প্রতিটি ছাত্রের স্বপ্ন থাকে বড় হয়ে ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার,জজ ব্যারিস্টার হবে কিংবা কোন ভালো চাকুরী করে পরিবারের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজেকে সমাজের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রতিষ্ঠিত করবে।কিন্তু একজন ছাত্র যখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি রাজনীতির ছাত্র হয়ে উঠে তখন তাদের এসব লক্ষ্য অনেকটা ফিকে হয়ে যায়। নিজের কাছে তারা একজন দেশপ্রমিক,সমাজ সচেতন কিংবা স্রোতের বিপরীতে সাতাঁর কেটে যাওয়া সাঁতারু।পরিবার সমাজের কাছে তারা কখনো নায়ক,কখনো অবহেলাকিংবা ঘৃণার পাত্র।পরিবারের শঙ্কা, সমাজের অবজ্ঞা আর বন্ধু-বান্ধবের অবহেলা এসব নিয়েই তারা রাজনীতি করে।আর এর পিছনে তাদের বারংবার প্রেরণা যুগিয়ে যায় ৫২’এর ভাষা আন্দোলন,৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ, ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, ২০০৭ এসেনা সরকার বিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ও সফলতা।

ইতিহাস বলে ছাত্র জনতার অংশগ্রহণ ছাড়া এদেশে কোন আন্দোলন আজ পর্যন্ত সফল হয়নি কিংবা হবেনা।তাই আমরা যারা ছাত্র রাজনীতিকে ঘৃণা করি তাদেরএসব বিষয় থেকে শিক্ষা নেয়া উচিত। আর যদি বলেন তখনকার রাজনীতি আর বর্তমান রাজনীতির প্রেক্ষাপট এক নয়,কারণ এখনকার ছাত্র রাজনীতি অযোগ্য,সন্ত্রাসও অশিক্ষিতদের হাতে নিয়ন্ত্রিত। তখন আমি বলব শিক্ষিত আর মেধাবীরা রাজনীতিতে আসছে না বলে আজ অযোগ্যরা ছাত্র রাজনীতির নেতৃত্বে।আজো যখন যোগ্যরা রাজনীতিতে পা দেয় তখন অযোগ্যরা তাদের জায়গা দিতে বাধ্য কিংবা নত শিরে দিয়ে দেয়।উদাহরণ শত শত দেয়া যাবে, আমি শুধুমাত্র একজন সফল মেধাবী ছাত্রনেতার গল্প তুলে ধরলাম যা হতে পারে লাখো মেধাবী ছাত্রজনতার রাজনীতিতে আসার অনুপ্রেরণা।

হ্যা আমি এমনই একজন ছাত্রনেতার কথা বলছি যার মেধা ও নেতৃত্বের যোগ্যতা নিয়ে কোন সন্দেহ নাই,৫মও ৮ম শ্রেণীতে টেলেন্টপুলে বৃত্তি লাভ,১০০০ এ ৮২২নাম্বার পেয়ে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি পাশ,বাণিজ্যবিভাগে ঢাকা বোর্ডে ১৫ তম মেধাস্থান অর্জন করেঢাকা কলেজের এই মেধাবী ছাত্র। এরপর শুরু হয়বিশ্ববিদ্যালয় জীবন। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাতঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় ঘ ইউনিটে ৫ম ওগ ইউনিটে ৩২ তম মেধাস্থান লাভ করে ভর্তি হোনপছন্দের বিষয় একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমবিভাগে।শুরু হল নতুন পথচলা।

মুক্তিযোদ্ধা এবং একজন রাজনীতিবিদ পিতার সন্তানহওয়ায় বেশ ছোটবেলা থেকে রাজনীতির প্রতি টানছিল অনেক।বাবার মুখে সেই ছোটবেলায় শুনতেন মুক্তিযুদ্ধপূর্ব, মুক্তিযুদ্ধকালীণ এবং মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং পট পরিবর্তনের কথা।বাবা মাওলানা আব্দুল হামিদ খাঁনভাসানীর সাথে রাজনীতি করতেন, পরবর্তীতে দেশের সংকটময় মুহুর্তে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের ধারণা প্রবর্তন করলে তার পিতাও অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দেন। বাবার মুখে দেশের সকল নায়কদের কথা তিনি শুনেছেন হয়তোবা স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের কথা একটু বেশী শোনায় তার প্রতি ভালোবাসাটা বুকে বিধে গিয়েছিল। যাহোক রাজনীতি করার ইচ্ছা ছিল তবে তা চ্যাটার্ড এ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণ করার পর। কিন্তু তা আর হলোনা।

