ছিল ওই সময় ওরা রায়ের বাজার মদিনা মসজিদ এর উলটা দিকের গলি তে একটি টিনশেড বাসায় ভাড়া থাকতো, আর আমরা ওই সময় ধানমণ্ডি ১৯ নামবার এ থাকতাম, নরম বালিশ আমার অনেক গুলাই ছিল। এখানে কে ছোটো কে বড় বুঝাচ্ছি না, শুধু ধরিয়ে দিচ্ছি আপনাদের যেই ইমোশন একটা অসহায় মেয়ের জন্য কাজ করে, কিছু খারাপ মেয়ে অসহায় সেজে সেই ইমসন কে ব্যাবহার করে।
ব্যাপার টা খুব সহজ – টাকা দাও ৩৭ লক্ষ, নাইলে আরও ভাইরাল হবে, আরও অপদস্ত হবে।
যাই হোক এক পর্যায় অথবা আগে থেকেই ওরা জাস্টিস ফর ওমেন কে জড়িয়ে নেয়, আমার আপসোস এতো সুন্দর একটি সংগঠন, যারা অসহায় নারী দের সত্যিকার অর্থ সহায়তা দেয় ওদের কাছে যেয়ে মিথ্যা বলে, সব কিছু লুকিয়ে, আমার নামে কেস ফাইল করে। আমি খুশি যে এটা জাস্টিস এ আসছে, কারণ এখানে সত্যি জাস্টিস পাওয়া যাবে বলে আমার বিশ্বাস।
এর পর আমি এডভোকেট তানভীর হায়দার ভাই এর সাথে অনেক বিস্তারিত কথা বলি, অমায়িক ভালো একজন মানুষ। উনাকে আমি অনেকক্ষণ ধরে বুঝিয়ে বলি, বেশ কিছু প্রমানাদিও দেই। এটাও বলি যদি টাকাই সব হয় আমি ১০ লাখ টাকা দিচ্ছি, লাগলে আরও কিছু দিবো, ওদের এবার এই ভাবে হয়রানি করা বন্ধ করতে বলেন, আমার নামে যা মামলা আছে এগুলা তুলে ফেলতে বলেন, আমি ডিভোর্স ফাইল করে দিচ্ছি, যে যার মত থাকুক, ভালোথাকুক। যাই হোক টাকার অঙ্কটা মন মত না হওয়াতে সোনিয়া আফরিন ইভা ও তার পরিবার রাজি হয় নাই। এর পর ওরা থেমে যায় নাই, এর পর এখন আমি ফেমাস হয়ে যাই যমুনা টিভি এর ক্রাইম সিন সো তে!

