পতিতার প্রকারভেদ

পতিতার প্রকারভেদ  ১- 'কাবিন' পদ্ধতি-  আপনি জানেন কি?

১- ‘কাবিন’ পদ্ধতি-

আপনি জানেন কি?
ইউনিভার্সিটির অনেক মেধাবী ছাত্রী পরীক্ষায় ভাল নম্বর পাবার আশায় স্যারের সাথে শোয়!
শুধু এক স্যারের সাথে না, বিভিন্ন বিষয়ের নম্বরের জন্য বিভিন্ন স্যারের সাথে শোয়!
ব্যাপারটা অনেকের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছে এটা পানি ভাত!
এইসব শিক্ষকরা ‘খেয়ে ছেড়ে দেয়’। এটাকে ধর্ষণ বলে না। এটা হল ‘মিউচুয়াল সেক্স’। এতে দুই পক্ষের সম্মতি থাকে। বিশেষ করে মেয়ে পক্ষই এই দিকে দিয়ে আহবানকারী হিসেবে কাজ করে। শিক্ষকের চিন্তা নেই। কারন ভাল নম্বর পাওয়ার আশায় বিভিন্ন সেমিস্টারের বিভিন্ন মেয়েরা ওনার কাছে আসে। সবাই ‘কিছু না কিছু’ দিয়ে যায়।

শোয়ার বিনিময়ে এসব ছাত্রী কী পায়?
তারা ভাল নম্বর পায়।
এই নম্বর দিয়ে তারা কী করে?
কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা হয়। কেউ ভাল ভাল সরকারী বেসরকারী চাকরি পায়। অর্থাৎ প্রচলিত অর্থে পতিতারা যেমন টাকার বিনিময়ে শোয়া কর্মসূচীতে অংশগ্রহন করে এরা ‘নম্বরের বিনিময়ে শোয়া’ কর্মসূচীতে অংশগ্রহন করে। এই প্রজেক্টের নাম দেয়া যেতে পারে ‘কাবিন’ অর্থাৎ কাজের বিনিময়ে নম্বর কর্মসূচী!

২-দেবিন পদ্ধতি

কাবিনের পরে আসছে দেবিন। অর্থাৎ ‘দেখানোর বিনিময়ে নম্বর’ কর্মসূচী।
পরিবেশ পরিস্থিতির কারনে সব মেধাবী মেয়ে শিক্ষকের সাথে শুতে চায় না। অনেকের এই দিকে ইচ্ছাই নেই। অনেকের হয়তো বয়ফ্রেন্ড আছে, বয়ফ্রেন্ড ছাড়া অন্য কাউকে কল্পনাও করতে পারে না। তাদের একটা অংশ ‘দেবিন’ সিস্টেম এপ্লাই করে।
সাদা এপ্রোন নামের একটা জনপ্রিত মেডিকেল রিলেটেড পেইজ থেকে প্রথমে জানতে পারি মেডিকেলের বিভিন্ন পরীক্ষায় ভাইভার সময় মেডিকেল ছাত্রীরা স্যারের ‘ভাব’ বুঝে ভাইবার দিন পোষাক পরে। কোন স্যার যদি জামাতী কিংবা তাবলীগি মেন্টালিটির হয় তখন সেই ছাত্রী হিজাব নেকাব পরে। আবার কোন স্যার যদি ‘আধুনিক’ মেন্টালিটির হয় তাহলে ছাত্রী ‘আঁটসাট’ ড্রেস পরে। অর্থাৎ এখানে দেখানোর বিষয়টা আবার চলে আসে। আঁটসাট ড্রেস পরলে অনেক কিছুই দেখা যায়, দেখা না গেলেও বোঝা যায়। এগুলো বোঝাতে পারলেই স্যার খুশি হয়, আর স্যার খুশি হলেই ভাল নম্বর পাওয়া যায়।
শুধু মেডিকেলেই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘দেখানোর বিনিময়ে নম্বর’ কর্মসূচী অনেক জনপ্রিয়। সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়িয়ে এর প্রচলন বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়েও ছড়িয়ে পড়েছে।
আজ থেকে অনেক বছর আগে, ২০০০ সালের কথা, ইন্ডেপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে ভাতিজী পড়ত। তিনি ছিলেন আমার চাইতেও দুই বছরের সিনিয়ার। ওনার কথা এর আগে দুইটা পোষ্টে লিখেছিলাম। একদিন দেখি ভাতিজী ফিনফিনে এক পাতলা শাড়ী পরে ভার্সিটিতে যাচ্ছে। আমি সেই ভাইয়ের বাসায় থেকে কিছুদিন লেখাপড়া করেছিলাম। আমি আর ভাতিজী তাদের প্রাইভেট কারে বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলাম। ক্যাম্পাস ছিল বারিধারায়। পথে তাঁর দুই বান্ধবী উঠল। একজন এমন টাইট ফিটিং জামা পড়েছে যে মনে হল জামাটা গায়ে দেয়ার পরে সেলাই করেছে। আরেকজন ভাতিজীর চাইতেও পাতলা শাড়ী পরেছে। তাঁকে দেখে আমার ভাতিজী বললেন “কীরে তুই দেখি আজ স্যারদেরকে পাগল বানিয়ে ছাড়বি”
জবাবে তিনি বললেন “যে যেমন চায় তাকে সেই জিনিস দিতে হয়। মার্ক পেলেই হল।”
আমি যেহেতু মাত্র ছোট শহর থেকে ঢাকায় এসেছি তখন এসব আমার মাথায় কম ঢুকত। এছাড়া আমাদের মত মধ্যবিত্ত ফ্যামিলীতে তখন এসবের ‘দেখানোর’ প্রচলন ছিল না যদিও এখন ‘দেখানোর’ প্রচলন ফইন্নি লেভেলেও চালু হয়ে গেছে।
অর্থাৎ আমার আত্মীয় স্বজনের মধ্যেও এইসব প্রথা সেই আমল থেকেই ছিল।

চলবে….

লেখক : লালসালু

CoxsBazar Techআদার্সক্রাইম এন্ড "ল"পলিটিক্সশিক্ষাছাত্র শিক্ষকের মিউচুয়াল সেক্স,পতিতা,বিশ্ববিদ্যালয়ের পতিতাপতিতার প্রকারভেদ ১- 'কাবিন' পদ্ধতি- আপনি জানেন কি? ইউনিভার্সিটির অনেক মেধাবী ছাত্রী পরীক্ষায় ভাল নম্বর পাবার আশায় স্যারের সাথে শোয়! শুধু এক স্যারের সাথে না, বিভিন্ন বিষয়ের নম্বরের জন্য বিভিন্ন স্যারের সাথে শোয়! ব্যাপারটা অনেকের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছে এটা পানি ভাত! এইসব শিক্ষকরা 'খেয়ে ছেড়ে দেয়'। এটাকে ধর্ষণ বলে না। এটা...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University