পড়ালেখার সুবিধার্থে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতেই শেখ মুজিব হলে উঠে পড়েছিলেন তিনি। এরপর কঠোর অধ্যয়নের পাশাপাশি প্রিয় ধানের শীষের লোক খুঁজতে লাগলো আর একজন দুজন করে অনেকের সাথে পরিচয়ও হয়ে গেল।রাজনীতিতে তখনই জড়ানোর ইচ্ছা না থাকলেও যখনই শুনতো শিক্ষা ঐক্য প্রগতির মিছিল হবে মনটা চটপট করত,তবুও মনকে বুঝানোর চেষ্টা করতো।কিন্তু যখন জিয়ার সৈনিক স্লোগান কানে ভেসে আসতো তখন কি আর নিজেকে ধরে রাখা যায়? তিনিও পারেননি, এক পা দু পা হাটিহাটি পা করে তিনি জড়িয়ে গেলেন সক্রিয় রাজনীতিতে।রাজনীতি ও পড়াশেনা চলতে লাগলো সমানতালে।বিরোধী দল হওয়ায় মাঝে মাঝে নির্যাতনের শিকারও হতে হত, অনেক সময় প্রচন্ড আতঙ্কের মধ্যে কাটতো হল জীবন। তবুও ভালো ছাত্র,অমায়িক ব্যবহার আর মুখের মিষ্টি হাসির কারণে হয়তো অনেকে মারতে এসেও ফিরে যেত।তবুও বেশ কয়েকবার শোকজ, ২০০০ ও ২০০১ এর শুরুর দিকে সক্রিয়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতার ফলে বিরোধী শিবির ইর্ষা ও ক্রোধের বশবর্তী হয়ে তাকে হল থেকে বিতাড়িত করেছিল। তবুও তিনি থেমে থাকেননি,একটুও ভীত হননি। বরং পড়াশোনার পাশাপাশি সাংগঠনিক কর্মকান্ড আরো কয়েকগুন বাড়িয়ে দিয়েছিলেন।ফলসরূপ তিনি শেখ মুজিব হলের সভাপতি, অন্যদিকে বিবিএতে ৪.০০ এর মধ্যে ৩.৮০ পেয়ে কৃতিত্বের সাথে গ্রাজুয়েশন সম্পূর্ণ করেন। এরপর রাজনীতিতে অতি সক্রিয় হওয়ায় এবং রাজনীতি চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ে একাডেমিক পড়াশোনার প্রতি একটু কম নজর দিলেও কৃতিত্বের সাথে এমবিএ পাশ করেন,পরে যদিও আরো একটা বিষয়ের উপর মাস্টার্স করেন তিনি পাশাপাশি রাজনীতিতেও অনেকটা এগিয়ে গিয়েছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ন-সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন এই মেধাবী ছাত্রনেতা। আন্দোলন সংগ্রামে সবসময় সামনের কাতারে থেকে সাহসিকতার সাথে নেতৃত্ব দিতেন।

২০০৭-০৮ মইনুদ্দীন-ফখরুদ্দীন সরকারের বিরুদ্ধে ঢাবি থেকে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল সে আন্দোলনে তার ভূমিকা ও সাহসিকতার কথা তৎকালীণ ঢাবির প্রতিটা ছাত্রনেতারই জানা।অসীম সাহসী ও সংগঠনপ্রেমী এ মেধাবী ছাত্রনেতার সাহসিকতা ও দৃঢ় মনোবল আমরা আবারো দেখতে পেলাম ২০১৩ তে ঢাবি সিনেট নির্বাচনের দিন। সেদিন সিনেট ভবনের সামনে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উপর উপর্যপূরি হামলা চালিয়েছিল সরকার দলীয় ছাত্রসংগঠনের সন্ত্রাসীরা, কিন্তু তিনি পিছপা হননি কিংবা দৌড়িয়ে পালিয়ে যাননি,বরং বুকে সাহসের দানা বেধে সবাইকে সংগঠিত করে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য যে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছিলেন তা সকল জাতীয়তাবাদী যোদ্ধাদের জন্য অনুকরণীয়।

হল সভাপতি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক পরীবর্তীতে অনেক উত্তান-পতন ও ষড়যন্ত্রের নীল নকশা পা মাড়িয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি।শ্রুম ও মেধার মূল্যায়ন করায় দলের প্রতি, দেশনেত্রীর প্রতি ও প্রিয়সহযোদ্ধাদের প্রতি যেন দায়িত্বটা আরো বেশী বেড়ে গেল। কৃতজ্ঞতায় ও যথাযথ দায়িত্ব পালনের ইচ্ছা নিয়ে সারাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে কখনো ছুটে গিয়েছেন,কখনো ঢাকায় বসে খোঁজখবর নিয়েছেন মোদ্দকথা সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধান করে সারাদেশের আনাচেকানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত ও অনুপ্রাণিত করার যে চেষ্টা তিনি করেছেন তা কোন বিশেষণ দিয়ে শেষ করা যাবেনা। অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছিল,অনেক মিথ্যে বুলি ছড়িয়েছিল অনেকে।এসব কর্ণপাত না করে নিজ কাজের প্রতি ও আত্মবিশ্বাসের প্রতি অবিচল ছিলেন।