যমুনা টিভি

এখানে কিছু ব্যাপার তুলে ধরি ওরা কি বলেছে, আসলে কি –
১। একি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিচয় হয় আমাদের।
ভুল – আমি(রিফাত আহমেদ) ডেফোডিল এর ছাত্র, ঈশিতা ইস্ট ওয়েস্ট এর। এছাড়া আমি যখন ভার্সিটিতে ও তখন কলেজ এ। আর পরিচয় হয় ফোন এ, এই মেয়ে ২ বছর পর্যন্ত আমার পিছে ঘুরে, ২ বছর ফোন দেয়। যখন দেখা হয় প্রথম ওড়া রায়ের বাজার মদিনা মসজিদ এর উল্টা দিকে একটি টিন সেড বাসায় থাকতো, আর আমরা শিকদার এপার্টমেন্ট এ থাকতাম।
সেখানে তার এক কাজিন আমার নামবার নিয়ে এই মেয়েকে দেয়। এখন তাড়া মানুষ এর রক্ত চুষে চুষে নিজেদের ফ্লাট করেছে। বাবা বেতার এ সরকারি চাকরি করতো – সেখান থেকে বেড় করে দেয়া হইছে কোন এক অজ্ঞাত কারণে, কোন পেনসন কিচ্ছু পায় না। আর এই মেধাবী অগ্রণী এর ছাত্রী আগে হলি ক্রস থেকে চুলাচুলি করার দায়ে T.C. খায়, এর পর সে অগ্রণী থেকে টেনে টুনে ২ পয়েন্ট ৬ পেয়ে পাশ করে ইস্ট ওয়েস্ট এ ভর্তি হয়, আর ২য় সেমিস্টার অসংখ্য বার চেষ্টা করে পাশ করতে না পেরে সেখান থেকেও তাকে বহিষ্কার করা হয়। আমি নিজে ওর গার্জেন সেজে অনেক বার যেয়ে কথা বলে মেনেজ করেছি।
মামলার আর এক নির্লজ্জ মিথ্যাবাদী সাক্ষী – তার মামা ফরেস্ট অফিসার, এদের বেতন কত টাকা হয় জানি না, কিন্তু তার নতুন মডেল এর গাড়ি, একটা না দুইটা, নিজের ফ্লাট, দুই ছেলে অস্ট্রেলিয়া তে পরে, মেয়ে ইংলিশ মিডিয়াম এ পরে, নাচ গান করে, দেশ ওঁ বিদেশ এর সব বেতন উনি এখান থেকে দেন। উনার কোন ব্যবসা নাই সম্ভবত, শুধু মাত্র একটি সরকারি ফরেস্ট অফিসার এর মাসিক খরচ ৩/৪ লাখ এর বেশী, কিভাবে কোথা থেকে আসে বুঝানোর কিছু নাই। আর তার ছেলে যখন বিদেশ যায় ইনকাম সোর্স দেখাতে না পেরে ওদের যাত্রাবাড়ী এর পৈত্রিক বাড়ি বিক্রি করে ওঁটা দেখায়। আসলে কি চলে এটা না বুঝার কিছুই নাই। আর যাদের পরিবার এই সব কাজে যুক্ত, ওদের পরিবার এর ছোটো রাও একি দিকে যাবে এটাই স্বাভাবিক। খারাপ দেখে দেখে বড় হলে, খারাপ কে আর খারাপ লাগে না।
২। শ্বশুর বাড়ির নির্যাতন সইতে না পেরে নারী নির্যাতন মামলা
ভুল – শ্বশুর বারি এই মেয়ে ২ ভাগ করে ফেলসে, ৬ তালার পুরা বারি ওর নিজের সাজানো, প্রত্যেক টি পরদা ফার্নিচার ওর মন মত, ওর আলাদা একটি রুম এ ছিল “ড্রেসার” যেখানে শুধু ওর আলমিরা, ড্রেসিং টেবিল, ওয়ারড্রব ইত্যাদি। এমন কি বাসার কাজের মেয়ে টা পর্যন্ত ওর বাবার বারি থেকে আনা যেটা ওর কথায় উঠে বসে, ওর কাছে বাসার গেইট এর চাবি থাকতো – ও দিন রাত যখন ইচ্ছা পাশে বাবার বারি যেতো, মাসের ৩০ দিন এ মনে হয় ৩ দিন ও আমি ঘুম থেকে উঠে বউ কে পাশে পাই নাই, বাপের বারি। ও বাসায় থাকতো কম, বাপের বারি বেশী। এছাড়া ওড়া করেছে যৌতুক এর মামলা – আর একটা কাবিন, খোরপোষ, যৌতুক এর টাকা ফেরত চেয়ে মামলা। আমাদের বাসায় সত্যিকার এ নির্যাতিত ছিল আমার মা, আমার বোন। বিয়ে হইসে ৩ বছর, ৩ বছর শাশুড়ি রান্না করে প্রত্যেক বেলা খাওয়াই সে আমাকে, আর আমার বউ শুধু ব্যাপীর বাড়ি আর এই মার্কেট ওই মার্কেট, এই ইয়গা, ওই স্পা বেরাইসে, আর টাইম মত এসে বলসে ভাত দেন, কিছু বলার ও উপায় নাই “আরেহ, আমি কি বউ না বুয়া, আমাকে কি রান্না বানা করাতে বিয়ে করস”। না রান্না বানা না, তবে সংসার এর যত্ন নিতে বিয়ে করসি। সংসার এ কোনো অভাব ছিল না। ওর কপাল ভালো ভালো একজন শাশুড়ি পেয়েছে, যে কোন রকম কমপ্লেইন না করে পুরা বাড়ি গুছিয়ে রাখত। বাসায় কোন কৈফত দিতে হয় না কই যায় কই আসে, রাত ৩ টায় বাসায় ঢুকেও কিছু বলে নাই। সম্পূর্ণ স্বাধীন, নিজের মত তার সংসার ছিল। নির্যাতন এর প্রশ্নই আসে না, বরং ওকে মাথায় করে রাখা হতো। আর আমার ২ ভাই, ভাবি তো আলাদা উপর তালায় থাকতো, যাদের সাথে মাঝে মধ্যে লিফট এ দেখা হয়ে গেলে সালাম দেয়া ছাড়া আর কোন সম্পর্ক ই ছিল না। ওরা কেমনে নির্যাতন এ অংস নিলো তাই বুঝলাম না!
৩। ভিবিন্ন মিথ্যা মামলায় জরানো হয়েছে
সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা, বরং আমাকে এতো গুলা মামলায় জরিয়েছে, যেগুলাড় পিছে আমার সব টাকা শেষ, এর উপর যেভাবে দেখাচ্ছে মনে হচ্ছে আমি প্রিন্স অথবা এমন কিছু হয়ে গেসি সব জেলার পুলিশ আমার পকেট এ। ওড়া খারাপ মানুষ, কত মানুষ এর টাকা মেরে খাইসে জানি না, ওদের শত্রুতা কার কার সাথে আমি জানি না। ওদের শত্রু থাকতেই পারে, আর ৬ টা থাক আর ৬০ টা থাক মামলা ওদের নামে, এর সাথে আমার কোন সম্পৃক্ত তা নেই। আমি নিজের মামলা গুলো নিয়েই হিমসিম খাচ্ছি, তার উপড়ে যারা আমাকে চিনে, যানে আমি কাজের মানুষ, কাজ বাদ দিয়ে মানুষ এর ক্ষতি করার সময় আমার নাই। আর এর পর ও এমন ক্ষতি করা যায় কিনা তাও আমার জানা নেই। আজগুবি গপ্পের একটা সীমা থাকে। কয়দিন আগে মিডিয়া তে এক জনপ্রিয় ক্রিকেটার এর মামলায় ও দেখেছি প্রথম এ যেই কাঁজি অফিস এ বিয়ে পরান হয় ওঁটা আসলে কাঁজি অফিস এ না, মাংসের দোকার, এগুলা সব ভুয়া ইত্যাদি, আবার কয় দিন আগে ওই মিডিয়া তেই দেখি ওড়া মিল হয়ে গেসে, বিয়ের প্রমানাদি সব পাওয়া গেসে।
আর এই মিথ্যা মামলা এইসব এ আমি কোন ভাবেই জড়িত নয় এর বড় প্রমাণ হচ্ছে – আপনার তো বাবা মা আছে, কেও যদি আপনাকে এভাবে জেল এ আটকে রাখে দিনের পর দিন, আপনার বাবা মা কি করবে? ওই মানুষ টার কাছে হাজার বার ফোন দিবে, যোগাযোগ করবে, বলবে আমার কিছু চাই না শুধু শান্তি চাই। ওড়া নিজেরা যানে এখানে আমাকে মিথ্যা ফাঁসানর চেষ্টা করতেসে, আর এ কারণ এই আমাকে আজ পর্যন্ত এক বার ও তাঁরা কোন ইমেইল, অথবা ফেইসবুক এ একটা নক, অথবা একটি ফোন দেয় নাই। যদি দিয়ে থাকুক একটা প্রমাণ দউক। যদি তাদের নামে মামলা কেও করেও থাকে, সেটাকেও এখানে ব্যাবহার করতেসে। সাপে বর টাইপ। আর এই প্রকৃতির জঘন্য লোভী চক্র সব জায়গায় বলতেসে আমাদের বাঁচাও এই রিফাত থেকে, এদিকে রিফাত ওদের খুঁজে পাগল, ওরা কি একবার ও নক দিসে? একটা কল লিস্ট, অথবা একটা ইমেইল, অথবা একটা ফেইসবুক এ নক – কিছুই না। থাকলে একটা প্রমাণ দেখাক। কারণ ওড়া যানে ব্যাপার টা সাজানো চক্রান্ত। ওড়া সব গুলা জিডি / মামলা তে আমাদের নাম, নামবার দিচ্ছে, আর মামলা করতেসে, আর মিডিয়া তে বলতেসে এতো কিছু হয়ে গেসে আর একটা কল দিচ্ছে না মীমাংসা করতে।
সহজ ভাবে নিজেকে ওদের জায়গায় রেখে ভাবেন – আপনার মা বাবা কি করতো। যার সাথে সমস্যা, তাও এতো বড় পরিসর এ, সমঝোতা করে আগে আপনাকে বেড় করার চেষ্টা করতো, এক বার হলেও কি ফোন দিত? কথা বলতো – নাকি উলটা ওদের ফোন না ধরে, মীমাংসায় না বসে মিডিয়া তে যেয়ে কান্না করতো? দরকার টা কি সেইভ ঈশিতা, নাকি সেইভ রিফাত এর সব টাকা তোমাদের বেগ এ?
আমি এগুলোর সাথে কোন ভাবেই জড়িত না, আমিও চাই তদন্ত হোক। একটা মানুষ কোন ভাবেই এতো গুলা জেলার প্রশাসন পকেট নিয়ে রাখতে পারে না যে পর পর ৬ টা জেলা থেকে ৬ টা মিথ্যা মামলা দিয়ে দিবে। আর ওড়া সব জায়গায় কান্না করতেসে এই রিফাত থেকে আমাদের বাঁচান, শুধু আমাকে একটা কল দিচ্ছে না, আর ওরা কল ধরতেসেও না।
সত্যিকার এর নির্যাতন এর স্বীকার আমি, আমাকে ওড়া অনেক গুলা মিথ্যা মামলা দিসে, অশান্ত হয়ে গেসি, পাগল করে ফেলসে এই টাকার জন্য, আমরা বার বার ফোন দিসি ওর ভাই কে, ওর বাবা কে, ওর মামা কে, ফেইসবুক এ নক দিসি, ইমেইল করসি। ভাই কে ফোন দিলে বলে ছোটো ভাই এর সাথে কথা বলে জানাই, বাবা কে ফোন দিলে বলে ছেলের সাথে কথা বলে নাই, মা কে ধরলে বলে ছেলে রা যা বলবে। ঘোড়া চক্কর খাওয়াচ্ছে, আর ভুগাচ্ছে আর বুঝাচ্ছে যে টাকা দও, নাইলে এগুলা বন্ধ হবে না। এক সময় ১০/১৫ লাখ দিয়ে মেনেজ করার চেষ্টা করেছি। সব কিছুর প্রুফ আছে। ওড়া সব মীমাংসার আহবান এর উত্তর লোক মারফত একটাই দিসে – এই টাকায় হবে না, টাকা দেন, বেশী করে, ঝামেলা শেষ।
৪। রিফাত এর সাথে যোগাযোগ এর চেষ্টা করে পাওয়া যায় নাই
মিথ্যা, আমার ইমেইল আমার ফেইসবুক এ বড় করে দেয়া, গুগল এ আমার নাম সার্চ করলেই আমার প্রোফাইল পাওয়া যায় – একটা ইনবক্স / ইমেইল আমি পাই নাই। আমার আগের নামবার বন্ধ অনেক দিন ধরেই, নতুন নামবার পারসোনাল, কিন্তু আমার সাথে যোগাযোগ করা কোন ব্যাপার না। ফেসবুক এ একটা ম্যাসেজ অথবা ইমেইল দিলেই হয়। যোগাযোগ এর সত্যিকার চেষ্টাই করা হয় নাই। বরং আমি যখন যানতে পারি তখন আমি নিজে ইমেইল করি আরিফ শাহরিয়ার কে সব জানিয় গুগল ড্রাইভ এর লিঙ্ক দিয়ে। আমার ভাই ফোন এ কথা বলে। যোগাযোগ তো হয়েছেই।
৫। বাদী পক্ষ এই ৩০ লক্ষ টাকা না দেয়ার জন্য এমন করতেসে
ভুল – এই কথার আর এক দিক হচ্ছে – এই ৩০ লক্ষ টাকা আমাদের লাগবেই (যাক এখানে আবার কিছু ডিস্কাউন্ট পাওয়া গেসে), আর এই সব কিছুর মূল এ হচ্ছে “টাকা” এই টাকা ওড়া দিচ্ছে না। আর আমি বার বার এ বলতেসি – আমাকে টাকার জন্য ব্লাকমেইল করতেসে। আমি এখন ডিস্কাউন্ট এর পর ৩০ লক্ষ টাকা দিলে সব ঝামেলা শেষ। পুড়ো ব্যাপার টা টাকার ওদের কথায় এ ক্লিয়ার। ওরা আমাকে পাগল করে ফেলতেসে টাকার জন্য ওদের কথায় বুঝা যায়। আর ৩০ লক্ষ টাকা আসলে ভাষণ দিলে এদিক ওদিক একটু পাওয়াই যাবে এটা না বুঝার কিছু নাই।

