অনেক আলেমই বিএনপি জামাতের স্বীকৃতির ষড়যন্ত্রের সমালোচনা করেন তাদের বক্তৃতায়। মুফতি রুহুল আমিন সাহেব বলেন, আলেমদের দুপুরবেলা স্বীকৃতির নামে চীনমৈতি সসম্মেলন কক্ষে জড়ো করে এক গ্লাস পানিও পান করান নি ফ্যশন ম্যাডাম। তারা শুধু আমাদের ব্যাবহার করেছে। কওমির উন্নায়নে কোন কাজ করে নি। কখনো তাদের কাছ থেকে আমরা এমন আন্তিরকতা পায় নি।
.
প্রধানমন্ত্রী প্রবেশ করেই এক এক করে মঞ্চের সকল শীর্ষ আলেমের কাছে গিয়ে একান্ত কুশল বিনিময় করে তারপরে নিজ আসনে বসেন।
.
আসনে বসেই প্রধানমন্ত্রীর চোঁখ পড়ে আল্লামা আনোয়ার শাহ কিশোরগঞ্জির প্রতি। তিনি সাধারন টেবিলে মঞ্চের বাহিরে আলেমদের সাথে বসা ছিলেন। ব্যাক্তিগত সচীবকে পাঠিয়ে ডেকে আনোয়ার শাহ সাহেবকে মঞ্চে আরেকটি আসন আনিয়ে সামনে বসান। এটা ছিল বঙ্গবন্ধু ও মাওলানা আতাহর আলী রহ তাদের দুই মহান পিতার সুসম্পর্কেরর সেই পুরানো স্মৃতির এক ঝলকেরর মতো।
.
আল্লামা ফরিদ উদ্দীন মাসউদ দা.বা এর বক্তব্য ছিল উপস্থিত সকল আলেমদের হৃদয়ের কথা ও ব্যাথা। তাই তার বক্তৃতার সময় ছিল পুরো সম্মেলন জুড়ে আলেমদের “ঠিক ঠিক” আর মারহাব মারহাবা উচ্চারন। আলেমরা যেন চাচ্ছিলেন, তাদের হৃদয়ের কথা, প্রাণের দাবী, গনদাবী, কেউ আজ এই মওকায় রাষ্টের সর্বোচ্চ কর্থা ব্যক্তিদের সামনে তুলে ধরেন। মাসউদ সাহেব তার প্রতিফলন ঘটান।
.
ভাষন শেষে প্রধানমন্ত্রী এসেই শায়খুল ইসলামা আল্লামা আহমদ শফি দা.বা এর কদমবুচি করেন। হুজুর চমকে উঠে মাথায় হাত দেন, পরে হাত দিয়ে ধরে বাধা দেন। (ভিডিও ফুটেজটি হয়তো টিভিতে পাওয়া যাবে)। সাংবাদিকরাও আকস্মিক বিষয়টি বুঝতে পারেন নি, তারা দৌড়ে এসে ছবি তুলেন।তখন হুজুর উচ্চাসিত ভাবে কুশল বিনিময় ও প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলাপ চারিতা করেন। যা ছিল অন্য রকম এক দৃশ্য। একজন অতিশয়পর বৃদ্ধা পিতা ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় অভিবাবক যেন, তার স্নেহের কন্যাকে আপন করে নিয়েছেন পরম সোহাগমাখা মমতায়। যিনি শাসন করেন আবার সোহাগও করেন।
.
নৈশ্যভোজে অনেক আলেমই বলেছেন, আলেমদের সাথে সরকারের এই সম্পর্ক অটুট থাকলে, বামরা সরকারকে প্রভাবিত করতে পারতো না। অপর দিকে প্রধানমন্ত্রী যে সম্মান দেখিয়েছেন, তা বিএনপি জামাতের সময় আলেমরা কখনো পান না। খালেদা জিয়া কখনো কোন আলেমকে দেখে চেয়ার থেকে উঠা বা ব্যক্তিগত কুশলাদি জিজ্ঞাসা করে আলাদা মূল্যায়ন করতেন না। তার মাঝে একটি অহমিকা কাজ করতো।
.
আল্লামা আহমদ শফি হাফিঃ এর দোয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী নিজে মাইক ঠিক করে দেন। আবার খাবারের সময় নিজে হুজুরের প্লেটে খাবার তুলে দিয়ে এক অসামান্য সম্মান জানান বাংলাদদেশে প্রধানমন্ত্রী।
.
নৈশ্যভোজে ছিল রাজকীয় বাহারি আয়োজন। আমাদের খাবার টেবিলে প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচীব, একান্ত সচীব, ব্যক্তিগত সহকারি মন্ত্রীদেরকে পাঠান। তারা আমাদের প্লেটে খাবা তুলে দেন, পানি ঢেলে দেন। বার বার আরেকটু খাবার নিতে অনুরোধ করেন। এসব ছিল আলেমদের সম্মানে রাষ্টের এক অন্যরকম ভাল লাগার সুন্দর উজ্জলতম দৃশ্য।
.
(বিঃ দ্রঃ এগুলো আমার নিজের কথা না , আমার লেখা না । এই লেখাগুলো সৈয়দ হাকীম আনোয়ার আব্দুল্লাহ এর ফেসবুক ওয়াল থেকে এনে সংক্ষিপ্ত ভাবে পোস্ট করলাম )

CoxsBazar Techন্যাশনালপলিটিক্সawami and alem,kawmiঅনেক আলেমই বিএনপি জামাতের স্বীকৃতির ষড়যন্ত্রের সমালোচনা করেন তাদের বক্তৃতায়। মুফতি রুহুল আমিন সাহেব বলেন, আলেমদের দুপুরবেলা স্বীকৃতির নামে চীনমৈতি সসম্মেলন কক্ষে জড়ো করে এক গ্লাস পানিও পান করান নি ফ্যশন ম্যাডাম। তারা শুধু আমাদের ব্যাবহার করেছে। কওমির উন্নায়নে কোন কাজ করে নি। কখনো তাদের কাছ থেকে আমরা এমন...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University