ফলসরূপ তিনি আজ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদীছাত্রদলের একজন সেনাপতি।

আকরামুল হাসান

হ্যা আমি এতক্ষণ যার কথা বলছি তিনি আর কেউ নন,দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম ছাত্রসংগঠন, বাংলাদেশেরলক্ষ লক্ষ ছাত্র জনতার প্রিয় ঠিকানা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক,সফল ও মেধাবী ছাত্রনেতা আকরামুল হাসান (মিন্টু) ভাই।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিএনপি নেতা জনাব সুলতানউদ্দিন মোল্লা ও মিসেস হাসিনা সুলতানের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান আকরামুল হাসান নরসিংদী জেলার শিবপুর থানার যশোর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। নরসিংদীতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের পাঠ চুকিয়ে ঢাকা কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। দৃষ্টান্তমূলক ফলাফল করে বিবিএ, এমবিএ ও আরো একটি মাস্টার্স শেষ করেন তিনি। বর্তমানে একাউন্টিং বিভাগের অধীনে “Cost mgt. practices in pharmaceuticals sector of BD” বিষয়ে এম.ফিল এর ১ম অংশ শেষ করেন। ভবিষ্যতে Phd. ডিগ্রী অর্জন ও পারিবারিক ব্যাবসা সম্প্রসারণেরর পাশাপাশি রাজনীতিবিদ হিসেবে দেশ ও সমাজের সেবায় নিষ্টার সাথে নিজেকে নিয়োজিত রাখার ইচ্ছে পোষণ করেন এই প্রগতিশীল ও মেধাবীছাত্রনেতা।

বিগত দুটি আন্দোলনে ওনার সাংগঠিনক দক্ষতা ও দূরদৃষ্টিতা দিয়ে কিভাবে সারা বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের অনুপ্রাণিত করেছিলেন সেটা আমরা সকলে জানি। শত প্রতিকূলতা শর্তেও তিনি সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে নিজেও সক্রিয় থেকেছিলেন এবং সবাইকে সক্রিয় থাকতে উৎসাহ জাগিয়েছিলেন।ফলসরূপ বিগত আন্দোলনে শুধুমাত্র ছাত্রদলের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মত।কিছু সময়ের জন্য কয়েকবার তার সাক্ষাৎ লাভের সুযোগ হয়েছিল,যতটুকু সময় পাশে ছিলাম মুগ্ধ হয়ে শুনেছি এগিয়ে যাওয়ার মন্ত্র,আন্তরিকতা ও হাসিমুখে কিভাবে একজন অনুজকে অনুপ্রাণিত করে তা নিজ চোখে পলক করেছি আর নিজ কানে শ্রবণ করে উজ্জীবিত হয়েছি।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণসম্পাদক হিসেবে সংগঠন নিয়ে একগুচ্ছ স্বপ্ন একেঁছেনতিনি।দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারুণ্যেরঅহংকার তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেতিনি বলেন “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল শহীদপ্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া দল। তার জাতীয়তাবাদের আদর্শ বাস্ততবায়নে প্রয়োজনে ছাত্রদল বুকের রক্ত দিবে। তবুও মাথা নত করবে না,পিছু হঠবে না। সারা বাংলাদেশের যোগ্য ও কর্মঠ কর্মীদের দিয়ে সকল সাংগঠনিক জেলা পুনঃগঠন করে ছাত্রদলের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনবেন অচিরেই।”

আর সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন-

“১৯৭১ এ ভোটের রায় প্রতিষ্ঠা হয়নি বলে আমরাআন্দোলন শুরু করেছিলাম,যা পরবর্তীতে স্বাধীনতা আন্দোলনে পরিণত হয়েছিল। তেমনি আজো ভোটের রায় অবহেলিত,গণতন্ত্র পদদলিত। তাই আবারো সময় এসেছে জেগে উঠার, এবার আর স্বাধীনতা অর্জনের জন্য নয়, বরং গণতন্ত্র পুনঃউদ্ধার করে পূর্ণ স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা ও ঠিকিয়ে রাখার জন্যে ছাত্রসমাজের এক হয়ে গর্জে ওঠা সময়ের অপরিহার্য দাবি।”