আসেন জানি এই ইনোসেন্ট সোনিয়া আফরিন ইভার আসল রূপ –

নেট এ ঈশিতার এই ছবি ভাইরাল হচ্ছে, ওকে অনেক ইনোসেন্ট লাগছে, আমার নিজের ও বিশ্বাস করতে ইচ্ছা করে, আমার এখন পর্যন্ত আইনত বউ বুঝি আমার লক্ষ্মী, এতো ভালো বউ। কিন্তু বাস্তবতা অনেক আলাদা। এটা ওর আসল রূপ না। আসল রূপ আমি দেখাচ্ছি।
আপনারা ছবি দেখে ওকে ইনোসেন্ট জাজ করেছেন যারা তাদের জন্য আমি কিছু ছবি দিচ্ছি, আমার আর কোন কথার সত্যতা প্রমাণ দিতে হবে না আসা করি। দেখলেই অনেক কিছু বুঝতে পারবেন। ডান দিকে আমি তাকে ভালবেসে অনেক গুলো গোলাপ দিসি, হাসি টা দেখেন, আর বাম দিকে তাকে আমার ব্যাঙ্ক এর কার্ড দিয়ে দিসি, সাথে আমার পকেট এ নগদ যা ছিল তাও দিয়ে দিসি হাসি টা দেখেন।

এই বামের হাসি তা ডানের ছবি তে পেলে জীবন তা অনেক সুন্দর হতো আমার!
এইটা দেখেন এবার – এক গুচ্ছ লাল গোলাপ দিয়ে কি পেলাম, আর এক গুচ্ছ টাকা দিয়ে কি পেলাম –

ভালোবাসা দিয়ে যদি ভালোবাসা পাইতাম, জীবন টা কত সুন্দর হতো!
প্রত্যেক টি অকেসন আসলে – জন্মদিন, বিয়ে বার্ষিকী, তার মধ্যে আমাদের বিয়ে বার্ষিকী ২ টা একটা আক্দ এর, একটা অনুষ্ঠান এর, এছাড়া বৈশাখ, ফাল্গুন, ১১-১২-১৩ তারিখ, যখন কোন কিছু আসতো সব কিছু তে তার গিফট চাই, আর কি গিফট? ক্যাশ দও আমাকে, আমি কিনে নিবো। আমি মুঠি ভরা ভরা টাকা দিসি। ঈদ এর সালামি দিসি ১ লাখ টাকা, এর পর ও দেখি বউ আমার হাসে না, তার পর আরও ৫০ হাজার দিলাম তখন দেখি হাসি দিল। আমি বোকা ভাবতাম, আমার তোমার তো কিছু নাই, আমার কাছে থাকা আর ওর কাছে থাকা – একি। বরং আমার কামাই করা পর্যন্ত দায়িত্ব শেষ, টাকা ওর কাছে থাকলেই ভালো, সব গুছিয়ে দিবে। সব গুছিয়ে “নিয়ে” যে যাবে, এইটা আর বুঝি নাই!
তা কত গুছিয়ে নিসে একটি আইডিয়া দেই – নিচের ছবি টা আমার পারসোনাল ব্যাঙ্ক একাউন্ট এর সেপ্টেম্বের থেকে লাস্ট ১ বছর এর স্টেটমেন্ট, আমার কাছে নগদ ৩০ হাজার এর মত ছিল, নাই কোন বাড়ি, নাই কোন সম্পদ, বাসায় সামান্য খরচ এর পর যা ছিল সব মেম সাহেব খরচ করেছেন, গয়না কিনেছেন, তার আম্মা কে দিয়েছেন, চুপ করে জমাইসেন, দেশ বিদেশ ঘুরেছেন।

রাফি ইসলাম – ওর ছোটো ভাই

যেই ভাই ওর সব জায়গায় পোস্ট করতেসে “রাফি ইসলাম” তার ব্যাপারেও একটু বলা দরকার। এই ভাইয়া সিডনি তে একটি বার এ চাকরি করে, বারটেন্ডার। আর বারটেন্ডার এর প্রধান যোগ্যতা আপনাকে ভালো “মদ খোর” হতে হবে, সব মদ বানাতে পারতে হবে, সব মদ এর আলাদা আলদা টেস্ট বুঝতে হবে। উনিও লোভী – যখন ই যানতে পারসে আমি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ কাজ করি উনি আমাকে বলেছে উনি বিভিন্ন মদ বানানোর রেসিপি ভিডিও করে দিবে, আমি যেন ওগুলা YouTube এ দিয়ে, উনার “কক্টেল মক্টেল” রেসিপি ভিডিও সিরিজ ক্লিকবাঙ্ক এ বানিয়ে দেই। এই বাবদ ভিবিন্ন ভিডিও আমাকে করে সেন্ড করেছে – একটা দেখেন, ভালো লাগবে। https://drive.google.com/open?id=0B… এই ছেলেই ঝগড়ার মধ্যে দেশ এ এসে মামলা গুলো সাজিয়ে দিয়ে যায়, সব প্লান এর হেড। অযথা এগুলা না করে, এই ভিডিও গুলো বানালে কিন্তু ভালোই সেল দিয়ে দিতে পারতাম, বেশী টাকা পেতো।

এবার আসি মুক্তি যোদ্ধা পরিবার

আমার নানা সত্যিকার এর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, ফ্লাইট সার্জন ছিলেন, উনি যুদ্ধ করেছেন, এর পর উনার অস্ত্র জমা দিয়েছেন, কোন দিন দেখি নাই সার্টিফিকেট এর পিছে দৌড়াতে, অথবা সব জায়গায় যেয়ে এইটাকে ঢাল বানিয়ে ব্যাবহার করতে। আমার মামা শহীদ ফ্যামিলি হিসাবে DOHS এ বাড়ি পেয়েছে, তাদের ও দেখি নাই কোথাও যেয়ে এরকম ব্যাবহার করতে। যারা সত্যিকার এর মুক্তি যোদ্ধা ওদের বেপার ই আলাদা। এই ট্যাগ তাড়া ভালবাসে, ব্যাবহার করে না। সোনিয়া আফরিন ইভা এর বাবার বারি বরিশাল এর বানারিপারা, সরূপকাঠি। আমার একটি দুর্বলতা আছে, আমি যুদ্ধের গল্প শুনতে পছন্দ করি। আমি বিয়ের পর অনেক বার এ জিজ্ঞাস করসি যুদ্ধের সময় কি দেখসে উনি, উনি বার বার এ বলসে উনি যুদ্ধের সময় ঘরে ছিল। আমি কোন দিন শুনলাম না, আজকে হটাত “মুক্তিযোদ্ধা” বেপার টা কেমন খটকা লাগে। যদিও কোন প্রমাণ নাই, তবে আমার ধারনা এটা এই নিচের নিউজ গুলোর মতই একটি হওয়ার দাবিদার।
এই কিছু নিউজ দেখেন আইডিয়া পাবেন –

আমি কি চাই

এই হচ্ছে আমার স্টেটমেন্ট, আমাকে একটার পর একটা মিথ্যা মামলা দিয়ে, এর পর ভিবিন্ন ফেইক আইডি দিয়ে উল্টা পাল্টা কমেন্ট করে, আমি যেখানে চাকরি করি সেখানে আজে বাজে ইমেইল ও ওদের পেইজ এ যেয়ে উল্টা পাল্টা পোস্ট দিয়ে, এখন ভিবিন্ন মিডিয়া তে যেয়ে সত্যি লুকিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে, আমাকে চরম ভাবে সামাজিক ভাবে হেয় করে দিনের পর দিন ব্লাকমেইল করতেসে টাকার জন্য। আর এই ব্যাপারে বিজ্ঞ আদালত এ মামলা চলমান।
মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলা দিয়ে হচ্ছে পুরুষ নির্যাতন! এই ব্যাপারে আমি জাস্টিস ফর ওমেন এর সাথেই কথা বলবো, আপু মনেহয় জাস্টিস ফর ম্যান ও খুলেছে! – এই ইভা ও তার পরিবার কি চায় –
১। ওরা কি চায় আমাকে মেরে ফেলতে? যা শুরু করসে কয় দিন পর টাকা না দিলে তো খুন ই করবে দেখা যায়, আমার ভাই কে মারসে, আমাদের থ্রেড দিসে অনেক বার, ভয়ে আতঙ্কে থাকি, ইভেন্ট করি না, পাবলিক পোস্ট দেই না, কোন কথায় কি আক্রমণ করে বসে এই ভয়ে।
২। আর যদি টাকা চায়, তাহলে আমি চাই যানতে কত টাকা চায়, কেন চায়? কাবিন – খোরপোষ – যৌতুক ফেরত এর টাকা হলে তো আইনত ওরা মামলাই করসেই, সেখানে বিজ্ঞ আদালত যা রায় দিবে তাই মাথা পেতে নিবো। আর জেহুতু মামলা স্টে হয়ে আছে, তাই এখন আইন কানুন এর বাইরে এসে আমাকে ব্লাকমেইল করা বন্ধ করে, এই সব সাত পাঁচ না দেখায় ভালো থাকতে দেয়, তাহলে এতো কিছু নেয়াড় পর, আরও কত টাকা নিবে? আমি চাই – সবাই এক টেবিল এ বসি, কুঞ্জ আপু থাকুক, তানভীর ভাই থাকুক, ওদের উকিল থাকুক, আমাদের উকিল থাকুক, উনার সামনে ওরা প্রমিস করে যাক যে এতো টাকা আমাদের দিলে আমরা মামলা তুলে, ডিভোর্স ফাইল করতে দিবো, আর ভবিষ্যৎ এ আরও মামলা করে হয়রানি করবো না।
যদি টাকা এর এমাউন্ট আকাশ পাতাল না হয়, তাহলে আমি দিয়ে দিবো। এই ঝামেলা আর সহ্য হয় না। আমার দাড়া ওদের কোন ক্ষতি হয় নাই, ভবিষ্যৎ এও হবে না। এতো কিছুর পর ও আমি একটা পোস্ট পর্যন্ত করি নাই, মুখ খুলি নাই, যেন ওরা ছোটো না হয়। আর ওরা সব সময় এ চেষ্টা করেছে, যার পর নাই ছোটো করার, এখনো করতেসে।

এখন আমি একটু আসি পিছন এর কথায়। কি এমন ঝগড়া হল, এতো কিছুর শুরু কথায়। এপ্রিল ২০১৬ তে চলে যাই। গত বছর নববর্ষ।