প্রিয় সহযোদ্ধারা, আমরা যারা হতাশ সবাইকে বলতে চাই শুধুমাত্র আকরাম ভাইকে দেখুন।ওনার মত একজন মেধাবী ছাত্র চাইলে ঢাবির শিক্ষক হতে পারতেন,হতে পারতেন ১ম শ্রেণীর সরকারি চাকুরীজীবী কিংবা বিসিএস কাডার, অথচ তিনি হননি,বিসর্জন দিয়েছেন সহজ উপায়ে সুখে থাকার সুযোগ।কারণ একটাই তিনি খুব বেশী ভালোবেসে ফেলেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রেখে যাওয়া আদর্শকে, যা তাকে ঘুমোতে দেয়না, তাইতো ৪২ টা মামলার হুলিয়া নিয়েও তিনি দিনরাত প্রাণের প্রিয় সংগঠনকে সময় দিচ্ছেন যাতে দেশনেত্রীকে ৯০ দশকের হারানো সেই পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে দিতে পারেন,দিনরাত একটা স্বপ্নই দেখেন প্রাণের সংগঠন আরো বেশী গতিশীল ও কার্যকরী করে তুলবেন।তিনি যদি পারেন আমরা কেন নয়? হয়তো পাওয়া না পাওয়ার হিসেবটা কষে আমরা মনঃক্ষন্ন হই।তবে আমাদের মনে রাখা উচিত কর্মের ফল কখনো বৃথা যায়না,তা একদিন না একদিন আপনার মূল্যায়ন করবেই। তাই আসুন সকল হতাশা ও ক্লান্তি ঝেড়ে ফেলে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্টার আন্দোলনে আরো বেশী সক্রিয় ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করি। রাজনীতি বিদ্বেষীদের বলব, রাজনীতিকে নয়,অপরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদকে ঘৃণা করুন।মনে রাখবেন,যতদিন পর্যন্ত মেধাহীন ও অযোগ্যরা ছাত্রনেতা কিংবা জননেতা হিসেবে পরিচয় দিবে ততদিন পর্যন্ত এদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়,শুধু তাই নয় অযোগ্যদের হাতে নেতৃত্ব চলে গেলে সন্ত্রাস,দুর্নীতি, দুঃশাসনের যেমন অবসান হবেনা তেমনি দেশও পিছিয়ে যেতে যেতে একদিন বসবাসের সম্পূর্ণ অযোগ্য হয়ে যাবে। তাই আসুন নিজ ক্যারিয়ার ও পরিবারের পাশাপাশি দেশটাকেও একটু সময় দিই,একটু ভালোবাসি। অযোগ্যদের হাত থেকে কেড়ে নিই রাজনীতির চালিকাশক্তি। তবে সেদিন বেশী দূরে নয়, যোগ্য ও সুনিপুণ নেতৃত্ব দিয়ে এদেশকে বিশ্ব দরবারে মাথা উচু করে দাঁড় করাবে এদেশের মেধাবী ছাত্রসমাজ।

পরিশেষে সকলের কাছে মেধাবী,পরিশ্রমী,প্রগতিশীল ও বিপ্লবী ছাত্রনেতা আকরামুল হাসান মিন্টু ভাইয়ের জন্য দোয়া কামনা করছি যাতে তিনি ছাত্রসমাজের জন্য আরো দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যেতে পারেন এবং তার অনুপ্রেরণার মন্ত্রে উজ্জীবিত করতে পারেন হতাশায় নিমজ্জি জাতীয়তাবাদী শক্তির সকলবীর সৈনিকদের।

ধন্যবাদান্তে :-Md Shahidul Islam

মোঃ শহিদুল ইসলাম (শহিদ)।

সাধারণ সম্পাদক,

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল,চট্টগ্রামবিশ্ববিদ্যালয়।

https://i1.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2017/03/IMG-20170309-WA0001.jpg?fit=540%2C369https://i1.wp.com/culive24.com/wp-content/uploads/2017/03/IMG-20170309-WA0001.jpg?resize=150%2C150MSH HridoyBlogGallaryStoryউদ্দীপনাগল্পপলিটিক্সব্যাক্তিত্বব্লগমতামতমিডিয়াপ্রেরণার বাতিঘরপ্রতিটি ছাত্রের স্বপ্ন থাকে বড় হয়ে ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার,জজ ব্যারিস্টার হবে কিংবা কোন ভালো চাকুরী করে পরিবারের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজেকে সমাজের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রতিষ্ঠিত করবে।কিন্তু একজন ছাত্র যখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি রাজনীতির ছাত্র হয়ে উঠে তখন তাদের এসব লক্ষ্য অনেকটা ফিকে হয়ে যায়। নিজের কাছে তারা একজন দেশপ্রমিক,সমাজ সচেতন কিংবা স্রোতের বিপরীতে সাতাঁর কেটে যাওয়া সাঁতারু।পরিবার সমাজের...Think + and get inspired | Priority for Success and Positive Info of Chittagong University