এখন যারা আমার ফেইসবুক এ পুরানো বন্ধু, আমাকে ফ্যামিলি লেভেল এ চিনেন, কাছে থেকে দেখেছেন আপনারা জানেন আমি ঈশিতা কে প্রচুর সময় দিতাম, ওর ভালোবাসার অভাব ছিল না, সব সময় আমরা ঘুরতেই থাকতাম, সবার চোখে আদর্শ জুটি, বন্ধু দের সাথে আড্ডা তো পরের কথা, এমন কোন মিটিং, বা সেমিনারও কি আপনারা কেও কি আমাকে দেখেছেন যেখানে আমি আমার বউ কে নিয়ে যাই নাই? সারাক্ষণ মাথায় তুলে রাখতাম, যা চাইতো দিতাম।
এই ছবি টা দেখেন আইডিয়া পাবেন, এতো কিছুর পর ও কিছুই ডিলেট করে নাই, অনলি মি করে রেখে দিসি। শুধু খারাপ লাগে এই লেখা কত ভালো থাকতে পারতাম আমরা চিন্তা করে।
এখন আপনাদের অনেকের মাথায় ই এই প্রশ্ন টা আসবেই আসবে, রিফাত ভাই তো ভাবি কে কম দেয় নাই, সব সময় ই দেশে বিদেশে ঘুরাতে নিয়ে গেসে, সচ্ছলতা ছিল, টাকা / ভালোবাসার অভাব না থাকলে কেন এই মামলা করতে গেলো, ভালোবাসা পাচ্ছিল, ভালো ছিল, টাকাও পাচ্ছিল, তাহলে সোনার ডিম পারা হাস কেন জবাই দিতে চাচ্ছে? আসলে কাহিনী কি?
এখন বলি এই সব কিছুর নেপথ্যে – কেন এগুলা করলো। কি আমার দোষ। কি সেই ঝগড়ার কারণে ও বাবার বাড়ি চলে গেলো। আর এখন কেনই বা এমন করতেসে।
বিয়ের পর থেকে আমাদের মধ্যে একটা সমস্যা হয় – এতো বছর এর প্রেম এর বিয়ে, সব কিছু সেটেল থাকার পর ও কোন ভাবেই সে বাচ্চা নিবে না, এমন কি এটি এতো ভয়াবহ পর্যায় ছিল যে প্রেগন্যান্ট হওয়ার ভয়ে সে আমাকে কাছেই আসতে দিত না। আমি দুঃখে বিড়াল পালি, পাখি পালি, কুকুর পালি, কিন্তু নিজের বাচ্চা আর পাই না। এই মেয়ে কোন ভাবেই রাজি না।
আমি এতো কথা বলি, এতো মাথায় করে রাখি, ওকে এতো সিকিউরিটি দেই, এর পর ও না। আমার আগেই বুঝা উচিত ছিল, কিন্তু বুঝি নাই, সব কিছু ছবির মত সুন্দর ছিল, সোনা যান ময়না চান বলতো আর আমি সব টাকা পয়সা দিয়ে ভাবতাম এটাই তো জীবন! আমি কামাই করি, বউ সংসার চালায়! আমি ওকে অন্ধের মত বিশ্বাস করতাম।
হটাত একদিন ও বাথরুম এ গেলে ফোন এ FB msg পপ করে আর মাত্র ফোন রেখে যাওয়াতে এখনো লক হয় নাই। FB MSG টা স্ক্রিন এই পড়া যাচ্ছিলো, একটু দেখেই খটকা লাগে, তখন আমি ম্যাসেজ টা দেখি। আগের লাইন এই দেখি ঈশিতা বলতেসে – ছোটো ডাইনি আর বড় ডাইনি (ওর ননদ ও শাশুড়ি) কে সুযোগ পেলে ৬ তালার বারান্দা থেকে ফেলে দিবে।
এর পর আরও কিছু MSG পরার পর সাথে সাথেই বুঝতে পারি ঈশিতা 2 Face. সামনে খুব ভালো কিন্তু পিছনে খারাপ কথা বলে। সামনে বলতেসে “মা” পিছে বলতেসে “বুড়ি মাগি, ডাইনি”।
আমাকে সামনে বলতেসে “তোমার সাথে সারাদিন আটকে থাকতে ইচ্ছা করে” আর পিছে বলতেসে সবাই কে “আমি এখানে আটকা পরেছি”।
ফেইসবুক এ আর বেশী কথা থাকত না, শুধু বলতো ফোন এ বলতেসি। আর কিছু চ্যাট দেখেই আমার মাথা খারাপ হয়ে যায় ওঁর আসল রূপ টা যেনে। এতো খারাপ, এতো ভয়াবহ। তখন পুড়ো ব্যাপার জানার জন্য ওর ফোন কল শুনা দরকার হয়ে পরে, কারণ এখানে আমার বউ এর গীবত করার প্রাইভেসি এর চাইতে অনেক বড় ব্যাপার আমার লাইফ জড়িত।
ঈশিতা জানত এন্ড্রয়েড সেট এ স্পাই এপ সেট করা যায়, কারণ সে তার বড় ভাই এর বউ এর মোবাইল এ নিজে স্পাই এপ সেট করিয়েছে। আর এটাও জানত কমদামী ফোন এ এইটা করা যায় না – এর পর থেকে ও কোনোদিন এতো বলার পর ও কোন দামি ফোন ব্যাবহার করে নাই। ও সবসময় ই “Backbite” করতো তাই সুযোগ এ নেয় নাই, সবসময় সস্তা ১৫০০ টাকার একটা নোকিয়া ফোন ব্যাবহার করেছে। আর সবাইকে বলে বেড়াতো “আমার কি দামি ফোন এর কপাল আছে”।
আমি সবসময় এ ইশিতার কাছে যানতে চাইতাম কি চায় ও, কি করলে ভালো থাকবে, কেন আমাকে দুরে সরায় রাখে, কি করবো আমি, অনেক চেষ্টা করেছি জানার আর ঈশিতা অনেক সতর্ক থাকত, তাই আমি জানার সুযোগ পাই নাই কোন দিন ও আসলে কি চায়।
এর পর আমি ওর ফোন এ আমার ফিঙ্গার প্রিন্ট সেট করে, প্রায় সুযোগ পেলে ওর ফেইসবুক ম্যাসেজ দেখতাম আর আতঙ্কে নীল হয়ে যেতাম। আর ফোন কল শুনার জন্য পাগল হয়ে যেতাম, কারণ এই মেয়ে চ্যাট এ ভয়ানক কথা বলতেসে – আমার জন্য ছেলে দেখিস, আরেকটা জামাই দেখ, আমাকে একটাকাও দেয় না, আমার হিসাব সহজ ওকে হয় আমি খাবো, নাইলে আর কেও খাবে না, আমি যা ইচ্ছা করবো, ও কিছু করতে পারবে না। আমার ভালো না লাগলে আমি ডিভোর্স দিবো, ও দিতে পারবে না, দিতে গেলে ওর ১৪ গুষ্টি কে জেল এর ভাত খাওয়াবো, হা গয়না গাটি সব আমার নামেই ইত্যাদি এগুলো ভিবিন্ন মানুষ কে বলে আর আমি দেখে আতিঙ্কিত হই।
এর পর আমি যখন যানতে পারি ওর একটি বান্ধবীর সাথে ও সব কথা শেয়ার করে আমি সুযোগ মত ওর বান্ধবীর সাথে খাতির করি, আর ওর ফোন এ অটো কল রেকর্ডার ছিল আমি সেখান থেকে সুযোগ মত ওর আর ঈশিতার ফোন কল গুলো নিয়ে নেই।
আমার উদ্দেশ্য ছিল, জানার জন্য ঈশিতা আসলে কি চায়, কি হলে ও ভালো থাকবে, আমার কি দোষ, আমি আর কি করলে ও খুশি হবে – কারণ ও আমাকে নিজে কিছুই বলে না, সব সময় বলে ভালো আছি, সব ঠিক আছি। কোন দিন সত্যিও বলে নাই।
অল্প কিছু দিন এর মধ্যে আমি যা যানতে পারি সেটা আসলে খুব ই খারাপ।
ভয়ঙ্কর নোংরা মন মানসিকতা, ও প্রচণ্ড লোভী একটি পরিবার এর এই মেয়ে। আমি কিছু অডিও ক্লিপ প্রমাণ সরূপ এড করতেসি, শুনে দেখেন। যারা ওর রেডিও তে করা শো ভালোবাসার বাংলাদেশ শুনেছেন, ওরা ভয়েস চিনতে পারবেন।
ঈশিতা সবাইকে বলে “আমাদের হানিমুন এ নাকি আমি আমার মা বোন কে নিয়ে গেসি আর উনারা লাইভ দেখত সব কিছু, আর দেখায় দেখায় দিত কি করা লাগবে, । এই অডিও টা শুনেন (প্রমাণঃ অডিও ১), অবিশ্বাস রকম নোংরামি কথা, হাসি মুখে।
দুঃখের কথা, আর নিচের ছবি টা দেখেন সত্যিকার এ আমাদের প্রথম হানিমুন এর ছবি। ঈশিতা ওর বাবা ও মা কে নিয়ে গেসে আমাদের সাথে! আমি কিছু বলি নাই।
কিরকম নোংরা মন ও মিথ্যুক হলে এরকম বলা সম্ভব আপনি আশা করি বুঝেন।
শুনতে অনেক খারাপ লাগবে, আমার বলতে আরও বেশী খারাপ লাগবে, কিন্তু এইটা বলা উচিত। এই ঈশিতা মেয়ে তা যে কত খারাপ, এর পরিবার যে একে কি শিক্ষা দিসে, আমি জানি না। এই মেয়ে মানুষ কে যেয়ে বলে – আমি নাকি আমার আম্মার জামাই (নাউজুবিলাহ), আম্মা কে দেখে আমি উত্তেজিত হয়ে যাই নাউজুবিল্লাহ। (প্রমাণঃ অডিও ২) আল্লাহ মাফ করুক। অডিও টা শুনলে মনে হোক কান পচে গেসে।। একটি মেয়ে, যে এক সময় মা হবে, সে মা-ছেলে নিয়ে এমন কথা কেও বলতে পারে, এরকম জঘন্য কথা বলতে পারে পবিত্র মা ছেলের সম্পর্ক নিয়ে, আমার ধারনা ছিল না।
এইটা কল্পনার অতীত। সবচেয়ে খারাপ মেয়ে মনে হয় এতো খারাপ কথা বলে না। আর যে মেয়ে ছেলের সাথে মা কে জড়ায় বাজে মিথ্যা কথা বলতে পারে সেই মেয়ে দুনিয়ার সব মিথ্যা বলতে পারে। এখানেই শেষ না, বিভিন্ন জায়গায় ছরাইসে আমি পরকীয়া করি ইত্যাদি ইত্যাদি। কিছুই বলার নাই। আর প্রতিবার যখন আমি ফোন কিনে দিতে গেসি এক বার বলে ফোন না ট্যাব দও, দিলাম কিনে, এর পর দিতে চাইলাম বলে ফোন না আইপেড দও, দিলাম কিনে, এর পর আবার ফোন দিতে চাইলাম বলে ফোন না ল্যাপটপ দও, দিলাম আবার ম্যাকবুক কিনে। আর সবাইকে বলে বেড়ায় তার মা তাকে আইফন দিসে, আর আমি সস্তা ফোন দিসি! মিথ্যা বলার একটা সীমা থাকে। তার পিছে আমি কত টাকা খরচ করসি সীমা নাই, আর আম্মা কে একটা ১১ হাজার টাকা দামের একটা ফোন কিনে দিসি এতে তার পিত্তি জলে গেসে, কারণ ওই টাকাও টাও তার চাই।
আমার আম্মা ঢাকার বাইরে গিয়েছে – ও বলতেসে – আল্লাহ যেন বাসায় না আনে, না আসলে ভালো হয়, মাগি যেন ওদিক থেকেই মরে যায়, এছাড়াও অনেক বাজে কথা যা আসলে বলার মত না, শুনে দেখেন (প্রমাণঃ অডিও ৩)। এটা হচ্ছে পিছন, আর সামনে কিন্তু আম্মু কে জড়ায় ধরে মা মা ডাকে। পিছন তো শুনলেন, সামনের দিক টা এই ছবি তে দেখেন –
আমার আম্মার উপর ওর একটাই রাগ – ওর মা সপ্তায় সপ্তায় আমাদের বাসায় আসতো, আর ঈশিতা অনেক গুলো করে টাকা (সারা সপ্তায় আমার কাছে থেকে যা নিতো / মারত) ওর আম্মার হাঁতে দিত, আর একদিন আমার আম্মা দেখে ফেলে আমাকে বলে দেয়।
ওরা সবাই ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরে, কিন্তু যত রকম Black Magic আছে সব করেছে আমার শাশুড়ি আর ঈশিতা মিলে – আমি যেগুলা জানসি সেগুলার বর্ণনা দেই – পরা পানি, পরা লবণ, পরা চিনি, ৩ গিট দেয়া সুতা পরা, ৭ টা পরা কাগজ সরিষা তেল এ ডুবায় আগুণ এ জালানো (প্রথম ২ টা শাশুড়ি, পরের ৫ টা ঈশিতা), তাবিজ, কালো কুকুর কে রুটি খাওয়ানো, আমার জামা চুল এর অংশ বক্স এর ভরে নদিতে ফেলা – এর বাইরে কত কি করা হইসে জানি না। আমি কিছু তাবিজ উদ্ধার ও করসি, ভিতরে এগুলা ছিল – নিচের ছবি দেখেন। YouTube ঘেঁটে ঘেঁটে পাইসি এগুলাকে abjad chart বলে – মূলত জাদুগর রা জিন চালান দিতে ব্যাবহার করে, বশীকরণ এর জন্য।
আমি এগুলা ভয় পাই না, কিন্তু স্ট্রেস টা আসে, খারাপ লাগে, কেন। আমি তো এমনেই তোমার সব কথা শুনি, যা চাও তাই দেই – এর পর ও একটি মুসলিম পরিবার এর মেয়ে, বউ হয়ে, এই সব কুফরি কালাম কিভাবে করে।
আমি শুধু এক জন এর সাথে একটু কথা শুনেই এতো অবাক হইসি, আর সেখানে ও এতো মানুষ এর সাথে গল্প করে – আমার বুঝার বাকি থাকে না, কোথাও আমার মান সম্মান নাই, আমাকে শুধু মাত্র ব্যাবহার করতেসে নিজের জন্য, আমি স্বামী না, আমি শুধু এটিএম মেশিন, আর এই মেয়ে খুব তাড়াতাড়ি সর্বনাশ করবে।
সবচেয়ে বেশী অবাক হয়েছি যখন জানসি সব কিছু ওর আম্মা, মানে আমার শাশুড়ি যানে, সব কিছু তে উনার সাপোর্ট আছে – যার পর নাই অবাক হইসি, বিশ্বাস করতে পারি নাই, তার পর আমি এতো কিছু না ভেবে শাশুড়ির ফোন এও কল রেকর্ডার ইন্সটাল করে দেই – আর সাথে সাথেই বুঝতে পারি – ঈশিতা কেন এতো খারাপ কাজ করতেসে। কারণ গোঁড়ায় গলদ। ছোট্ট একটা উদাহারন দেই – বাসা থেকে বেড় হয়েই ঈশিতা তার আম্মু কে বলতেসে “বুড়ি মাগি টা কি করসে জানো? আর ওর আম্মা বলতেসে – হ ওই ভুস্কি মাগি”, (প্রমাণঃ অডিও ১২)
মেয়ের মা – মেয়ে কে শাসন না করে, মুরুব্বি দের সাথে বেয়াদবি যেন না করে এই শিক্ষা না দিয়ে – নিজেই গালি দিলে – মেয়ে কি শিক্ষা নিবে? শাশুড়ি বউ কে জামা দিলে – মা শিখায় দিতেসে ওই জামা পরার দরকার নাই, ঈদ এ ফকির কে দিয়ে দিতে। এই বুদ্ধি দিলে কি মেয়ের সংসার এ শান্তি হবে?
আমি বুঝতে পারি, এই মেয়ে, এই মেয়ের পরিবার এদের অনেক টাকা আছে, কিন্তু এরা ভয়ানক লোভী, যত টাকাই হোক, টাকার নেশা কমবে না। এখন বুঝতে পারি কেন তার বাবা ২ টাকা কমাতে ১ ঘণ্টা রিকসা আলার সাথে ঝগড়া করে, ঈদ এ আমি দারোয়ান কে ৫০০ টাকা সালামি দিলে কেন আঁতকে উঠে। এদের কাছে মান সম্মান সম্পর্ক কোন কিছুর এ দাম নাই, শুধু দাম আছে টাকার।
এছাড়া ঈশিতা আমার অফিস এ ও বসত শুধু ক্যাশ কালেকশন এ, এখনো অনেক মানুষ এর ফোন পাই, ভাই আপনার অফিস থেকে এসে ৯,০০০ টাকা দিয়ে টিওটরিয়াল নিয়ে গেসি, কিন্তু আমি আমার হিসাবের খাতায় বা কোথাও কোন নাম পাই না। অনেকমানুষ আমার কাছ থেকে টিওটরিয়াল নিয়েছে, আর আমি ব্যাঙ্ক হিসাব নিয়ে মাথা ঘামাতাম না, কারণ বউ দেখত, পরে দেখি আমার ব্যাঙ্ক এ অর্ধেক এর কম হিসাব আছে, বাকি অনেকের এ হিসাব নাই!

৩০ লক্ষ টাকা কাবিন!

বিয়ের সময় এর একটা ঘটনা না বললেই না, প্রেম এর বিয়ে, খেজুর দিয়ে কাবিন করলেই বা কি, আমি ৩ লক্ষ টাকা কাবিন এর কথা বলি, এর পর ভরা বিয়ের মজলিস এ আমাকে ঈশিতা বলে ৩০ লক্ষ টাকা কাবিন না দিলে ওর মান সম্মান থাকবে না, কারণ ওর বোন রা, এরা ওরা এতো এতো পাইসে ওকে এর কম দিলে ইজ্জত থাকবে না। আর এ ছাড়া ও এখন বিয়ে বসবে না, এতো আত্মীয় সজন এর মাঝে কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে, মান সম্মান বাঁচাতে আমি রাজি হয়ে যাই, আর আমাকে বিয়ে তে ব্লাকমেইল করে ৩০ লাখ টাকা কাবিন নেয়া হয়। আমার মনে ৩ লাখ ধরা ছিল, আমি ৫ লাখ উসুল দিসি, এছাড়া আমাকে বার বার এ বলসে এই টাকা তোমাকে দিতে হবে না, এইটা শুধু আমার জন্য, এটা মাফ। আমি আর কিছু বলি নাই, আমার পুরা পরিবার এর সাথে ঝগড়া করে ব্লেকমেইল এ পরে অস্বাভাবিক কাবিন দিয়ে বিয়ে করি।
আর বিয়ের পর থেকেই ওর তাল বাহানা শুরু হয়ে যায়, সামনে আসতে দিবে না, বাচ্চা নিতে দিবে না, লাখ টাকার নিচে সালামি হবে না, ৫০ হাজার এর নিছে কোন অকেসন এ গিফট হবে না, শখ করে একটা বুরকা কিনসে Siccasso নামে একটা দোকান থেকে, ওই বুরকার দাম ও ২৪ হাজার টাকা! ওর কথা না শুনলেই “আত্মহত্যা” এর ভয়, বারান্দায় যেয়ে লাফ দিবে, গাড়ির নিচে লাফ দিবে। আমার মনে হইসে টাকাই তো, আচ্ছা দেই, ভালো থাক, আর আদর পেলে ভালোবাসা পেলে ভালো হয়ে যাবে।

কনফেস

যাই হোক আমি ভুল ছিলাম, সব জানার পর আমি ঈশিতা কে সরাসরি বলি, আমি এগুলা সব যানতে পারসি, তুমি 2 face, তুমি ব্লাকমেইল করে যা কাবিন করস এর ৩ গুন টাকা কাবিন এর কথা বলেই নিয়েছ, এছাড়া ৬০ ভরি এর মত গয়না নিয়েছ। তোমার কাবিন এর কাগজ টা বাপের বাড়ি থেকে আনো, এনে আমাকে উসুল লিখে দও।
ওর মা কে ফোন দেই, দিয়ে বলার চেষ্টা করি আপনার মেয়ে এতো এতো মিথ্যা বলসে – এগুলা করসে – ওর মা আমাকে উত্তর দেয় – মাফ করে দিতে পারলে দও, নাইলে হালায় দিলে হালায় দও, অইডা কোন ব্যাপার না! (প্রমাণঃ অডিও ১৫ )
এরপর ঈশিতা কান্না করে আমার কাছে মাফ চায়, বলে ভুল হয়ে গেসে, এমন আর হবে না, ইত্যাদি ওর কান্না দেখে আমার মন গোলে যায়, এতো বাজে কথা, এতো বাজে কিছুর পর ও আমার মনে হয় সবাই সেকেন্ড চান্স ডিজারভ করে। আমি মাফ করে দেই, আর ওকে প্রমিস করাই আর এগুলা না করতে। কিন্তু এটাও সাফ সাফ বলে দেই, এখন থেকে টাকা পয়সা সব আমার হাঁতে থাকবে, প্রয়োজন এর অতিরিক্ত পাবে না।

সব নিয়ে বাপের বাড়ি

এর পর সন্ধ্যায় বাসায় এসে দেখি সকালের কান্নায় ভেঙ্গে পরে ঈশিতা বাসা থেকে সব গয়না, পাসপোর্ট, আলমারি তে রাখা টাকা সব নিয়ে বাপের বাড়ি চলে গেসে। আমার ফোন ও ধরেনা। আমি ওকে সাথে সাথে আনতে যাই, আমি অনেক বার এ বলসি বাসায় চলও, কিন্তু পরে ওর আব্বা আমার ঘাড় এ হাত দিয়ে বলে – আমি অনুরধ করার কেও না, আমি তোমাকে আদেশ করতেসি, তুমি বাসায় যাও আমার মেয়ে যাবে না। এর পর কিছু বলার থাকে না, ইজ্জত ও থাকে না, আমার বউ আমার পাসে বসে সব দেখতেসে আর শুনতেসে কোন কথা বলে না, এই টুকুও বলে না বাসায় যেয় না তুমি থাকো এখানে আজকে, অথবা এখন বাসায় যাও কালকে আসবো – কিছুই না। এর পর আমি রাগের মাথায় এ বলি মেয়ে এখন না দিলে আমি আর নিব না, আপনার আম্মা বলে যাও যাও নওন লাগবে না। কিছু না বলে আমি মন খারাপ করে চলে আসি। আর বলে আসি – বাসায় পাঠালে আমাদের গয়না, আর আমাদের কাবিন দিয়েই বাসায় পাঠাবেন। ওগুলা আমাদের, আমাদের বাসায় ই থাকবে, আপনাদের বাসায় না। অনেক ছার দিসি, আর না।
আসলে মা যদি মেয়ের সংসার এভাবে নষ্ট করতে উৎসাহ দেয় – কি বলার থাকে। এই হল আমাদের ঝগড়া, ওর বাপের বাড়ি চলে যাওয়া।

লম্বা বিরহ!

এর পর আমাদের কথা হতো, আমি সারা দিন এ ম্যাসেজ দিতাম ফেসবুক এ, ও সব দেখত উত্তর দিত না, প্রায় ১১ দিন আমার একটা ফোন ধরে নাই, হটাত বাসায় এসে হাজির এমন ভাবে যে কিছুই হয় নাই – তখন আমি বলি কাবিন নিয়ে আসো, তোমার আব্বা আম্মা কে আসতে বল, কথা বলে দিয়ে যাক। আমাকে শাসিয়ে চলে যায় – দেখে নিবে আমাকে, দেখিয়ে দিবে। ওর আমার মধ্যে কেন আমি ওর মা বাবা কে আসতে বললাম, আমার এতো সাহস কেমনে হল! বলে দড়াম করে গেট লাগায় আবার চলে যায়।
এতো কিছুর পর এও ওকে ছাড়া থাকতে পারি না তাই, এর পর আবার বেশ কিছু দিন যায় আমি আবার নরম হয়ে যাই, ওর রাগ ভাঙ্গানর চেষ্টা করি, আমি ফোন দেই, আমার আম্মা ফোন দেয়, কারো ফোন ধরে না, আমি আপসোস এ শেষ বাসায় আসলো, কেন বললাম কাবিন এর কথা, ওর বাবা মার কথা এই দুঃখে আমি প্রায় শেষ। আমি সম্পূর্ণ অসুস্থ হয়ে যাই, তখন আমার আম্মা ওদের বাসায় যায় আগস্ট এর ৮ তারিখ এ, প্রায় এক ঘণ্টা ওদের বুঝায় বলে আমার ছেলে অসুস্ট হয়ে গেসে, বউ কে দেন, ঈশিতা ঘরে চলো, ওরা সাফ বলে না বাসায় যাবে না, আমার ছেলেরা যা বলবে তাই, অনেক কিছু হয়ে গেসে, পানি অনেক দুর গড়ায় গেসে। পুরা ১ ঘণ্টা রেকর্ডিং আছে, যেটা আমরা কোর্ট এ জমা দিসি। ওরা এতো ধূর্ত জানার পর রেকর্ড ছাড়া কথা বলতাম না।
এর পর আবার ঈশিতা কথা বলতো, আমি বলতাম, আসতে আসতে ভালো হয়ে যায় সব, এর পর আমরা সেইইই সেপ্টেম্বার এর ৬ তারিখে দেখা করি। ঘটনা মিলে গেসে আসা করি। আসলে এখনে যত দিন পারসে বানায় খাইসে, যেমনে পারসে টাকা লুটপাট করসে, আমি যেই জানসি আর সাথে সাথে পাসপোর্ট নিয়ে যেয়ে অস্ট্রেলিয়া তে যাওয়ার জন্য এপ্লাই করসে, অবশ্যই ওখানে আরও বেশী কাবিন এ আরও বড় মুরগি পাওয়া যাবে হয়তো, আর এদিকে এই সব নাটক করে টাইম নিসে মামলা সক্ত করতে, যেন একবারে আটকে ফেলতে পারলে আমরা টাকা দেই, আর সেই টাকায় ওরা অস্ট্রেলিয়া জেতে পারে। আর এদিকে আবার একটু একটু কথাও বলতো আর আমি ঝগড়া হইসে, ঠিক হয়ে যাবে ভেবে GD পর্যন্ত করি নাই।
আর একটা ব্যাপার তো খুব সাধারণ – ভদ্র ঘরের মেয়ে দোষ করলে বাবা মা বোকা দেয়, ওতে সায় দেয় না, আর কোন ভালো পরিবার সবাই মিলে যোগ সাজস এ এভাবে কোর্ট এ দওরা দওরি করে মিথ্যা যৌতুক মামলা দেয় না। সমস্যা হলে সেটা মুরুব্বি রা বসে, সম্মান এর সাথেই সমাধান হয়। আর কোর্ট এ ডিভোর্স চাইলে কোর্ট কাবিন এর টাকা কিস্তি করে দেয়, তাই ওদের মাস্টার প্লান ছিল আমাকে ফাঁসিয়ে টাকা নিবে, নিয়ে আর আসবে না, কারণ যা নিসে আমার কাছ থেকে ৩ বছর এ, যথেষ্ট, পরিচয় এর সময় তিন শেড বাসায় থাকতো, এখন থাকে নিজেদের ফ্লাট এ! আর এখন জেহুতু আমি যেনে গেসি আর বানাতে পারবে না, তাই এক বারে যা পাওয়া যায় সেটার জন্য ছক কশে এই প্লান। কোর্ট এ ডিক্রি পেলে কিস্তি তে টাকা পাবে, তাও সম্পূর্ণ না, তাই এভাবে ফাঁদ এ ফেলে একবারে নিতে এই কাজ।
লিগালি না পেরে, এর পর সাইবার স্পেস এ, ওখানে না পেরে এর পর মিডিয়া তে। এর পর কি করবে – আমার গলায় চাকু ধরবে?
আপনারা যারা আপনাদের বউ কে কাবিন এর টাকা দিসেন – কয় জন লিখিয়ে নিসেন? আমাকে সবাই দোষ দিসে আমি বউ মাথায় তুলে রাখসি, কিন্তু আমার মনে হয় নাই দোষ করসি, আমি বউ কে সম্মান দিয়েছি, রানির মত মাথায় তুলে রেখেছি।
সবাই বলে বোকার মত সব কিছু বউ এর নামে কেন দিসস, এখন সব নিয়া তো পালাইসে। আমার মনে হয় নাই আমি বোকার মত কাজ করসি, আমার মনে হইসে বিয়ে একটি সুন্দর সম্পর্ক, এখানে ২ জন মিলে এক জন, অন্ধর মত বিশ্বাস করা যায় পরস্পর কে।
আমার সম্পর্কে সততা ছিল, ভালোবাসা ছিল, বিশ্বাস ছিল, আর উনি সবগুলো এমন ভাবে ব্যাবহার করসে টাকার জন্য, যার কোন জবাব নাই।
সুন্দর একটা সম্পর্ক, লোভ এর জন্য, টাকার জন্য শেষ করে দিল, এখন আমার সামাজিক অবস্থান টাকে শেষ করে দিয়েছে হয়তো জানি না।
আপনাদের মধ্যে যারা মনে করেন আমাকে সাপোর্ট করেন, আমি চাই এই পোস্ট টি শেয়ার করেন, আমাকে কমেন্ট এ জানান আপনি আমাকে সাপোর্ট করেন।
এখন পুরা ব্যাপার টা শুনে যদি আমাকে একটু মেন্টালি সাপোর্ট ও দেন, অনেক।
তবে একটা ব্যাপার – যখন ভেঙ্গে পড়ার কথা, তখন আমি নিজেকে গড়ে তুলেছি যখন চাকরি যাওয়ার কথা, আমি প্রমোশন নিয়েছি যখন আমার বাসা ছেড়ে ঝুপড়ি তে পালায় থাকার কথা, তখন আমি ডুপ্লেক্স এ বাসা নিয়ে বুক ফুলায় থাকতেসি এখন যখন আপনাদের সবার মনে হচ্ছে – আমার লাইফ শেষ, আমি দেখিয়ে দিবো, লাইফ মাত্র শুরু আজকের চাইতে অনেক ভালো অবস্থান এ যাবো। আর যখন মনে হইসে আমার ছোট্ট বোন টি পরীক্ষাই দিতে পারবে না, ও আল্লাহ এর রহমত এ GPA5 পেয়েছে!
আমি সৎ, আমি কাজ পারি, আমাকে মিথ্যা দিয়ে আটকানো যাবে না।
অনেক কিছু নিয়ে মানসিক ভাবে এতো দিন একটু খারাপ ছিলাম, এখন আপনাদের সাথে শেয়ার করার পর ভালো লাগতেসে। আপনারা এখন জানেন কেন আমি এতদিন একটু কম কাজ করেছি, কেন পিছিয়ে ছিলাম। প্রায় ১ বছর আমি এগুলার মধ্যে, আমাকে অনেকেই দেখেছেন, কেও বুঝতেও পারেন নাই কি হচ্ছে। আমি এদের কাছে মাথা নামাব না, যাই হোক। আমি আবার আগের চেয়ে বেশী উদ্যম এ কাজ করবো, যে সাপোর্ট দিবে তাকে নিয়ে আগাব, কেও না দিলে একাই আগাব।
একটা মেয়ের মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলার মাধ্যমে পুরুষ নির্যাতন এর স্বীকার হয়ে, তার প্রতারণা, লোভ, ব্লাকমেইল এর স্বীকার হয়ে মাথা নামায় আমি যাবো না। টাকা দিলে হয়তো এগুলা কিছুই হতো না, কিন্তু সারাজীবন এর জন্য নিজের কাছে হেরে যেতাম, এখন টাকা দেই নাই, যুদ্ধ করতেসি কারণ আমি রাইট, আপনাদের সবার কাছে হয়তো ছোটো হয়ে গেসি , কিন্তু সারাজীবন আমি আমার কাছে বড় থাকবো, আর নিজের কাছে নিজে পরিষ্কার থাকা তাই সবচেয়ে বড়।
পরিশেষ এ ২ টা কথাই বলবো –
আমার জন্য দোয়া কইরেন, আমি যেন একটু শান্তি পাই এই সব থেকে। আমি জাস্টিস ফর ওমেন এর মাধ্যমে কথা বলবো ওদের সাথে – কি করলে ওরা শান্তি পাবে।
ওদের জন্নও একটু দোয়া কইরেন, টাকাই যে সব না এইটা যেন ওরা বুঝতে পারে।
আর প্রায় থ্রেড আসে আমাকে মেরে ফেলবে, ফোন চেঞ্জ করসি ৪ বার, ফোন এ উঁরা কথা শুনি মার্ডার কেইস এর আসামী করে দিবে, পেপার, বেতার, টিভি ৩ মিডিয়া তে আমাকে ক্রিমিনাল হিসাবে নাম দিসে এখন হাঁই কোর্ট থেকে রুল করে আমাকে ৩ বছর এর জন্য আটকে ফেলবে – বিভিন্ন থ্রেড এ স্বাভাবিক জীবন শেষ। রাস্তায় গেলে গাড়ি দিয়ে মারবে। মনে শুধু একটাই আপসোস – একটা নারী উন্নতি এর পিছে, একটা নারীই ধ্বংসের পিছে, আজকে এই মেয়ের জায়গায় যদি অন্য কোন মেয়ে থাকতো যার মধ্যে একটু সভ্যতা আছে, একটু শিক্ষা আছে তাহলে আজকে আমাদের দুই জন এর জীবন অনেক সুন্দর হতো। আমার মা আছে, আমার বোন আছে, এক মেয়ে খারাপ বলে সবাই খারাপ এইটা আমি মানি না, সবাই কে সম্মান করি।
আমার জন্য দোয়া করবেন, আর জেহুতু মিডিয়া তে গেসে, আমার প্রোফাইল এ যদি সাংবাদিক ভাই থাকেন, যদি কভার করতে চান, আমার সাথে যোগাযোগ করেন, আমি স্টেটমেন্ট দিবো, প্রমাণ দিবো। এই প্রতারক পরিবার এর মুখোস খুলে দেয়ার সময় হইসে। গুটি কয়েক হলুদ মিডিয়া থাকলেও, অনেক বেশী ভালো মিডিয়া আছে আমি শিওর।
আর সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ার পর যদি আপনার মনে হয়, আমাকে সাপোর্ট করা উচিত, তাহলে পোস্ট টি অবশ্যই শেয়ার করে দেন, কমেন্ট এ জানান।
আপনার কোন আইডিয়া থাকলে আমাকে ইনবক্স এ জানান। ২০১৩ তে একটা সময় আমি অনেকের পিছে দাঁড়িয়েছি, এখন আমার পিছে দাড়াতে পারেন, সাহস পাবো। একা অনেক লড়েছি, এখন আপনাদের দরকার। দোয়া করবেন, অনেক দিন পর হাল্কা লাগতেসে, একটু শান্তিতে ঘুমাতে যাই। আর যদি ফলোআপ পোস্ট না পান, বুঝবেন আবার কোন বিপদে ফাঁসায় ফেলসে, অথবা মেরে ফেলসে, নাহলে অন্য কোন মামলা দিয়ে এরেস্ট করাইসে।
তবে আমি আন্তরিক ভাবে চাই, ওরা ওদের মত ভালো থাকুক, আমি আমার মত ভালো থাকি। আর চাই যারা এই ব্যাপার টায় সহায়তা করতে পারবেন যেমন কুঞ্জ আপু, দুই পক্ষ কে এক সাথে বসিয়ে একটা সুন্দর মীমাংসার বেবস্থা করে দিতে। আর যারা বিয়ের পরে আলহামদুলিল্লাহ পোস্ট দেন, দোয়া কইরেন আমি যেন আলহামদুইল্লাহ বলে ডিভোর্স টা তাড়াতাড়ি ফাইল করতে পারি।
আপসোস একটাই জাঁকে এতো সম্মান দিলাম, মাথায় করে রাখলাম, সব কিছু দিলাম আর সে এমন কাজ করলো, আর এরকম মেয়ে গুলার জন্য যারা ভালো মেয়ে তাড়া বিপদে পরে।
আর এই মেয়ে কে এতো পাগল এর মত বিশ্বাস করার পিছন এও অনেক গেম আছে । এই মেয়ে পুরাই সাইকো, স্যাডিস্ট, পরে আরেকদিন লিখবো।
anyway, shit happens, but life goes on..
culiveUncategorizedইন্টারভিউউদ্দীপনাক্যারিয়ারক্রাইম এন্ড "ল"গল্পরিফাত আহমেদ,সোনিয়া আফরিন ইভাকে(প্রতারক)পাবলিক স্টেটমেন্ট - সোনিয়া আফরিন ইভা   RIFAT AHMED·SATURDAY, APRIL 15, 2017 আমি রিফাত আহমেদ ,গত ২০১৬ সেপ্টেম্বর- আমার স্ত্রী “সোনিয়া আফরিন ইভা” ওরফ “ঈশিতা” এর সাথে আমার পারিবারিক কিছু সমস্যা নিয়ে আপনাদের মধ্যে অনেকেই অনেক কিছু শুনেছেন। আমাকে ফোন এ / ইনবক্স এ অনেকেই জানিয়েছেন - কিন্তু সমাজ / পজিশন ইত্যাদি...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University